মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন গাজীপুরের কলেজছাত্র সিফাত আব্দুল্লাহ। ওই ভিডিও প্রকাশের পর সমালোচনা শুরু হলে তাকে গ্রেপ্তার করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়। তবে সিফাতের উত্থাপিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তদন্ত করে ভিন্ন তথ্য পেয়েছে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১। জানা যায়, সিফাত আব্দুল্লাহ্ গাজীপুর মহানগরীর (৩৮ নম্বর ওয়ার্ড) টিনের মসজিদ এলাকার মো. সিকান্দর আলীর ছেলে। তিনি রাজধানীর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী। সিফাত আব্দুল্লাহ ভিডিওতে দাবি করেন, তিনি গত দুই মাসে (আগস্ট-জুলাই) প্রায় ১০ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেছেন এবং বিষয়টিকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে তুলে ধরেন। পরবর্তীতে একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি আরও লিখেন, ‘এক মাসের বিদ্যুৎ বিল একটা পুরো পরিবারকে জিম্মি কইরা ফেলছে?’ এ বিষয়ে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ বোর্ড বাজার জোনাল অফিসের উপ মহাব্যবস্থাপক মো. আহসান কবীরের সই করা তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত সিফাত আব্দুল্লাহর পিতার নাম মো. সেকান্দার আলী। গাজীপুর মহানগরীর ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে তাদের দোতলা বিশিষ্ট বাড়িতে মোট ৩টি আবাসিক বিদ্যুৎ মিটার সংযোগ রয়েছে। তদন্তে দেখা যায়, সিফাত আব্দুল্লাহদের বাড়ির একটি মিটারে (মিটার নম্বর: S000433*7) মে মাসে ৪৫ ইউনিটের বিল হিসেবে ৩১৭ টাকা, জুনে ৫০ ইউনিটের ৩৪২ টাকা, জুলাইয়ে ১৫০ ইউনিটের ১ হাজার ১৮২ টাকা এবং আগস্টে ৭৫ ইউনিটের বিল আসে ৫১৩ টাকা। সব মিলিয়ে ওই মিটারে চার মাসে মোট ৩২০ ইউনিট ব্যবহারে বিল এসেছে ২ হাজার ৩৫৪ টাকা। অপরদিকে আরেকটি মিটারে যার নম্বর S000218*5, সেটিতে মে মাসে ২৫০ ইউনিটের বিল হিসেবে ১ হাজার ৮১২ টাকা, জুনে ২০০ ইউনিটের ১ হাজার ৫৮৪ টাকা, জুলাইয়ে ৪০০ ইউনিটের ৩ হাজার ৫৯৪ টাকা এবং আগস্টে ২৮৫ ইউনিটের বিল হিসেবে এসেছে ২ হাজার ৩৯৭ টাকা। এই মিটারটিতে গত চার মাসে মোট ১ হাজার ১৩৫ ইউনিট ব্যবহারে বিল এসেছে ৯ হাজার ৩৮৭ টাকা। এছাড়া ওই বাড়িতে তৃতীয় যেই মিটারটি রয়েছে যার নম্বর S000424*7, সেটিতে মে মাসে ১২৫ ইউনিটের বিল হিসেবে ৮৪৭ টাকা, জুনে ১২০ ইউনিটের ৬৯০ টাকা, জুলাইয়ে ২০৫ ইউনিটের ১ হাজার ৬৩৩ টাকা এবং আগস্টে ১৭৫ ইউনিটের বিল এসেছে ১ হাজার ৩৬২ টাকা। চার মাসে ওই মিটারে মোট ব্যবহার হয়েছে ৬২৫ ইউনিট, যার মোট বিল: ৪ হাজার ৫৩২ টাকা। অর্থাৎ, মে থেকে আগস্ট ২০২৬ এই চার মাসে তিনটি আবাসিক মিটার মিলিয়ে মোট ২ হাজার ০৮০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে মোট বিল এসেছে ১৬ হাজার ২৭৩ টাকা। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজীপুর বোর্ড বাজার জোনাল অফিস থেকে কর্মকর্তারা সিফাতের বাড়িতে গিয়ে বাসায় ইলেকট্রিক পণ্যের প্রকৃত তালিকা সংগ্রহের কথা জানালে দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সিফাত আব্দুল্লাহ যে বাড়িতে বসবাস করেন সেখানে একটি নয়, মোট তিনটি আবাসিক বিদ্যুৎ মিটার সংযোগ রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কোন অভিযোগ বা দাবি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে একটি মিটারের বিল আলাদাভাবে দেখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বাড়ির সবগুলো মিটারের ব্যবহার ও বিলের হিসাব ও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি বলে জানান পল্লীবিদ্যুত সমিতি। এ ঘটনায় চার সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি করা হয়েছে। তার মধ্যে বর্তমানে ঘটনাস্থলে তিনজন রয়েছেন। তারা হলেন- ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আহসান কবীর, এজিএম অর্থ- মহিমা আক্তার ও ইনফোর্সমেন্ট কো-অর্ডিনেটর - রফিকুল ইসলাম। গাজীপুরের বোর্ড বাজার জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. আহসান কবীর জানান, আমরা ৪ জন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করি। এসময় আমার সঙ্গীয় কর্মকর্তারা সিফাতের বাড়িতে গিয়ে বাসায় ইলেকট্রিক পণ্যের প্রকৃত তালিকা সংগ্রহের কথা জানালে তা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং গেট বন্ধ করে দেন তার বাড়ির লোকজন। সিফাত আব্দুল্লাহর বাবা মো. সিকান্দার আলীর সাথে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য অ্যাডভোকেট আলী নাসের খান বলেন, সিফাত আব্দুল্লাহর বাসার তিনটি মিটারে দুই মাসের বিল (জুলাই-আগস্ট ২০২৬) ১০ হাজার ৬৮১ টাকা। পল্লীবিদ্যুৎ তো গ্রাহক কপি দিয়ে বিল নেয়। অরিজিনাল বিল তাদেরটা আর গ্রাহকদেরটা ভৌতিক বিল। বাড়িটা সিফাতদের, ভাড়াটিয়াদের আলাপ সে স্পষ্ট করেই করেছিল। মিটার ৩টা। পল্লী বিদ্যুৎ ভৌতিক তথ্য দিচ্ছে। তবে গাজীপুরের বোর্ড বাজার পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আহসান কবীর বলেন, সম্প্রতি সিফাত আব্দুল্লাহ নামে এক যুবক সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বাসার বিদ্যুৎ বিল নিয়ে যে অভিযোগ করেছেন তার সুস্পষ্ট তদন্তে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। তার বাসার বিদ্যুতের মিটারে যে ইউনিট এবং অফিসে আনা রিডিং ও বিল তৈরিতে কোনো প্রকার অনিয়ম বা ত্রুটি নেই। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করার অভিযোগে মো. আব্দুল্লাহ সিফাত (২৭) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশ। পরে শুক্রবার দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন আদালতে উপস্থাপন করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।   

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করা সেই যুবক গ্রেপ্তার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে গাজীপুরে সিফাত আব্দুল্লাহ নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আটককৃত সিফাত গাছা শাখার ‘ইনকিলাব মঞ্চে'র সদস্য। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর গাছা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তুলে সোশ্যাল সাইটে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন সিফাত। ওই ভিডিওতে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। বিষয়টি নজরে এলে তাকে আটক করা হয়। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুবশক্তির আহ্বায়ক ও সিনিয়র মুখ্য সংগঠকের নেতৃত্বে থানায় অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা সিফাতকে মুক্তি না দেয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।  এ ঘটনায় পরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরাও থানার সামনে মুখোমুখি অবস্থান নেন। এ সময় এনসিপি-বিএনপি নেতাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে হাতাহাতিও হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে সিফাত আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে থানায় নেওয়া হয়। গাছা থানার ওসি গোলাম রব্বানী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাত ৯টার দিকে তাকে থানায় আনা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার পর অভিযোগের বিষয়ে আইনগত পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করা সেই যুবক গ্রেপ্তার

গাজীপুরে গরুচুরির বন্ধে ব্যর্থতা, পুলিশের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর বিক্ষোভ

গাজীপুরের শ্রীপুরে গরু চুরি বন্ধ করতে না পারায় পুলিশের বিরুদ্ধে থানার সামনে বিক্ষোভ করেছেন বরমী ইউনিয়নের পোষাইদ গ্রামের শতাধিক বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ পুলিশের কার্যকরী কোন ভুমিকা না থাকায় তারা সংক্ষুব্ধ। আর এসব কারণেই তাদের এই কর্মসূচি।  শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শ্রীপুর থানার প্রধান ফটকের সামনে তারা এই বিক্ষোভ করেন। পোষাইদ গ্রামের বাসিন্দা রাজু মিয়া বলেন, গত এ সপ্তাহে গ্রামের কমপক্ষে ১০টি কৃষক পরিবার পথে বসেছে। অনেকেরই গোয়ালঘর লালিত পালিত গরু শূন্য। চুরির ঘটনায় অভিযোগ দিলেও পুলিশ গড়িমসি করেন। এমনকি তদন্তে যেতে চায় না। যার কারণে পুলিশের কাছে গেলে কোন প্রতিকার পাওয়া যায় না। গত এক মাসে পোষাইদ গ্রামে অন্তত ৫০টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের বেলা ঘরের তালা ভেঙে বা তালা কেটে গবাদি পশুগুলি চুরি হয়েছে। এমনকি দিনের বেলায় ফাঁকা বাড়িতেও চুরি হচ্ছে।  মনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা থানায় একাধিকবার অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে না, মামলাও নিতে চায় না। আর সুযোগে চোরেরাও বেপরোয়া হয়ে গেছে। আমাদের জানমালের কোনো নিরাপত্তা নেই। পুলিশের নিকট শুধু অভিযোগ দিলেই হয় না সাথে তাদের যাওয়া আসার নামে গাড়ির তেলের জন্য বা চা-পানের নামে টাকা দিতে হয়। তারা অবিলম্বে পোষাইদ সহ বিভিন্ন এলাকায় পুলিশি টহল বৃদ্ধি ও চোর চক্রকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, গ্রামের চুরির বিষয়টি আমরা জানি। ইতোমধ্যে পুলিশী টহল নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত মামলা নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গ্রামের নিরাপত্তার স্বার্থে বিট পুলিশিং জোরদার করা হবে। এই ব্যাপারে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ ভুঁইয়া ইত্তেফাককে জানান, ঘটনাগুলো সাম্প্রতিক সময়ে ঘটেছে। তাই এইসব বিষয়ে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় উপস্থাপন করা হবে এবং কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে বলা হবে।

গাজীপুরে গরুচুরির বন্ধে ব্যর্থতা, পুলিশের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর বিক্ষোভ

গাজীপুরের জঙ্গলে মিলল ১২ ঘোড়ার কাটা মাথা

গাজীপুরের শ্রীপুরে গভীর জঙ্গলে ১২টি ঘোড়া জবাই করা হয়েছে। পরে ঘোড়ার পা, মাথা, চামড়া ফেলে মাংস নিয়ে গেছে একটি চক্র।  (১৭ আগস্ট) সকালে জেলার শ্রীপুর উপজেলার কর্ণপুর-বরমী আঞ্চলিক সড়কের বরমী ও গোসিংগা ইউনিয়নের সীমান্তবর গাজিয়ারণ  এলাকায় ঘোড়াগুলোর দেহাবশেষ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কর্ণপুর-বরমী আঞ্চলিক সড়ক থেকে একটি পায়ে হাঁটা পথ জঙ্গলের ভেতরে চলে গেছে। সেই পথে ধান ক্ষেত দেখা যাওয়ার সময় জঙ্গলের ভেতর ঘোড়ার মাথা, চামড়া, হাড় ও নাড়িভুড়ি পড়ে থাকতে দেখেন লোকজন। পরে খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়।গোসিংগা ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সুমন প্রধান বলেন, গত রাতের যেকোন সময় ১২টি ঘোড়া জবাই করে মাংসা নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সকালে ওই এলাকার এক কৃষক ঘটনাস্থলে ঘোড়ার মাথা, চামড়া, পা, নাড়িভুড়ি ও হাড়গোড় পড়ে থাকতে দেখে আমাকে জানায়। পরে বিষয়টি পুলিশে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।শ্রীপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফ হোসেন বলেন, আশপাশে দুই কিলোমিটার এলাকায় কোনো বাড়িঘর নেই। ঘটনাস্থল থেকে ১২টি ঘোড়ার মাথা উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা ধারণা করছি সেখানে ১২টা ঘোড়া জবাই করে মাংস নিয়ে দেহের বিভিন্ন অংশ ফেলে রেখে গিয়েছে একটি চক্র। ঘোড়ার মাংস কারা নিল, কোথায় নিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে, ক্রেতা কারা এসব খোঁজ করতে ইতোমধ্যে কার্যক্রম চলমান রেখেছি। দেহাবশেষগুলো মাটিচাপা দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে আইনের সহায়তা নেওয়া হবে।অন্যদিকে, শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানিয়েছেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং পুরো বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গাজীপুরের জঙ্গলে মিলল ১২ ঘোড়ার কাটা মাথা
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream