রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
আক্কেল দাঁত ওঠার সময় কেন এত ব্যথা?

আক্কেল দাঁত ওঠার সময় কেন এত ব্যথা?

আমাদের মুখগহ্বরের পেছনের সারিতে সবার শেষে যে দাঁত গজায়, তাকে ‘থার্ড মোলার’ বা তৃতীয় পেষণ দাঁত বলা হয়। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার সন্ধিক্ষণে মানুষের বিচারবুদ্ধি পরিপক্ব হওয়ার বয়সে এটি ওঠে বলে বাংলায় একে ‘আক্কেল দাঁত’ এবং ইংরেজিতে ‘উইজডম টুথ’ বলা হয়ে থাকে। অনেকের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের উপসর্গ ছাড়াই এটি স্বাভাবিকভাবে উঠলেও অনেকের জন্য তা তীব্র যন্ত্রণা, মাড়ির প্রদাহ এবং জটিল স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাধারণত ১৭ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে এই দাঁত মাড়ি ভেদ করে বের হতে শুরু করে। তবে ক্ষেত্রবিশেষে আরও বেশি বয়সেও আক্কেল দাঁত উঠতে পারে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মুখের ওপর-নিচের চোয়ালের চার কোণে চারটি আক্কেল দাঁত থাকার নিয়ম থাকলেও সবার ক্ষেত্রে সবকটি ওঠে না। বৈজ্ঞানিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি দশজনের মধ্যে অন্তত আটজনের ক্ষেত্রেই এক বা একাধিক আক্কেল দাঁত অনুপস্থিত থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে আক্কেল দাঁতকে মূলত মানবদেহের একটি অবশিষ্টাঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আদিম যুগে মানুষের খাদ্যাভ্যাস যখন শক্ত ও অপুষ্ট ফলমূল, বীজ এবং কাঁচা মাংসের ওপর নির্ভরশীল ছিল, তখন খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে হজমের উপযোগী করতে বাড়তি মোলার দাঁতের প্রয়োজন হতো। তবে কালের পরিক্রমায় উন্নত খাদ্যাভ্যাস ও রান্নার প্রচলনের কারণে বিবর্তনের ধারায় মানুষের চোয়ালের আকার আগের চেয়ে ছোট হয়ে এসেছে। ফলে আধুনিক মানুষের মুখে এই দাঁত স্বাভাবিকভাবে ওঠার মতো পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না। মাড়িতে পর্যাপ্ত স্থান না থাকার কারণে আক্কেল দাঁত মাড়ি বা চোয়ালের হাড়ের মধ্যে আংশিক অথবা সম্পূর্ণ বাঁকা হয়ে আটকে পড়ে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘ইমপ্যাক্টেড টুথ’ বলা হয়। আংশিক বের হওয়া দাঁতের ওপর মাড়ির ফাঁকে খাদ্যকণা ও জীবাণু জমে তীব্র সংক্রমণ ও প্রদাহের সৃষ্টি করে, যাকে ‘পেরিকোরোনাইটিস’ বলে। এর ফলে তীব্র ব্যথা, মাড়ি ফুলে যাওয়া, দাঁতে ক্ষয়রোগ (ক্যাভিটি), এমনকি দাঁতের গোড়ায় সিস্ট বা পুঁজ জমে পাশের সুস্থ দাঁতটিও নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।  চোয়ালের গঠন ও দাঁতের অবস্থান স্বাভাবিক থাকলে বড় কোনো সমস্যা ছাড়াই আক্কেল দাঁত উঠে আসতে পারে। তবে স্থানসংকটের কারণে দাঁত আটকে গেলে প্রচণ্ড ব্যথার পাশাপাশি রোগীদের মুখ পুরোপুরি খুলতে কিংবা খাবার গিলতে সমস্যা হয়। মাড়ির এই সংক্রমণ দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকলে তা বিরল ক্ষেত্রে মুখ ও গলার গভীরে ছড়িয়ে পড়ে ‘লুডউইগস অ্যাঞ্জাইনা’র মতো প্রাণঘাতী সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যার জন্য রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে অস্ত্রোপচার করাতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, আক্কেল দাঁত যদি মুখে কোনো জটিলতা তৈরি না করে, তবে তা তুলে ফেলার প্রয়োজন পড়ে না। তবে ঘন ঘন সংক্রমণ, অসহ্য যন্ত্রণা কিংবা পাশের দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দাঁতটি ফেলে দেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। সাধারণত মাড়িতে লোকাল অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগ করে অবশ করার মাধ্যমে অত্যন্ত কম সময়ে এই ক্ষুদ্র অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়। আক্কেল দাঁত অপসারণের পর পুরোপুরি সেরে উঠতে কয়েক দিন থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এ সময়ে ক্ষত নিরাময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবনের পাশাপাশি কুসুম গরম লবণপানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার রাখা এবং শক্ত খাবারের বদলে তরল বা নরম খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ক্ষতস্থানে রক্ত জমাট বাঁধার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বজায় রাখতে ধূমপান ও শক্ত খাবার পুরোপুরি পরিহার করা জরুরি, অন্যথায় ‘ড্রাই সকেট’ বা ক্ষতের রক্ত সরে গিয়ে মারাত্মক যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।   সূত্র: বিবিসি বাংলা

গরমে প্রাণজুড়ানো তালের দুই রেসিপি

ভাদ্রের তালপাকা গরমে জীবন অতিষ্ঠ। তাই এই গরমে প্রশান্তি দিতে পারে তালের শরবত। তাল দিয়েই তৈরি করে নিন প্রাণজুড়ানো দুই রেসিপি।  তালের রস ১ কাপ, ঘন করে জ্বাল দেওয়া ঠান্ডা তরল দুধ ২ কাপ, মিষ্টি দই বা ভ্যানিলা আইসক্রিম ৪ টেবিল চামচ, পাকা কলা ১টি, চিনি স্বাদমতো, কাজুবাদাম বা কাঠবাদামকুচি করা, আখরোট সাজানোর জন্য, বরফকুচি প্রয়োজনমতো। একটি ব্লেন্ডারে তালের রস, ঠান্ডা দুধ, দই বা আইসক্রিম, কলার টুকরা ও চিনি একসঙ্গে নিয়ে নিন। উপকরণগুলো মসৃণ বা স্মুদ না হওয়া পর্যন্ত ভালো করে ব্লেন্ড করুন। এবার গ্লাসে ঢেলে ওপরে বাদামের কুচি, আখরোট এবং বরফকুচি দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন। তালের ঘন রস ১ কাপ, ১ লিটার ঘন দুধ জ্বাল দিয়ে আধা লিটার করে নেওয়া, চিনি আধা কাপ, আইসক্রিম তৈরির হেভি ক্রিম ১ কাপ, এলাচির গুঁড়া ১ চা-চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ, যেকোনো বাদামকুচি সাজানোর জন্য, আধা কাপ গরম পানিতে গুলিয়ে নেওয়া জেলাটিন ১ টেবিল চামচ। এক লিটার তরল দুধ চুলায় দিয়ে ফুটিয়ে অর্ধেক করে নিন। ঘন দুধের সঙ্গে তালের রস এবং চিনি বা কনডেন্সড মিল্ক মিশিয়ে দিন। মিশ্রণটি চুলায় বসিয়ে মাঝারি আঁচে ৫ থেকে ৭ মিনিট অনবরত নাড়ুন, যাতে নিচে লেগে না যায়। মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে নামিয়ে এলাচির গুঁড়া মেশান এবং সম্পূর্ণ ঠান্ডা হতে দিন। এবার একটি পাত্রে আইসক্রিম তৈরির হেভি ক্রিম বিট করে নিয়ে ঠান্ডা তালের মিশ্রণের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এটি কুলফিকে ক্রিমি করবে। এরপর ২ টেবিল চামচ জেলাটিন মেশানো পানি দিন। এবার মিশ্রণটি কুলফি বা আইসক্রিমের মোল্ডে ঢালুন। ওপর থেকে বাদামকুচি ছড়িয়ে দিন। মোল্ডের মুখ বন্ধ করে ডিপ ফ্রিজে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বা সারা রাত রেখে দিন। ফ্রিজ থেকে বের করে পরিবেশন করুন।

গরমে প্রাণজুড়ানো তালের দুই রেসিপি

অতিরিক্ত সন্দেহ কি সম্পর্ক নষ্ট করছে?

ভালোবাসার সম্পর্কে টুকটাক মান-অভিমান স্বাভাবিক হলেও সঙ্গীর ভালোবাসা বা নিজের অনুভূতি নিয়ে অনবরত দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকা মানসিকভাবে ক্ষতিকর হতে পারে। এই ধরনের সংশয় যখন স্থায়ী রূপ নেয় এবং ব্যক্তির স্বাভাবিক চিন্তাভাবনাকে গ্রাস করে ফেলে, তখন তা গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।চিকিৎসকের মতে, এ ধরনের মনস্তাত্ত্বিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রায়ই নিজের আবেগ-অনুভূতি নিয়ে দ্বন্দ্বে ভোগেন। মনের ভেতর ‘আমি কি আসলেই তাকে ভালোবাসি?’ বা ‘আমি কি কোনো ভুল সম্পর্কে জড়ালাম?’—এ জাতীয় প্রশ্ন বারবার ফিরে আসে। কোনো উত্তর পাওয়ার পরও নতুন করে সংশয় মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে তা মানসিক চিন্তার নেতিবাচক চক্রে রূপ নেয়। এ অবস্থায় অনেকেই সঙ্গীর সান্নিধ্যে রোমাঞ্চ কাজ করছে কি না মেপে দেখেন, পুরোনো ছবি দেখে প্রেমের গভীরতা যাচাই করেন কিংবা অন্যদের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের অবাস্তব তুলনা করেন। এতে নিশ্চিন্ত হওয়ার বদলে সন্দেহের পরিধি আরও বৃদ্ধি পায়।এছাড়া সঙ্গীর সামান্য নীরবতা, খুদে বার্তার দেরিতে উত্তর দেওয়া বা প্রশংসায় ঘাটতি দেখলেই অনেকে ধরে নেন ভালোবাসা কমে গেছে। মনের অস্বস্তি কাটাতে অনেকে সঙ্গীর কাছ থেকে বারবার নিশ্চয়তা চান বা বন্ধুদের কাছে মতামত খোঁজেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাময়িকভাবে এটি কিছুটা সান্ত্বনা দিলেও দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্কের সাবলীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যান্য যুগলদের আনন্দঘন মুহূর্তের প্রদর্শনী দেখে বাস্তব সম্পর্কের তুলনা করাও এই অনিশ্চয়তা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।তবে ডা. সানজিদা শাহরিয়া স্পষ্ট করেছেন যে সব দ্বিধাই কাল্পনিক নয়। সম্পর্কে স্পষ্ট প্রতারণা, নিয়মিত মিথ্যাচার, অসম্মান বা দায়িত্বহীনতার মতো সুনির্দিষ্ট কারণ থাকলে সেটি যৌক্তিক সমস্যা। কিন্তু কোনো দৃশ্যমান কারণ ছাড়া কেবল কাল্পনিক অনুমানের ওপর ভিত্তি করে সারাক্ষণ সম্পর্কের স্থায়িত্ব যাচাই করার প্রবণতা মানসিক সহায়তা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।এই নেতিবাচক চিন্তার চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে বিশেষজ্ঞরা কয়েকটিক পরামর্শ দিয়েছেন:তাৎক্ষণিক মীমাংসা বন্ধ করা: সন্দেহ মাথায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই সেটির সমাধান বা উত্তর খোঁজার তাগিদ বন্ধ করতে হবে।বাস্তবতার বোধ জাগ্রত করা: অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো চিন্তা মাথায় আসা মানেই তা বাস্তব সত্য নয়—এই বোধ তৈরি করা জরুরি।তুলনা ও নিশ্চয়তা চাওয়া থেকে বিরত থাকা: বারবার নিশ্চয়তা চাওয়া, অনুভূতি পরীক্ষা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সঙ্গে তুলনা করা থেকে ধীরে ধীরে সরে আসতে হবে।পেশাদার পরামর্শ গ্রহণ: সমস্যাটি দৈনন্দিন কাজ ও সম্পর্কের স্বাভাবিকতায় তীব্র ব্যাঘাত ঘটালে পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সুস্থ সম্পর্কের ভিত্তি শতভাগ নিশ্চিত কোনো গাণিতিক সূত্রের ওপর নির্ভর করে না; বরং কিছুটা অনিশ্চয়তা ও পরিবর্তনকে মেনে নিয়ে পরস্পরের পাশে থাকার মধ্যেই সম্পর্কের মূল সৌন্দর্য নিহিত থাকে।

অতিরিক্ত সন্দেহ কি সম্পর্ক নষ্ট করছে?

ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে যে খাবার খাবেন

মরণব্যাধি ক্যান্সার প্রতিরোধে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রতিদিনের রান্নায় কিছু সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী খাবারে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান শরীরের কোষকে সুরক্ষা দিতে এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী এমন পাঁচটি খাবার হলো— হলুদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কারকিউমিন। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। গবেষণায় কারকিউমিনের ক্যানসার প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রতিদিনের তরকারি, স্যুপ বা অন্যান্য খাবারে পরিমাণমতো হলুদ ব্যবহার করা যেতে পারে। গোলমরিচের সঙ্গে হলুদ খেলে কারকিউমিন শরীরে শোষিত হওয়ার পরিমাণ বাড়তে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। টমেটোতে রয়েছে লাইকোপেন, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। লাইকোপেন প্রোস্টেট ও পাকস্থলীর ক্যানসারসহ কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত। রান্না করা টমেটো থেকে শরীর তুলনামূলকভাবে বেশি লাইকোপেন গ্রহণ করতে পারে। তাই কাঁচা টমেটোর পাশাপাশি রান্না করা টমেটোও নিয়মিত খাবারে রাখা যেতে পারে। তুলসীতে রয়েছে ইউজেনলসহ বিভিন্ন উপকারী যৌগ। এসব উপাদানের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বিশেষ করে স্তন ক্যানসারের বিরুদ্ধে তুলসীর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা হয়েছে। তুলসী চা হিসেবে পান করা যায় কিংবা বিভিন্ন খাবারে তাজা তুলসী যোগ করা যেতে পারে। তবে তুলসী ক্যানসারের চিকিৎসা নয়; এর সম্ভাব্য উপকারিতা নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন। আমলকী ভিটামিন সি ও বিভিন্ন ফাইটো-কেমিক্যালে সমৃদ্ধ। এসব উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় সহায়তা করতে পারে। আমলকী ফুসফুস ও স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে কিছু গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এটি কাঁচা খাওয়া, রস তৈরি করা কিংবা গুঁড়া করে খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়। পালং শাকের মতো পাতাযুক্ত শাকসবজিতে ফোলেট, ফাইবার ও বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ পুষ্টি উপাদান থাকে। ফোলেট ডিএনএ তৈরি ও মেরামতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পর্যাপ্ত ফোলেট গ্রহণ কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। শাকসবজির ফাইবার হজমশক্তি ভালো রাখতে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে। নিয়মিত খাবারে পালং শাকসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি রাখা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো একটি খাবার ক্যানসার প্রতিরোধের নিশ্চয়তা দেয় না। বরং বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, ফল, পূর্ণ শস্য ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার মিলিয়ে সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে চলা, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং নিয়মিত শরীরচর্চা ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই ক্যানসার প্রতিরোধের জন্য দামি কোনো ‘সুপারফুড’-এর ওপর নির্ভর না করে প্রতিদিনের খাবারে সহজলভ্য ও পুষ্টিকর উপাদান যোগ করাই হতে পারে ভালো অভ্যাস।

ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে যে খাবার খাবেন

কচু খেলে গলা চুলকায় যে কারণে

আমাদের দেশে কচু শাক এবং ওল কচু অনেকেরই পছন্দ করেন। কিন্তু এই খাবারগুলো অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর হলেওে খেলে গলায় চুলকানি হয় বা গলা ধরে। কেন এ ধরনের সমস্যা হয় তা আমাদের অনেকেরই অজানা।  কচু জাতীয় শাক-সবজিতে প্রাকৃতিকভাবেই ‘ক্যালসিয়াম অক্সালেট’নামক অণুবীক্ষণিক সুঁচের মতো সূক্ষ্ম স্ফটিক থাকে। এটি মুখে বা গলায় প্রবেশ করলে নরম কলায় বিঁধে যায়, যা থেকে তীব্র অস্বস্তি ও খসখসে ভাব তৈরি হয়। অ্যাসিড বা অম্লজাতীয় উপাদান এই স্ফটিকগুলোকে ভেঙে নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে।  কচু শাক বা কচু খেলে যাদের গলা চুলকায় তারা ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন, ভিনেগার বা অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার: এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে এক চা চামচ ভিনেগার মিশিয়ে কুলকুচি বা সামান্য পান করুন। এতেও দ্রুত স্বস্তি পাবেন।  মধু ও ঘিয়ের মিশ্রণ: গলার আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে ১ চামচ খাঁটি মধুর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ঘি বা সামান্য গরম পানি মিশিয়ে ধীরে ধীরে পান করুন। মধু গলার ভেতরের সূক্ষ্ম ক্ষত ও খসখসে ভাব কমাতে সাহায্য করে। এক টুকরো গুড় বা মিছরি: কচুর পদ খাওয়ার পর এক টুকরো গুড় বা মিছরি খান। গুড় গলার ভেতরে একটি পিচ্ছিল আস্তরণ তৈরি করে এবং লালা নিঃসরন বাড়িয়ে অস্বস্তি দূর করে। গলার অস্বস্তি কমাতে কচু কাটার পর ভালো করে লবণ-হলুদ দিয়ে পানিতে ভাপিয়ে সেই পানি ফেলে দিন। এছাড়া কচুর যেকোনও পদ রান্নার সময় কিছুটা লেবুর রস, আমচুর পাউডার বা টকদই ব্যবহার করলে রান্নার সময়েই ক্ষতিকর অক্সালেট নষ্ট হয়ে যায়।

কচু খেলে গলা চুলকায় যে কারণে

দাম্পত্যে সুখী হতে যে তিন গুণ থাকা জরুরি

একটি সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী ও সুন্দর রাখতে তিনটি বিষয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। ভালোবাসা, বোঝাপড়া ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা। সম্পর্কের ভিত্তি হলো ভালোবাসা। প্রেমের বিয়ে হোক কিংবা পারিবারিকভাবে ঠিক করা বিয়ে—পারস্পরিক ভালোবাসা ছাড়া কোনো সম্পর্কই সহজে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়াতে পারে না। ভালোবাসাই দুজন মানুষকে কঠিন সময়েও একসঙ্গে থাকার অনুপ্রেরণা দেয়।তবে শুধু ভালোবাসাই যথেষ্ট নয়। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন একে অন্যকে বোঝার মানসিকতা। দুজন মানুষের চিন্তাভাবনা, পছন্দ-অপছন্দ কিংবা জীবনযাপনের ধরন এক না-ও হতে পারে। কিন্তু মতের অমিল থাকলেও সঙ্গীর অনুভূতি ও অবস্থান বোঝার চেষ্টা করতে হবে।তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শ্রদ্ধা। প্রত্যেক মানুষই আলাদা। তাই সঙ্গীর মতামত নিজের সঙ্গে না মিললেও সেটিকে সম্মান করা জরুরি। মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে অহংবোধ তৈরি হলে সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে পারে।

দাম্পত্যে সুখী হতে যে তিন গুণ থাকা জরুরি
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream