রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
Topic Ads 1
বহিষ্কৃত অভিবাসীদের গ্রহণে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে গায়ানা

বহিষ্কৃত অভিবাসীদের গ্রহণে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে গায়ানা

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ গায়ানা যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত কিছু অভিবাসীকে গ্রহণ করতে রাজি হয়েছে। দেশটির সরকার এ বিষয়ে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) একটি চুক্তির কথা জানিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারো হোয়াইট হাউসে ফেরার পর তার প্রশাসন অভিবাসনবিরোধী কঠোর অভিযান শুরু করে। এর অংশ হিসেবে নিজ দেশের পরিবর্তে অভিবাসীদের ‘তৃতীয় কোনো দেশে’ পাঠানোর উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। গায়ানা জানিয়েছে, যেসব বহিষ্কৃত অভিবাসীর কোনো অপরাধের রেকর্ড নেই, তাদের সীমিতসংখ্যককে তারা গ্রহণ করবে। গায়ানার প্রেসিডেন্ট ইরফান আলীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘প্রেসিডেন্ট ইরফান আলীর সরকার এই ব্যবস্থাকে মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে গায়ানার দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের সম্প্রসারণ হিসেবে দেখছে।’ মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের আরো কয়েকটি দেশও যুক্তরাষ্ট্রের এই বহিষ্কার কার্যক্রমে সহযোগিতায় সম্মত হয়েছে। এর আওতায় ২৫০ জন ভেনিজুয়েলানকে এল সালভাদরের সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থার কারাগার সেকোটে পাঠানো হয়েছে। তবে গায়ানা বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এই ব্যবস্থা ‘সাময়িক এবং এর মাধ্যমে স্থায়ীভাবে পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিবাসীদের ‘স্বেচ্ছায় গায়ানায় স্থানান্তর করা হবে’ এবং সেখানে অবস্থান করেই তারা নিজেদের অভিবাসন-সংক্রান্ত অবস্থার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকবেন। সিদ্ধান্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা হয় নিজ দেশে ফিরে যাবেন অথবা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী অন্য কোনো দেশে চলে যাবেন। সূত্র : বাসস

সৌদিতে অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযানে ১৪ হাজার গ্রেপ্তার

এক সপ্তাহে ১৪ হাজার ২৬০ জনকে সৌদি আরবে অবৈধ অভিবাসন, আবাসিক ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। দেশজুড়ে চালানো যৌথ অভিযানে ১৩ থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত এসব গ্রেপ্তার করা হয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা এসপিএ সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে। গালফ নিউজ পরে এ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৬ হাজার ৯০০ জনের বিরুদ্ধে আবাসিক আইন লঙ্ঘন, ৩ হাজার ৯৮২ জনের বিরুদ্ধে সীমান্ত নিরাপত্তা আইন ভঙ্গ এবং ৩ হাজার ৩৭৮ জনের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ওই এক সপ্তাহে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টার অভিযোগে আরও ১ হাজার ৫২৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৬৩ শতাংশ ইথিওপিয়ার নাগরিক, ৩৬ শতাংশ ইয়েমেনের এবং বাকি ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। অন্যদিকে, অবৈধভাবে সৌদি আরব থেকে বের হওয়ার চেষ্টার অভিযোগে আরও ৩৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অবৈধ অভিবাসীদের পরিবহন, আশ্রয় বা কর্মসংস্থানে সহায়তার অভিযোগে আটক করা হয়েছে আরও ২৪ জনকে। সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি আগস্টের শুরু থেকে অবৈধ অভিবাসন ও আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এ সময় পর্যন্ত মোট ৩১ হাজার ৯২২ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৯ হাজার ৯৬১ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ৯৬১ জন নারী। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এসব অভিযানের আওতায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে ১৩ হাজার ৭২৪ জনকে ইতোমধ্যে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আরও ১৮ হাজার ৮০৮ জনকে ভ্রমণের প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। বাকি ৫ হাজার ৩৮৬ জনের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া চলছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবৈধভাবে দেশটিতে প্রবেশে সহায়তা করা, আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন বা আশ্রয় দেওয়া কিংবা তাদের কোনো ধরনের সহযোগিতা করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। এর পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানার বিধানও রয়েছে। এ ধরনের কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করারও বিধান রয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে দেশজুড়ে নজরদারি ও আইন প্রয়োগ আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।  

সৌদিতে অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযানে ১৪ হাজার গ্রেপ্তার

এক মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী আটকে নতুন রেকর্ড

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী অভিযান জোরদারের মধ্যেই এক মাসে রেকর্ড সংখ্যক মানুষকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)। গত মাসে প্রায় ৫১ হাজার মানুষকে আটক করেছে সংস্থাটি, যা আইসিইর ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ।আইসিইর প্রকাশিত তথ্য ও মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ হাজার ৬৪৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এর আগে এক মাসে সর্বোচ্চ আটকের রেকর্ড ছিল জুনে, প্রায় ৪৩ হাজার। ফলে টানা দুই মাসে আটকের নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার পর অবৈধভাবে বসবাসকারীদের শনাক্ত ও বহিষ্কারে দেশজুড়ে অভিযান আরও জোরদার করেছে তার প্রশাসন।ডিএইচএস এই অভিযানকে প্রয়োজনীয় বলে দাবি করেছে। তাদের ভাষ্য, অভিবাসন আইন কার্যকর করা এবং জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের দেশ থেকে সরিয়ে দেওয়াই এই অভিযানের উদ্দেশ্য।হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি মার্কওয়েন মুলিন বলেন, ‘আমাদের সম্প্রদায় থেকে অপরাধী অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কারের এই বাস্তবসম্মত উদ্যোগকে ৮০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক সমর্থন করেন। এসব অপরাধীকে সরিয়ে আমরা আবারও আমেরিকাকে নিরাপদ করছি।’তবে সরকারের এই ব্যাপক অভিযান নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক অভিযানে আটক কিছু ব্যক্তির কোনো অপরাধের রেকর্ড ছিল না। এমনকি তাদের বৈধভাবে কাজ করার অনুমতি বা বৈধ প্যারোলের কাগজপত্রও ছিল। এতে অভিবাসী অধিকারকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে—এই অভিযান শুধু অপরাধীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে কি না।এমনকি ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির কিছু সমর্থকও মনে করছেন, অভিযান আরও জোরদার করা উচিত। ট্রাম্প-সমর্থক ওভারসাইট প্রজেক্টের প্রেসিডেন্ট মাইক হাওয়েল জানান, গ্রেফতারের সংখ্যা তার প্রত্যাশার তুলনায় এখনও কম। তিনি কর্মস্থলগুলোতেও অভিবাসন আইন প্রয়োগকে এই কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ করার আহ্বান জানিয়েছেন।তথ্যসূত্র: দ্য ডন

এক মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী আটকে নতুন রেকর্ড
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream