শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

দুই কিডনি বিকল, জীবন বাঁচাতে লড়ছেন নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী রহমত, প্রয়োজন ১৫ লাখ টাকা


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

দুই কিডনি বিকল, জীবন বাঁচাতে লড়ছেন নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী রহমত, প্রয়োজন ১৫ লাখ টাকা

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রহমত উল্যাহ সুজনের দুটি কিডনিই বিকল হয়ে গেছে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জীবন রক্ষায় সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে তাকে। পাশাপাশি রক্তস্বল্পতার কারণে রক্ত দেওয়া, প্রয়োজনীয় ইনজেকশনসহ অন্যান্য চিকিৎসাও চলছে। ব্যয়বহুল এই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছে তার পরিবার। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ১৫ লাখ টাকা। এ অবস্থায় রহমতের চিকিৎসায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবার কাছে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন তার স্বজন ও সহপাঠীরা।

রহমতের বড় ভাই মো. হাবিব এক ফেসবুক পোস্টে জানান, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও কিডনি বায়োপসির মাধ্যমে রহমতের দুটি কিডনি সম্পূর্ণ বিকল হওয়ার বিষয়টি জানা যায়। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। দীর্ঘ ১৮ দিন চিকিৎসার পর বর্তমানে জীবন রক্ষায় তাকে সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে। পাশাপাশি রক্তস্বল্পতার কারণে রক্ত দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় ইনজেকশনসহ অন্যান্য চিকিৎসা চলছে।

পোস্টে তিনি আরও জানান, রহমতের অসুস্থতায় তাদের পরিবার কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে ভাইয়ের চিকিৎসা, অন্যদিকে ক্রমবর্ধমান চিকিৎসাব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারকে। একজন তরুণের চোখে দেখা স্বপ্নগুলো আজ হাসপাতালের বিছানা আর ডায়ালাইসিস মেশিনের পাশে আটকে গেছে উল্লেখ করে তিনি সবার কাছে রহমতের সুস্থতার জন্য দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

এ বিষয়ে শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান জি এম রাকিবুল ইসলাম বলেন, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে রহমত আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে অসুস্থতার কথা ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়টি জানায়। বিষয়টি আমার জন্য বেশ উদ্বেগজনক ছিল। কারণ, রহমত একজন ভালো শিক্ষার্থী। সে নিয়মিত ক্লাস করে এবং অত্যন্ত ভদ্র। হঠাৎ করে তার এমন অসুস্থতার বিষয়টি আগে জানা ছিল না।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে অসুস্থতার কথা শুনলেও সমস্যার জটিলতা বুঝতে পারিনি। পরে যখন জানতে পারি, রহমতের কিডনির সমস্যা এবং নিয়মিত ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে, তখন বিষয়টির ভয়াবহতা উপলব্ধি করি। সে সময় আমি ব্যক্তিগতভাবেও রহমতকে যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান করি।

বিভাগের উদ্যোগ সম্পর্কে চেয়ারম্যান বলেন, সম্প্রতি বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। গতকাল বিভাগ থেকে রহমতকে সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও বিভাগ থেকে তার চিকিৎসার জন্য যতটা সম্ভব আর্থিক সহায়তা সংগ্রহ করবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই ও জনহিতৈষী ব্যক্তিদের কাছেও সহযোগিতার আবেদন জানানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের অনুরোধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহযোগিতার আবেদন জানিয়ে একটি পোস্ট দেওয়া হয়েছে। সেখানে আমার ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব নম্বরও দেওয়া হয়েছে, যাতে আগ্রহীরা সরাসরি সহায়তা পাঠাতে পারেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। পরিচিতজনদের কাছেও ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতার আবেদন জানানো হবে।

রহমতের পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কথা উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, তার বাবা একজন কৃষক। তার ভাইও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। ইতোমধ্যে চিকিৎসার পেছনে পরিবারের অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে। রহমতের বিকল কিডনি প্রতিস্থাপন করা জরুরি। পরিবারের একজন সদস্য তাকে কিডনি দান করতে পারেন। তবে এই চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

তিনি আরও জানান, রহমতের চিকিৎসায় সহযোগিতার জন্য তাকে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর একটি আবেদন করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভাগ থেকে সহযোগিতা সংগ্রহ, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা এবং শিক্ষকদের ব্যক্তিগত সামর্থ্য অনুযায়ী অনুদান সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে চিকিৎসার বিপুল ব্যয় এককভাবে বহন করা সম্ভব নয়। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাবেক শিক্ষার্থী ও সমাজের সামর্থ্যবান মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

রহমত সুস্থ হয়ে আবার ক্যাম্পাসে ফিরে এসে তার শিক্ষাজীবন চালিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিভাগের চেয়ারম্যান।রহমতের চিকিৎসায় আর্থিক সহযোগিতার আবেদন

তার চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সহপাঠী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, অ্যালামনাইসহ সমাজের সামর্থ্যবান ও মানবিক মানুষের কাছে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানানো হয়েছে।

আর্থিক সহায়তা পাঠানোর মাধ্যম:

সোনালী ব্যাংক

হিসাব নম্বর: 4405701032637

হিসাবধারী: জি এম রাকিবুল ইসলাম

চেয়ারম্যান, শিক্ষা প্রশাসন বিভাগ।

বিকাশ/নগদ/রকেট:

01822746175

চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য যাচাই ও যোগাযোগ:

01822746175

রহমতের চিকিৎসার জন্য সবার সামান্য সহযোগিতাও তার জীবন বাঁচানোর লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তার পাশে দাঁড়াতে সবার প্রতি মানবিক আবেদন জানিয়েছেন স্বজন ও সহপাঠীরা।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬


দুই কিডনি বিকল, জীবন বাঁচাতে লড়ছেন নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী রহমত, প্রয়োজন ১৫ লাখ টাকা

প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রহমত উল্যাহ সুজনের দুটি কিডনিই বিকল হয়ে গেছে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জীবন রক্ষায় সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে তাকে। পাশাপাশি রক্তস্বল্পতার কারণে রক্ত দেওয়া, প্রয়োজনীয় ইনজেকশনসহ অন্যান্য চিকিৎসাও চলছে। ব্যয়বহুল এই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছে তার পরিবার। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ১৫ লাখ টাকা। এ অবস্থায় রহমতের চিকিৎসায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবার কাছে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন তার স্বজন ও সহপাঠীরা।

রহমতের বড় ভাই মো. হাবিব এক ফেসবুক পোস্টে জানান, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও কিডনি বায়োপসির মাধ্যমে রহমতের দুটি কিডনি সম্পূর্ণ বিকল হওয়ার বিষয়টি জানা যায়। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। দীর্ঘ ১৮ দিন চিকিৎসার পর বর্তমানে জীবন রক্ষায় তাকে সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে। পাশাপাশি রক্তস্বল্পতার কারণে রক্ত দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় ইনজেকশনসহ অন্যান্য চিকিৎসা চলছে।

পোস্টে তিনি আরও জানান, রহমতের অসুস্থতায় তাদের পরিবার কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে ভাইয়ের চিকিৎসা, অন্যদিকে ক্রমবর্ধমান চিকিৎসাব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারকে। একজন তরুণের চোখে দেখা স্বপ্নগুলো আজ হাসপাতালের বিছানা আর ডায়ালাইসিস মেশিনের পাশে আটকে গেছে উল্লেখ করে তিনি সবার কাছে রহমতের সুস্থতার জন্য দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

এ বিষয়ে শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান জি এম রাকিবুল ইসলাম বলেন, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে রহমত আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে অসুস্থতার কথা ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়টি জানায়। বিষয়টি আমার জন্য বেশ উদ্বেগজনক ছিল। কারণ, রহমত একজন ভালো শিক্ষার্থী। সে নিয়মিত ক্লাস করে এবং অত্যন্ত ভদ্র। হঠাৎ করে তার এমন অসুস্থতার বিষয়টি আগে জানা ছিল না।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে অসুস্থতার কথা শুনলেও সমস্যার জটিলতা বুঝতে পারিনি। পরে যখন জানতে পারি, রহমতের কিডনির সমস্যা এবং নিয়মিত ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে, তখন বিষয়টির ভয়াবহতা উপলব্ধি করি। সে সময় আমি ব্যক্তিগতভাবেও রহমতকে যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান করি।

বিভাগের উদ্যোগ সম্পর্কে চেয়ারম্যান বলেন, সম্প্রতি বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। গতকাল বিভাগ থেকে রহমতকে সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও বিভাগ থেকে তার চিকিৎসার জন্য যতটা সম্ভব আর্থিক সহায়তা সংগ্রহ করবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই ও জনহিতৈষী ব্যক্তিদের কাছেও সহযোগিতার আবেদন জানানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের অনুরোধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহযোগিতার আবেদন জানিয়ে একটি পোস্ট দেওয়া হয়েছে। সেখানে আমার ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব নম্বরও দেওয়া হয়েছে, যাতে আগ্রহীরা সরাসরি সহায়তা পাঠাতে পারেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। পরিচিতজনদের কাছেও ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতার আবেদন জানানো হবে।

রহমতের পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কথা উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, তার বাবা একজন কৃষক। তার ভাইও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। ইতোমধ্যে চিকিৎসার পেছনে পরিবারের অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে। রহমতের বিকল কিডনি প্রতিস্থাপন করা জরুরি। পরিবারের একজন সদস্য তাকে কিডনি দান করতে পারেন। তবে এই চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

তিনি আরও জানান, রহমতের চিকিৎসায় সহযোগিতার জন্য তাকে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর একটি আবেদন করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভাগ থেকে সহযোগিতা সংগ্রহ, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা এবং শিক্ষকদের ব্যক্তিগত সামর্থ্য অনুযায়ী অনুদান সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে চিকিৎসার বিপুল ব্যয় এককভাবে বহন করা সম্ভব নয়। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাবেক শিক্ষার্থী ও সমাজের সামর্থ্যবান মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

রহমত সুস্থ হয়ে আবার ক্যাম্পাসে ফিরে এসে তার শিক্ষাজীবন চালিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিভাগের চেয়ারম্যান।রহমতের চিকিৎসায় আর্থিক সহযোগিতার আবেদন

তার চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সহপাঠী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, অ্যালামনাইসহ সমাজের সামর্থ্যবান ও মানবিক মানুষের কাছে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানানো হয়েছে।


আর্থিক সহায়তা পাঠানোর মাধ্যম:


সোনালী ব্যাংক

হিসাব নম্বর: 4405701032637

হিসাবধারী: জি এম রাকিবুল ইসলাম

চেয়ারম্যান, শিক্ষা প্রশাসন বিভাগ।


বিকাশ/নগদ/রকেট:

01822746175


চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য যাচাই ও যোগাযোগ:

01822746175


রহমতের চিকিৎসার জন্য সবার সামান্য সহযোগিতাও তার জীবন বাঁচানোর লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তার পাশে দাঁড়াতে সবার প্রতি মানবিক আবেদন জানিয়েছেন স্বজন ও সহপাঠীরা।



Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream