রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
Bangla FM

‘পুরুষদেরও পিরিয়ড হওয়া দরকার’—শ্রুতি হাসান


বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক
| ফটো কার্ড

‘পুরুষদেরও পিরিয়ড হওয়া দরকার’—শ্রুতি হাসান
‘পুরুষদেরও পিরিয়ড হওয়া দরকার’—শ্রুতি হাসান

সমাজের প্রত্যেক শ্রেণির নারীরা একটা জায়গায় এসে এক। নারী শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও পিরিয়ড নিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয় তাদের। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময় মুখ খুলেছেন বলিউডের নারী অভিনেত্রীরা। 

এবার দক্ষিণ ভারতীয় ও বলিউডের অভিনেত্রী শ্রুতি হাসান পিরিয়ডের শারীরিক যন্ত্রণা, পিসিওএস এবং কর্মক্ষেত্রে নারীদের স্বাস্থ্য নিয়ে প্রচলিত সংকোচের বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। সোহা আলি খানের পডকাস্টে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রসিকতা করে তিনি বলেছেন, পুরুষদেরও পিরিয়ড হওয়া উচিত। তাহলে কর্মক্ষেত্রে নারীদের জন্য ‘পিরিয়ড লিভ’ বিষয়টি হয়তো আরও গুরুত্ব পেত।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, সোহা আলি খানের পডকাস্টে ঋতুকালীন তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা নিয়ে মুখ খোলেন শ্রুতি। ঋতুস্রাবকে গুরুত্বসহকারে দেখা উচিত বলে মনে করেন তিনি। নারীদের ঋতুস্রাবের সময় কর্মক্ষেত্রে ছুটি দাবি করেন। 

শ্রুতি জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে পিসিওএসের কারণে তাকে তীব্র পিরিয়ডের ব্যথা ও পেটের ক্র্যাম্প সহ্য করতে হয়েছে। কিন্তু শুটিং সেটে এ ধরনের শারীরিক সমস্যার কথা প্রকাশ্যে বলতে একসময় অস্বস্তি বোধ করতেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে কথা বলাকে প্রায় নিষিদ্ধ বলেই মনে হতো তার। 

পডকাস্টে শ্রুতি বলেন, আমার মনে হয় এর একটাই সমাধান আছে। আমি হাজারবার ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছি, যেন পুরুষদেরও পিরিয়ড শুরু হয়! তাহলে অন্তত কাজের কন্ট্রাক্টে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘পিরিয়ড লিভ’ লেখা থাকত।

শ্রুতির কথায় সহমত জানিয়ে সোহা বলেন, পুরুষরাও তখন হয়তো কে, কতটা রক্তপাতের মুখোমুখি হচ্ছেন বা কার ট্যাম্পনের আকার কত বড়? সেসব নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করতেন।

নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে পুরুষ সহকর্মীদের পাওয়া সুবিধার তুলনাও তুলে ধরেন শ্রুতি। তিনি বলেন, একবার খেয়াল করলাম, আমার এক সহ-অভিনেতা নিজের হাঁটুর অস্ত্রোপচারের কথা জানিয়ে শুটিং সে অনুযায়ী পরিকল্পনা করার কথা বললেন। আমিও তখন নিজের পিরিয়ডসের কথা জানাই পরিচালককে। ওই প্রথমবার আমি কোনো পরিচালককে এ কথা বললাম। তার নিজেরও মেয়ে আছে। তিনি তখন জানালেন যে তার মেয়েরও পিরিয়ডের সময় খুব ব্যথা হয়। তারপর থেকেই আমার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়।

শ্রুতির বক্তব্যে কর্মক্ষেত্রে নারীদের মাসিকজনিত শারীরিক সমস্যাকে স্বাভাবিকভাবে দেখার প্রয়োজনীয়তা উঠে এসেছে। তার মতে, নারীদের এমন স্বাস্থ্যগত বিষয় নিয়ে কথা বলার সুযোগ এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা থাকা জরুরি।

এর আগে রাশ্মিকা-জাহ্নবী-দীপিকাও পিরিয়ড নিয়ে কথা বলেছেন। শ্রুতির মতো তারাও পুরুষের পিরিয়ড চেয়েছেন। কেননা তারা মনে করেন পুরুষরা এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেলেই অনুভব করতে পারবে পিরিয়ডকালীন শারীরিক যন্ত্রণা। 

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


‘পুরুষদেরও পিরিয়ড হওয়া দরকার’—শ্রুতি হাসান

প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সমাজের প্রত্যেক শ্রেণির নারীরা একটা জায়গায় এসে এক। নারী শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও পিরিয়ড নিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয় তাদের। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময় মুখ খুলেছেন বলিউডের নারী অভিনেত্রীরা। 

এবার দক্ষিণ ভারতীয় ও বলিউডের অভিনেত্রী শ্রুতি হাসান পিরিয়ডের শারীরিক যন্ত্রণা, পিসিওএস এবং কর্মক্ষেত্রে নারীদের স্বাস্থ্য নিয়ে প্রচলিত সংকোচের বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। সোহা আলি খানের পডকাস্টে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রসিকতা করে তিনি বলেছেন, পুরুষদেরও পিরিয়ড হওয়া উচিত। তাহলে কর্মক্ষেত্রে নারীদের জন্য ‘পিরিয়ড লিভ’ বিষয়টি হয়তো আরও গুরুত্ব পেত।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, সোহা আলি খানের পডকাস্টে ঋতুকালীন তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা নিয়ে মুখ খোলেন শ্রুতি। ঋতুস্রাবকে গুরুত্বসহকারে দেখা উচিত বলে মনে করেন তিনি। নারীদের ঋতুস্রাবের সময় কর্মক্ষেত্রে ছুটি দাবি করেন। 

শ্রুতি জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে পিসিওএসের কারণে তাকে তীব্র পিরিয়ডের ব্যথা ও পেটের ক্র্যাম্প সহ্য করতে হয়েছে। কিন্তু শুটিং সেটে এ ধরনের শারীরিক সমস্যার কথা প্রকাশ্যে বলতে একসময় অস্বস্তি বোধ করতেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে কথা বলাকে প্রায় নিষিদ্ধ বলেই মনে হতো তার। 

পডকাস্টে শ্রুতি বলেন, আমার মনে হয় এর একটাই সমাধান আছে। আমি হাজারবার ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছি, যেন পুরুষদেরও পিরিয়ড শুরু হয়! তাহলে অন্তত কাজের কন্ট্রাক্টে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘পিরিয়ড লিভ’ লেখা থাকত।

শ্রুতির কথায় সহমত জানিয়ে সোহা বলেন, পুরুষরাও তখন হয়তো কে, কতটা রক্তপাতের মুখোমুখি হচ্ছেন বা কার ট্যাম্পনের আকার কত বড়? সেসব নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করতেন।

নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে পুরুষ সহকর্মীদের পাওয়া সুবিধার তুলনাও তুলে ধরেন শ্রুতি। তিনি বলেন, একবার খেয়াল করলাম, আমার এক সহ-অভিনেতা নিজের হাঁটুর অস্ত্রোপচারের কথা জানিয়ে শুটিং সে অনুযায়ী পরিকল্পনা করার কথা বললেন। আমিও তখন নিজের পিরিয়ডসের কথা জানাই পরিচালককে। ওই প্রথমবার আমি কোনো পরিচালককে এ কথা বললাম। তার নিজেরও মেয়ে আছে। তিনি তখন জানালেন যে তার মেয়েরও পিরিয়ডের সময় খুব ব্যথা হয়। তারপর থেকেই আমার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়।

শ্রুতির বক্তব্যে কর্মক্ষেত্রে নারীদের মাসিকজনিত শারীরিক সমস্যাকে স্বাভাবিকভাবে দেখার প্রয়োজনীয়তা উঠে এসেছে। তার মতে, নারীদের এমন স্বাস্থ্যগত বিষয় নিয়ে কথা বলার সুযোগ এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা থাকা জরুরি।

এর আগে রাশ্মিকা-জাহ্নবী-দীপিকাও পিরিয়ড নিয়ে কথা বলেছেন। শ্রুতির মতো তারাও পুরুষের পিরিয়ড চেয়েছেন। কেননা তারা মনে করেন পুরুষরা এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেলেই অনুভব করতে পারবে পিরিয়ডকালীন শারীরিক যন্ত্রণা। 


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream