রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

হানিট্র্যাপের ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, প্রধান অভিযুক্ত জাকারিয়া গ্রেপ্তার


| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

হানিট্র্যাপের ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, প্রধান অভিযুক্ত জাকারিয়া গ্রেপ্তার

রিজওয়ান, নওগাঁ: 

নওগাঁ জেলার ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদ খ্যাত  মান্দায় কনে দেখানোর কথা বলে এক বৃদ্ধকে ডেকে নিয়ে  গিয়ে মারধর, অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে মো. জাকারিয়া নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে মান্দা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের লক্ষে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার বালিয়াপুকুর এলাকার মীর মো. আনোয়ার হোসেন (৬২) তাঁর ছেলের জন্য কনে দেখার উদ্দেশ্যে পূর্বপরিচিত এক নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই নারী আটক কৃত  জাকারিয়ার পরিকল্পনা অনুযায়ী অন্য অভিযুক্তদের

সহযোগিতায় তাঁকে নওগাঁর মান্দা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের একটি বসতবাড়িতে নিয়ে যান। ঘটনাটি ঘটে  মূলতঃ গত ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, সেখানে কথাবার্তার একপর্যায়ে আনোয়ার হোসেনকে মারধর করা হয়। পরে জোরপূর্বক অপর এক নারী অভিযুক্তের সঙ্গে তাঁর অশ্লীল ও নগ্ন ছবি এবং ভিডিও ধারণ করা হয়। এসব ছবি ও ভিডিও দেখিয়ে তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হয়।

পরবর্তীতে অভিযুক্তদের দাবিকৃত টাকা দেওয়ার কথা বলে

 ভুক্তভোগীর আত্মীয়স্বজন একই দিন দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মীর মো. আনোয়ার হোসেনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মান্দা থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলা নম্বর ১১। পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১)/৮(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৪২/৩২৩/৩৮৫/৫০৬/৩৪ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মান্দা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান অভিযুক্ত মো. জাকারিয়াকে আটক করে

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে এর আগে মোহনপুর ও মান্দা থানায় আরও তিনটি মামলা রয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিষয় : নওগাঁ হানিট্র্যাপের ফাঁদ

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


হানিট্র্যাপের ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, প্রধান অভিযুক্ত জাকারিয়া গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রিজওয়ান, নওগাঁ: 

নওগাঁ জেলার ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদ খ্যাত  মান্দায় কনে দেখানোর কথা বলে এক বৃদ্ধকে ডেকে নিয়ে  গিয়ে মারধর, অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে মো. জাকারিয়া নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে মান্দা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের লক্ষে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার বালিয়াপুকুর এলাকার মীর মো. আনোয়ার হোসেন (৬২) তাঁর ছেলের জন্য কনে দেখার উদ্দেশ্যে পূর্বপরিচিত এক নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই নারী আটক কৃত  জাকারিয়ার পরিকল্পনা অনুযায়ী অন্য অভিযুক্তদের

সহযোগিতায় তাঁকে নওগাঁর মান্দা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের একটি বসতবাড়িতে নিয়ে যান। ঘটনাটি ঘটে  মূলতঃ গত ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, সেখানে কথাবার্তার একপর্যায়ে আনোয়ার হোসেনকে মারধর করা হয়। পরে জোরপূর্বক অপর এক নারী অভিযুক্তের সঙ্গে তাঁর অশ্লীল ও নগ্ন ছবি এবং ভিডিও ধারণ করা হয়। এসব ছবি ও ভিডিও দেখিয়ে তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হয়।

পরবর্তীতে অভিযুক্তদের দাবিকৃত টাকা দেওয়ার কথা বলে

 ভুক্তভোগীর আত্মীয়স্বজন একই দিন দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মীর মো. আনোয়ার হোসেনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মান্দা থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলা নম্বর ১১। পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১)/৮(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৪২/৩২৩/৩৮৫/৫০৬/৩৪ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মান্দা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান অভিযুক্ত মো. জাকারিয়াকে আটক করে

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে এর আগে মোহনপুর ও মান্দা থানায় আরও তিনটি মামলা রয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream