বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থল কাছাকাছি রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| ফটো কার্ড

স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থল কাছাকাছি রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

স্বামী-স্ত্রী দুজনের কর্মস্থল যেন কাছাকাছি, একই জায়গা, শহর কিংবা একই উপজেলার মধ্যে রাখা যায়—সরকার সে বিষয়ে চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের সদস্য মারদিয়া মমতাজের বিধি-৭১-এর আওতায় আনা জরুরি জনস্বার্থের নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, কর্মজীবী মায়েদের শিশুদের দেখাশোনার সুবিধায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে বর্তমানে ৬৪টি ডে-কেয়ার সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে ৪৪টি ঢাকায় এবং ২০টি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রয়েছে।

তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকায় আরও ৬০টি ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের কাজ চলছে। এসব কেন্দ্রে বর্তমানে ১৫ দিন থেকে ৬ বছর বয়সী প্রায় ৪ হাজার ৫০টি শিশুকে কর্মজীবী মায়েদের অফিস সময়ের মধ্যে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এসব সেবা দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে ৫৩টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে কর্মরত মায়েদের জন্য ব্রেস্টফিডিং সেন্টার রয়েছে। আরও ১১টি কেন্দ্রের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। পাশাপাশি শিগগিরই আরও ১২টি ব্রেস্টফিডিং সেন্টার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

এর ফলে ৬৪টি ডে-কেয়ার সেন্টারেই কর্মজীবী মায়েদের জন্য ব্রেস্টফিডিংয়ের সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থল কাছাকাছি রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

স্বামী-স্ত্রী দুজনের কর্মস্থল যেন কাছাকাছি, একই জায়গা, শহর কিংবা একই উপজেলার মধ্যে রাখা যায়—সরকার সে বিষয়ে চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের সদস্য মারদিয়া মমতাজের বিধি-৭১-এর আওতায় আনা জরুরি জনস্বার্থের নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, কর্মজীবী মায়েদের শিশুদের দেখাশোনার সুবিধায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে বর্তমানে ৬৪টি ডে-কেয়ার সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে ৪৪টি ঢাকায় এবং ২০টি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রয়েছে।

তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকায় আরও ৬০টি ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের কাজ চলছে। এসব কেন্দ্রে বর্তমানে ১৫ দিন থেকে ৬ বছর বয়সী প্রায় ৪ হাজার ৫০টি শিশুকে কর্মজীবী মায়েদের অফিস সময়ের মধ্যে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এসব সেবা দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে ৫৩টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে কর্মরত মায়েদের জন্য ব্রেস্টফিডিং সেন্টার রয়েছে। আরও ১১টি কেন্দ্রের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। পাশাপাশি শিগগিরই আরও ১২টি ব্রেস্টফিডিং সেন্টার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

এর ফলে ৬৪টি ডে-কেয়ার সেন্টারেই কর্মজীবী মায়েদের জন্য ব্রেস্টফিডিংয়ের সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream