বিএনপি সরকারের ৬ মাস ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিসভা রদবদলের গুঞ্জনঢাকা, ১৫ আগস্ট ২০২৬ বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হওয়া এবং রাষ্ট্রপতি পদে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার প্রেক্ষাপটে মন্ত্রিসভায় রদবদলের আলোচনা জোরালো হয়ে উঠেছে।
দলীয় ও সরকারি সূত্রে জানা গেছে, কয়েকজন মন্ত্রীর পারফরম্যান্সে অসন্তোষ, বিতর্কিত বক্তব্য এবং ঢাকায় একজন মন্ত্রী ও উত্তরাঞ্চলের দুজন প্রতিমন্ত্রীর কর্মকাণ্ড নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেতিবাচক আলোচনা সৃষ্টি হওয়ায় এ পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এককভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্ভর করছে।
সম্ভাব্য পরিবর্তন ও আলোচনার মূল বিষয়সমূহ: খালি পদের পূরণ ও দফতর রদবদল: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত হওয়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে পূর্ণমন্ত্রীর পদটি খালি হচ্ছে। গুঞ্জন রয়েছে, বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আনা হতে পারে এবং পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আনা হতে পারে। তবে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এ বিষয়ে ছড়ানো সংবাদে বিব্রত প্রকাশ করেছেন। নতুন মুখ ও টেকনোক্র্যাট কোটা: মিত্র দলের প্রতিনিধি হিসেবে বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপনের নাম টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। পাশাপাশি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকেও অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে।
মূল্যায়ন পাওয়ার অপেক্ষায় বর্ষীয়ান নেতারা: দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে ত্যাগের পর মূল্যায়ন না পাওয়া ‘বঞ্চিত’ নেতাদের মধ্য থেকে মন্ত্রিসভায় সুযোগ পাওয়ার প্রত্যাশায় আছেন ড. আবদুল মঈন খান, শামসুজ্জামান দুদু, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং হাবিব উন নবী খান সোহেল। দলের নীতিগত সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রী জ্যেষ্ঠ নেতাদের মতকে গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই মন্ত্রিসভার এ সম্ভাব্য রদবদল সংক্রান্ত প্রক্রিয়া স্পষ্ট হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মতামত