রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

সংগঠন

আজকের চারা, আগামীর ছায়া গ্রিন হরাইজন প্রকল্পের সবুজ উদ্যোগ

আজকের চারা, আগামীর ছায়া গ্রিন হরাইজন প্রকল্পের সবুজ উদ্যোগ

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:আজকের ছোট্ট একটি চারা, আগামী দিনের বিশাল ছায়া। সেই ছায়ার স্বপ্নকে সামনে রেখে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় রোপণ করা হয়েছে নানা প্রজাতির বৃক্ষ। শিক্ষাঙ্গনকে সবুজে সাজানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের শরণখোলা এডিপির ‘গ্রিন হরাইজন প্রকল্প’-এর আওতায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ৩০ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় আম বারি-৪, আম্রপালি, বকুল, কৃষ্ণচূড়া, জাম, নিম ও আমলকীসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।বৃক্ষরোপণের ফলে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সৌন্দর্যই বাড়বে না, ভবিষ্যতে এসব গাছ শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মানুষের জন্য ছায়া, নির্মল বাতাস ও একটি সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে গাছের পরিচর্যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রকৃতির প্রতি মমত্ববোধও তৈরি হবে।তাফালবাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মানিক চাঁদ রায় বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় বৃক্ষরোপণ একটি অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ। গাছ আমাদের পরিবেশ রক্ষা করে, শিক্ষার্থীদের ছায়া দেয় এবং প্রতিষ্ঠানের সৌন্দর্য বাড়ায়। এমন একটি সুন্দর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে রোপণ করা গাছগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা করব।”শিক্ষার্থী অংকিতা বলে, “স্কুলের আঙিনায় গাছ লাগানোয় আমাদের খুব ভালো লাগছে। গাছগুলো বড় হলে আমাদের স্কুল আরও সুন্দর ও ছায়াঘেরা হবে। আমরা সবাই মিলে এগুলোর যত্ন নেব।”শিক্ষার্থী বৈশাখী বলে, “গাছ পরিবেশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, গাছগুলোকে বাঁচিয়ে রাখাও আমাদের দায়িত্ব। আমরা নিজেদের গাছ মনে করে এগুলোর পরিচর্যা করতে চাই।”শিক্ষার্থী সাজনিন বলে, “নতুন গাছ লাগানোর মাধ্যমে আমরা পরিবেশ রক্ষার একটি ভালো কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরেছি। আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের এমন কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা হলে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে।”শিক্ষার্থী পৃথা বলে, “আজ আমরা যে ছোট গাছের চারা লাগাচ্ছি, কয়েক বছর পর সেগুলো বড় হবে। তখন এই গাছের ছায়ায় অন্য শিক্ষার্থীরা বসবে। আমাদের লাগানো গাছ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উপকার করবে—এটা ভাবতেই ভালো লাগছে।”ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের শরণখোলা এডিপির প্রোগ্রাম অফিসার মানিক হালদার বলেন, “পরিবেশ সুরক্ষা ও শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সবুজায়নের কোনো বিকল্প নেই। গ্রিন হরাইজন প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা এসব গাছের যত্ন নেবেন এবং এর মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ববোধ আরও শক্তিশালী হবে।”প্রকৃতির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের এই বন্ধন হয়তো আজ ছোট্ট একটি চারার মধ্য দিয়েই শুরু হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সেই চারা বড় হয়ে ছায়া দেবে, ফুল-ফল দেবে, আর সাক্ষী হয়ে থাকবে একটি সবুজ প্রজন্ম গড়ে ওঠার গল্পের। আজকের এই চারা তাই শুধু একটি গাছ নয় এটি আগামীর নির্মল পরিবেশের স্বপ্ন।

সিরাজদিখানে ছাত্রশিবিরের ‘সিরাতপাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

‎এমএ আউয়াল আশিক:‎মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির উপজেলা শাখার ব্যবস্থাপনায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘সিরাতপাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।‎উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতাকে ঘিরে অনুষ্ঠানস্থল উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থীদের ইসলামী মূল্যবোধ, জ্ঞানচর্চা ও সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমে উৎসাহিত করতে প্রতিযোগিতায় চারটি বিষয়ে আয়োজন করা হয়। বিষয়গুলো হলো—কোরআন তিলাওয়াত, নাতে রাসূল (সা.), উপস্থিত বক্তৃতা এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সীরাতভিত্তিক কুইজ।‎প্রতিযোগিতা শেষে অনুষ্ঠিত হয় সমাপনী সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এতে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন সিরাজদিখান উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আসজাদ আব্দুল্লাহ।‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার সেক্রেটারি মুজিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হোসেন ঢালী। এছাড়া এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।‎বক্তারা শিক্ষার্থীদের মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ ও চরিত্র অনুসরণ করে নিজেদের জীবন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তাঁরা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।‎অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন বিষয়ে বিজয়ী প্রতিযোগীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীর হাতে উৎসাহমূলক শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা

সিরাজদিখানে ছাত্রশিবিরের ‘সিরাতপাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

এমএ আউয়াল আশিক‎শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণমূলক সংগঠন ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘ঝিকুট ফাউন্ডেশন সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।‎বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ১০টায় সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সিরাজদিখানে বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা থেকে এসএসসি পরীক্ষায়  ৫১ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।‎ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সম্পাদক আশরাফ ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএমের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন পিপিএম। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ।‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘের আইসিটি কর্মকর্তা (অব.) নজরুল ইসলাম, নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অধ্যাপক ও ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জমির হোসেন, বিক্রমপুর কুঞ্জবিহারী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ সামছুল হক হাওলাদার, ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মেজর সিফাতুল আলম, সিরাজদিখান সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার পারভেজ এবং বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সহকারী রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মাওলা পিএসএম।‎এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আলাউদ্দিন, বিক্রমপুর টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা কাজী নজরুল ইসলাম বাবুল, প্রফেসর ত. ইয়াজউদ্দিন কলেজের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর বাহাউদ্দীন বাহার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক সেলিম শিকদার, নারী উদ্যোক্তা ও ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সানজিদা হায়াত দিপা এবং জাপান প্রবাসী ও ঝিকুট ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষক নূরুল ইসলাম খান।‎অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের সভাপতি সাইয়্যেদুল বাশার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহিদুল হাসান শাওন ও আইনবিষয়ক সম্পাদক রাকিব হাসান জিসান।‎অনুষ্ঠানে শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখা বিভিন্ন ব্যক্তি ও গুণীজনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বক্তারা সমাজের উন্নয়ন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর ভূমিকা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

হিজড়া জনগোষ্ঠীর সেবা প্রাপ্তি সহজীকরণে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও তাদের সরকারি-বেসরকারি সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকায় এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজধানীর আদাবর বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটিতে অবস্থিত পদক্ষেপ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (PIDM) মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।‘আশার আলো সোসাইটি (AAS)’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের জোন-৬ এর সমাজকল্যাণ অফিসার সাইফুল ইসলাম। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং ক্রিশ্চিয়ান এইড ও 'আমরাই পারি'-এর সহযোগিতায় পরিচালিত "নাগরিক সংগঠনের অংশগ্রহণে জনপ্রশাসন সম্প্রসারণ ও সুশাসন ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ" শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সভায় বক্তারা সমাজে পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক হিজড়া জনগোষ্ঠীর সেবা প্রাপ্তির বর্তমান চ্যালেঞ্জ, অগ্রগতির ক্ষেত্রসমূহ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। হিজড়া জনগোষ্ঠীর অধিকার সুসংহত করা এবং সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সেবা তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে গুরুত্বারোপ করা হয়।আশার আলো সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রকল্পের সার্বিক দিক উপস্থাপন করেন আশার আলো সোসাইটির প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো সানোয়ার হোসেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরশনের ডা. মো ইমন হোসেন, ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী এড. কাজী কামাল, স্বপ্ন জয়ী ফাউন্ডেশনের সভাপতি রাখি শেখসহ সেবা প্রদানকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সামাজিক সংগঠনের কর্মকর্তারা।

হিজড়া জনগোষ্ঠীর সেবা প্রাপ্তি সহজীকরণে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

ডোমারের চিলাহাটিতে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার নষ্ট, অন্ধকারে প্রায় ২০টি পরিবার

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের গোসাইগঞ্জ ঝাকুয়াপাড়া এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের একটি ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়ে যাওয়ায় প্রায় ২০টি পরিবার বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত থেকে পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ বিদ্যুতের একটি ফেজ চলে যায়। পরে ফেজ চালু করার চেষ্টা করলে ট্রান্সফরমার থেকে বিকট শব্দ শোনা যায়। বিষয়টি পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ট্রান্সফরমারটি নষ্ট হয়ে গেছে বলে নিশ্চিত করেন।এদিকে ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে যাওয়ায় এলাকার প্রায় ২০টি পরিবার বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু, শিক্ষার্থী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং সাধারণ গ্রাহকরা নানা ধরনের দুর্ভোগে পড়েছেন। দৈনন্দিন কাজকর্মের পাশাপাশি মোবাইল চার্জ, পানির মোটর ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারেও সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় যুবক রওশন আলী বলেন, "গত রাত থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় আমরা খুব সমস্যার মধ্যে পড়েছি। দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ লাইন সচল করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।"এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের চিলাহাটি অভিযোগ কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা বলেন, "ট্রান্সফরমার নষ্ট হওয়ার বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। বিষয়টি ইতোমধ্যে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।"স্থানীয়দের দাবি, নতুন ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপন বা মেরামতের কাজ শেষ হতে ২ থেকে ৩ দিন সময় লাগতে পারে বলে তাদের জানানো হয়েছে। তাই দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ডোমারের চিলাহাটিতে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার নষ্ট, অন্ধকারে প্রায় ২০টি পরিবার
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream