রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

সংগঠন

পাইকগাছায় অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর, গর্ভপাতের মামলায় নতুন মোড়

পাইকগাছায় অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর, গর্ভপাতের মামলায় নতুন মোড়

পাইকগাছা প্রতিনিধি: এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর ও গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রথম তদন্তে দুই আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হলেও আদালতের নির্দেশে অধিকতর তদন্ত শেষে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। খুলনার পাইকগাছায় সরকারি জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় তদন্তের এই পরিবর্তন মামলাটিকে নতুন মোড় দিয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারিত হবে আদালতে।প্রথম তদন্তে অব্যাহতির সুপারিশ, বাদীর নারাজিমামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাইকগাছা উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের কাকড়াবুনিয়া গ্রামের জামাইপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় রাজিয়া বেগমের দায়ের করা মামলায় মো. ইয়াসিন আরাফাত ও মো. নয়ন মোড়লকে আসামি করা হয়।এজাহারে অভিযোগ করা হয়, সরকারি ওয়াপদার রাস্তা-সংলগ্ন জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে আসামিরা বাদীর বাড়ির সামনে গিয়ে গালিগালাজ করেন এবং বসতবাড়ি ছেড়ে যেতে বলেন। প্রতিবাদ করলে বাদীর তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা পুত্রবধূ শাপলা খাতুনকে মারধর ও তলপেটে লাথি মারা হয়। পরে তাঁর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। চিকিৎসা-নথিতে অসম্পূর্ণ গর্ভপাতের উল্লেখ রয়েছে।এজাহারে বাড়িতে প্রবেশ, হত্যার হুমকি ও কাজের অগ্রিম ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়। তবে অধিকতর তদন্তে টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের পক্ষে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে পিবিআইয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।২০২৫ সালের ১ নভেম্বর মামলাটি নথিভুক্ত হয়। প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ দুই আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেন। এতে নারাজি জানান বাদী। পরে ২৯ এপ্রিল আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআই, খুলনাকে নির্দেশ দেন।চার ধারায় অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতাপিবিআইয়ের উপপরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমানের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ ও চিকিৎসা-নথি পর্যালোচনা করা হয়েছে। নথিতে ভুক্তভোগীর বাম হাতের মধ্যমা আঙুলে ক্ষত, তলপেটে ব্যথা এবং আল্ট্রাসনোগ্রামে অসম্পূর্ণ গর্ভপাতের উল্লেখ রয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়াসিন আরাফাতের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৪৭, ৩২৩, ৩১৩ ও ৫০৬ ধারায় এবং নয়ন মোড়লের বিরুদ্ধে ৪৪৭, ৩২৩ ও ৫০৬ ধারায় অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ২০২৬ সালের ৩০ আগস্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার পর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।তদন্ত প্রতিবেদনে সরকারি জমির ভোগদখল নিয়ে বিরোধের বিষয়টিও উঠে এসেছে। তবে জমির মালিকানা ও ভোগদখলের বৈধতা সংশ্লিষ্ট নথির ভিত্তিতে পৃথকভাবে যাচাইয়ের বিষয়।প্রথম তদন্তে অব্যাহতির সুপারিশ থেকে অধিকতর তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল—মামলার তদন্তে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। এখন আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগগুলোর বিচারিক নিষ্পত্তির।

ডোমারে রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ডোমারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, নীলফামারী ইউনিটের ডোমার উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্ট।বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১ টায় ডোমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শায়লা সাইদ তন্নী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. সাফিউল ইসলাম,রেড ক্রিসেন্ট জেলা এসি কমিটির সদস্য আনিসুর রহমান আনু,ডোমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন।এসময় কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, নীলফামারী ইউনিটের ডোমার উপজেলা দলনেতা মোঃ আব্দুর রশিদ, উপ-দলনেতা-১ মোঃ সাইদ বিন ইসলাম ও উপ-দলনেতা-২ মোছাঃ মোৎমাইন্না দীপ্তি।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রশিক্ষণ ও সহ-শিক্ষা কার্যক্রম বিভাগের উপ-প্রধান মোঃ রিফাত ইসলাম; আইসিটি, মিডিয়া ও যোগাযোগ বিভাগের প্রধান মোছাঃ সারমিন জাহান মিথিলা;স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রধান মিলন ইসলাম (হৃদয়) ও উপ-প্রধান মোছাঃ সুমাইয়া আক্তার আইরিন এবং তহবিল সংগ্রহ বিভাগের প্রধান মোঃ রেদোয়ানুল আমিন রিফাত ও উপ-প্রধান মোঃ মাসুদ রানাসহ যুব রেড ক্রিসেন্টের অন্যান্য সদস্যরা।অভিযানকালে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।

ডোমারে রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আসক সিলেট জেলা কমিটি গঠন, সভাপতি এড. সাইফুর, সাধারণ সম্পাদক রহিম

উৎফল বড়ুয়া, সিলেটজাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার বাস্তবায়নে সচেষ্ট আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) এর সিলেট জেলা কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) আসক’র কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান রকিব আল মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে এড. সাইফুর রহমান খন্দকার রানা-কে সভাপতি ও আব্দুর রহিম-কে  সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।কমিটির অন্যান্য দায়িত্বশীলরা হলেন-সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. মোঃ মামুন আহমদ রিপন, এড. তাহেদ হোসেন চৌধুরী, সহ-সভাপতি এড. ইমরান আহমদ, এড. দিদার আহমদ, এড. মোঃ শাহেদ ইকবাল সোহাগ, মোঃ জয়নাল হক, মোঃ আব্দুল মতিন, মামুনুর রহমান, প্রবাল দেবনাথ, সুলতান মাহমুদ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোঃ মারজান খান, নাজিম উদ্দিন, মোঃ আলিম উল্লাহ, সহ-সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ পারভেজ আহমদ, মোকারাবি আহমেদ (আরাবি), মোঃ ইউসুফ আলী, মোঃ ইয়াছিন আলি, সাংগঠনিক সম্পাদক-১ পারভেজ আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক-০২ এম. জে. কাওসার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ, সোনারা আক্তার, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আরিফুল হক ইদ্রিছ, সহ-দপ্তর সম্পাদক এড. সৈয়দ মোঃ আহমদ আলী, প্রচার সম্পাদক আব্দুল আজিজ, সহ-প্রচার সম্পাদক আল আমিন, অর্থ সম্পাদক এড. রেদওয়ান আলম আদিব, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. তাহমিনা আক্তার, এড. শেখ শামছুন্নাহার, এড. মোঃ ইমাদ উদ্দিন, জালাল উদ্দিন আহমদ, কর আইনজীবী, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এড, মো: ইমাদ উদ্দিন, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ মোঃ আবিদ হোসেন খান, সহ-মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রউফ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক গাজী হাফিজুর রহমান, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদিকা এড. তাহেরা বেগম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এড. আরিফ রায়হান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শুয়াইবুর রহমান, সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক এ টি এম জাফর, সহ-সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক, মোঃ শাব্বির আহমদ, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক শাকিল হোসেন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত রহমান চৌধুরী, ক্রীড়া সম্পাদক হাসানুল হক, সিনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য এড. নাজমিন বেগম, নাজিম উদ্দিন, সায়েম আহমদ, মিছবাহ উদ্দিন, ফাহদিন আহমদ, মোঃ আদনান উদ্দিন, মোঃ ফাহিমুল ইসলাম।সিলেট জুড়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, নির্যাতিত ও বঞ্চিত মানুষের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় এই নতুন কমিটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ। নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দও সিলেটে মানবাধিকার রক্ষায় বস্তুনিষ্ঠ ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আসক সিলেট জেলা কমিটি গঠন, সভাপতি এড. সাইফুর, সাধারণ সম্পাদক রহিম

জামালপুরে রেডক্রিসেন্টের কমিটি গঠন

জামালপুরে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির   বিশেষ সাধারণ সভা ও কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।নির্বাচনে ২০২৬-২০২৮ মেয়াদে মাহবুবুর রহমান জিলানী ভাইস চেয়ারম্যান এবং খায়রুল ইসলাম লিয়ন সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়েছেন। কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ড. নিলোফার চৌধুরী মনি, মো. জিয়াউল হক জিয়া, মো. সাঈদ বিন আনোয়ার সজিব, মো. ইকরামুল হক ও সাইফুল আল খান।শনিবার দুপুরে জামালপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জামালপুর ইউনিটের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন আজীবন সদস্য ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি শামীম আহমেদ, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ মিয়া, মাহবুবুর রহমান জিলানী, খায়রুল ইসলাম লিয়ন ও ইউনিয়ন অফিসার জীবন কুমার বিশ্বাস। রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জামালপুর ইউনিটের নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট ফজলুল হক নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। এ সময় ইউনিটের আজীবন সদস্য, সিনিয়র আরসিওআই ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জামালপুরে রেডক্রিসেন্টের কমিটি গঠন

নিউরোচেক প্রো’র প্রতিষ্ঠাতা সিইও তানহা তাবাসসুম হেলথ এশিয়া কনফারেন্স ২০২৬ যোগদান

শ‌হিদুল ইসলাম, প্রতি‌বেদক:পাকিস্তানের করাচিতে ৩ দিনব‌্যা‌পি ২৩তম হেলথ এশিয়া কনফারেন্স ২০২৬ সম্প্রতি ১০ হ‌তে ১২ সে‌প্টেম্বর পাকিস্তানের বৃহত্তম বার্ষিক স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা শিল্প বিষয়ক সভায় বিভিন্ন দেশের চিকিৎসক ও গবেষকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হ‌য়ে‌ছে।যুক্তরাজ্যভিত্তিক সর্ব প্রথম স্বাস্থ্য প্রযুক্তি অ্যাপ প্রতিষ্ঠান নিউরোচেক প্রো-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী (সিইও) ব্রিটিশ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চট্টগ্রা‌মের কৃ‌তি সন্তান তানহা তাবাসসুম "ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার রূপান্তর" এই বছরের প্রতিপাদ্যের অধীনে, পাকিস্তান সেন্টার ফর ডিজিটাল হেলথ এবং পাকিস্তানের জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা, প্রবিধান ও সমন্বয় মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত চতুর্থ আন্তর্জাতিক ডিজিটাল স্বাস্থ্য সম্মেলনে একজন আন্তর্জাতিক বক্তা হিসেবে যোগদান করেন।তানহা তাবাসসুম ব‌লেন, পাকিস্তানের জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী, সৈয়দ মুস্তফা কামালের সাথে সাক্ষাৎ করা এবং দেশের ডিজিটাল স্বাস্থ্য খাতের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি শোনাও আমার জন্য একটি বিশেষ সৌভাগ্যের বিষয় ছিল।যুক্তরাজ্যের এডিএইচডি এবং অটিজম মূল্যায়নের প্রথম অ্যাপ নিউরোচেক প্রো-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও হিসেবে, আমি উপস্থিত সকলের সামনে একটি সমস্যা তুলে ধরি: রোগ নির্ণয়ের জন্য অপেক্ষার কারণ কোনো অসুবিধা নয়, বরং এমন একটি ব্যবস্থা যা আজকের চাহিদার বিশালতার জন্য কখনোই তৈরি হয়নি এবং নিউরোচেক প্রো এই শূন্যস্থানটিই পূরণ করে। এটি সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিকে একটি রেকর্ডে রাখে, যার ফলে রোগীরা স্বাধীনভাবে শুরু করতে পারেন এবং চিকিৎসকরা সরাসরি রোগ নির্ণয়ে যেতে পারেন। একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল পাকিস্তানের সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও এবং স্বাস্থ্যসেবা নেতাদের সাথে একটি গোলটেবিল বৈঠক, যা পাকিস্তানের স্বাস্থ্য বিষয়ক সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য কর্মসূচির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাননীয় মুহাম্মদ আরশাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আমি পাকিস্তানে স্নায়ুবিকাশজনিত রোগ নির্ণয়ের অগ্রগতি সাধনের বিষয়ে আমার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছিলাম।এত বড় ব্যবধান কোনো একটি প্ল্যাটফর্ম একা পূরণ করতে পারে না; প্রযুক্তি সুযোগের পরিধি বাড়ায়, কিন্তু কেবল তারাই এটিকে সত্যিকার অর্থে এগিয়ে নিয়ে যায়, যারা একসাথে কাজ করতে ইচ্ছুক। পাকিস্তানের চিকিৎসক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে আমি যে আন্তরিকতা পেয়েছি যা বিচারবুদ্ধির সাথে আপোস না করে প্রযুক্তিকে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, তার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে, প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না তার উপর নয়—তা এই অঞ্চলকে অন্যদের থেকে এগিয়ে রেখেছে। উল্লেক্ষ‌্য তানহা তাবাসসুম বাংলাদেশী বি‌শিষ্ট কূটনীতিক এবং যুক্তরাজ্যে, মেক্সিকো ও দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের সফল সা‌বেক রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলামের পুত্রবধূ।প‌রি‌শে‌ষে তানহা তাবাসসুম, আমন্ত্রণ জানানোর জন্য এবং করাচিতে পুরো সময়টা উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য ড. জাকিউদ্দিন আহমেদকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। এটি পাকিস্তানে আমার প্রথম সফরও ছিল, এবং করাচি আমার মনে এক গভীর ছাপ রেখে গেছে।

নিউরোচেক প্রো’র প্রতিষ্ঠাতা সিইও তানহা তাবাসসুম হেলথ এশিয়া কনফারেন্স ২০২৬ যোগদান

বালাগঞ্জে ‘বোয়ালজুর ইউনিয়ন গণদাবী পরিষদ’র আত্মপ্রকাশ, ২১ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

বালাগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি:সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার বোয়ালজুর ইউনিয়নের মানুষের ন্যায্য দাবি, নাগরিক অধিকার ও স্থানীয় উন্নয়নকে সামনে রেখে বোয়ালজুর ইউনিয়ন গণদাবী পরিষদ’ নামে একটি অরাজনৈতিক, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বালাগঞ্জের কালীবাড়ি বাজারস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় আগামী দুই বছরের জন্য ২১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।নবগঠিত কমিটিতে সমাজকর্মী এনামুল ইসলাম রুহুলকে সভাপতি, সাংবাদিক আতাউর রহমান কাওছারকে সাধারণ সম্পাদক, ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম মাছুমকে কোষাধ্যক্ষ এবং দিপক লাল পুরকায়স্থ পলাশকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।কমিটির অন্যান্য দায়িত্বশীলরা হলেন— আব্দুল আলীম, আবুল কালাম ও রাজু আহমদ সহ-সভাপতি; শুয়াইবুর রহমান খান শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক; জাকির আহমদ সমাজকল্যাণ সম্পাদক; ছবুর আহমদ ত্রাণ ও দুর্যোগ সম্পাদক; গিয়াস উদ্দিন আহমদ কৃষি ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক; শাহজাহান গাজী মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক; রুমেল আহমদ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক; আব্দুল হাকিম যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক; মাওলানা ফেরদৌস আলী দপ্তর সম্পাদক; রাজন আচার্য্য স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক; তাজিদ হোসেন তারেক তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক; লিমন গাজী সহ-তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক; ফাহিমা বেগম নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক; জাবেদ আলী নির্বাহী সদস্য এবং লায়েক আহমদ সদস্য।সভায় সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। উদ্যোক্তারা জানান, বোয়ালজুর ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের ন্যায্য দাবি, নাগরিক অধিকার ও জনস্বার্থের বিষয়গুলো শান্তিপূর্ণ, আইনসম্মত ও দায়িত্বশীল উপায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরাই সংগঠনটির অন্যতম উদ্দেশ্য। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি, পরিবেশ, ক্রীড়া, নারী ও শিশু কল্যাণসহ বিভিন্ন জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতনতা ও সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।তারা বলেন, বোয়ালজুর ইউনিয়ন গণদাবী পরিষদ কোনো রাজনৈতিক দল বা রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন নয়। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এলাকার মানুষের স্বার্থ ও জনকল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে সংগঠনটি কাজ করবে।সভায় নবগঠিত কমিটির সদস্যরা সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনায় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান দেখানো এবং শান্তিপূর্ণ ও অহিংস পদ্ধতি অনুসরণ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বালাগঞ্জে ‘বোয়ালজুর ইউনিয়ন গণদাবী পরিষদ’র আত্মপ্রকাশ, ২১ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

ফুলবাড়ীতে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের ১৫ সদস্যের কমিটি ঘোষণা

মোঃ শাহজামাল শাওন, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের উপজেলা শাখার ১৫ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত করে ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ৩১ আগস্ট ২০২৭ পর্যন্ত এক বছরের জন্য নতুন কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সংগঠনের চেয়ারম্যান মো. খায়রুল আলম রফিক ও যুগ্ম সচিব খাইরুল ইসলাম আল আমিন স্বাক্ষরিত এক অনুমোদনপত্রে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।নতুন কমিটিতে মো. শাহজামাল শাওনকে সভাপতি ও মো. বদরুজ্জামান বিপ্লবকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। সহ-সভাপতি মো. ইয়াকুব আলী সরকার এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন। সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক, অর্থ সম্পাদক মো. মমিনুল ইসলাম প্রামাণিক, দপ্তর সম্পাদক মো. সুমন মিয়া, প্রচার সম্পাদক মো. আনোয়ারুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মো. আলিনুর ইসলাম, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. খুরশিদুল হক এবং ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. হাসানুর রহমান। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. শাহজালাল ও মো. সাইফুর রহমান।নবগঠিত কমিটির নেতারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো সাংবাদিক নির্যাতন, হয়রানি, হুমকি কিংবা অন্য কোনো প্রতিবন্ধকতার শিকার হলে তাঁর পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় কাজ করবে সংগঠনটি।তাঁরা বলেন, ফুলবাড়ীতে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও পেশাগত সম্প্রীতি বাড়ানোর পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ, তথ্যনির্ভর ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরিতে নতুন কমিটি ভূমিকা রাখবে।

ফুলবাড়ীতে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের ১৫ সদস্যের কমিটি ঘোষণা

আজকের চারা, আগামীর ছায়া গ্রিন হরাইজন প্রকল্পের সবুজ উদ্যোগ

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:আজকের ছোট্ট একটি চারা, আগামী দিনের বিশাল ছায়া। সেই ছায়ার স্বপ্নকে সামনে রেখে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় রোপণ করা হয়েছে নানা প্রজাতির বৃক্ষ। শিক্ষাঙ্গনকে সবুজে সাজানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের শরণখোলা এডিপির ‘গ্রিন হরাইজন প্রকল্প’-এর আওতায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ৩০ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় আম বারি-৪, আম্রপালি, বকুল, কৃষ্ণচূড়া, জাম, নিম ও আমলকীসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।বৃক্ষরোপণের ফলে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সৌন্দর্যই বাড়বে না, ভবিষ্যতে এসব গাছ শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মানুষের জন্য ছায়া, নির্মল বাতাস ও একটি সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে গাছের পরিচর্যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রকৃতির প্রতি মমত্ববোধও তৈরি হবে।তাফালবাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মানিক চাঁদ রায় বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় বৃক্ষরোপণ একটি অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ। গাছ আমাদের পরিবেশ রক্ষা করে, শিক্ষার্থীদের ছায়া দেয় এবং প্রতিষ্ঠানের সৌন্দর্য বাড়ায়। এমন একটি সুন্দর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে রোপণ করা গাছগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা করব।”শিক্ষার্থী অংকিতা বলে, “স্কুলের আঙিনায় গাছ লাগানোয় আমাদের খুব ভালো লাগছে। গাছগুলো বড় হলে আমাদের স্কুল আরও সুন্দর ও ছায়াঘেরা হবে। আমরা সবাই মিলে এগুলোর যত্ন নেব।”শিক্ষার্থী বৈশাখী বলে, “গাছ পরিবেশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, গাছগুলোকে বাঁচিয়ে রাখাও আমাদের দায়িত্ব। আমরা নিজেদের গাছ মনে করে এগুলোর পরিচর্যা করতে চাই।”শিক্ষার্থী সাজনিন বলে, “নতুন গাছ লাগানোর মাধ্যমে আমরা পরিবেশ রক্ষার একটি ভালো কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরেছি। আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের এমন কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা হলে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে।”শিক্ষার্থী পৃথা বলে, “আজ আমরা যে ছোট গাছের চারা লাগাচ্ছি, কয়েক বছর পর সেগুলো বড় হবে। তখন এই গাছের ছায়ায় অন্য শিক্ষার্থীরা বসবে। আমাদের লাগানো গাছ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উপকার করবে—এটা ভাবতেই ভালো লাগছে।”ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের শরণখোলা এডিপির প্রোগ্রাম অফিসার মানিক হালদার বলেন, “পরিবেশ সুরক্ষা ও শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সবুজায়নের কোনো বিকল্প নেই। গ্রিন হরাইজন প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা এসব গাছের যত্ন নেবেন এবং এর মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ববোধ আরও শক্তিশালী হবে।”প্রকৃতির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের এই বন্ধন হয়তো আজ ছোট্ট একটি চারার মধ্য দিয়েই শুরু হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সেই চারা বড় হয়ে ছায়া দেবে, ফুল-ফল দেবে, আর সাক্ষী হয়ে থাকবে একটি সবুজ প্রজন্ম গড়ে ওঠার গল্পের। আজকের এই চারা তাই শুধু একটি গাছ নয় এটি আগামীর নির্মল পরিবেশের স্বপ্ন।

আজকের চারা, আগামীর ছায়া গ্রিন হরাইজন প্রকল্পের সবুজ উদ্যোগ

সিরাজদিখানে ছাত্রশিবিরের ‘সিরাতপাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

‎এমএ আউয়াল আশিক:‎মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির উপজেলা শাখার ব্যবস্থাপনায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘সিরাতপাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।‎উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতাকে ঘিরে অনুষ্ঠানস্থল উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থীদের ইসলামী মূল্যবোধ, জ্ঞানচর্চা ও সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমে উৎসাহিত করতে প্রতিযোগিতায় চারটি বিষয়ে আয়োজন করা হয়। বিষয়গুলো হলো—কোরআন তিলাওয়াত, নাতে রাসূল (সা.), উপস্থিত বক্তৃতা এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সীরাতভিত্তিক কুইজ।‎প্রতিযোগিতা শেষে অনুষ্ঠিত হয় সমাপনী সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এতে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন সিরাজদিখান উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আসজাদ আব্দুল্লাহ।‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার সেক্রেটারি মুজিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হোসেন ঢালী। এছাড়া এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।‎বক্তারা শিক্ষার্থীদের মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ ও চরিত্র অনুসরণ করে নিজেদের জীবন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তাঁরা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।‎অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন বিষয়ে বিজয়ী প্রতিযোগীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীর হাতে উৎসাহমূলক শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা

সিরাজদিখানে ছাত্রশিবিরের ‘সিরাতপাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

এমএ আউয়াল আশিক‎শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণমূলক সংগঠন ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘ঝিকুট ফাউন্ডেশন সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।‎বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ১০টায় সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সিরাজদিখানে বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা থেকে এসএসসি পরীক্ষায়  ৫১ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।‎ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সম্পাদক আশরাফ ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএমের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন পিপিএম। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ।‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘের আইসিটি কর্মকর্তা (অব.) নজরুল ইসলাম, নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অধ্যাপক ও ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জমির হোসেন, বিক্রমপুর কুঞ্জবিহারী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ সামছুল হক হাওলাদার, ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মেজর সিফাতুল আলম, সিরাজদিখান সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার পারভেজ এবং বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সহকারী রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মাওলা পিএসএম।‎এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আলাউদ্দিন, বিক্রমপুর টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা কাজী নজরুল ইসলাম বাবুল, প্রফেসর ত. ইয়াজউদ্দিন কলেজের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর বাহাউদ্দীন বাহার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক সেলিম শিকদার, নারী উদ্যোক্তা ও ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সানজিদা হায়াত দিপা এবং জাপান প্রবাসী ও ঝিকুট ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষক নূরুল ইসলাম খান।‎অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের সভাপতি সাইয়্যেদুল বাশার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহিদুল হাসান শাওন ও আইনবিষয়ক সম্পাদক রাকিব হাসান জিসান।‎অনুষ্ঠানে শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখা বিভিন্ন ব্যক্তি ও গুণীজনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বক্তারা সমাজের উন্নয়ন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর ভূমিকা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

হিজড়া জনগোষ্ঠীর সেবা প্রাপ্তি সহজীকরণে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও তাদের সরকারি-বেসরকারি সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকায় এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজধানীর আদাবর বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটিতে অবস্থিত পদক্ষেপ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (PIDM) মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।‘আশার আলো সোসাইটি (AAS)’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের জোন-৬ এর সমাজকল্যাণ অফিসার সাইফুল ইসলাম। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং ক্রিশ্চিয়ান এইড ও 'আমরাই পারি'-এর সহযোগিতায় পরিচালিত "নাগরিক সংগঠনের অংশগ্রহণে জনপ্রশাসন সম্প্রসারণ ও সুশাসন ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ" শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সভায় বক্তারা সমাজে পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক হিজড়া জনগোষ্ঠীর সেবা প্রাপ্তির বর্তমান চ্যালেঞ্জ, অগ্রগতির ক্ষেত্রসমূহ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। হিজড়া জনগোষ্ঠীর অধিকার সুসংহত করা এবং সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সেবা তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে গুরুত্বারোপ করা হয়।আশার আলো সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রকল্পের সার্বিক দিক উপস্থাপন করেন আশার আলো সোসাইটির প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো সানোয়ার হোসেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরশনের ডা. মো ইমন হোসেন, ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী এড. কাজী কামাল, স্বপ্ন জয়ী ফাউন্ডেশনের সভাপতি রাখি শেখসহ সেবা প্রদানকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সামাজিক সংগঠনের কর্মকর্তারা।

হিজড়া জনগোষ্ঠীর সেবা প্রাপ্তি সহজীকরণে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

ডোমারের চিলাহাটিতে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার নষ্ট, অন্ধকারে প্রায় ২০টি পরিবার

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের গোসাইগঞ্জ ঝাকুয়াপাড়া এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের একটি ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়ে যাওয়ায় প্রায় ২০টি পরিবার বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত থেকে পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ বিদ্যুতের একটি ফেজ চলে যায়। পরে ফেজ চালু করার চেষ্টা করলে ট্রান্সফরমার থেকে বিকট শব্দ শোনা যায়। বিষয়টি পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ট্রান্সফরমারটি নষ্ট হয়ে গেছে বলে নিশ্চিত করেন।এদিকে ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে যাওয়ায় এলাকার প্রায় ২০টি পরিবার বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু, শিক্ষার্থী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং সাধারণ গ্রাহকরা নানা ধরনের দুর্ভোগে পড়েছেন। দৈনন্দিন কাজকর্মের পাশাপাশি মোবাইল চার্জ, পানির মোটর ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারেও সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় যুবক রওশন আলী বলেন, "গত রাত থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় আমরা খুব সমস্যার মধ্যে পড়েছি। দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ লাইন সচল করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।"এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের চিলাহাটি অভিযোগ কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা বলেন, "ট্রান্সফরমার নষ্ট হওয়ার বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। বিষয়টি ইতোমধ্যে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।"স্থানীয়দের দাবি, নতুন ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপন বা মেরামতের কাজ শেষ হতে ২ থেকে ৩ দিন সময় লাগতে পারে বলে তাদের জানানো হয়েছে। তাই দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ডোমারের চিলাহাটিতে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার নষ্ট, অন্ধকারে প্রায় ২০টি পরিবার
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream