মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

সম্প্রীতি ও ঐক্যের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে



সম্প্রীতি ও ঐক্যের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে

সবার অংশগ্রহণ, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের ভিত্তিতে একটি কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

 

তিনি বলেছেন, এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে, পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় থাকবে এবং দেশপ্রেমের চেতনায় সবাই দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করবে।

 

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি শারদীয় দুর্গোৎসবের সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং উৎসবকে কেন্দ্র করে সবার অংশগ্রহণ ও সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

 

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনের মূল ভিত্তি হলো সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ গঠন এবং সবার জন্য বাংলাদেশ নিশ্চিত করা। এ দর্শন বাস্তবায়নে রাষ্ট্রের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় কোনো জনগোষ্ঠীকে বাইরে রেখে নয়, বরং সবাইকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।

 

তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসবের মতো ধর্মীয় উৎসব সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। উৎসবের আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হলে ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে মানুষের অংশগ্রহণ ও সহাবস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

 

ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন ধর্মের ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, সেবায়েত ও যাজকদের সম্মানিত করেছে এবং তাঁদের সম্মানী ভাতা দেওয়া হচ্ছে। সমাজে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চা জোরদার হলে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।

 

দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সবার অংশগ্রহণ, কর্মনিষ্ঠা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারলে জনজীবনে স্বস্তি ফিরবে এবং দেশের সমৃদ্ধির পথে অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হবে।

 

তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। পারস্পরিক বিভেদ দূরে রেখে ঐক্য ও সম্প্রীতির ভিত্তিতে কাজ করতে পারলেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

 

বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ তুলে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সম্প্রীতির অন্যতম বড় উদাহরণ বাংলাদেশ। এই সম্প্রীতি অটুট রাখতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. তারিফ উল হাসান, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল হুদা, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম, গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিন শেখ ও সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ আহমেদসহ অন্যরা।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬


সম্প্রীতি ও ঐক্যের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে

প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সবার অংশগ্রহণ, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের ভিত্তিতে একটি কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

 

তিনি বলেছেন, এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে, পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় থাকবে এবং দেশপ্রেমের চেতনায় সবাই দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করবে।

 

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি শারদীয় দুর্গোৎসবের সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং উৎসবকে কেন্দ্র করে সবার অংশগ্রহণ ও সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

 

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনের মূল ভিত্তি হলো সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ গঠন এবং সবার জন্য বাংলাদেশ নিশ্চিত করা। এ দর্শন বাস্তবায়নে রাষ্ট্রের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় কোনো জনগোষ্ঠীকে বাইরে রেখে নয়, বরং সবাইকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।

 

তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসবের মতো ধর্মীয় উৎসব সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। উৎসবের আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হলে ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে মানুষের অংশগ্রহণ ও সহাবস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

 

ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন ধর্মের ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, সেবায়েত ও যাজকদের সম্মানিত করেছে এবং তাঁদের সম্মানী ভাতা দেওয়া হচ্ছে। সমাজে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চা জোরদার হলে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।

 

দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সবার অংশগ্রহণ, কর্মনিষ্ঠা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারলে জনজীবনে স্বস্তি ফিরবে এবং দেশের সমৃদ্ধির পথে অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হবে।

 

তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। পারস্পরিক বিভেদ দূরে রেখে ঐক্য ও সম্প্রীতির ভিত্তিতে কাজ করতে পারলেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

 

বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ তুলে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সম্প্রীতির অন্যতম বড় উদাহরণ বাংলাদেশ। এই সম্প্রীতি অটুট রাখতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. তারিফ উল হাসান, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল হুদা, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম, গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিন শেখ ও সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ আহমেদসহ অন্যরা।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream