দেশে আবারও বাড়ানো হলো তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চলতি অক্টোবরের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। এর আগে এই সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। ফলে প্রতি সিলিন্ডারে দাম বাড়ছে ২৫২ টাকা।
বিইআরসি সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই অক্টোবরের এই নতুন দর ঘোষণা করা হবে।
বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধি ও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার অজুহাতে বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফালোটের পাঁয়তারা করছে কিছু অপারেটর—এমন তথ্য উঠে এসেছে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে। গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে, ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে সমুদ্র সীমায় এলপিজিবাহী জাহাজ ভাসিয়ে রেখে কিংবা ট্যাংকারে গ্যাস মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে। ফলে বাজারে সরকার নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করে এক হাজার ৫৮৫ টাকার সিলিন্ডার আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।
এমতাবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে শনিবার জ্বালানিমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোটাব) নেতাদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এনবিআরের পর্যাপ্ত আমদানির তথ্যের ভিত্তিতে বাজারে সংকটের কারণ জানতে চাওয়া হলে লোটাব নেতারা আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির অজুহাত দেখান। তারা দাবি করেন, বিইআরসি প্রত্যাশিত হারে দাম না বাড়ানোর কারণেই আমদানিতে জটিলতা তৈরি হচ্ছে এবং এলপিজির দাম একলাফে বাড়ালে বাজারে স্থিতিশীলতা আসতে পারে।
বৈঠক শেষে দাম বৃদ্ধি কিংবা কৃত্রিম সংকট বিষয়ে জ্বালানিমন্ত্রী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
মতামত