আখাউড়া(ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে এসএসসি ও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় মোট ১৭০ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এরমধ্যে প্রাথমিকে ১২৭ জন ও এসএসসির ৪৩জন শিক্ষার্থী রয়েছে। শনিবার উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত তাদের সাফল্যকে স্বীকৃতি দিতে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। রহমান ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া (৪) কসবা-আখাউড়ার সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপসী রাবেয়ার সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. কফিল উদ্দিন মাহমুদ, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলাম, বিএনপি নেতা নাছির উদ্দিন হাজারি, খন্দকার মো. বিল্লল হোসেন, আবুল মুনসুর মিশন, নাজমুল খন্দকার, উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার মো: কফিল উদ্দিন মাহমুদ, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হাসনাৎ মো: জহিরুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানানো হয়।
বক্তারা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি দেশ ও সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
মুশফিকুর রহমান এম.পি বলেন, 'শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের উদ্যোগকে অনুসরণ করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।' পড়ালেখায় মনযোগি হওয়ার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদেরকে পরামড়শ দেন। তিনি বলেন শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল শুধু তাদের ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পুরো এলাকার জন্য গর্বের বিষয়। মেধাবী শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে উৎসাহ ও সহযোগিতা করা হলে তারা ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
অভিভাবকরা বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এ ধরনের সংবর্ধনা তাদের আগামী দিনের পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত করবে। একই সঙ্গে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যেও ভালো ফলাফল করার আগ্রহ তৈরি হবে।
মতামত