বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
এসএসসি পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জের ফল প্রকাশ

এসএসসি পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জের ফল প্রকাশ

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে এ ফল প্রকাশ করা হয়। এতে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৯ জন।  আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। একইসঙ্গে ফেল থেকে পাস করেছে ৪ হাজার ৫৮৫ জন। খাতায় নম্বর পরিবর্তন হয়েছে ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের। আর জিপিএ বা গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির একজন কর্মকর্তা বলেন, পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সকাল ১০টার পর থেকে ওয়েবসাইটে তথ্য দিয়ে ফল সংগ্রহ করতে পারছে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে সব শিক্ষার্থীকে তাদের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ফল পাঠিয়ে দেওয়া হবে। কোন বোর্ডে কতজন জিপিএ-৫ পেল সাধারণ বোর্ডগুলোর মধ্যে নতুন করে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় শীর্ষে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এ শিক্ষা বোর্ডে নতুন করে ৯০৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড। ময়মনসিংহে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৭৭ জন। তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে থাকা দিনাজপুরে ২৭৫ জন নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। কুমিল্লা বোর্ডে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০৭ জন, যশোরে ১৮২ জন, সিলেটে ১২১ জন, বরিশালে ১১২ জন, চট্টগ্রামে ৮৩ জন, রাজশাহীতে ৭৭ জন। অন্যদিকে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯৩ জন। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাসের সংখ্যা ৪৬ জন। কোন বোর্ডে কতজন ফেল থেকে পাস প্রকাশিত ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফেল থেকে পাস করেছে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডে মোট ১ হাজার ১৮০ জন শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে। ফেল থেকে পাসের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে দিনাজপুর বোর্ড। এ শিক্ষা বোর্ডে ৮৬৭ শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা যশোর বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৩৮০ জন। সাধারণ বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৩৩৭ জন, রাজশাহী বোর্ডে ১১১ জন, কুমিল্লায় ৩৩৬ জন, চট্টগ্রামে ১৯০ জন, বরিশালে ৭৯ জন, সিলেটে ১৮৬ জন। অন্যদিকে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ২৫৫ জন। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাসের সংখ্যা ৬৬৪ জন। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্যমতে, ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন শিক্ষার্থী ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৮টি খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে। ফল জানবেন যেভাবে  আবেদনকারীরা ৩ উপায়ে ফল জানতে পারবেন। এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর পুনঃনিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল ১০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় স্ব স্ব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। একই সঙ্গে আবেদনকারীর দেওয়া মোবাইল ফোন নম্বরে এসএমএস পাঠানো হয়েছে। এছাড়া নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেও ফল জানা যাবে। এ জন্য আবেদনকারীদের https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফল সংগ্রহ করতে হবে। এর আগে, গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।       

কমলগঞ্জে এসএসসি ও দাখিল উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:"শিক্ষাই শক্তি, মেধা-ই গৌরব" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।​২১ আগস্ট (শুক্রবার) বেলা ১১টায় সফাত আলী সিনিয়র মাদ্রাসায় লন্ডন প্রবাসী মাহমুদুল হাসান রুমনের পক্ষ থেকে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।  বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী খালেদ সাইফুল্লাহ এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ সরকারি বহুমুখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ তাজ উদ্দিন। আহমেদ সায়মন ও রুজেল আহমেদের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ​বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ​আহমেদুজ্জামান আলম, এখন টিভির জেলা প্রতিনিধি এম এ হামিদ, উলুআইল ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক ​মুফতি মাওলানা মুজাহিদ আলীন আজমী,কুমড়াকাপন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক ​মনজুর আহমেদ মান্না প্রমূখ।আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ উপস্থিত কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

কমলগঞ্জে এসএসসি ও দাখিল উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

৪ লাখ পরীক্ষার্থীর অপেক্ষা ১০ সেপ্টেম্বর

আগামী ১০ সেপ্টেম্বর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করতে চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।  শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাবে সায় দিলে ওইদিন ফল প্রকাশ করতে চায় আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। এ ফলের অপেক্ষায় আছেন প্রত্যাশিত ফল না পেয়ে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা ৪ লাখ পরীক্ষার্থী।আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি, ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জানান, ১০ সেপ্টেম্বর পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশে সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করে একাদশে ভর্তির প্রস্তাবিত খসড়া নীতিমালা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পর এ ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত হবে।৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন চলতি বছরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় আশানরূপ ফল না পেয়ে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করছেন। তারা মোট ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি পত্রের ফল পুনঃনিরীক্ষণ চেয়েছেন।এর মধ্যে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি পত্রের সঙ্গে ব্যবহারিক রয়েছে। সেই হিসাবে ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি তত্ত্বীয় উত্তরপত্র এবং ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি ব্যবহারিক উত্তরপত্রসহ মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ করা হবে।চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় গত ১০ অগাস্ট। এ পরীক্ষায় ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ গড় পাসের হার, যা ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এবারের পরীক্ষায় মোট ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। ফল প্রকাশের পরদিন থেকে ১৭ অগাস্ট পর্যন্ত পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের সুযোগ পেয়েছিলেন পরীক্ষার্থীরা।

৪ লাখ পরীক্ষার্থীর অপেক্ষা ১০ সেপ্টেম্বর

এসএসসি ফল পুনঃনিরীক্ষণে নতুন পদ্ধতি

পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট না হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ রাখা হয়েছে এবার সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে। ১৫০ টাকা প্রতি বিষয়ের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠি অনুযায়ী, খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে ১১ থেকে ১৭ আগস্টের মধ্যে।আবেদন প্রক্রিয়াআবেদনের জন্য প্রথমে rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে এবং তালিকা থেকে নিজের বোর্ড বেছে নিতে হবে। এরপর সাবমিট করে একটি মোবাইল নম্বর দিতে হবে, যেখানে পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশের পর এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে।এরপরের ধাপে শিক্ষার্থী তার বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখতে পাবে এবং যে বিষয় বা বিষয়গুলোর ফল পুনরায় যাচাই করাতে চায়, তা নির্বাচন করে ফি দেওয়ার প্রক্রিয়ায় যেতে হবে। দুই পত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্যই আলাদাভাবে আবেদন করতে হবে। ফি পরিশোধ করা যাবে বিকাশ, নগদ বা সোনালী সেবার মাধ্যমে, এবং সংশ্লিষ্ট পোর্টালেই ফি প্রদানের বিস্তারিত নির্দেশনা পাওয়া যাবে। ফি দেওয়ার পর নির্দিষ্ট বাটনে ক্লিক করে আবেদন চূড়ান্তভাবে জমা দিতে হবে।তবে একবার ফি দিয়ে আবেদন জমা দেওয়ার পর নতুন বিষয় যোগ করা গেলেও, সেক্ষেত্রে আবার মোবাইল নম্বর দিতে হবে না। ফি পরিশোধের আগে আবেদনে কোনো পরিবর্তন আনতে চাইলে নির্বাচিত (অপরিশোধিত) বিষয়গুলো বাতিল করে নতুন করে বিষয় বাছাই করা যাবে।তবে একবার ফি জমা দেওয়া হয়ে গেলে সেই আবেদন আর বাতিল করার সুযোগ থাকবে না এবং কোনো পরিস্থিতিতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না। কোনো ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না — পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনেই সম্পন্ন করতে হবে।

এসএসসি ফল পুনঃনিরীক্ষণে নতুন পদ্ধতি

৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাশ করেনি

২০২৬ এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় এ ফল প্রকাশ করা হয়। গড় পাশের হার ৬২.২৫ শতাংশ। এতে দেশের ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাশ করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে যতজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল সবাই পাশ করেছে।অন্যদিকে দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাশ করেনি। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে যারা অংশ নিয়েছিল, তাদের সবাই ফেল করেছে।প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ৩০ হাজার ৪০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা অংশ নেয়। তাদের মধ্যে শতভাগ পাশ প্রতিষ্ঠান ৬৬৯টি এবং শতভাগ ফেল করেছে এমন প্রতিষ্ঠান ৩১২টি।

৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাশ করেনি

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে

আজ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে । আজ সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এবার দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ডের কোনোটিতেই পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুই সূচকের কোনোটিতেই মেয়েদের ছাড়িয়ে যেতে পারেনি ছেলেরা। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্রী ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন এবং ছাত্র ৫২ হাজার ৭৮০ জন। গত বছর জিপিএ-৫ পাওয়া ছাত্রীর সংখ্যা ছিল ৭৩ হাজার ৬১৬ এবং ছাত্র ছিল ৬৫ হাজার ৪১৬ জন। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এ বছর গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। এর মধ্যে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ, আর ছাত্রদের ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। অর্থাৎ, ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের পাসের হার ৮ দশমিক ৮২ শতাংশ বেশি। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। বিপরীতে ছাত্রদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রীদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৫১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং ছাত্রদের ৫১ দশমিক ১৪ শতাংশ। ফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ উভয় ক্ষেত্রেই এবার ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে

দাখিলে পাশ করেছে ৫৫.৪৯ শতাংশ

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এবার দেশের ৭৪১টি কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় দুই লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাশ করেছে এক লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ১৭৬ জন।সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ ফল ঘোষণা করেন।চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় এক লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ শিক্ষার্থী ছিল।

দাখিলে পাশ করেছে ৫৫.৪৯ শতাংশ
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream