নেত্রকোণার মদনে বাসা ভাড়া নেওয়াকে কেন্দ্র করে বাসায় হামলা ও মারধরের অভিযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই শিক্ষিকাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার বিকেলে মদন পৌর শহরের জাহাঙ্গীরপুর কোর্ট বিল্ডিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—স্কুলশিক্ষিকা আফরোজা আক্তার স্মৃতি, তার বোন শিক্ষিকা লায়লা আক্তার লাবনী ও তাদের মা মিলন আক্তার।
মামলা সূত্রে জানা যায়, জাহাঙ্গীরপুর কোর্ট বিল্ডিং এলাকায় প্রভাষক গিয়াস মাহমুদ রুবেলের শ্বশুরের বাসায় হাফসা আক্তার ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছে। ঐদিন বিকেলে বাসা ভাড়া নেওয়াকে কেন্দ্র করে আফরোজা আক্তার স্মৃতি, লায়লা আক্তার লাবনী ও তাদের মা মিলন আক্তারের সঙ্গে হাফসার বিরোধ হয়। একপর্যায়ে ভারাটিয়ার বাসায় প্রবেশ করে হাফসাকে মারধর করা হয় ।
এ সময় বাসার মালিকের মেয়ে শিক্ষিকা নুসরাত জাহান লিজা ও তার ক্যান্সার আক্রান্ত মা রোকেয়া আক্তার বাধা দিলে তাদেরও মারধর করে ও বাসায় হামল চালিয়ে লুটপাট করে স্বর্ণ অলংকার সহ নগদ টাকা নিয়ে যায় । এ মারধরের কারণে বৃদ্ধ রোকেয়া আক্তারে হাত ভেঙে যায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নুসরাত জাহান লিজার স্বামী ও সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক গিয়াস মাহমুদ রুবেল সোমবার রাতে মদন থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর ওই রাতেই আফরোজা আক্তার স্মৃতি, লায়লা আক্তার লাবনী ও তাদের মা মিলন আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মদন থানার ওসি সালাউদ্দিন করিম জানান, “এ ঘটনায় দুই শিক্ষিকা ও তাদের মাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাদের নেত্রকোণা আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
মতামত