বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

অর্থনীতি

আগস্টে প্রবাসী আয় ৩৪৮০৯ কোটি টাকা

আগস্টে প্রবাসী আয় ৩৪৮০৯ কোটি টাকা

চলতি বছরের আগস্টের প্রথম ৩০ দিনে দেশে ২৮৩ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩৪ হাজার ৮০৯ কোটি টাকা, প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে।সোমবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের আগস্টের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে চলতি বছরের প্রথম ৩০ দিনে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২৬ দশমিক ৯০ শতাংশ।এদিকে শুধু রোববারই দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৯৮০ কোটি ৩০ লাখ টাকা।চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৫৬৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৪৭০ কোটি ৭০ লাখ ডলার।অর্থাৎ এক বছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ৯৮ কোটি ২০ লাখ ডলার। রেমিট্যান্সের এই প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

হিলি বন্দরে তৃতীয় দিনেও বাণিজ্য বন্ধ, বুধবার বৈঠকে নজর

ভারতের ব্যবসায়ীদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের কারণে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি টানা তৃতীয় দিনের মতো বন্ধ রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।সোমবার (৩০ আগস্ট) থেকে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি বন্ধ রাখেন। মঙ্গলবার পর্যন্ত সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না আসায় বুধবারও বাণিজ্য কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।তবে বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে প্রশাসনিক বৈঠকে অংশ নেবেন। ওই বৈঠকে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি দেওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে পণ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন সমস্যার বিষয় তুলে ধরা হবে। বৈঠকের পর ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।ভারতের হিলি এক্সপোর্টার অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বিকাশ মন্ডল বলেন, পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য স্থলবন্দরের তুলনায় হিলি বন্দর ব্যবসায়িকভাবে পিছিয়ে পড়ছে। বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা ও বাধার কারণে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।তার দাবি, সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই ব্যবসায়ীদের স্বার্থে বাধ্য হয়ে রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবারের বৈঠকে সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ পাওয়া গেলে ধর্মঘট প্রত্যাহার হতে পারে। অন্যথায় কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।বাংলাদেশের হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী ওয়াহেদুর রহমান রিপন জানান, আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় দেশের ব্যবসায়ীরাও বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ছেন। অনেক ব্যবসায়ী আগে থেকেই এলসি খুলেছেন। পাশাপাশি ভারতের অভ্যন্তরে বেশ কিছু পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকে রয়েছে। পণ্য সময়মতো না আসায় বাড়ছে আর্থিক ক্ষতি।এদিকে বন্দরকেন্দ্রিক শ্রমিকরাও কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক গোলাপ হোসেন জানান, কয়েক দিন ধরে ভারত থেকে কোনো পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে ঢুকছে না, আবার বাংলাদেশ থেকেও রপ্তানিপণ্য নিয়ে ট্রাক ভারতে যাচ্ছে না। ফলে দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল শ্রমিকদের পরিবার নিয়ে সংকটে পড়তে হচ্ছে।তবে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও হিলি স্থল কাস্টমস স্টেশনের দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু রয়েছে। রাজস্ব কর্মকর্তা পারভেজ জানান, নতুন করে পণ্য আনা-নেওয়া বন্ধ থাকলেও আগে আমদানি করা পণ্যের প্রয়োজনীয় কাস্টমস কার্যক্রম সম্পন্ন করে খালাসের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

হিলি বন্দরে তৃতীয় দিনেও বাণিজ্য বন্ধ, বুধবার বৈঠকে নজর

আবারও কমলো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও কমানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এবার সবচেয়ে উন্নতমানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরিতে দাম কমেছে ৪ হাজার ৪৭৪ টাকা।বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ টাকা।সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে এ নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে।বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় গহনার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে সোমবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকেই স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দর কার্যকরের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।ফলে নতুন দামে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি গহনার দাম দাঁড়াল ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ টাকা।

আবারও কমলো স্বর্ণের দাম

সপ্তাহের শুরুতেই কমলো সোনার দাম

দেশের বাজারে সোনার গহনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি গহনার দাম কমানো হয়েছে ৭ হাজার ১১৫ টাকা। নতুন দামে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার গহনা বিক্রি হবে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকায়।শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমে যাওয়ায় গহনার দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।বাজুসের প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি ৬ হাজার ৮২৩ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৮৩২ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরির দাম ৪ হাজার ৭২৪ টাকা কমে হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ১৯৬ টাকা।এর আগে ২০, ২২ ও ২৫ আগস্ট—তিন দফায় ২২ ক্যারেট সোনার দাম মোট ১০ হাজার ৯৬৪ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ ২৫ আগস্ট প্রতি ভরির দাম দাঁড়ায় ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে সেই দাম থেকে আবার বড় অঙ্কের পতন ঘটল।সোনার পাশাপাশি কমানো হয়েছে রুপার গহনার দামও। ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ১৭৫ টাকা কমে হয়েছে ৫ হাজার ৩০৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরির নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা।

সপ্তাহের শুরুতেই কমলো সোনার দাম

টিন থাকলেই কি কর দিতে হবে? ঘরে বসে জিরো রিটার্ন যেভাবে

টিন সার্টিফিকেট থাকলেই আয়কর দিতে হবে—এমন ধারণা ঠিক নয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে টিন থাকলে রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা তৈরি হতে পারে। আয় করমুক্ত সীমার মধ্যে থাকলে রিটার্ন জমা দেওয়ার পরও প্রদেয় কর শূন্য হতে পারে, যাকে সাধারণভাবে জিরো ট্যাক্স রিটার্ন বলা হয়।২০২৬-২০২৭ করবর্ষের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-রিটার্ন ব্যবস্থা চালু রয়েছে। ফলে করদাতারা ঘরে বসেই অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারছেন।প্রথমে এনবিআরের ই-রিটার্ন পোর্টালে গিয়ে টিন ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। নতুন ব্যবহারকারী হলে সাধারণত ১২ সংখ্যার টিন, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং এনআইডির সঙ্গে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করতে হয়।লগইনের পর ‘রিটার্ন সাবমিশন’ অপশন থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। এখানে আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের প্রকৃত তথ্য উল্লেখ করা জরুরি। আয় না থাকলেও সব ঘর শূন্য করে দেওয়া যাবে না। ব্যাংকে টাকা, জমি, বাড়ি বা অন্য কোনো সম্পদ থাকলে সেগুলোর তথ্যও সঠিকভাবে দিতে হবে।২০২৬-২০২৭ করবর্ষে সাধারণ ব্যক্তির জন্য প্রথম ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত। নারী ও ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে সীমা ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের জন্য ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের জন্য সীমা ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা।সব তথ্য পূরণ করার পর ‘ট্যাক্স অ্যান্ড পেমেন্ট’ অংশে প্রদেয় করের হিসাব দেখা যাবে। প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতে করের পরিমাণ শূন্য হলে সেটিই জিরো ট্যাক্স রিটার্ন।সাবমিটের আগে পুরো রিটার্ন যাচাই করে ভুল থাকলে সংশোধন করতে হবে। এরপর রিটার্ন জমা দিলে অ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপ ও ট্যাক্স সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে, যা পরবর্তীতে সংরক্ষণ বা প্রিন্ট করা যাবে।তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—কর শূন্য হলেও তথ্য শূন্য নয়। আয়, সম্পদ, ব্যয় ও দায়ের প্রকৃত হিসাবই দিতে হবে। ভুল তথ্য দিয়ে জিরো রিটার্ন জমা দিলে ভবিষ্যতে করসংক্রান্ত জটিলতায় পড়তে হতে পারে।

টিন থাকলেই কি কর দিতে হবে? ঘরে বসে জিরো রিটার্ন যেভাবে

২৫ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাবে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার প্রতি ভরিতে দাম বেড়েছে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্য ঘোষণা করে বাজুস। একই দিন সকাল ১০টা থেকে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।বাজুসের নির্ধারিত দামে, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকায়। একইভাবে ২১ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৬ টাকা। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম হবে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকা।সংগঠনটি জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই মূল্য বহাল থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা ও কাজের ধরন অনুযায়ী মজুরি আলাদাভাবে প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে অতিরিক্ত ভ্যাট নেওয়া যাবে না।বাজুসের ভাষ্য, দেশের স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের দাম বেড়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।চলতি বছরে এ নিয়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ১০৭ বার পরিবর্তন করল বাজুস। এর মধ্যে ৫৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, ৫১ বার কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাটের কারণে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

২৫ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

আবারও বেড়েছে সোনার দাম

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১,৬৩৩ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে ভালো মানের সোনার দর আড়াই লাখ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দর কার্যকর হয়েছে।  সোনার নতুন মূল্যতালিকা (প্রতি ভরি / ১১.৬৬৪ গ্রাম):সোনা (ক্যারেট)নতুন মূল্য (ভ্যাটসহ)২২ ক্যারেট২,৪৭,৭৪৩ টাকা২১ ক্যারেট২,৩৬,৬০৪ টাকা১৮ ক্যারেট২,০২,৮৮০ টাকা (তথ্য সংশোধিত)*সনাতন পদ্ধতি১,৬৫,৯২০ টাকা*বি: দ্র: সংবাদের ১৮ ক্যারেট সোনার দরে প্রদত্ত হিসাবটি টাইপিং ভুল হতে পারে; বাজুস নির্ধারিত সাধারণ অনুপাত অনুযায়ী ১৮ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির বাজারমূল্য ২ লাখ ২ হাজার টাকার কাছাকাছি (৩ লাখের ঘরে নয়)।  রুপার মূল্যতালিকা (অপরিবর্তিত):সোনার দাম বৃদ্ধি পেলেও রুপার দাম পূর্বের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।  ২২ ক্যারেট: ৫,৪৮২ টাকা/ভরি  ২১ ক্যারেট: ৫,২৪৯ টাকা/ভরি  ১৮ ক্যারেট: ৪,৪৯১ টাকা/ভরি  সনাতন পদ্ধতি: ৩,৩৮৩ টাকা/ভরি  

আবারও বেড়েছে সোনার দাম

বেনাপোলে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বুধবার সকল কার্যক্রম বন্ধ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বুধবার (২৬ আগস্ট) দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত অন্যান্য দিনের মতো স্বাভাবিক থাকবে।সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি।তিনি জানান, বুধবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে আবারো যথানিয়মে আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম চলবে।বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন খান জানান, বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে বুধবার বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রীরা স্বাভাবিক ভাবে যাতায়াত করতে পারবেন।বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন বলেন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) দিবসে সরকারি ছুটি থাকায় বুধবার বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুনরায় বন্দরের কার্যক্রমসহ আমদানি-রপ্তানি শুরু হবে। তবে বেনাপোল বন্দরে পণ্য খালাস করা খালি ভারতীয় খালি ট্রাক ফিরে যেতে পারবে।এদিকে একদিনের জন্য বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় দুই দেশের বন্দরে পণ্যজটের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে প্রায় ৬০০ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়ে থাকে। পাশাপাশি চিকিৎসা, ব্যবসা ও বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিদিন দেড় হাজারের বেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী এ পথে যাতায়াত করেন। বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিদিন সরকার প্রায় ১০ কোটি টাকা এবং যাত্রী যাতায়াত থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। 

বেনাপোলে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বুধবার সকল কার্যক্রম বন্ধ

অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন করে ‘এপ্রিল-মার্চ’ করার সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশের বর্তমান ‘জুলাই-জুন’ অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন করে ‘এপ্রিল-মার্চ’ করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কর্মপন্থা ও কৌশল নির্ধারণ করতে সরকার ৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে।মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, আইন ও সংসদ বিষয়ক সচিব এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান।আগামী ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন ‘এপ্রিল-মার্চ’ সময়সীমা পুরোপুরি কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই পরিবর্তনটি সহজে বাস্তবায়নের জন্য ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে ৯ মাসের একটি অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর হিসেবে ধরা হবে (জুলাই থেকে শুরু হয়ে মার্চে শেষ)।কমিটির কাজের পরিধি: কমিটি অর্থবছরের সময়সীমা বদলাতে সংবিধান ও ‘জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭’-এর প্রয়োজনীয় সংশোধন এবং সরকারের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনায় দরকারি সংস্কারের কর্মপন্থা নির্ধারণ করবে।বিদ্যমান ‘জুলাই-জুন’ অর্থবছরে দেশের অবকাঠামো উন্নয়নকাজের একটি বড় অংশ জুলাই ও আগস্ট মাসে গড়ায়। এ সময় তীব্র বর্ষার কারণে সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ ব্যাহত হয়, কাজের গুণগত মান নষ্ট হয় এবং জনভোগান্তি বাড়ে।অর্থবছর 'এপ্রিল-মার্চ' করা হলে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের সিংহভাগ কাজ নিরাপদে ও নির্ধারিত সময়ে শেষ করা সম্ভব হবে।

অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন করে ‘এপ্রিল-মার্চ’ করার সিদ্ধান্ত

গ্যাস সংকটে ফুওয়াং ফুডের কারখানায় ৬ মাসের বন্ধ উৎপাদন

গ্যাস–সংকট ও কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির কারণে খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ফুওয়াং ফুডের গাজীপুরের হোতাপাড়া কারখানা ছয় মাসের জন্য লেঅফ ঘোষণা করা হয়েছে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি আজ রোববার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে এ তথ্য জানিয়েছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের শনিবারের সভায় কারখানা লেঅফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গতকাল শনিবার থেকেই কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই লেঅফের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ছয় মাস। ফুওয়াং ফুড দেশে ব্রেড, বিস্কুট, কেক, নুডলসসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য উৎপাদন করে। কোম্পানিটির কারখানা গাজীপুরের হোতাপাড়ায় অবস্থিত। ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় এক হাজার কর্মী রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে থাকা কোম্পানিটি বর্তমানে শেয়ারবাজারের ‘জেড’ শ্রেণিভুক্ত। ২০২৩ সালের পর শেয়ারধারীদের কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহের সংকট পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। কারখানা বন্ধের খবর শেয়ারবাজারেও প্রভাব ফেলেছে। রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ফুওয়াং ফুডের শেয়ারের দাম ১০ পয়সা বা প্রায় ১ শতাংশ কমে ১১ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে। দিনটিতে কোম্পানিটির প্রায় পৌনে দুই লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ছয় মাসের লেঅফের ফলে কারখানার উৎপাদন ও কর্মীদের ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে এখন নজর রয়েছে। গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি ও উৎপাদন ব্যয় স্বাভাবিক হলে প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত সময়ের আগেই কার্যক্রমে ফিরতে পারবে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

গ্যাস সংকটে ফুওয়াং ফুডের কারখানায় ৬ মাসের বন্ধ উৎপাদন

বাংলা কিউআরে লেনদেন বেড়ে দৈনিক ১১০ কোটি টাকা, মার্চেন্ট ছাড়াল ৩০ লাখ

ডিজিটাল লেনদেনকে আরও সহজ ও বিস্তৃত করতে চালু করা ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এই ব্যবস্থায় প্রতিদিন ১১০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হচ্ছে। একই সময়ে বাংলা কিউআর গ্রহণকারী মার্চেন্টের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩০ লাখে পৌঁছেছে। ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ গড়ার অংশ হিসেবে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে দেশের ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব বা প্রোপ্রাইটরি কিউআর কোডের পরিবর্তে একক বাংলা কিউআর ব্যবহারের ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়। এর ফলে গ্রাহকদের জন্য ডিজিটাল পেমেন্ট আরও সহজ হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট বাংলা কিউআর কোড ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যাংক ও এমএফএস অ্যাপের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার মূল্য পরিশোধ করা যাচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীদের একাধিক প্রতিষ্ঠানের আলাদা কিউআর কোড রাখার প্রয়োজনও কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, জুলাইয়ের শুরুতে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ লাখ ৭৮ হাজার লেনদেন হতো। সর্বশেষ হিসাবে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩ লাখ ৩ হাজারে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনের আর্থিক পরিমাণেও বড় পরিবর্তন এসেছে। জুলাইয়ের শুরুতে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ৩৭ কোটি টাকার লেনদেন হতো, বর্তমানে তা বেড়ে ১১০ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। অর্থাৎ অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলা কিউআর ব্যবস্থায় লেনদেনের পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়েছে। মার্চেন্টের সংখ্যাতেও একই ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। আগে যেখানে প্রায় ১৬ লাখ মার্চেন্ট বাংলা কিউআর ব্যবহার করতেন, বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩০ লাখ হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, ‘এক দেশ এক কিউআর’ নীতি বাস্তবায়নের ফলে ব্যবসায়ী ও গ্রাহক—দুই পক্ষই সুবিধা পাচ্ছেন। ব্যবসায়ীদের একাধিক কিউআর কোড ব্যবহারের ঝামেলা কমেছে। অন্যদিকে গ্রাহকরা নিজেদের পছন্দের ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ ব্যবহার করেই বিভিন্ন দোকান ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে বিল পরিশোধ করতে পারছেন। রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি—উভয় ধরনের ব্যাংক এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে, বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়ার ফলে দেশে ডিজিটাল পেমেন্টের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে এবং নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সহজ, দ্রুত ও আন্তঃসংযুক্ত ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা তৈরি করা। বাংলা কিউআরের ব্যবহার যেভাবে দ্রুত বাড়ছে, তাতে দেশের ক্যাশলেস অর্থনীতির দিকে অগ্রযাত্রায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলা কিউআরে লেনদেন বেড়ে দৈনিক ১১০ কোটি টাকা, মার্চেন্ট ছাড়াল ৩০ লাখ

বিশ্বব্যাংকে নতুন দায়িত্বে সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান

সদ্য অবসরে যাওয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানকে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট কনস্টিটুয়েন্সির ‘বিকল্প নির্বাহী পরিচালক’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তরে এ দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। যোগদানের দিন থেকে তিন বছর মেয়াদে চুক্তিভিত্তিক এই নিয়োগ কার্যকর হবে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অবসর-পরবর্তী ছুটি ও সংশ্লিষ্ট সুবিধা স্থগিত এবং অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান-সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক না রাখার শর্তে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।মো. আবদুর রহমান খান ২০২৪ সালের আগস্টে এনবিআর চেয়ারম্যান ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিবের দায়িত্ব নেন। চলতি বছরের জুনে সরকারি চাকরির নিয়মিত মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি অবসরে যান।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর তিনি আইসিএমএবি থেকে পেশাগত ডিগ্রি অর্জন করেন এবং এফসিএমএ সনদ পান। তিনি বিসিএস (কর) ক্যাডারের ১৩তম ব্যাচের কর্মকর্তা।

বিশ্বব্যাংকে নতুন দায়িত্বে সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান

বিশ্ববাজারে বাড়ছে স্বর্ণের দাম, আরও বাড়বে দেশে

মার্কিন ডলারের দরপতন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের বন্ড পুনঃক্রয় কর্মসূচি সম্প্রসারণের ঘোষণায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। ফলে টানা তৃতীয় সপ্তাহে মূল্যবান ধাতুটির দাম বাড়ার পথে রয়েছে। এর প্রভাব দেশের বাজারেও পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।শুক্রবার (২১ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টা ৫ মিনিট পর্যন্ত স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্সে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৫৩৭ দশমিক ৪১ ডলার। সপ্তাহের হিসাবে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম বেড়েছে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। এর আগের লেনদেন পর্বে জুনের শুরুর পর সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছিল স্বর্ণ।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের ফিউচার চুক্তির দামও ০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৯৩ দশমিক ৯০ ডলারে উঠেছে।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ডলারের মান কমে যাওয়ায় অন্য মুদ্রার ক্রেতাদের কাছে ডলারে মূল্য নির্ধারিত স্বর্ণ তুলনামূলক সাশ্রয়ী হয়ে উঠছে। এতে চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, সরকার বন্ড পুনঃক্রয়ের পরিমাণ আরও বাড়ানোর কথা বিবেচনা করছে। ট্রেজারি বিভাগ ইতোমধ্যে আগামী প্রান্তিকে দীর্ঘমেয়াদি সিকিউরিটিজের বন্ড পুনঃক্রয় দ্বিগুণ করে প্রতিটি কার্যক্রমে কমপক্ষে ৪ বিলিয়ন ডলারে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।তবে স্বর্ণের বাজারের পরবর্তী গতি অনেকটাই নির্ভর করবে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ওপর। বাজারে সুদের হার বাড়ার আশঙ্কা থাকলে সাধারণত স্বর্ণের আকর্ষণ কমে, কারণ এ ধাতু থেকে কোনো সুদ বা নিয়মিত আয় পাওয়া যায় না।এদিকে সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, আগামী মাসে ফেড সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে—এমন সম্ভাবনা দেখছেন ৬৩ শতাংশ ব্যবসায়ী। আর সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা ধরা হচ্ছে ৩৭ শতাংশ।অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও দেখা গেছে ঊর্ধ্বগতি। শুক্রবার স্পট রুপার দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৮ দশমিক ৯৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনাম ২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৮৬৫ দশমিক ২৯ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩৪৪ দশমিক ৪৪ ডলারে উঠেছে।বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার এই ঊর্ধ্বগতির প্রভাব বাংলাদেশের বাজারেও পড়তে পারে। এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম বাড়িয়েছে।নতুন নির্ধারিত দামে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকায়। ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ১৯৬ টাকা।একই সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম এখন ৫ হাজার ৩০৭ টাকা। চলতি বছরে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ইতোমধ্যে ১০৫ বার এবং রুপার দাম ৬৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে।বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের বাজারেও স্বর্ণ ও রুপার দাম নতুন করে বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্ববাজারে বাড়ছে স্বর্ণের দাম, আরও বাড়বে দেশে

জেনে নিন আজকের স্বর্ণের ভরি কত

আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। জেনে নিন আজকের স্বর্ণের ভরি কতনতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৬১৫ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ১৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ টাকা করা হয়েছে। এর আগে গত ১৫ আগস্টও দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। সেবার ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একইভাবে ২১ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা। জেনে নিন আজকের স্বর্ণের ভরি কতঅন্যদিকে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৮৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।

জেনে নিন আজকের স্বর্ণের ভরি কত

আগস্টের প্রথম ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৩ হাজার কোটি টাকা

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আগস্ট মাসের প্রথম ১৭ দিনেই ১৮৮ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৩ হাজার ২১০ কোটি ১০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কেবল সোমবার (১৭ আগস্ট) একদিনেই দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ১,২০৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা।গত বছরের চেয়ে প্রবৃদ্ধি: গত ২০২৫ সালের আগস্টের প্রথম ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪২ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় ৩২.৬০% বৃদ্ধি পেয়েছে।অর্থবছরের সামগ্রিক চিত্র (১ জুলাই - ১৭ আগস্ট): চলতি অর্থবছরের এই দেড় মাসে মোট ৪৭৪ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩৯০ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, সামগ্রিকভাবে আয় ২১.৬০% বেড়েছে।

আগস্টের প্রথম ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৩ হাজার কোটি টাকা

চুয়াডাঙ্গায় লোডশেডিংয়ের প্রভাবে মুরগি ডিম উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে

চুয়াডাঙ্গায় সদর উপজেলা হাতিকাটা গ্রামে তিন বিঘা জমির ওপর নির্মিত বিশাল এক জোয়ার্দ্দার পোল্ট্রি ফার্ম। এ ফার্মে ৩ হাজার লেয়ার মুরগি আছে। যেখানে প্রতিদিন ২ হাজার ডিম উৎপাদন হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের কারণে ডিম উৎপাদন কমেছে দৈনিক ৫০০ থেকে ৭০০ পিস। এই সাথে বেড়েছে মুরগি ও ডিম উৎপাদনের দ্বিগুণ খরচের পরিমাণ। জোয়ার্দ্দার ফার্মে মাসে ৯০ শতাংশ ডিম উৎপাদন কমে মাসিক ডিম উৎপাদন হচ্ছে ৬০ হাজার। লোডশেডিংশের আগে এই ফার্মে প্রতিমাসে ডিম উৎপাদন হতো ৭৫ হাজারের বেশি।সারাদেশে লোডশেডিংয়ের প্রভাবে পোল্ট্রি শিল্প খাতে বড় লোকশানের ধাক্কা খাচ্ছে ফার্ম মালিকেরা। দিনে ও রাতের বেলায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রভাবে চুয়াডাঙ্গাতে পোল্ট্রি ফার্মে ডিম উৎপাদনে ব্যহত হচ্ছে। দিনে ও রাতের অর্ধেক সময়জুড়ে বন্ধ থাকছে বিদ্যুৎ। যার ফলে মুরগি ও ডিম উৎপাদনে চরম লোকশান গুনতে হবে বলে জানান ফার্ম মালিকরা।হাতিকাটা জোয়ার্দ্দার ফার্মের মালিক পিন্টু জোয়ার্দ্দার  জানান, চুয়াডাঙ্গার ওজোপাডিকো ও পল্লী বিদুৎ বিভাগে সারাক্ষণ বিদ্যুৎ বন্ধ থাকছে। এতে পোল্ট্রি ফার্মের মালিকরা খুব বিপাকে আছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রভাবে ডিম ও মুরগি উৎপাদনে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। সময় মতো বিদ্যুৎ না থাকায় ডিজেল চালিত জেনারেটর চালিয়ে মুরগির ডিম উৎপাদন করতে হচ্ছে। এতে ব্যয় বাড়ছে।তিনি আরও জানান, প্রতিমাসে মুরগি ও ডিম উৎপাদনে বাড়তি ১ লাখ টাকা খরচ গুনতে হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের প্রভাব কমে গেলে পোল্ট্রি খাতে লাভের সম্ভাবনা আছে । লোডশেডিং চলতে থাকলে মুরগি ফার্ম মালিকদের পথে বসার উপক্রম হয়ে যাবে।চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে সুত্রে জানাগেছে, জেলায় প্রান্তিক ব্রয়লার মুরগির খামার ৮ হাজার ২৯৫ টি, লেয়ার মুরগি খামার ৫ হাজার ৯২৮ টি, হাঁসের খামার ৩৯৮ টি। অপরদিকে কোম্পানি ফার্মের মধ্যে ব্রয়লার মুরগি খামারের সংখ্যা ৬২ টি, লেয়ার মুরগির খামার ২১ টি ও হাঁসের খামার ৬ টি।জেলার এক পোল্ট্রি খামারি মিরাজ হোসেন বলেন, ‘ঘন ঘন লোডশেডিংর কারণে মুরগি ও ডিম উৎপাদনে অনেক সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এক ঘন্টা পর পর বিদ্যুৎ বন্ধ থাকছে। এতে ডিম উৎপাদন প্রতিদিন কমে আসছে। ফলে ফার্মে অনেক লোকশান গুনতে হচ্ছে।’জেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার ডা: মোঃ সাহাবুদ্দিন  বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গায় লোডশেডিংয়ের কারণে আমাদের পোল্ট্রি খামারীরা বিপাকে আছে। তাদের মুরগি ও ডিম উৎপাদনে খরচ বাড়ছে। এই বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় মুরগি ডিম উৎপাদনে বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে প্রাণীসম্পদ অফিস এ ব্যাপারে খামারিদের নিয়ম মতো পরামর্শ দিচ্ছে।’চুয়াডাঙ্গা ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্টিভিশন কোং লিমিটেড(ওজোপাডিকো) সুত্রে জানাগেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলা মিলে বিদ্যুতের গ্রাহক আছে ৬০ হাজার। এখানে বিদ্যুদের চাহিদা ২৫ মেগাওয়াট। যেখানে সরবরাহ করা হচ্ছে ২০ মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম। ওজোপাডিকোর বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র আছে ৩ টি। অপরদিকে, চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি জানিয়েছে, চুয়াডঙ্গা এরিয়ায় পল্লি বিদ্যুতের গ্রাহক আছে ৮৪ হাজার। তবে এই বিদ্যুৎতের চাহিদা রয়েছে ২০ মেগাওয়াট। যেখানে বিদ্যুত সরবরাহ করা হচ্ছে ১৩ মেগাওয়াটে ভিতরে। তবে বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে ৭ মেগাওয়াট। কারণ ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুত দিয়ে দুইটা জেলা কাভার করা লাগে।এ বিষয়ে ওজোপাডিকো এর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব  বলেন, ’জাতীয় গ্রিড থেকে বরাদ্দ বৃদ্ধি না পাওয়া পর্যন্ত এই সাময়িক সংকট দূর করা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা চাহিদা মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ করছি। তবে এই লোডশেডিং কবে ঠিক হবে এখন বলতে পারছি না।’চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার(ডিজিএম) মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি দুই ইউনিটে বিদ্যুত সরবরাহ করে। যে কারণে ধারণ ক্ষমতার বিষয় চিন্তা করে আমরা বিদু্যুত সাপ্লাই করছি। চাহিদা তুলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।’

চুয়াডাঙ্গায় লোডশেডিংয়ের প্রভাবে মুরগি ডিম উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream