মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

সেনাবাহিনীর ২৬ ইসিবির উদ্যােগের উন্নয়ন কার্যক্রম



সেনাবাহিনীর ২৬ ইসিবির উদ্যােগের উন্নয়ন কার্যক্রম
সেনাবাহিনীর ২৬ ইসিবির উদ্যােগের উন্নয়ন কার্যক্রম

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের অধীনস্থ ২৬ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন (২৬ ইসিবি) দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আইন-শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। 

সড়ক অবকাঠামো নির্মাণের ফলে এই দুর্গম পাহাড় ও বনাঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রবেশ সহজ হয়েছে, যা সশস্ত্র অপরাধী চক্রের আধিপত্য দূর করে সরকারি পূর্ণ প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করছে। 

 সড়কগুলোর সাথে প্রয়োজনীয় ব্রিজ, কালভার্ট, আধুনিক ড্রেনেজ সিস্টেম এবং রিটেইনিং ওয়াল তৈরি করা হচ্ছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন যাতায়াত ও জীবনযাত্রার মান সহজ করছে। 

২৬ ইসিবি পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত ও দুর্গম সীমান্ত এলাকাগুলোতে সড়ক অবকাঠামো নির্মাণ এবং দেশীয় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।

রাঙ্গামাটির জুরাছড়ি-বিলাইছড়ির মতো প্রত্যন্ত এলাকায় সীমান্ত সড়ক ও ক্যাম্পের অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তারা সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করছে।

সামগ্রিকভাবে, ২৬ ইসিবি শুধুমাত্র একটি প্রকৌশল ব্যাটালিয়ন হিসেবেই নয়, বরং অপরাধপ্রবণ ও পিছিয়ে পড়া জনপদকে মূল ধারার উন্নয়নের সাথে যুক্ত করতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ তা  নিরলস ভাবে  কাজ করে যাচ্ছে।

৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের অধীনে ২৬ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন (ইসিবি) কর্তৃক ২০১৬ সালে রাজস্থলী প্রকল্প ক্যাম্প স্থাপনের মাধমে ০৩ জুলাই ২০১৯ তারিখে সীমান্ত সড়ক (রাজস্থলী-দুমদুমিয়া-ফারুয়া-বিলাইছড়ি সাইচল-বড়খলি-থেগামুখ) নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। দূর্গম পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি প্রতিকূল আবহাওয়া, ভূমিধস ও প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রকৌশল সদস্যরা এ অঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছেন।

জনকল্যানমূলক কাজের অংশ হিসেবে ৩ টি যাত্রী ছাউনি ০৪ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বিভিন স্থানে ০৯ টি পানির পয়েন্ট স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৭০৬৮০ টি বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপন করা হয়েছে। এসব উন্নয়নমূলক কার্যক্রম দূর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে।

এই ধারাবাহিকতায় ২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ২৬ ইসিবি কর্তৃক রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার সাইচল প্রকল্প ক্যাম্প সংলগ্ন গাছবাগান পাড়ার বৌদ্ধ বিহারটি সংস্কার ও সংস্করণের কাজের জন্য মোট আট বান টিন অনুদান দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সম্প্রীতির অপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে।

শিক্ষার আলো যাতে দূর্গম পাহাড়ের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে, সেই উদ্দেশ্যে থুমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ইউনিফর্মসহ বিভিন্ন শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা শিক্ষাকে আরও আনন্দের সাথে গ্রহণ করতে পারছে এবং একই সাধে দুজন শিক্ষকের বেতন-ভাতার যাবতীয় দায়িত্ব ২৬ ইসিবি কর্তৃক গ্রহণ করা হয়েছে।

থুমপাড়াতে পূর্বে কোনো খেলার মাঠ ছিল না। মাঠ না থাকার কারণে এলাকার কোমলমতি শিশুরা খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। পরবর্তীতে ২৬ ইসিবির উদ্দোগের মাধ্যমে ঘুমপাড়াতে খেলার মাঠ তৈরী করা হয়েছে, যাতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুরা তাদের মনকে প্রফুল্ল রাখতে পারে।থুমপাড়া কার্বারী বলেন,  আমরা আগে কোন দিন রাজস্থলী চন্দ্রঘোনা, চট্রগ্রাম যেতে পারিনি, বর্তমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি মহাযজ্ঞ সীমান্ত সড়ক নির্মাণ করে আমাদের যাতায়াত ও উৎপাদিত কলা, হলুদ, আদা, বিভিন্ন প্রকার পণ্য চট্রগ্রাম ও রাঙ্গুনিয়াতে সরবরাহ করে থাকি। অপর দিকে আমার এলাকায় এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ ক্যানসার রোগে আক্রান্ত ছিল। তার বিষয়ে আমরা সাইসল ক্যাম্প অধিনায়ক কে বিষয়টি জানানোর পর তিনি ২৬ ইসিবির জোন কমান্ডারের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিপ্যাড করে ঢাকা সি এম এস হাসপাতালে ২৬ ইসিবির অধিনায়ক লে, কর্ণেল আবদুল্লাহ আল মাসুদ এর  নির্দেশে  চিকিৎসা, ঔষধ পত্র বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা করে  সুস্থ হওয়ার  পর আজ স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে পরিবার পরিজন নিয়ে। অপর দিকে ২৬ ইসিবির সহযোগিতায় বিহার নির্মাণের জন্য টেউটিন বিতরণ করা হয়। যাতে বৌদ্ধ ধর্মীয় যে কোন আচর অনুষ্টান রীতিনীতি পালন করতে পারে। 

অপর দিকে বগাখালী নিম্ন মাধ্যমিক স্কুলে ২৬ ইসিবি কর্তৃক সোলার প্যানেল স্থাপন, ৪ টি ফ্যান স্থাপন করা হয়েছে। যাতে করে শিক্ষাদান কার্যক্রম সঠিকভাবে এবং আরামদায়কভাবে করা সম্ভব হয়। এরই পাশাপাশি মাঠ তৈরী ও শিক্ষার্থীদের মাঝে জার্সি বিতরণসহ নানা ধরনের খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।শিক্ষার্থীরা জানান, এ দুর্গম পাবর্ত্য অঞ্চলে কোন স্কুল খেলার মাঠ, ও অবকাঠামো উন্নয়ন ছিলনা। বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের মাঝে শিক্ষা প্রতিষ্টান সূপীয় পানির ব্যবস্থা সেলার সিস্টেম ফ্যানের ব্যবস্থা করে দিয়ে আমাদের কে সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। এ ধরণের ইতিবাচক কার্যক্রম যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে অদুর ভবিষৎ এ দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল একটি সমৃদ্ধি বাংলাদেশ রুপান্তর হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। দুর্গম থুমপাড়ায় নারী পুরুষ শিশুদের  চিকিৎসা সেবা ও ত্রান বিতরণ অব্যাহত আছে। 

সীমান্ত প্রকল্পের আওতায় (রাজস্থলী-দুমদুমিয়া- থাচ্চি-লইতংপাড়া থেগামুখ) শীর্ষক প্রকল্প ১৩০ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে ১ম পর্যায়ে ইতিমধ্যে ৭৬ কিলোমিটার ফ্লেক্সিবল পেভমেন্ট এর কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমানে ২য় পর্যায়ে বগাখালী হতে করল্লা ছড়ি পর্যন্ত ২৮ কিঃ মিঃ কাজ চলমান রয়েছে। ৩য় পর্যায়ে করল্লাছড়ি হতে যেসামুখ পর্যন্ত ২৬ কিঃমিঃ এবং অদয়াবাব হতে থালিপাড়া পর্যন্ত ২২ কিঃমিঃ কাজ শীঘ্রই শুরু হবে। এই রাস্তা তৈরীর ফলে একটি নিরবিচ্ছিন্ন রোড কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক স্থাপিত হয়েছে বলে জানান।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


সেনাবাহিনীর ২৬ ইসিবির উদ্যােগের উন্নয়ন কার্যক্রম

প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের অধীনস্থ ২৬ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন (২৬ ইসিবি) দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আইন-শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। 

সড়ক অবকাঠামো নির্মাণের ফলে এই দুর্গম পাহাড় ও বনাঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রবেশ সহজ হয়েছে, যা সশস্ত্র অপরাধী চক্রের আধিপত্য দূর করে সরকারি পূর্ণ প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করছে। 

 সড়কগুলোর সাথে প্রয়োজনীয় ব্রিজ, কালভার্ট, আধুনিক ড্রেনেজ সিস্টেম এবং রিটেইনিং ওয়াল তৈরি করা হচ্ছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন যাতায়াত ও জীবনযাত্রার মান সহজ করছে। 

২৬ ইসিবি পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত ও দুর্গম সীমান্ত এলাকাগুলোতে সড়ক অবকাঠামো নির্মাণ এবং দেশীয় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।

রাঙ্গামাটির জুরাছড়ি-বিলাইছড়ির মতো প্রত্যন্ত এলাকায় সীমান্ত সড়ক ও ক্যাম্পের অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তারা সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করছে।

সামগ্রিকভাবে, ২৬ ইসিবি শুধুমাত্র একটি প্রকৌশল ব্যাটালিয়ন হিসেবেই নয়, বরং অপরাধপ্রবণ ও পিছিয়ে পড়া জনপদকে মূল ধারার উন্নয়নের সাথে যুক্ত করতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ তা  নিরলস ভাবে  কাজ করে যাচ্ছে।

৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের অধীনে ২৬ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন (ইসিবি) কর্তৃক ২০১৬ সালে রাজস্থলী প্রকল্প ক্যাম্প স্থাপনের মাধমে ০৩ জুলাই ২০১৯ তারিখে সীমান্ত সড়ক (রাজস্থলী-দুমদুমিয়া-ফারুয়া-বিলাইছড়ি সাইচল-বড়খলি-থেগামুখ) নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। দূর্গম পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি প্রতিকূল আবহাওয়া, ভূমিধস ও প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রকৌশল সদস্যরা এ অঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছেন।


জনকল্যানমূলক কাজের অংশ হিসেবে ৩ টি যাত্রী ছাউনি ০৪ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বিভিন স্থানে ০৯ টি পানির পয়েন্ট স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৭০৬৮০ টি বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপন করা হয়েছে। এসব উন্নয়নমূলক কার্যক্রম দূর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে।


এই ধারাবাহিকতায় ২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ২৬ ইসিবি কর্তৃক রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার সাইচল প্রকল্প ক্যাম্প সংলগ্ন গাছবাগান পাড়ার বৌদ্ধ বিহারটি সংস্কার ও সংস্করণের কাজের জন্য মোট আট বান টিন অনুদান দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সম্প্রীতির অপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে।


শিক্ষার আলো যাতে দূর্গম পাহাড়ের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে, সেই উদ্দেশ্যে থুমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ইউনিফর্মসহ বিভিন্ন শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা শিক্ষাকে আরও আনন্দের সাথে গ্রহণ করতে পারছে এবং একই সাধে দুজন শিক্ষকের বেতন-ভাতার যাবতীয় দায়িত্ব ২৬ ইসিবি কর্তৃক গ্রহণ করা হয়েছে।


থুমপাড়াতে পূর্বে কোনো খেলার মাঠ ছিল না। মাঠ না থাকার কারণে এলাকার কোমলমতি শিশুরা খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। পরবর্তীতে ২৬ ইসিবির উদ্দোগের মাধ্যমে ঘুমপাড়াতে খেলার মাঠ তৈরী করা হয়েছে, যাতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুরা তাদের মনকে প্রফুল্ল রাখতে পারে।থুমপাড়া কার্বারী বলেন,  আমরা আগে কোন দিন রাজস্থলী চন্দ্রঘোনা, চট্রগ্রাম যেতে পারিনি, বর্তমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি মহাযজ্ঞ সীমান্ত সড়ক নির্মাণ করে আমাদের যাতায়াত ও উৎপাদিত কলা, হলুদ, আদা, বিভিন্ন প্রকার পণ্য চট্রগ্রাম ও রাঙ্গুনিয়াতে সরবরাহ করে থাকি। অপর দিকে আমার এলাকায় এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ ক্যানসার রোগে আক্রান্ত ছিল। তার বিষয়ে আমরা সাইসল ক্যাম্প অধিনায়ক কে বিষয়টি জানানোর পর তিনি ২৬ ইসিবির জোন কমান্ডারের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিপ্যাড করে ঢাকা সি এম এস হাসপাতালে ২৬ ইসিবির অধিনায়ক লে, কর্ণেল আবদুল্লাহ আল মাসুদ এর  নির্দেশে  চিকিৎসা, ঔষধ পত্র বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা করে  সুস্থ হওয়ার  পর আজ স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে পরিবার পরিজন নিয়ে। অপর দিকে ২৬ ইসিবির সহযোগিতায় বিহার নির্মাণের জন্য টেউটিন বিতরণ করা হয়। যাতে বৌদ্ধ ধর্মীয় যে কোন আচর অনুষ্টান রীতিনীতি পালন করতে পারে। 


অপর দিকে বগাখালী নিম্ন মাধ্যমিক স্কুলে ২৬ ইসিবি কর্তৃক সোলার প্যানেল স্থাপন, ৪ টি ফ্যান স্থাপন করা হয়েছে। যাতে করে শিক্ষাদান কার্যক্রম সঠিকভাবে এবং আরামদায়কভাবে করা সম্ভব হয়। এরই পাশাপাশি মাঠ তৈরী ও শিক্ষার্থীদের মাঝে জার্সি বিতরণসহ নানা ধরনের খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।শিক্ষার্থীরা জানান, এ দুর্গম পাবর্ত্য অঞ্চলে কোন স্কুল খেলার মাঠ, ও অবকাঠামো উন্নয়ন ছিলনা। বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের মাঝে শিক্ষা প্রতিষ্টান সূপীয় পানির ব্যবস্থা সেলার সিস্টেম ফ্যানের ব্যবস্থা করে দিয়ে আমাদের কে সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। এ ধরণের ইতিবাচক কার্যক্রম যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে অদুর ভবিষৎ এ দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল একটি সমৃদ্ধি বাংলাদেশ রুপান্তর হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। দুর্গম থুমপাড়ায় নারী পুরুষ শিশুদের  চিকিৎসা সেবা ও ত্রান বিতরণ অব্যাহত আছে। 

সীমান্ত প্রকল্পের আওতায় (রাজস্থলী-দুমদুমিয়া- থাচ্চি-লইতংপাড়া থেগামুখ) শীর্ষক প্রকল্প ১৩০ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে ১ম পর্যায়ে ইতিমধ্যে ৭৬ কিলোমিটার ফ্লেক্সিবল পেভমেন্ট এর কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমানে ২য় পর্যায়ে বগাখালী হতে করল্লা ছড়ি পর্যন্ত ২৮ কিঃ মিঃ কাজ চলমান রয়েছে। ৩য় পর্যায়ে করল্লাছড়ি হতে যেসামুখ পর্যন্ত ২৬ কিঃমিঃ এবং অদয়াবাব হতে থালিপাড়া পর্যন্ত ২২ কিঃমিঃ কাজ শীঘ্রই শুরু হবে। এই রাস্তা তৈরীর ফলে একটি নিরবিচ্ছিন্ন রোড কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক স্থাপিত হয়েছে বলে জানান।



Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream