সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবলে সাফল্য, বদলগাছীর ৩ খেলোয়াড় সংবর্ধিত

আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবলে সাফল্য, বদলগাছীর ৩ খেলোয়াড় সংবর্ধিত

আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার তিন নারী হ্যান্ডবল খেলোয়াড়কে সংবর্ধনা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে বাংলাদেশ দলের রানার্সআপ হওয়ার সাফল্যে তাঁদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়। সংবর্ধনাপ্রাপ্ত তিন খেলোয়াড় হলেন সুমাইয়া আক্তার, অনুরাধা পাহান ও পূর্ণিমা রানী। তাঁরা বদলগাছী উপজেলার বাসিন্দা। আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান ছনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে খেলোয়াড়দের হাতে সম্মাননা স্মারক ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল। প্রধান অতিথি বলেন, ‘এই তিন খেলোয়াড় বদলগাছী উপজেলা তথা পুরো দেশের গর্ব। মেয়েদের উৎসাহিত করতে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে হ্যান্ডবল খেলোয়াড়দের জুতা ও বাইসাইকেল বিতরণের পাশাপাশি স্থানীয় কোচ নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’ ইউএনও ইসরাত জাহান ছনি বলেন, উপজেলা প্রশাসন সব সময় কৃতী খেলোয়াড়দের পাশে থাকবে এবং তাঁদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতায় এগিয়ে আসবে। সংবর্ধনা পেয়ে অনুভূতি প্রকাশ করে তিন খেলোয়াড় বলেন, ‘মাঠে আমাদের একটাই লক্ষ্য থাকে—লাল-সবুজের পতাকাকে উঁচিয়ে ধরা। নিজ উপজেলা থেকে আজকের এই সম্মান আমাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল।’ অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদি চৌধুরী টিপু, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কৃষিবিদ মেহেদী হাসান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রিপা রানী, বদলগাছী নারী হ্যান্ডবল দলের স্থানীয় কোচ সুলতান মাহবুব বিয়ারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং স্কুল-কলেজের নারী হ্যান্ডবল খেলোয়াড়েরা উপস্থিত ছিলেন।

হানিট্র্যাপের ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, প্রধান অভিযুক্ত জাকারিয়া গ্রেপ্তার

রিজওয়ান, নওগাঁ: নওগাঁ জেলার ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদ খ্যাত  মান্দায় কনে দেখানোর কথা বলে এক বৃদ্ধকে ডেকে নিয়ে  গিয়ে মারধর, অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে মো. জাকারিয়া নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে মান্দা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের লক্ষে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার বালিয়াপুকুর এলাকার মীর মো. আনোয়ার হোসেন (৬২) তাঁর ছেলের জন্য কনে দেখার উদ্দেশ্যে পূর্বপরিচিত এক নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই নারী আটক কৃত  জাকারিয়ার পরিকল্পনা অনুযায়ী অন্য অভিযুক্তদেরসহযোগিতায় তাঁকে নওগাঁর মান্দা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের একটি বসতবাড়িতে নিয়ে যান। ঘটনাটি ঘটে  মূলতঃ গত ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে।এজাহারে অভিযোগ করা হয়, সেখানে কথাবার্তার একপর্যায়ে আনোয়ার হোসেনকে মারধর করা হয়। পরে জোরপূর্বক অপর এক নারী অভিযুক্তের সঙ্গে তাঁর অশ্লীল ও নগ্ন ছবি এবং ভিডিও ধারণ করা হয়। এসব ছবি ও ভিডিও দেখিয়ে তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হয়।পরবর্তীতে অভিযুক্তদের দাবিকৃত টাকা দেওয়ার কথা বলে ভুক্তভোগীর আত্মীয়স্বজন একই দিন দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মীর মো. আনোয়ার হোসেনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মান্দা থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলা নম্বর ১১। পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১)/৮(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৪২/৩২৩/৩৮৫/৫০৬/৩৪ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে।অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মান্দা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান অভিযুক্ত মো. জাকারিয়াকে আটক করেপুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে এর আগে মোহনপুর ও মান্দা থানায় আরও তিনটি মামলা রয়েছে।এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

হানিট্র্যাপের ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, প্রধান অভিযুক্ত জাকারিয়া গ্রেপ্তার

মহাদেবপুরে নারী ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নওগাঁর মহাদেবপুরে মোছা. আলতা বেগম (৫২) নামে এক সংরক্ষিত নারী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের খোদ্দ কালনা উত্তরপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। আলতা বেগম ওই গ্রামের মৃত সবিজ উদ্দিনের মেয়ে। তিনি খাজুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য ছিলেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০১১ ও ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে টানা দুবার পরাজিত হয়ে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন তিনি। পরে ২০২১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরেন। তবে প্রায় দুই বছর আগে স্বামীর আকস্মিক মৃত্যুর পর আলতা বেগমের মানসিক সমস্যা বেড়ে যায়। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শাশুড়ির সঙ্গে একই ঘরে ঘুমিয়েছিলেন আলতা বেগম। আজ সকালে তাঁকে ডাকলে শরীর খারাপের কথা বলে আবারও শুয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ঘরের তীরের সঙ্গে গলায় ফাঁস নেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। খাজুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বেলাল উদ্দিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং তিনি প্রায়ই বিষণ্ণতায় থাকতেন। মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় অপমৃত্যুর মামলা শেষে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’

মহাদেবপুরে নারী ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream