গোলাপগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবনের সাইটে চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অনুমতি ছাড়া ছবি-ভিডিও ধারণ এবং নির্মাণসামগ্রী চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা ও আইনগত ব্যবস্থা চেয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ঠিকাদার খুরশেদ আলম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আমুড়া ইউনিয়নের ধারাবহর একমাইল এলাকায় যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি সংগঠক সুরাব আলীর দুটি ভবন নির্মাণের কাজ করছেন খুরশেদ আলম। গত কয়েকদিন ধরে কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি সাইটে এসে চাঁদা দাবি এবং নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে নির্মাণকাজের ছবি-ভিডিও ধারণসহ ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এক ব্যক্তি নির্মাণকাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের কাছে ২ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে তিনি বিভিন্ন স্থানের ভিডিও ধারণ করলে শ্রমিকরা তাকে আটক করে থানায় খবর দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ওই ব্যক্তি সেখান দৌড়ে চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরদিন সাইটে গিয়ে রডসহ কিছু নির্মাণসামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে না বলে দেখতে পান ঠিকাদার।
খুরশেদ আলম বলেন, তিনি স্থানীয় বাসিন্দা না হওয়ায় অভিযুক্তদের নাম-পরিচয় জানেন না। তবে ছবি দেখলে বা সামনে দেখলে তাদের শনাক্ত করতে পারবেন।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় (এসএল-৩০০৪ নম্বর) লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সয়ং ঠিকাদার।
গোলাপগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম ভবিষ্যতে এরকম ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষনিক মডেল থানায় যোগাযোগ করার জন্য পরামর্শ দেন।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ছবেদ আলী অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা জানিয়ে বলেন, অভিযোগকারীকে বলা হয়েছে, নির্মাণস্থল বা আশপাশে কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখা গেলে সতর্ক থাকার এবং কাউকে সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিকভাবে থানায় খবর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মতামত