কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মোল্লাতেঘরিয়া মোড় এলাকার সাইকেল হাটের সামনে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক যুবককে মারধরের প্রতিবাদ করায় সোহাগ (৩৫) নামে এক দোকানদারের ওপর ধারালো অস্ত্র ও দেশীয় লাঠিসোঁটা নিয়ে অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে আরমান (৩৬) ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। আরমান হাউসিং এ ব্লক এর আজিজ মন্ডলের ছেলে। হামলায় সোহাগের মাথা, চোখের ওপর ও পিঠে আঘাত লাগে। মাথা ও চোখের ওপর সেলাই দিতে হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহাগের দোকানে রুমন নামে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবক কাজ করেন। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় আরমানের ছেলে (১২) রুমনকে মারধর করে। বিষয়টি জানতে পেরে দোকানদার সোহাগ প্রতিবাদ করেন এবং আরমানের ছোট ছেলেকে একটি চড় মারেন। কেন রুমনকে মারধর করা হয়েছে, তা জানতে চান তিনি। পরবর্তীতে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার বাবা আরমানকে বিষয়টি জানায়। এরপর আরমান ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী ধারালো অস্ত্র ও দেশীয় লাঠিসোঁটা নিয়ে সোহাগের দোকানে গিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় দোকানে থাকা সোহাগকে বাইরে বের করে এনে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়।
পরবর্তীতে স্থানীয়রা ছুটে আসলে আরমান ও তার সহযোগীরা দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় বলে তাঁর স্বজনরা জানিয়েছেন। এদিকে, সোহাগের আত্মীয়স্বজনের অভিযোগ, দোকানে চাল কেনার জন্য ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা রাখা ছিল। হামলার সময় অভিযুক্তরা দোকান থেকে ওই টাকাও নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সোহাগের পরিবার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
মতামত