রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

জুলাই জাদুঘরের টিকিট অনলাইনে কাটবেন যেভাবে


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| ফটো কার্ড

জুলাই জাদুঘরের টিকিট অনলাইনে কাটবেন যেভাবে
জুলাই জাদুঘরের টিকিট অনলাইনে কাটবেন যেভাবে

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আন্দোলনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সাবেক গণভবনে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘জুলাই জাদুঘর’। সম্প্রতি জাদুঘরটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

একসময় এটি ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন। বর্তমানে ভবনটির বিভিন্ন কক্ষ নতুনভাবে সাজিয়ে সেখানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের ব্যবহৃত সামগ্রী, স্মৃতিচিহ্ন এবং আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দলিল ও আলোকচিত্র সংরক্ষণ করা হয়েছে।

জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারিতে গত দেড় দশকের আলোচিত ঘটনাপ্রবাহ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্মারক, গুম ও নির্যাতনসংক্রান্ত তথ্যচিত্র, ঐতিহাসিক নথি, প্রতীকী কবর এবং বিভিন্ন ভাস্কর্য স্থান পেয়েছে। পাশাপাশি বিডিআর বিদ্রোহে সেনা কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা এবং আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্নও প্রদর্শন করা হচ্ছে। শহীদ আহনাফের মায়ের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠিও দর্শনার্থীদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে।

জাদুঘরের দ্বিতীয় তলায় থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শোবার ঘরেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে যেখানে ব্যক্তিগত আসবাবপত্র ছিল, সেখানে এখন আন্দোলনে নিহতদের রক্তাক্ত পোশাক, জুতা, ঘড়ি, কোট, টাইসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত সামগ্রী প্রদর্শন করা হচ্ছে। একই কক্ষে প্রবাসফেরত শহীদ রাজিবের স্মৃতিচিহ্নও রাখা হয়েছে।

জাদুঘরের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মাণ করা হয়েছে প্রতীকী কবর। এছাড়া আন্দোলনের বিভিন্ন স্মরণীয় মুহূর্ত ভাস্কর্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রিকশাচালকের সালাম জানানোর দৃশ্য, শহীদ মুগ্ধের পানি বিতরণের মুহূর্ত এবং শহীদ ভাইয়ের মরদেহ কাঁধে নিয়ে দুই বোনের শোকাহত অবস্থার ভাস্কর্য বিশেষভাবে দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দক্ষিণ পাশের বারান্দায় থাকা শিশুদের দোলনাটি আগের অবস্থায় রাখা হয়েছে। তবে সেখানে এখন জুলাই আন্দোলনে নিহত শিশুদের প্রতিকৃতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। পাশাপাশি শেখ হাসিনার ব্যবহৃত বাথটাবে আন্দোলনে নিহতদের ছবি এবং তারা কোথায় ও কীভাবে নিহত হয়েছেন, সে-সংক্রান্ত তথ্যও উপস্থাপন করা হয়েছে।

জাদুঘর পরিদর্শনে আগ্রহীদের আগে অনলাইনে নিবন্ধন করে নির্ধারিত সময়ের প্রবেশ টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। কোনো দিনের সব স্লট পূর্ণ হয়ে গেলে পরবর্তী দিনের খালি সময় বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘরটি খোলা থাকে। প্রবেশমূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিষয় : জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২ বছর

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জুলাই জাদুঘরের টিকিট অনলাইনে কাটবেন যেভাবে

প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আন্দোলনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সাবেক গণভবনে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘জুলাই জাদুঘর’। সম্প্রতি জাদুঘরটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

একসময় এটি ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন। বর্তমানে ভবনটির বিভিন্ন কক্ষ নতুনভাবে সাজিয়ে সেখানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের ব্যবহৃত সামগ্রী, স্মৃতিচিহ্ন এবং আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দলিল ও আলোকচিত্র সংরক্ষণ করা হয়েছে।

জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারিতে গত দেড় দশকের আলোচিত ঘটনাপ্রবাহ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্মারক, গুম ও নির্যাতনসংক্রান্ত তথ্যচিত্র, ঐতিহাসিক নথি, প্রতীকী কবর এবং বিভিন্ন ভাস্কর্য স্থান পেয়েছে। পাশাপাশি বিডিআর বিদ্রোহে সেনা কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা এবং আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্নও প্রদর্শন করা হচ্ছে। শহীদ আহনাফের মায়ের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠিও দর্শনার্থীদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে।

জাদুঘরের দ্বিতীয় তলায় থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শোবার ঘরেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে যেখানে ব্যক্তিগত আসবাবপত্র ছিল, সেখানে এখন আন্দোলনে নিহতদের রক্তাক্ত পোশাক, জুতা, ঘড়ি, কোট, টাইসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত সামগ্রী প্রদর্শন করা হচ্ছে। একই কক্ষে প্রবাসফেরত শহীদ রাজিবের স্মৃতিচিহ্নও রাখা হয়েছে।

জাদুঘরের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মাণ করা হয়েছে প্রতীকী কবর। এছাড়া আন্দোলনের বিভিন্ন স্মরণীয় মুহূর্ত ভাস্কর্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রিকশাচালকের সালাম জানানোর দৃশ্য, শহীদ মুগ্ধের পানি বিতরণের মুহূর্ত এবং শহীদ ভাইয়ের মরদেহ কাঁধে নিয়ে দুই বোনের শোকাহত অবস্থার ভাস্কর্য বিশেষভাবে দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দক্ষিণ পাশের বারান্দায় থাকা শিশুদের দোলনাটি আগের অবস্থায় রাখা হয়েছে। তবে সেখানে এখন জুলাই আন্দোলনে নিহত শিশুদের প্রতিকৃতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। পাশাপাশি শেখ হাসিনার ব্যবহৃত বাথটাবে আন্দোলনে নিহতদের ছবি এবং তারা কোথায় ও কীভাবে নিহত হয়েছেন, সে-সংক্রান্ত তথ্যও উপস্থাপন করা হয়েছে।

জাদুঘর পরিদর্শনে আগ্রহীদের আগে অনলাইনে নিবন্ধন করে নির্ধারিত সময়ের প্রবেশ টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। কোনো দিনের সব স্লট পূর্ণ হয়ে গেলে পরবর্তী দিনের খালি সময় বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘরটি খোলা থাকে। প্রবেশমূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream