প্রকাশিত ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫১.৪৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তি এবং সার্বিক পাসের হার—উভয় ক্ষেত্রেই ছেলেদের ছাড়িয়ে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে মেয়েরা।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১১টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ফল প্রকাশের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর মো. এনামুল হক।
সংবাদ সম্মেলনে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শাহাদত উল্লাহ, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. আ খ ম কামাল হোসেন এবং কলেজ পরিদর্শক এস এম আরিফুর রহমানসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষা বোর্ড সচিবের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, এ বছর ময়মনসিংহ বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭০ হাজার ৬৭৩ জন। এর মধ্যে চূড়ান্তভাবে পাশ করেছে ৩৬ হাজার ৩৫৪ জন শিক্ষার্থী।
মোট জিপিএ-৫: ময়মনসিংহে এ বছর মোট ২ হাজার ১৩৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।
ছেলেদের ফল: পাস করেছে ১৫ হাজার ৬৪৭ জন শিক্ষার্থী, যার মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ১৮ জন।
মেয়েদের ফল: পাস করেছে ২০ হাজার ৭০৭ জন শিক্ষার্থী, যার মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ১১৯ জন।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৩১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ১১৩টি কেন্দ্রে অংশ নেয়। বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে থাকলেও মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষায় অর্জনের চিত্র তুলনামূলক কম:
বিজ্ঞান বিভাগ: পাসের হার ৭৫.৫৬ শতাংশ।
মানবিক বিভাগ: পাসের হার ৪৫.০০ শতাংশ।
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ: পাসের হার ৪২.৭২ শতাংশ।
বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, অকৃতকার্য হওয়া অধিকাংশ শিক্ষার্থী মূলত ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে ন্যূনতম পাস নম্বর তুলতে ব্যর্থ হওয়ায় বোর্ডের সার্বিক ফলাফলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
শতভাগ ও শূন্য পাস: বোর্ডের অধীনে মোট ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। পক্ষান্তরে, ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি (শূন্য পাস)।
ময়মনসিংহ জেলা: ৫৯.৩৩ শতাংশ (শীর্ষে)। শেরপুর জেলা: ৪৫.৬৫ শতাংশ।নেত্রকোনা জেলা: ৪৩.৫১ শতাংশ।জামালপুর জেলা: ৪৩.৩৫ শতাংশ।
মতামত