কঠোর নিরাপত্তা ও প্রটোকলের প্রথা ভেঙে সাধারণ যাত্রীর মতো বাসে চড়ে কটিয়াদী, পাকুন্দিয়া ও কিশোরগঞ্জ পৌঁছে এক অনন্য নজির তৈরি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পথিমধ্যে রাস্তায় বাস থামিয়ে তরুণদের সঙ্গে সেলফি তোলা এবং শিক্ষার্থীদের খেলার ফুটবল উপহার দেওয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসার জন্ম দিয়েছে।
রোববার ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’-এর কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিনি এই ব্যতিক্রমী যাত্রায় কিশোরগঞ্জ পৌঁছান।
বাসে চড়ে সাধারণের মতো যাতায়াতের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় তরুণদের সাথে সেলফি তোলেন এবং শিক্ষার্থীদের হাতে ফুটবল তুলে দেন। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে নেটদুনিয়ায় তাঁর এই সাদামাটা চলাফেরা এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান চন্দন জানান, রাষ্ট্রীয় প্রটোকল দূরে সরিয়ে সাধারণের কাতারে দাঁড়ানোর এই দৃশ্য জনমানুষের সাথে প্রধানমন্ত্রীর দূরত্ব কমানোর প্রতীকী বার্তা দেয়।
স্থানীয় শিক্ষক ও সাংবাদিক মাসুম পাঠান এই ঘটনাকে অভূতপূর্ব ও "স্বপ্নের মতো" বলে মন্তব্য করেন।
মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী কর্মসূচি: কটিয়াদীতে একটি হ্যাচারি পরিদর্শন করেন এবং সফল মৎস্যচাষীদের হাতে স্বর্ণপদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন জানান, পাকুন্দিয়ার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাটে পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিটি একপর্যায়ে বিশালাকার জনসভায় পরিণত হয়। এ সময় কটিয়াদী-পাকুন্দিয়াবাসীর দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক নানা দাবি পূরণের আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।
রাষ্ট্রীয় জাকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর এমন সাধারণ ও প্রটোকলহীন চলাফেরা পুরো সফরটিকে কটিয়াদী ও কিশোরগঞ্জবাসীর কাছে দীর্ঘদিনের জন্য স্মরণীয় করে রেখেছে।
মতামত