বাকস্বাধীনতা চর্চার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সৌজন্যতা ও ভাষার শালীনতা বজায় রাখার জন্য সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সাথে গণতান্ত্রিক দলগুলোর পারস্পরিক বিভেদ যেন পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পুনরায় ফিরে আসার সুযোগ করে না দেয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার
(১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেওয়া
এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা
প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, বাকস্বাধীনতা রক্ষার নামে আমাদের রাজনীতির
সংস্কৃতি যেন গালিগালাজ বা
কুৎসিত কাদা ছোড়াছুড়িতে রূপ
না নেয়। মতপার্থক্য থাকবে,
কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা যেন ব্যক্তিশত্রুতায় পরিণত
না হয়—সে বিষয়ে
রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
গণতান্ত্রিক
শক্তিগুলোর মধ্যে যেকোনো ধরনের ফাটল বা বিভেদ
পরাজিত ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসিত হওয়ার পথ সুগম করতে
পারে বলে সতর্ক করেন
তিনি। জাতীয় স্বার্থে সব রাজপথের শক্তির
মধ্যে ইস্পাতকঠিন ঐক্য বজায় রাখার
ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।
‘জুলাই শহীদদের’ আত্মত্যাগ স্মরণ করে তারেক রহমান
বলেন, তাদের রক্তের ঋণ শোধ করা
বর্তমান সরকারের জন্য এক পরম
ও পবিত্র দায়িত্ব। সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী
দল কাদামাখা আলোচনার পরিবর্তে প্রতিযোগিতা করবে কীভাবে একটি
কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়ে তোলা যায়।
মতামত