রাষ্ট্রপতি পদে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে—এমন আলোচনা চললেও বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপি প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদে ড. ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর রয়েছে। এ ক্ষেত্রে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন।
ড. ইউনূসের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ নিয়ে আলোচনা থাকলেও তিনি রাজনৈতিক সরকারের কোনো দায়িত্ব গ্রহণে আগ্রহী নন।
গত মাসে স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির নির্বাহী ক্ষমতা সীমিত হলেও রাজনৈতিক সংকট বা সাংবিধানিক পরিবর্তনের সময় এ পদটির গুরুত্ব বেড়ে যায়।
এদিকে আন্তর্জাতিক মহলে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জাতিসংঘের মহাসচিব পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিয়েও আলোচনা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে তার ঘনিষ্ঠ এক সহযোগীর বরাতে বলা হয়েছে, তিনি বর্তমানে জাতিসংঘ বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক দায়িত্ব গ্রহণেও আগ্রহী নন।
এ বিষয়ে বিএনপি বা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মতামত