বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

প্রায় দুই দশকেও কুবিতে গড়ে ওঠেনি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন



প্রায় দুই দশকেও কুবিতে গড়ে ওঠেনি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন
প্রায় দুই দশকেও কুবিতে গড়ে ওঠেনি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন

ভর্তি পরীক্ষার প্রতিযোগিতা পেরিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন ইয়ামিম হাসান। পড়াশোনা শেষে পেশাগত জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন তাঁর। এ জন্য বিভাগের সফল সাবেক শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে চান তিনি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন না থাকায় সাবেকদের সঙ্গে যোগাযোগের প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ পাচ্ছেন না ইয়ামিম। 

শুধু ইয়ামিম নন, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত প্রস্তুতিতে সাবেক শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও অনেকে। কিন্তু সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য কেন্দ্রীয় কোনো সংগঠন না থাকায় সে সুযোগ সীমিত। 

প্রতিষ্ঠার প্রায় দুই দশক পেরিয়ে গেলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো গড়ে ওঠেনি কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। তাঁদের অনেকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, গণমাধ্যম, শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন পেশায় যুক্ত হয়েছেন। দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা এসব সাবেক শিক্ষার্থীকে একটি সাংগঠনিক কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন সময়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কার্যকর ও স্থায়ী রূপ পায়নি। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় দুটি সভার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ৭১ সদস্যের একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়। তবে পরবর্তীতে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের সমালোচনায় পরে কমিটিটি বিলুপ্ত করা হয়। তবে এরপর বিভিন্ন সময়ে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিভিন্ন জটিলতায় সেটা আর বাস্তবায়িত হয়নি। 

এর বাহিরে বিভাগভিত্তিক অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষার্থীদের একটি কেন্দ্রীয় কাঠামোর নিচে নিয়ে আসার কোন উদ্যোগ সফল হয়নি। ফলে দীর্ঘ সময়েও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গড়ে ওঠেনি। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়ামিম হাসান বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক সাবেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন পেশায় সফলতার সঙ্গে কাজ করছেন। তাঁদের অভিজ্ঞতা আমাদের ক্যারিয়ার গঠন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন না থাকায় তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সীমিত। একটি কেন্দ্রীয় অ্যাসোসিয়েশন থাকলে তাঁদের পরামর্শ নিয়ে পেশাগত জীবনের প্রস্তুতি নিতে পারতাম।" 

আরেক শিক্ষার্থী জয়ন্ত কর্মকার বলেন, "অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন থাকলে সাবেক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ বাড়ত। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ থেকে ক্যারিয়ার গঠন এবং চাকরির প্রস্তুতিতে অনেক কিছু শেখার সুযোগ পেতাম।" 

সংশ্লিষ্টদের মতে, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গড়ে উঠলে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ার পাশাপাশি ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, চাকরির প্রস্তুতি, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে। বিভিন্ন পেশায় প্রতিষ্ঠিত সাবেকদের পেশাগত যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে ইন্টার্নশিপ, কর্মসংস্থান ও গবেষণার ক্ষেত্রেও সহযোগিতার পথ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি পুনর্মিলনী, সেমিনার ও কর্মশালার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সাবেক শিক্ষার্থীদের সম্পর্ক আরও জোরদার করা সম্ভব। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আফিয়া মাস-উদা মিথিলা বলেন, "অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সাবেক শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। একটি কার্যকর অ্যাসোসিয়েশন গড়ে উঠলে সাবেকদের অভিজ্ঞতা ও পেশাগত যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে বর্তমান শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা সম্ভব। এ জন্য প্রশাসনের উদ্যোগে দ্রুত অ্যাসোসিয়েশন গঠন ও সাবেক শিক্ষার্থীদের ডেটাবেজ তৈরি করা প্রয়োজন।" 

আরেক সাবেক শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা শান্তা বলেন, "কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন না থাকায় সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সীমিত। একটি কার্যকর অ্যাসোসিয়েশন গড়ে উঠলে বর্তমান শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার বিষয়ে দিকনির্দেশনা, ইন্টার্নশিপ ও কর্মসংস্থানে সহায়তার পাশাপাশি অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সাবেক শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত উদ্যোগে একটি টেকসই সংগঠন গড়ে তোলা প্রয়োজন।" 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. জুলহাস উদ্দীন, "চেষ্টা করেও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ঘটন করা হয়নি। এটা হলে নবীন প্রবীণদের মধ্যে একটা যোগসূত্র থাকতো।তবে যেহেতু এর সুযোগ এখনো তৈরি হয়নি তাই শিক্ষার্থীরা চাইলে সেন্ট্রাল র‍্যাগ ডে করতে পারে। যার মাধ্যমে আসলে সব বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাথে একতা যোগাযোগ তৈরি হবে।"

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, "এর আগে কয়েকবার অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে নেতৃত্ব নিয়ে নির্দিষ্ট পক্ষের সঙ্গে অন্য পক্ষের মতবিরোধ থাকায় উদ্যোগগুলো এগোয়নি। আমরা চাই, অ্যাসোসিয়েশনটি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে গঠিত হোক। উপাচার্য স্যারের সঙ্গে আলোচনা করে ভবিষ্যতে কীভাবে উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬


প্রায় দুই দশকেও কুবিতে গড়ে ওঠেনি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন

প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

ভর্তি পরীক্ষার প্রতিযোগিতা পেরিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন ইয়ামিম হাসান। পড়াশোনা শেষে পেশাগত জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন তাঁর। এ জন্য বিভাগের সফল সাবেক শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে চান তিনি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন না থাকায় সাবেকদের সঙ্গে যোগাযোগের প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ পাচ্ছেন না ইয়ামিম। 

শুধু ইয়ামিম নন, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত প্রস্তুতিতে সাবেক শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও অনেকে। কিন্তু সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য কেন্দ্রীয় কোনো সংগঠন না থাকায় সে সুযোগ সীমিত। 

প্রতিষ্ঠার প্রায় দুই দশক পেরিয়ে গেলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো গড়ে ওঠেনি কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। তাঁদের অনেকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, গণমাধ্যম, শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন পেশায় যুক্ত হয়েছেন। দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা এসব সাবেক শিক্ষার্থীকে একটি সাংগঠনিক কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন সময়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কার্যকর ও স্থায়ী রূপ পায়নি। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় দুটি সভার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ৭১ সদস্যের একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়। তবে পরবর্তীতে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের সমালোচনায় পরে কমিটিটি বিলুপ্ত করা হয়। তবে এরপর বিভিন্ন সময়ে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিভিন্ন জটিলতায় সেটা আর বাস্তবায়িত হয়নি। 

এর বাহিরে বিভাগভিত্তিক অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষার্থীদের একটি কেন্দ্রীয় কাঠামোর নিচে নিয়ে আসার কোন উদ্যোগ সফল হয়নি। ফলে দীর্ঘ সময়েও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গড়ে ওঠেনি। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়ামিম হাসান বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক সাবেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন পেশায় সফলতার সঙ্গে কাজ করছেন। তাঁদের অভিজ্ঞতা আমাদের ক্যারিয়ার গঠন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন না থাকায় তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সীমিত। একটি কেন্দ্রীয় অ্যাসোসিয়েশন থাকলে তাঁদের পরামর্শ নিয়ে পেশাগত জীবনের প্রস্তুতি নিতে পারতাম।" 

আরেক শিক্ষার্থী জয়ন্ত কর্মকার বলেন, "অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন থাকলে সাবেক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ বাড়ত। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ থেকে ক্যারিয়ার গঠন এবং চাকরির প্রস্তুতিতে অনেক কিছু শেখার সুযোগ পেতাম।" 

সংশ্লিষ্টদের মতে, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গড়ে উঠলে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ার পাশাপাশি ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, চাকরির প্রস্তুতি, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে। বিভিন্ন পেশায় প্রতিষ্ঠিত সাবেকদের পেশাগত যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে ইন্টার্নশিপ, কর্মসংস্থান ও গবেষণার ক্ষেত্রেও সহযোগিতার পথ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি পুনর্মিলনী, সেমিনার ও কর্মশালার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সাবেক শিক্ষার্থীদের সম্পর্ক আরও জোরদার করা সম্ভব। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আফিয়া মাস-উদা মিথিলা বলেন, "অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সাবেক শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। একটি কার্যকর অ্যাসোসিয়েশন গড়ে উঠলে সাবেকদের অভিজ্ঞতা ও পেশাগত যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে বর্তমান শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা সম্ভব। এ জন্য প্রশাসনের উদ্যোগে দ্রুত অ্যাসোসিয়েশন গঠন ও সাবেক শিক্ষার্থীদের ডেটাবেজ তৈরি করা প্রয়োজন।" 

আরেক সাবেক শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা শান্তা বলেন, "কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন না থাকায় সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সীমিত। একটি কার্যকর অ্যাসোসিয়েশন গড়ে উঠলে বর্তমান শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার বিষয়ে দিকনির্দেশনা, ইন্টার্নশিপ ও কর্মসংস্থানে সহায়তার পাশাপাশি অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সাবেক শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত উদ্যোগে একটি টেকসই সংগঠন গড়ে তোলা প্রয়োজন।" 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. জুলহাস উদ্দীন, "চেষ্টা করেও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ঘটন করা হয়নি। এটা হলে নবীন প্রবীণদের মধ্যে একটা যোগসূত্র থাকতো।তবে যেহেতু এর সুযোগ এখনো তৈরি হয়নি তাই শিক্ষার্থীরা চাইলে সেন্ট্রাল র‍্যাগ ডে করতে পারে। যার মাধ্যমে আসলে সব বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাথে একতা যোগাযোগ তৈরি হবে।"

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, "এর আগে কয়েকবার অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে নেতৃত্ব নিয়ে নির্দিষ্ট পক্ষের সঙ্গে অন্য পক্ষের মতবিরোধ থাকায় উদ্যোগগুলো এগোয়নি। আমরা চাই, অ্যাসোসিয়েশনটি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে গঠিত হোক। উপাচার্য স্যারের সঙ্গে আলোচনা করে ভবিষ্যতে কীভাবে উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"



Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream