বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

তালতলীতে মাদ্রাসা শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ, মানেন না সুপারের নির্দেশনা ‎



তালতলীতে মাদ্রাসা শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ, মানেন না সুপারের নির্দেশনা   ‎
তালতলীতে মাদ্রাসা শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ, মানেন না সুপারের নির্দেশনা ‎

‎বরগুনার তালতলী উপজেলার কড়ইবাড়ীয়া দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার ইংরেজি শিক্ষিকা সুইটি খাতুনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ, অশালীন ভাষায় গালিগালাজ এবং সুপারের নির্দেশনা না মানার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর আচরণে মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

‎অভিযোগ রয়েছে, সামান্য বিষয়েই রেগে গিয়ে তিনি অশালীন ভাষায় কথা বলেন। গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) মাদ্রাসার দপ্তরি মো. আল-আমিনের সঙ্গে সামান্য একটি বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাঁকে উদ্দেশ করে উচ্চস্বরে গালিগালাজ করেন তিনি। এ সময় আল-আমিনের বাবা-মাকে নিয়েও অশালীন ভাষায় কথা বলার অভিযোগ ওঠে।

‎দপ্তরি মো. আল-আমিন বলেন, শিক্ষিকা সুইটি খাতুনের আচরণ খুবই খারাপ। একজন শিক্ষকের নিজের আচরণেই যদি নৈতিকতার ঘাটতি থাকে, তাহলে তাঁর কাছ থেকে শিক্ষার্থীরা কী শিখবে?

‎মাদ্রাসার শিক্ষক মো. শাহজালাল অভিযোগ করে বলেন, ওই শিক্ষিকা সবার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। তাঁর কথাবার্তা ও আচরণে একজন শিক্ষকের পরিচয় পাওয়া যায় না। শিক্ষার্থীদেরও বিভিন্ন সময় অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

‎মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, ওই শিক্ষিকা শ্রেণিকক্ষে ঠিকমতো পড়ান না। তাঁদের সঙ্গে কর্কশ আচরণ করেন এবং গালিগালাজ করেন। তাঁর পড়ানো অনেক সময় তাঁরা ঠিকমতো বুঝতে পারেন না।

‎মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আব্দুস সবুর বলেন, ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অসদাচরণের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের নিয়মশৃঙ্খলা না মানার অভিযোগ রয়েছে। তিনি প্রায়ই নির্ধারিত সময়ের আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা পরে মাদ্রাসায় আসেন। আবার ছুটির আগেই নিজের ইচ্ছেমতো চলে যান। তাঁকে বারবার সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হলেও পরিবর্তন দেখা যায়নি।

‎এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ সরকার বলেন, “আপনার কাছ থেকেই বিষয়টি জানতে পারলাম। মাদ্রাসার সুপার লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

‎এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে শিক্ষিকা সুইটি খাতুনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।


‎

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


তালতলীতে মাদ্রাসা শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ, মানেন না সুপারের নির্দেশনা ‎

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

‎বরগুনার তালতলী উপজেলার কড়ইবাড়ীয়া দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার ইংরেজি শিক্ষিকা সুইটি খাতুনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ, অশালীন ভাষায় গালিগালাজ এবং সুপারের নির্দেশনা না মানার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর আচরণে মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

‎অভিযোগ রয়েছে, সামান্য বিষয়েই রেগে গিয়ে তিনি অশালীন ভাষায় কথা বলেন। গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) মাদ্রাসার দপ্তরি মো. আল-আমিনের সঙ্গে সামান্য একটি বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাঁকে উদ্দেশ করে উচ্চস্বরে গালিগালাজ করেন তিনি। এ সময় আল-আমিনের বাবা-মাকে নিয়েও অশালীন ভাষায় কথা বলার অভিযোগ ওঠে।

‎দপ্তরি মো. আল-আমিন বলেন, শিক্ষিকা সুইটি খাতুনের আচরণ খুবই খারাপ। একজন শিক্ষকের নিজের আচরণেই যদি নৈতিকতার ঘাটতি থাকে, তাহলে তাঁর কাছ থেকে শিক্ষার্থীরা কী শিখবে?

‎মাদ্রাসার শিক্ষক মো. শাহজালাল অভিযোগ করে বলেন, ওই শিক্ষিকা সবার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। তাঁর কথাবার্তা ও আচরণে একজন শিক্ষকের পরিচয় পাওয়া যায় না। শিক্ষার্থীদেরও বিভিন্ন সময় অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

‎মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, ওই শিক্ষিকা শ্রেণিকক্ষে ঠিকমতো পড়ান না। তাঁদের সঙ্গে কর্কশ আচরণ করেন এবং গালিগালাজ করেন। তাঁর পড়ানো অনেক সময় তাঁরা ঠিকমতো বুঝতে পারেন না।

‎মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আব্দুস সবুর বলেন, ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অসদাচরণের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের নিয়মশৃঙ্খলা না মানার অভিযোগ রয়েছে। তিনি প্রায়ই নির্ধারিত সময়ের আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা পরে মাদ্রাসায় আসেন। আবার ছুটির আগেই নিজের ইচ্ছেমতো চলে যান। তাঁকে বারবার সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হলেও পরিবর্তন দেখা যায়নি।

‎এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ সরকার বলেন, “আপনার কাছ থেকেই বিষয়টি জানতে পারলাম। মাদ্রাসার সুপার লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

‎এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে শিক্ষিকা সুইটি খাতুনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।


‎


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream