রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

অর্থনীতি

৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

দেশের বাজারে টানা তিন দফা কমার পর আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এবার এক ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ এখন বিক্রি হবে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬২ টাকায়। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে এ দাম কার্যকর হয়েছে। ফলে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সারা দেশে এই দরেই ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হওয়ার কথা।বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।সংগঠনটির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘোষিত স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাই ক্রেতার কাছ থেকে এর বাইরে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে গহনার নকশা ও ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত মজুরি দিতে হবে ক্রেতাকে।এদিকে স্বর্ণ ও রুপার গহনা পুরোনো দিয়ে নতুন নেওয়া কিংবা বেচাকেনার ক্ষেত্রে আগের নিয়মই বহাল থাকবে। এ ক্ষেত্রে ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের দাম হিসাবের বাইরে থাকবে।পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই নতুন মূল্য কার্যকর থাকবে।

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে সংসদে নতুন তথ্য

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি আগের বছরের তুলনায় আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এখন প্রায় পৌনে ১৩ বিলিয়ন ডলার বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যের পরিমাণ। এর মধ্যে বাংলাদেশ ভারতে ১ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে। বাকি অংশ ভারত থেকে বাংলাদেশে আসে। জামায়াতের সংসদ সদস্য আবদুল বাতেনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভারতের পাশাপাশি চীনের সঙ্গেও বড় বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। তবে সরকার কোনো একটি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি আলাদাভাবে না দেখে সামগ্রিক বাণিজ্য পরিস্থিতির দিকে নজর দিতে চায়। তিনি বলেন, ‘আমাদের যেদিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করার দরকার, সেটি হচ্ছে আমাদের ওভারঅল এক্সপোর্টের অ্যাবিলিটি বাড়ানো দরকার।’ রপ্তানি বাড়াতে সরকার চামড়া, পাট, জাহাজ নির্মাণ, হালকা প্রকৌশল ও সেমিকন্ডাক্টরসহ কয়েকটি খাত চিহ্নিত করেছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। এসব খাতের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে নীতি সহায়তা দেওয়া এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি। যেসব খাত এখনও রপ্তানির উপযোগী পর্যায়ে পৌঁছায়নি, সেগুলোকেও সেই পর্যায়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ভারতের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলেও মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তবে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে ভারতের দিক থেকে কিছু বাধা থাকার পাশাপাশি গত দুই বছরে বাংলাদেশের দিক থেকেও কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে বলে তিনি জানান। সম্প্রতি ভারতের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফরের কথাও সংসদে তুলে ধরেন মুক্তাদির। তিনি বলেন, ওই প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মিলে অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। সরকার এ প্রস্তাবে আগ্রহ দেখিয়েছে। তিনি বলেন, এভাবে সমন্বিতভাবে আমরা বিভিন্ন চেষ্টা করছি, যাতে আগামী দিনে আমাদের রপ্তানি অধিকতর বৃদ্ধি করা যায় ভারতের ক্ষেত্রে। ভারত থেকে বেশি আমদানির কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, আমদানির বড় অংশ সরকার নয়, বেসরকারি খাত করে। ব্যবসায়ীরা যে উৎস থেকে প্রতিযোগিতামূলক কম দামে পণ্য পান, সেখান থেকেই আমদানি করেন। তিনি বলেন, সুতরাং উৎস হিসেবে যদিও এখানে ভারত একটি দেশের ক্ষেত্রেই ব্যবধানটা এত বেশি, কিন্তু যারা আমদানি করেন, তারা তাদের সুবিধা বিবেচনায় নিয়েই সেখান থেকে আমদানি করেন। বিএনপির সংসদ সদস্য লুৎফর রহমানের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির তথ্য তুলে ধরেন। মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৭ হাজার ৩১৩ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০২১-২২ অর্থবছরে তা বেড়ে হয়েছে ১১ হাজার ৬৯৮ দশমিক ৬০ মিলিয়ন ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৭ হাজার ৭১৬ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ৪৩০ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে হয়েছে ৭ হাজার ৮৫৯ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দুই স্ট্রোক ইঞ্জিনবিশিষ্ট থ্রি-হুইলার যানবাহন (টেম্পু, অটোরিকশা ইত্যাদি) (এইচএস হেডিং ৮৭.০৩-এর সংশ্লিষ্ট সব এইচএস কোড) আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২৯ অনুযায়ী আমদানিনিষিদ্ধ। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ২০২৬ সালের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী স্থানীয়ভাবে ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার উৎপাদন শিল্পকে সহায়তার জন্য যন্ত্রাংশ আমদানি করা হচ্ছে। গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান মোল্যার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এআরটি চুক্তি করার ফলে বাংলাদেশ তার প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় দেশটির বাজারে রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে সমর্থ হয়েছে।

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে সংসদে নতুন তথ্য

উপজেলা থেকে উদ্যোক্তা খুঁজবে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে দেশের উপজেলা পর্যায়ের সম্ভাবনাময় তরুণ-তরুণীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে। সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থ দেয়া হবে এ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত তরুণ উদ্যোক্তাদেরকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘উদ্যোগ (ইউডিওজি) : উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, নির্বাচিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি’র আওতায় দেশের বিভিন্ন উপজেলার সম্ভাবনাময় তরুণদের ব্যবসায়িক ধারণা যাচাই করে তাদেরকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে সহায়তা করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এ কর্মসূচি কোনো প্রতিযোগিতা নয়। তফসিলি ব্যাংকগুলো তাদের বিদ্যমান শাখা নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে উপজেলা পর্যায়ে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তা খুঁজে বের করবে। পরে তাদের ব্যবসায়িক ধারণা ও প্রকৃত অর্থের প্রয়োজন যাচাই করে অর্থায়নের ব্যবস্থা করবে। ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন নির্বাচিত প্রত্যেক উদ্যোক্তা তার প্রকৃত প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকার একটি অর্থায়ন প্যাকেজ পাবেন। এর অর্ধেক হবে ব্যাংক ঋণ ও বাকি অর্ধেক অনুদান। গ্রাহক পর্যায়ে সুদ বা মুনাফার হার সর্বোচ্চ ৪ থেকে ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। ঋণের ক্ষেত্রে কোনো সহায়ক জামানতের প্রয়োজন হবে না। তবে নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে অনুদানের অংশটি সুদবিহীন ঋণে রূপান্তরিত হবে। এ ক্ষেত্রে ঋণ হিসাব প্রচলিত নিয়মে শ্রেণিকৃত হবে এবং ঋণগ্রহীতা খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হয়ে ভবিষ্যতে ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা হারাবেন। আবেদনের যোগ্যতা বাংলাদেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক, যার বয়স আবেদনের শেষ তারিখে ২৮ বছরের বেশি নয় এবং যিনি সংশ্লিষ্ট উপজেলার বাসিন্দা, তিনি এ কর্মসূচিতে আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আবেদনকারীর আগে থেকে ব্যবসা পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক নয়। একটি বাস্তবসম্মত ব্যবসায়িক ধারণা থাকলেই আবেদন করা যাবে। কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তশিল্প, মৎস্য, পশুপালন, পর্যটন, সেবা ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগসহ সব ধরনের বৈধ উদ্যোগ এ কর্মসূচির আওতায় বিবেচনা করা হবে। আবেদন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা যাবে। সংশ্লিষ্ট উপজেলার যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের শাখায় নির্ধারিত ফরমের মাধ্যমে আবেদন জমা দেয়া যাবে। কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিস্তারিত নির্দেশনাসংবলিত সার্কুলার আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর জারি করা হবে। সার্কুলার জারির পরবর্তী এক মাস আবেদন দাখিলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। সংশ্লিষ্ট উপজেলার যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের শাখায় নির্ধারিত ফরমের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। প্রথম পর্যায়ে ৬৪ উপজেলায় কর্মসূচি প্রাথমিকভাবে দেশের আটটি বিভাগের আটটি জেলার ৬৪টি উপজেলায় ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচি শুরু হবে। জেলাগুলো হলো— মানিকগঞ্জ, ফেনী, নওগাঁ, ঝিনাইদহ, ভোলা, হবিগঞ্জ, রংপুর ও নেত্রকোনা। প্রতিটি উপজেলা থেকে ১০ জন করে মোট ৬৪০ জন তরুণ উদ্যোক্তা প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত হবেন। পরবর্তী সময়ে ধারাবাহিকভাবে দেশের অন্যান্য জেলার উপজেলাগুলোতেও কর্মসূচিটি সম্প্রসারণ করা হবে। এর আওতায় প্রতিবছর পাঁচ হাজার তরুণ উদ্যোক্তাকে অর্থায়ন ও সহায়তা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের। শুধু অর্থায়ন নয়, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শও বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির পরিধি শুধু অর্থায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞ পরামর্শকের ধারাবাহিক পরামর্শ, ব্যবসা নিবন্ধন ও ব্যবসায়িক পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা দেয়া হবে। এছাড়া উদ্যোক্তাদের বাজারের সাথে সংযোগ স্থাপনের সুযোগও দেয়া হবে। এর ফলে নতুন উদ্যোক্তারা ব্যবসা শুরু করার পাশাপাশি ব্যবসা পরিচালনা, পরিকল্পনা প্রণয়ন, নিবন্ধন ও বাজারজাতকরণ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের আশা, একজন সফল ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা গড়ে তিন থেকে পাঁচজনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন। সেই বিবেচনায় ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচি দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সূত্র : বাসস

উপজেলা থেকে উদ্যোক্তা খুঁজবে বাংলাদেশ ব্যাংক

আবারও কমল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও কমানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এবার প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা। নতুন এই দর সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে কার্যকর হয়েছে।বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য কমে যাওয়ায় সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকায় বিক্রি হবে।বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে গহনার ধরন ও নকশা অনুযায়ী মজুরি যোগ হবে।এদিকে স্বর্ণ ও রুপার গহনা বিনিময় বা বিক্রির ক্ষেত্রে ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে আগের নিয়মই বহাল থাকবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন এই মূল্য কার্যকর থাকবে।এর আগে ৩১ আগস্ট স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। সেদিন প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৪৭৪ টাকা কমানোর পর ২২ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ টাকা।

 আবারও কমল স্বর্ণের দাম

আগস্টে প্রবাসী আয় ৩৪৮০৯ কোটি টাকা

চলতি বছরের আগস্টের প্রথম ৩০ দিনে দেশে ২৮৩ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩৪ হাজার ৮০৯ কোটি টাকা, প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে।সোমবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের আগস্টের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে চলতি বছরের প্রথম ৩০ দিনে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২৬ দশমিক ৯০ শতাংশ।এদিকে শুধু রোববারই দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৯৮০ কোটি ৩০ লাখ টাকা।চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৫৬৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৪৭০ কোটি ৭০ লাখ ডলার।অর্থাৎ এক বছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ৯৮ কোটি ২০ লাখ ডলার। রেমিট্যান্সের এই প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগস্টে প্রবাসী আয় ৩৪৮০৯ কোটি টাকা

হিলি বন্দরে তৃতীয় দিনেও বাণিজ্য বন্ধ, বুধবার বৈঠকে নজর

ভারতের ব্যবসায়ীদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের কারণে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি টানা তৃতীয় দিনের মতো বন্ধ রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।সোমবার (৩০ আগস্ট) থেকে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি বন্ধ রাখেন। মঙ্গলবার পর্যন্ত সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না আসায় বুধবারও বাণিজ্য কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।তবে বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে প্রশাসনিক বৈঠকে অংশ নেবেন। ওই বৈঠকে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি দেওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে পণ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন সমস্যার বিষয় তুলে ধরা হবে। বৈঠকের পর ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।ভারতের হিলি এক্সপোর্টার অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বিকাশ মন্ডল বলেন, পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য স্থলবন্দরের তুলনায় হিলি বন্দর ব্যবসায়িকভাবে পিছিয়ে পড়ছে। বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা ও বাধার কারণে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।তার দাবি, সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই ব্যবসায়ীদের স্বার্থে বাধ্য হয়ে রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবারের বৈঠকে সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ পাওয়া গেলে ধর্মঘট প্রত্যাহার হতে পারে। অন্যথায় কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।বাংলাদেশের হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী ওয়াহেদুর রহমান রিপন জানান, আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় দেশের ব্যবসায়ীরাও বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ছেন। অনেক ব্যবসায়ী আগে থেকেই এলসি খুলেছেন। পাশাপাশি ভারতের অভ্যন্তরে বেশ কিছু পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকে রয়েছে। পণ্য সময়মতো না আসায় বাড়ছে আর্থিক ক্ষতি।এদিকে বন্দরকেন্দ্রিক শ্রমিকরাও কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক গোলাপ হোসেন জানান, কয়েক দিন ধরে ভারত থেকে কোনো পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে ঢুকছে না, আবার বাংলাদেশ থেকেও রপ্তানিপণ্য নিয়ে ট্রাক ভারতে যাচ্ছে না। ফলে দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল শ্রমিকদের পরিবার নিয়ে সংকটে পড়তে হচ্ছে।তবে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও হিলি স্থল কাস্টমস স্টেশনের দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু রয়েছে। রাজস্ব কর্মকর্তা পারভেজ জানান, নতুন করে পণ্য আনা-নেওয়া বন্ধ থাকলেও আগে আমদানি করা পণ্যের প্রয়োজনীয় কাস্টমস কার্যক্রম সম্পন্ন করে খালাসের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

হিলি বন্দরে তৃতীয় দিনেও বাণিজ্য বন্ধ, বুধবার বৈঠকে নজর

আবারও কমলো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও কমানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এবার সবচেয়ে উন্নতমানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরিতে দাম কমেছে ৪ হাজার ৪৭৪ টাকা।বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ টাকা।সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে এ নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে।বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় গহনার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে সোমবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকেই স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দর কার্যকরের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।ফলে নতুন দামে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি গহনার দাম দাঁড়াল ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ টাকা।

আবারও কমলো স্বর্ণের দাম

সপ্তাহের শুরুতেই কমলো সোনার দাম

দেশের বাজারে সোনার গহনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি গহনার দাম কমানো হয়েছে ৭ হাজার ১১৫ টাকা। নতুন দামে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার গহনা বিক্রি হবে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকায়।শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমে যাওয়ায় গহনার দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।বাজুসের প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি ৬ হাজার ৮২৩ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৮৩২ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরির দাম ৪ হাজার ৭২৪ টাকা কমে হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ১৯৬ টাকা।এর আগে ২০, ২২ ও ২৫ আগস্ট—তিন দফায় ২২ ক্যারেট সোনার দাম মোট ১০ হাজার ৯৬৪ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ ২৫ আগস্ট প্রতি ভরির দাম দাঁড়ায় ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে সেই দাম থেকে আবার বড় অঙ্কের পতন ঘটল।সোনার পাশাপাশি কমানো হয়েছে রুপার গহনার দামও। ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ১৭৫ টাকা কমে হয়েছে ৫ হাজার ৩০৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরির নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা।

সপ্তাহের শুরুতেই কমলো সোনার দাম

টিন থাকলেই কি কর দিতে হবে? ঘরে বসে জিরো রিটার্ন যেভাবে

টিন সার্টিফিকেট থাকলেই আয়কর দিতে হবে—এমন ধারণা ঠিক নয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে টিন থাকলে রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা তৈরি হতে পারে। আয় করমুক্ত সীমার মধ্যে থাকলে রিটার্ন জমা দেওয়ার পরও প্রদেয় কর শূন্য হতে পারে, যাকে সাধারণভাবে জিরো ট্যাক্স রিটার্ন বলা হয়।২০২৬-২০২৭ করবর্ষের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-রিটার্ন ব্যবস্থা চালু রয়েছে। ফলে করদাতারা ঘরে বসেই অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারছেন।প্রথমে এনবিআরের ই-রিটার্ন পোর্টালে গিয়ে টিন ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। নতুন ব্যবহারকারী হলে সাধারণত ১২ সংখ্যার টিন, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং এনআইডির সঙ্গে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করতে হয়।লগইনের পর ‘রিটার্ন সাবমিশন’ অপশন থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। এখানে আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের প্রকৃত তথ্য উল্লেখ করা জরুরি। আয় না থাকলেও সব ঘর শূন্য করে দেওয়া যাবে না। ব্যাংকে টাকা, জমি, বাড়ি বা অন্য কোনো সম্পদ থাকলে সেগুলোর তথ্যও সঠিকভাবে দিতে হবে।২০২৬-২০২৭ করবর্ষে সাধারণ ব্যক্তির জন্য প্রথম ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত। নারী ও ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে সীমা ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের জন্য ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের জন্য সীমা ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা।সব তথ্য পূরণ করার পর ‘ট্যাক্স অ্যান্ড পেমেন্ট’ অংশে প্রদেয় করের হিসাব দেখা যাবে। প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতে করের পরিমাণ শূন্য হলে সেটিই জিরো ট্যাক্স রিটার্ন।সাবমিটের আগে পুরো রিটার্ন যাচাই করে ভুল থাকলে সংশোধন করতে হবে। এরপর রিটার্ন জমা দিলে অ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপ ও ট্যাক্স সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে, যা পরবর্তীতে সংরক্ষণ বা প্রিন্ট করা যাবে।তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—কর শূন্য হলেও তথ্য শূন্য নয়। আয়, সম্পদ, ব্যয় ও দায়ের প্রকৃত হিসাবই দিতে হবে। ভুল তথ্য দিয়ে জিরো রিটার্ন জমা দিলে ভবিষ্যতে করসংক্রান্ত জটিলতায় পড়তে হতে পারে।

টিন থাকলেই কি কর দিতে হবে? ঘরে বসে জিরো রিটার্ন যেভাবে

২৫ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাবে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার প্রতি ভরিতে দাম বেড়েছে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্য ঘোষণা করে বাজুস। একই দিন সকাল ১০টা থেকে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।বাজুসের নির্ধারিত দামে, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকায়। একইভাবে ২১ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৬ টাকা। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম হবে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকা।সংগঠনটি জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই মূল্য বহাল থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা ও কাজের ধরন অনুযায়ী মজুরি আলাদাভাবে প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে অতিরিক্ত ভ্যাট নেওয়া যাবে না।বাজুসের ভাষ্য, দেশের স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের দাম বেড়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।চলতি বছরে এ নিয়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ১০৭ বার পরিবর্তন করল বাজুস। এর মধ্যে ৫৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, ৫১ বার কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাটের কারণে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

২৫ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

আবারও বেড়েছে সোনার দাম

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১,৬৩৩ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে ভালো মানের সোনার দর আড়াই লাখ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দর কার্যকর হয়েছে।  সোনার নতুন মূল্যতালিকা (প্রতি ভরি / ১১.৬৬৪ গ্রাম):সোনা (ক্যারেট)নতুন মূল্য (ভ্যাটসহ)২২ ক্যারেট২,৪৭,৭৪৩ টাকা২১ ক্যারেট২,৩৬,৬০৪ টাকা১৮ ক্যারেট২,০২,৮৮০ টাকা (তথ্য সংশোধিত)*সনাতন পদ্ধতি১,৬৫,৯২০ টাকা*বি: দ্র: সংবাদের ১৮ ক্যারেট সোনার দরে প্রদত্ত হিসাবটি টাইপিং ভুল হতে পারে; বাজুস নির্ধারিত সাধারণ অনুপাত অনুযায়ী ১৮ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির বাজারমূল্য ২ লাখ ২ হাজার টাকার কাছাকাছি (৩ লাখের ঘরে নয়)।  রুপার মূল্যতালিকা (অপরিবর্তিত):সোনার দাম বৃদ্ধি পেলেও রুপার দাম পূর্বের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।  ২২ ক্যারেট: ৫,৪৮২ টাকা/ভরি  ২১ ক্যারেট: ৫,২৪৯ টাকা/ভরি  ১৮ ক্যারেট: ৪,৪৯১ টাকা/ভরি  সনাতন পদ্ধতি: ৩,৩৮৩ টাকা/ভরি  

আবারও বেড়েছে সোনার দাম

বেনাপোলে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বুধবার সকল কার্যক্রম বন্ধ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বুধবার (২৬ আগস্ট) দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত অন্যান্য দিনের মতো স্বাভাবিক থাকবে।সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি।তিনি জানান, বুধবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে আবারো যথানিয়মে আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম চলবে।বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন খান জানান, বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে বুধবার বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রীরা স্বাভাবিক ভাবে যাতায়াত করতে পারবেন।বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন বলেন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) দিবসে সরকারি ছুটি থাকায় বুধবার বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুনরায় বন্দরের কার্যক্রমসহ আমদানি-রপ্তানি শুরু হবে। তবে বেনাপোল বন্দরে পণ্য খালাস করা খালি ভারতীয় খালি ট্রাক ফিরে যেতে পারবে।এদিকে একদিনের জন্য বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় দুই দেশের বন্দরে পণ্যজটের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে প্রায় ৬০০ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়ে থাকে। পাশাপাশি চিকিৎসা, ব্যবসা ও বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিদিন দেড় হাজারের বেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী এ পথে যাতায়াত করেন। বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিদিন সরকার প্রায় ১০ কোটি টাকা এবং যাত্রী যাতায়াত থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। 

বেনাপোলে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বুধবার সকল কার্যক্রম বন্ধ

অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন করে ‘এপ্রিল-মার্চ’ করার সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশের বর্তমান ‘জুলাই-জুন’ অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন করে ‘এপ্রিল-মার্চ’ করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কর্মপন্থা ও কৌশল নির্ধারণ করতে সরকার ৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে।মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, আইন ও সংসদ বিষয়ক সচিব এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান।আগামী ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন ‘এপ্রিল-মার্চ’ সময়সীমা পুরোপুরি কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই পরিবর্তনটি সহজে বাস্তবায়নের জন্য ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে ৯ মাসের একটি অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর হিসেবে ধরা হবে (জুলাই থেকে শুরু হয়ে মার্চে শেষ)।কমিটির কাজের পরিধি: কমিটি অর্থবছরের সময়সীমা বদলাতে সংবিধান ও ‘জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭’-এর প্রয়োজনীয় সংশোধন এবং সরকারের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনায় দরকারি সংস্কারের কর্মপন্থা নির্ধারণ করবে।বিদ্যমান ‘জুলাই-জুন’ অর্থবছরে দেশের অবকাঠামো উন্নয়নকাজের একটি বড় অংশ জুলাই ও আগস্ট মাসে গড়ায়। এ সময় তীব্র বর্ষার কারণে সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ ব্যাহত হয়, কাজের গুণগত মান নষ্ট হয় এবং জনভোগান্তি বাড়ে।অর্থবছর 'এপ্রিল-মার্চ' করা হলে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের সিংহভাগ কাজ নিরাপদে ও নির্ধারিত সময়ে শেষ করা সম্ভব হবে।

অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন করে ‘এপ্রিল-মার্চ’ করার সিদ্ধান্ত

গ্যাস সংকটে ফুওয়াং ফুডের কারখানায় ৬ মাসের বন্ধ উৎপাদন

গ্যাস–সংকট ও কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির কারণে খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ফুওয়াং ফুডের গাজীপুরের হোতাপাড়া কারখানা ছয় মাসের জন্য লেঅফ ঘোষণা করা হয়েছে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি আজ রোববার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে এ তথ্য জানিয়েছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের শনিবারের সভায় কারখানা লেঅফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গতকাল শনিবার থেকেই কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই লেঅফের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ছয় মাস। ফুওয়াং ফুড দেশে ব্রেড, বিস্কুট, কেক, নুডলসসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য উৎপাদন করে। কোম্পানিটির কারখানা গাজীপুরের হোতাপাড়ায় অবস্থিত। ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় এক হাজার কর্মী রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে থাকা কোম্পানিটি বর্তমানে শেয়ারবাজারের ‘জেড’ শ্রেণিভুক্ত। ২০২৩ সালের পর শেয়ারধারীদের কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহের সংকট পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। কারখানা বন্ধের খবর শেয়ারবাজারেও প্রভাব ফেলেছে। রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ফুওয়াং ফুডের শেয়ারের দাম ১০ পয়সা বা প্রায় ১ শতাংশ কমে ১১ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে। দিনটিতে কোম্পানিটির প্রায় পৌনে দুই লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ছয় মাসের লেঅফের ফলে কারখানার উৎপাদন ও কর্মীদের ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে এখন নজর রয়েছে। গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি ও উৎপাদন ব্যয় স্বাভাবিক হলে প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত সময়ের আগেই কার্যক্রমে ফিরতে পারবে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

গ্যাস সংকটে ফুওয়াং ফুডের কারখানায় ৬ মাসের বন্ধ উৎপাদন

বাংলা কিউআরে লেনদেন বেড়ে দৈনিক ১১০ কোটি টাকা, মার্চেন্ট ছাড়াল ৩০ লাখ

ডিজিটাল লেনদেনকে আরও সহজ ও বিস্তৃত করতে চালু করা ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এই ব্যবস্থায় প্রতিদিন ১১০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হচ্ছে। একই সময়ে বাংলা কিউআর গ্রহণকারী মার্চেন্টের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩০ লাখে পৌঁছেছে। ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ গড়ার অংশ হিসেবে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে দেশের ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব বা প্রোপ্রাইটরি কিউআর কোডের পরিবর্তে একক বাংলা কিউআর ব্যবহারের ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়। এর ফলে গ্রাহকদের জন্য ডিজিটাল পেমেন্ট আরও সহজ হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট বাংলা কিউআর কোড ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যাংক ও এমএফএস অ্যাপের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার মূল্য পরিশোধ করা যাচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীদের একাধিক প্রতিষ্ঠানের আলাদা কিউআর কোড রাখার প্রয়োজনও কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, জুলাইয়ের শুরুতে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ লাখ ৭৮ হাজার লেনদেন হতো। সর্বশেষ হিসাবে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩ লাখ ৩ হাজারে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনের আর্থিক পরিমাণেও বড় পরিবর্তন এসেছে। জুলাইয়ের শুরুতে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ৩৭ কোটি টাকার লেনদেন হতো, বর্তমানে তা বেড়ে ১১০ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। অর্থাৎ অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলা কিউআর ব্যবস্থায় লেনদেনের পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়েছে। মার্চেন্টের সংখ্যাতেও একই ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। আগে যেখানে প্রায় ১৬ লাখ মার্চেন্ট বাংলা কিউআর ব্যবহার করতেন, বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩০ লাখ হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, ‘এক দেশ এক কিউআর’ নীতি বাস্তবায়নের ফলে ব্যবসায়ী ও গ্রাহক—দুই পক্ষই সুবিধা পাচ্ছেন। ব্যবসায়ীদের একাধিক কিউআর কোড ব্যবহারের ঝামেলা কমেছে। অন্যদিকে গ্রাহকরা নিজেদের পছন্দের ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ ব্যবহার করেই বিভিন্ন দোকান ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে বিল পরিশোধ করতে পারছেন। রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি—উভয় ধরনের ব্যাংক এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে, বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়ার ফলে দেশে ডিজিটাল পেমেন্টের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে এবং নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সহজ, দ্রুত ও আন্তঃসংযুক্ত ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা তৈরি করা। বাংলা কিউআরের ব্যবহার যেভাবে দ্রুত বাড়ছে, তাতে দেশের ক্যাশলেস অর্থনীতির দিকে অগ্রযাত্রায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলা কিউআরে লেনদেন বেড়ে দৈনিক ১১০ কোটি টাকা, মার্চেন্ট ছাড়াল ৩০ লাখ

বিশ্বব্যাংকে নতুন দায়িত্বে সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান

সদ্য অবসরে যাওয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানকে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট কনস্টিটুয়েন্সির ‘বিকল্প নির্বাহী পরিচালক’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তরে এ দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। যোগদানের দিন থেকে তিন বছর মেয়াদে চুক্তিভিত্তিক এই নিয়োগ কার্যকর হবে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অবসর-পরবর্তী ছুটি ও সংশ্লিষ্ট সুবিধা স্থগিত এবং অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান-সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক না রাখার শর্তে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।মো. আবদুর রহমান খান ২০২৪ সালের আগস্টে এনবিআর চেয়ারম্যান ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিবের দায়িত্ব নেন। চলতি বছরের জুনে সরকারি চাকরির নিয়মিত মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি অবসরে যান।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর তিনি আইসিএমএবি থেকে পেশাগত ডিগ্রি অর্জন করেন এবং এফসিএমএ সনদ পান। তিনি বিসিএস (কর) ক্যাডারের ১৩তম ব্যাচের কর্মকর্তা।

বিশ্বব্যাংকে নতুন দায়িত্বে সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream