পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মামলার বাদী ও অন্যতম সাক্ষী মানিক পশারীর লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। রোববার রাত ১টার দিকে পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর বাড়িতে মৃতদেহ দাফন সম্পন্ন করে পুলিশ।
এর আগে শনিবার দুপুর ১২টার পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানিক পশারীর মরোদেহ আসলে জেলা জামাতে ইসলামীর নেতাকর্মী ও স্থাীয়দের ও স্থানীয়দের তোদের মুখে পড়ে মানিক পশারীর লাশ সহ স্বজনরা। পরে পুলিশের সহায়তায় লাশ সরিয়ে নেয়া হয় পুলিশ লাইনসে। সেখানে বিকেল ৫টার দিকে গার্ড অফ অনার শেষে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় লাশ ঘিরে রাখে সদর থানা পুলিশ।
পরে রাত ১২টার দিকে সদর থানা পুলিশ জেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের সহায়তায় লাশ বাড়তে পৌঁছে। রাত ১টার দিকে দাফন কাজ শেষ। এ সময় মানিক পশারীর স্ত্রী সন্তান সহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
পিরোজপুর জেলা জামাতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মানিক পশারীর লাশ দাফনে পিরোজপুর জেলা জামাতের নেতৃবৃন্দ এবং অঙ্গ সংগঠনের কোন নেতৃবৃন্দ কোন প্রকার বাঁধা সৃষ্টি করেনি। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ লাশের রাজনীতি করে না তাই পিরোজপুর সদর থানা পুলিশকে পুরোপুরি সহায়তা করে লাশ দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শরিফুল ইসলাম বলেন, পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মানিক পশারীর লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। কবরের পাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মানিক পশারী (৮৭) পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি জামায়াত নেতা মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলার বাদী ও অন্যতম সাক্ষী ছিলেন। ২০২৪ সালে আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পরে তিনি যশোরে ও গোপালগঞ্জে পলাতক ছিলেন। ২ মাস ধরে অসুস্থ হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
মতামত