দিনাজপুরের বিরামপুরে ছোট ভাইকে পিটিয়ে হত্যার প্রায় এক মাস পর হত্যা মামলার প্রধান আসামি মেজো ভাই স্কুলশিক্ষক এ.টি.এম. শামসুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি ও পুলিশের বিশেষ অভিযানিক দল।
আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) তাঁকে দিনাজপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়,গত ৫ অক্টোবর বিরামপুর পৌর এলাকার কৃষ্ণচাঁদপুর গ্রামের আবাদি জমিতে ময়লা ফেলা নিয়ে কথা-কাটাকাটির মতো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় ও মেজো ভাইসহ তাঁদের সহযোগীরা ছোট ভাই মুকুল হোসেনকে (৪০) মারধর করেন।
একপর্যায়ে গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীর অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় গত ৬ অক্টোবর বিরামপুর থানায় হত্যা মামলা করা হয়।
মামলার পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে একজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে মামলার প্রধান আসামিসহ অন্য অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। প্রধান আসামি এ.টি.এম. শামসুজ্জামান স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তিনি কৃষ্ণচাঁদপুর গ্রামের মনির উদ্দিনের ছেলে।
দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর এসআরবি -১৩ ও পুলিশের বিশেষ অভিযানিক দল যৌথ অভিযান চালিয়ে সোমবার দিবাগত রাতে দিনাজপুরের দশমাইল এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মুকুল হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি এ.টি.এম. শামসুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার দিনাজপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মতামত