বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে ১০ শতাংশ দিয়েন

অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে ১০ শতাংশ দিয়েন

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বর্তমান মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে উন্নয়ন প্রকল্পে কমিশন গ্রহণ এবং বিদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এদিকে দুর্নীতির এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। রোববার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে।’ দুদকে দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালীন আসিফ মাহমুদ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার থেকে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ, নারায়ণগঞ্জ এবং কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন টেন্ডার বাণিজ্য এবং ঢাকা উত্তর সিটিতে প্রশাসক নিয়োগে প্রায় ৬০ কোটি এবং সারা দেশে ৩৬ জন ডিসি পদায়নে ২ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনের গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় সরকার খাতের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সেতু নির্মাণ, ঢাকা ওয়াসার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্প এবং শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের কথা বলা হয়েছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা ওয়াসার এমডি হিসেবে আব্দুস সালামকে ১০ কোটি টাকায় নিয়োগ, এলজিইডির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশীদ খানকে ৫২ কোটি টাকা এবং গাজীপুর সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে আব্দুল লতিফ খানকে ৬৫ কোটি টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রীয় তহবিল অপচয় করে হেলিকপ্টার ভ্রমণ, ফাইভ স্টার হোটেলে যাতায়াত ও বিলাসবহুল জীবনযাপনের পাশাপাশি দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ পর্তুগাল, দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকসহ বিভিন্ন দেশে পাচার করে ভিলা কেনা এবং ব্যবসায় বিনিয়োগ করার চাঞ্চল্যকর তথ্য রয়েছে। অভিযোগে আসিফ মাহমুদের নিজ উপজেলা মুরাদনগরের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ৪৫৩ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ নেওয়া এবং তার বাবা বিল্লাল হোসেন ও এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনসহ ঘনিষ্টজনদের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও যুক্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের আগস্টে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারে ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে প্রথমে যুব ও ক্রীড়া এবং পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া আসিফ মাহমুদ গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পদত্যাগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন এবং বর্তমানে দলটির মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।    

তদবিরের সুযোগ বন্ধ, মেধাতেই মিলবে চাকরি: রাশেদ খান

বর্তমান সরকার মেধাভিত্তিক প্রশাসন গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন। আর তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন। রাশেদ খাঁনকে ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ৭ বছর ৫ মাস পর এসে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। সেই নির্বাচনে জিএস পদে আগের ঘোষিত বিজয়ী প্রার্থী নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে চাকরিপ্রার্থীদের উদ্দেশে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ এখন আর নেই। যার মেধা আছে, সেই চাকরি পাবে। আমরা ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন করেছিলাম, তার মূল লক্ষ্যই ছিল একটি মেধাবী প্রশাসন গঠন এবং কোটাবৈষম্য দূর করা। আজকের বাংলাদেশে চাকরিতে কোনো বৈষম্য হচ্ছে না।’ ডাকসু নির্বাচনে জয়ী হয়েও দীর্ঘ প্রায় সাড়ে সাত বছর পর ‘ন্যায়বিচার পাওয়ার’ কথা উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘অন্যায় করে কেউ যে পার পায় না, সেটা শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে গোলাম রাব্বানীরা আজ টের পাচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাকে ডাকসুর জিএস হিসেবে ঘোষণা করে ন্যায়বিচারের নজির স্থাপন করেছে।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান রাশেদ খাঁন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন আর গণরুম বা গেস্টরুম নেই। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে সুসম্পর্ক থাকা প্রয়োজন, সেটা বজায় রাখতে হবে। শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে। কোনো মহল যাতে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে।

তদবিরের সুযোগ বন্ধ, মেধাতেই মিলবে চাকরি: রাশেদ খান

জোট ছাড়ার কোনো আলোচনা নেই এনসিপির: জামায়াত আমির

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)  জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার গুঞ্জন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি জানিয়েছেন, এনসিপি জোট ছাড়ছে এমন কোনো বিষয় তাদের বা এনসিপির কারও রাজনৈতিক আলোচ্যসূচিতে নেই। একই সঙ্গে বিরোধীদলীয় আসনের প্রতি সরকারের বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে অচিরেই একটি দক্ষ ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠনের প্রক্রিয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিরোধীদলীয় নেতা এসব কথা বলেন। এ সময় এনসিপি এবং জামায়াতসহ সহযোগী বিভিন্ন সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতের আমির জোট থেকে এনসিপির সম্ভাব্য প্রস্থান সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, এটা এনসিপিরও এজেন্ডা না, আমাদেরও এজেন্ডা না। মানে যার বাড়িতে বিয়ে তার কোনো ঠেকা নাই, আর পাড়া–পড়শির ঘুম নাই—এ রকম আরকি বিষয়টা।’ তিনি স্পষ্ট করেন যে, তাদের এই সমঝোতা কোনো স্থায়ী বা আনুষ্ঠানিক জোটের কাঠামো নয়; বরং একটি কার্যকর নির্বাচনী সমঝোতা ছিল এবং বর্তমানে জনগণের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তারা যুগপৎভাবে রাজপথের আন্দোলন পরিচালনা করছেন। জোট থেকে দলগুলোর বেরিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে অতীতের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, অতীতে চারদলীয় ঐক্যজোটের পরিসর ক্রমান্বয়ে ১৮, ২০ এবং একপর্যায়ে ২৭ দলে উন্নীত হয়েছিল। বহুদলীয় গণতন্ত্রে যে কারও নিজস্ব রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা রয়েছে এবং কারও ওপর জোর খাটানোর সুযোগ নেই। তবে দেশের বৃহত্তর স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখতে এই ঐক্যের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করাই তাদের মূল লক্ষ্য। সরকারের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি বাড়াতে বিরোধী দলের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠনের বিষয়ে জামায়াত আমির জানান, এ নিয়ে ইতিমধ্যে অভ্যন্তরীণ প্রাথমিক প্রস্তুতি বা ‘হোমওয়ার্ক’ শুরু হয়েছে। কেবল শরিক দলের যোগ্য ব্যক্তিরাই নন, বরং দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান ও অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের মেধা বা ‘ইন্টেলেকচুয়াল রেমিট্যান্স’ যুক্ত করে কার্যকর একটি ছায়া মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত করা হবে। সংসদ ও মাঠপর্যায়ে বিরোধী দলের অধিকার খর্ব করার অভিযোগ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের এলাকার তুলনায় বিরোধীদলীয় আসনগুলোতে উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য করা হচ্ছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারদলীয় দায়িত্বশীল নেতারা জনসমক্ষে বক্তব্য দিচ্ছেন যে—ভোট জামায়াতকে দিলে উন্নয়ন ক্ষমতাসীনদের কাছে চাওয়া যাবে না। অথচ সাংবিধানিকভাবে উন্নয়ন কোনো অনুকম্পা নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। এ ছাড়া সংসদীয় রীতি ও সংবিধানের বাইরে গিয়ে বিরোধীদলীয় আসনগুলোতে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ এনে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ টেকসই সংস্কারের পক্ষে সুস্পষ্ট গণরায় দিলেও জাতীয় নির্বাচনে বড় জয় পাওয়ার পর সরকার সেই প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে। সরকার সংকট সমাধানের পথ এড়িয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে বিরোধীদের রাজপথে নামতে হয়েছে। অনুষ্ঠানে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ফ্যাসিবাদী কাঠামোর সামগ্রিক বিলোপ এবং নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সংসদ ও রাজপথের এই ঐক্য অটুট থাকবে। গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সারের তীব্র সংকটসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার দুর্দশা তুলে ধরে তিনি জানান, জনস্বার্থে রাজপথে সক্রিয় লড়াই অব্যাহত থাকবে। বিদ্যমান কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক, সংস্কারকামী ও জাতীয়তাবাদী শক্তিগুলোকে একযোগে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। পরিদর্শনকালে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমানসহ এনসিপি, জাতীয় ছাত্রশক্তি, যুবশক্তি ও নারীশক্তির কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জোট ছাড়ার কোনো আলোচনা নেই এনসিপির: জামায়াত আমির

আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করি, কোনো চালাকির কাছে নয়: পলক

‘আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করি। কোনো চালাকির কাছে নয়’—আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের উদ্দেশ্যে এমন মন্তব্য করেছেন সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এদিন আট নম্বর সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন এক শিক্ষার্থী। ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কথা তুলে ধরেন সাক্ষী। নিরাপত্তার স্বার্থে তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। জবানবন্দিতে তিনি জানান, ৫ আগস্ট দুপুর ২টার পর শেখ হাসিনার পতনের খবর পান তারা। এরপর বন্ধুরা মিলে তারা রাজধানীর উত্তরায় বিজয় মিছিলে অংশ নেন। ওই দিন তার চোখের সামনে কয়েকজনকে গুলিবিদ্ধ হতে দেখেন তিনি। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে জবানবন্দিতে একটি সংশোধন চায় প্রসিকিউশন। এ সময় আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে এ নিয়ে আপত্তি জানান জুনাইদ আহমেদ পলক।  ট্রাইব্যুনালের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘মাননীয় আদালত, এ মুহূর্তে কোনো সংশোধনী না নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। খুব সুন্দরভাবে সাক্ষ্য সম্পন্ন করেছে প্রসিকিউশন। মাননীয় আদালতও মূল্যবান সময় দিয়েছেন। অতএব আমার অনুরোধ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আর কোনো সংশোধনী যেন না নেওয়া হয়।’ এ পর্যায়ে পলক বলেন, ‘আমি শুধু ন্যায়বিচার প্রার্থনা করছি। আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করি। কোনো চালাকির কাছে নয়।’ পরে পলকের পক্ষে সাক্ষীকে জেরা শুরু করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সোবহান তরফদার, মার্জিনা রায়হান, মামুনুর রশিদ ও আবদুল্লাহ আল নোমান। এ মামলায় জুনায়েদ আহমেদ পলক ছাড়াও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে আসামি করা হয়েছে। পলাতক থাকায় তার পক্ষে আইনি লড়াই করছেন সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী মনজুর আলম।

আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করি, কোনো চালাকির কাছে নয়: পলক
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream