মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
Topic Ads 1
হিজবুল্লাহর হামলার পর দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি অভিযান

হিজবুল্লাহর হামলার পর দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি অভিযান

দক্ষিণ লেবাননে হামলা চালাচ্ছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী হিজবুল্লাহ ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর পর। এদিকে, দক্ষিণ লেবাননের আরব সালিম শহরের বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে জানায়, ‘দক্ষিণ লেবাননের নিরাপত্তা অঞ্চলে দায়িত্ব পালনরত ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর সন্ত্রাসীরা দু‘টি ড্রোন পাঠিয়েছে। এর জবাবে আইডিএফ এখন দক্ষিণ লেবাননে হামলা চালাচ্ছে।’ বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরাইলি কোনো সেনা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। সূত্র : বাসস

শর্ত মানলেই খুলবে হরমুজ, না মানলে বন্ধই থাকবে

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহেব্বি ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র বলেছেন, কোনো অবস্থাতেই হরমুজ প্রণালী খুলে দেয়া হবে না যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত মেনে না নিলে।হরমুজ প্রণালীর সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পারস্য উপসাগরে শত্রুপক্ষের কোনো সামরিক জাহাজ নেই এবং হরমুজ প্রণালী ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।আইআরজিসির মুখপাত্র বলেন, হরমুজ প্রণালী থেকে শত্রুপক্ষের সব যুদ্ধজাহাজ কমপক্ষে ৪০০ কিলোমিটার দূরে সরে গেছে। সামরিক ও আঞ্চলিক দৃষ্টিকোণ থেকে ইরানের অনুমতি ও নিয়ন্ত্রণ ছাড়া কোনো জাহাজ এই পানিপথ অতিক্রম করতে পারবে না।তিনি আরো বলেন, ওমানের নিকটবর্তী পানিপথটিও সম্পূর্ণভাবে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।মোহেব্বি বলেন, হরমুজ প্রণালী ইরান ও বিপরীতে অবস্থিত ওমানের অন্তর্গত। প্রায় এক মাস আগে ওমানের সাথে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং উভয় পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য কিছু সমঝোতায় পৌঁছানো গেছে।তিনি আরো বলেন, এসব আলোচনায় প্রণালীর পানিসীমায় দুই দেশের অংশ এবং সেখান থেকে প্রাপ্ত আয়ে ইরান ও ওমানের অংশীদারিত্বের বিষয়েও সমঝোতা হয়েছে।আইআরজিসির মুখপাত্র অভিযোগ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এ প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করছে, যার কারণে কাজের অগ্রগতি বিলম্বিত হয়েছে।তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত না মানলে কোনো অবস্থাতেই হরমুজ প্রণালী খুলে দেয়া হবে না।সূত্র : পার্সটুডে

শর্ত মানলেই খুলবে হরমুজ, না মানলে বন্ধই থাকবে

ইরান ইস্যুতে এশিয়ার শেয়ারবাজারে ওঠানামা

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিকভাবে শ্বাসরোধের’ পরিকল্পনা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের মধ্যে এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে ওঠানামা দেখা গেছে। তেলের দামও একই সময়ে কিছুটা বেড়েছে। পাশাপাশি সতর্কতা বেড়েছে ওয়াল স্ট্রিটে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর দরপতন এবং চিপ নির্মাতা এনভিডিয়ার আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের আগে বাজারে। তেহরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এখন ষষ্ঠ মাসে গড়াচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, হোয়াইট হাউস ইরানের বিরুদ্ধে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ ঘোষণা করছে। এছাড়াও ইরানের সাথে বাণিজ্য করা দেশগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করার আলোচনা থমকে আছে। যুদ্ধে কোনো পক্ষই পিছু হটার লক্ষণ দেখাচ্ছে না। ফলে আগস্টের বেশিভাগ সময় তেলের দাম বেড়েছে। এতে দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ আরো বেড়েছে এবং বন্ড বাজারেও চাপ তৈরি হয়েছে। সোমবার সাংবাদিকদের বেসেন্ট বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে আমাদের লক্ষ্য হলো এই স্বৈরাচারী সরকারকে টিকিয়ে রাখে এমন প্রতিটি অর্থনৈতিক পথ বন্ধ করে দেয়া, যতক্ষণ না তেহরান পুরোপুরি একঘরে হয়ে পড়ে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সবাইকে জবাবদিহির আওতায় আনব। এটি এই সরকারের অর্থনৈতিক শ্বাসরোধ।’ বেসেন্ট জানান, যারা যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় যোগ দেবে না, তারাও ইরানের সাথে বিচ্ছিন্নতার ‘অংশীদার’ হবে। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের নেতাদের ফোন করে তেহরানের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছেন। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, স্বর্ণ, বিমান চলাচল ও নৌপরিবহন খাত নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে। সোমবার তেলের দু’টি প্রধান আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্কের দামই ২ শতাংশের বেশি কমেছিল। বেসেন্টের বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্র আপাতত সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকবে—এমন ইঙ্গিত পাওয়ার পর এ দরপতন ঘটে। তবে মঙ্গলবার এশিয়ার বাজারে তেলের দাম আবার কিছুটা বেড়েছে। কুইন্টেক্স ইন্টেলের বৈশ্বিক কৌশলবিদ স্টিফেন ইনেস বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান তেহরানের বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার সংকুচিত করার উদ্দেশ্যে নেয়া হয়েছে। একইসাথে এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাপ বজায় রেখে বাজারে তাৎক্ষণিকভাবে নতুন সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়া ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তার ভাষায়, ‘আপাতত তেলের বাজার বিষয়টিকে এভাবেই নিয়েছে।’ এতে যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা সুবিধা পাচ্ছে, কারণ তেলের দাম কম থাকলে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপও কমে। তবে এশিয়ার শেয়ারবাজারে পরিস্থিতি ছিল দুর্বল। ওয়াল স্ট্রিটে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর দরপতনের ধারাবাহিকতায় এশিয়াতেও প্রযুক্তি খাতের শেয়ারগুলোতে বিক্রির চাপ দেখা গেছে। প্রযুক্তি কোম্পানিনির্ভর সিউলের বাজার একপর্যায়ে ২ শতাংশের বেশি পড়ে যায়। চিপ নির্মাতা এসকে হাইনিক্স ও স্যামসাং-এর শেয়ারের দর কমে যায়। হংকং, সাংহাই, তাইপে ও ম্যানিলার বাজারও নিম্নমুখী ছিল। অন্যদিকে টোকিও, সিডনি, সিঙ্গাপুর ও ওয়েলিংটনের শেয়ারবাজারে দর বেড়েছে। এশিয়ার বাজারের এই দুর্বল পরিস্থিতির মধ্যে বিনিয়োগকারীরা এখন চিপ নির্মাতা এনভিডিয়ার বহুল প্রতীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের দিকে তাকিয়ে আছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে ব্যাপক বিনিয়োগের কারণে এনভিডিয়ার আর্থিক প্রতিবেদনকে পুরো প্রযুক্তি ও এআই বাজারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত দুই বছরে এআই প্রযুক্তিতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগের পর কোম্পানিগুলো সেই বিনিয়োগের প্রত্যাশিত ফল দিতে পারবে কি-না, তা নিয়ে বাজারে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, প্রত্যাশার চেয়ে ভালো আর্থিক ফল করলেও কখনো কখনো তা বিনিয়োগকারীদের সন্তুষ্ট করার জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে। সূত্র : বাসস

ইরান ইস্যুতে এশিয়ার শেয়ারবাজারে ওঠানামা
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream