নীলফামারীতে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে জুমার নামাজ আদায় করতে মুসল্লিদের ঢল নামে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সৈয়দপুর-নীলফামারী মহাসড়ক সংলগ্ন টেক্সটাইল এলাকায় আয়োজিত আঞ্চলিক বিশ্ব ইজতেমা মাঠে লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি একসঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করেন।
এতে নীলফামারী, ডোমার, ডিমলা, কিশোরগঞ্জ, সৈয়দপুর, পার্বতীপুর, রানীরবন্দরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা ও জেলা থেকে মুসল্লিরা অংশ নেন। এবারের ইজতেমায় ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, সুদান ও সৌদি আরবের ১২ জন নাগরিকও অংশ নিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া এ ইজতেমার কার্যক্রম শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে মুসল্লিদের আগাম উপস্থিতির কারণে বুধবার সন্ধ্যা থেকেই বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার কার্যক্রম শুরু হয়।
আয়োজকেরা জানান, ইজতেমায় অংশ নিতে ঢাকা থেকে এসেছেন বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের শুরা সদস্য মাওলানা মুনির বিন ইউসুফসহ অনেকে। ইজতেমায় মানবকল্যাণ, দ্বীনের দাওয়াত, ধর্মীয় জীবনযাপন ও আখিরাতের প্রস্তুতি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করা হচ্ছে।
জেলা তাবলিগের আমির অধ্যাপক দিদারুল ইসলাম বলেন, ‘‘শুক্রবার হওয়ায় ইজতেমার মূল মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কেও মুসল্লিদের উপস্থিতি ছড়িয়ে পড়ে। সব মিলিয়ে লক্ষাধিক মানুষ একসঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করেছেন। বুধবার সন্ধ্যা থেকেই বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মুসল্লিরা এখানে এসেছেন। আশা করছি, শান্তিপূর্ণভাবে ইজতেমা সম্পন্ন হবে।’’
এদিকে, ইজতেমাকে কেন্দ্র করে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। নীলফামারীর পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন খান বলেন, ‘‘ইজতেমা ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সাদাপোশাকের পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।’’
শনিবার সকাল ১১টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ জেলা ইজতেমার সমাপ্তি ঘটবে।
মতামত