মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

নতুন বছরের শুরু থেকেই আয়কর রিটার্নে জরিমানার শঙ্কা


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

নতুন বছরের শুরু থেকেই আয়কর রিটার্নে জরিমানার শঙ্কা
নতুন বছরের শুরু থেকেই আয়কর রিটার্নে জরিমানার শঙ্কা

জরিমানা ছাড়া আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য হাতে সময় আছে আর মাত্র দুই মাস। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত কর দিয়ে কোনো জরিমানা ছাড়াই রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। তবে ১ জানুয়ারি থেকে রিটার্ন জমা দিতে গেলে জরিমানা দিতে হতে পারে।

এ বছর থেকে সব করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় করের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব করবে সিস্টেম। তাই ১ জানুয়ারি থেকে শুধু নির্ধারিত কর পরিশোধ করে রিটার্ন জমা দিতে চাইলে সিস্টেম তা গ্রহণ করবে না।

বর্তমানে দেশে প্রায় সোয়া এক কোটি কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) রয়েছেন। তবে তাঁদের মধ্যে প্রতি বছর মাত্র ৫০ লাখের মতো মানুষ আয়কর রিটার্ন জমা দেন।

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে, অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে যাঁরা রিটার্ন জমা দিয়েছেন, তাঁরা পরিশোধ করা করের ওপর ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা ছাড় পাবেন। তবে এই ছাড় শুধু রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় পরিশোধ করা করের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর), অর্থাৎ এখন যাঁরা রিটার্ন দেবেন, তাঁরা কোনো ছাড় পাবেন না। যা কর আসবে, তা-ই দিলেই হবে। কোনো প্রণোদনা পাওয়া যাবে না।

জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ বা তিন হাজার টাকা, যেটি বেশি সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে। মার্চ মাসের পর রিটার্ন দিলে জরিমানা আরও বাড়বে।

এপ্রিল-জুন মাসে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা পাঁচ হাজার টাকা, যেটি বেশি, সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে।

করদাতারা ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা অন্য কোনো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাপ ব্যবহার করে ঘরে বসেই কর পরিশোধ করে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারেন।

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হলে তা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের জন্য রাজস্ব বোর্ডের কর্মীরা কল সেন্টার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সেবা প্রদান করবেন।

শুধু রিটার্ন জমা দিলেই করদাতার দায়িত্ব শেষ নয়। প্রয়োজনীয় নথিপত্র নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সংরক্ষণ করা উচিত। কারণ, ভবিষ্যতে কর কর্মকর্তাদের নিরীক্ষায় পড়লে যেন সহজে উপস্থাপন করা যায়। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে রিটার্ন দাখিল করলে ঝুঁকি আছে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


নতুন বছরের শুরু থেকেই আয়কর রিটার্নে জরিমানার শঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

জরিমানা ছাড়া আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য হাতে সময় আছে আর মাত্র দুই মাস। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত কর দিয়ে কোনো জরিমানা ছাড়াই রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। তবে ১ জানুয়ারি থেকে রিটার্ন জমা দিতে গেলে জরিমানা দিতে হতে পারে।

এ বছর থেকে সব করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় করের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব করবে সিস্টেম। তাই ১ জানুয়ারি থেকে শুধু নির্ধারিত কর পরিশোধ করে রিটার্ন জমা দিতে চাইলে সিস্টেম তা গ্রহণ করবে না।

বর্তমানে দেশে প্রায় সোয়া এক কোটি কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) রয়েছেন। তবে তাঁদের মধ্যে প্রতি বছর মাত্র ৫০ লাখের মতো মানুষ আয়কর রিটার্ন জমা দেন।

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে, অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে যাঁরা রিটার্ন জমা দিয়েছেন, তাঁরা পরিশোধ করা করের ওপর ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা ছাড় পাবেন। তবে এই ছাড় শুধু রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় পরিশোধ করা করের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর), অর্থাৎ এখন যাঁরা রিটার্ন দেবেন, তাঁরা কোনো ছাড় পাবেন না। যা কর আসবে, তা-ই দিলেই হবে। কোনো প্রণোদনা পাওয়া যাবে না।

জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ বা তিন হাজার টাকা, যেটি বেশি সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে। মার্চ মাসের পর রিটার্ন দিলে জরিমানা আরও বাড়বে।

এপ্রিল-জুন মাসে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা পাঁচ হাজার টাকা, যেটি বেশি, সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে।

করদাতারা ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা অন্য কোনো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাপ ব্যবহার করে ঘরে বসেই কর পরিশোধ করে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারেন।

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হলে তা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের জন্য রাজস্ব বোর্ডের কর্মীরা কল সেন্টার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সেবা প্রদান করবেন।

শুধু রিটার্ন জমা দিলেই করদাতার দায়িত্ব শেষ নয়। প্রয়োজনীয় নথিপত্র নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সংরক্ষণ করা উচিত। কারণ, ভবিষ্যতে কর কর্মকর্তাদের নিরীক্ষায় পড়লে যেন সহজে উপস্থাপন করা যায়। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে রিটার্ন দাখিল করলে ঝুঁকি আছে।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream