শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে বড় অভিযান, আটক ৫৭ হাজার

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে বড় অভিযান, আটক ৫৭ হাজার

মালয়েশিয়াজুড়ে অভিযান চালিয়ে চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫৭ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)। এ সময় সারাদেশে ৯ হাজার ৭০০টির বেশি অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিকের কাগজপত্র যাচাই ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের উপমহাপরিচালক (অপারেশন) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে কুয়ালালামপুরের একটি আবাসিক এলাকায় সমন্বিত অভিযান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে লোকমান এফেন্দি জানান, ১ জানুয়ারি থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২৬০ দিনে সারাদেশে প্রতিদিন গড়ে ৩৭টি করে অভিযান পরিচালিত হয়েছে।তিনি জানান, আটক হওয়া ৫৭ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসীর মধ্যে ৩৫ হাজারের বেশি জনকে অভিবাসন বিভাগের নিজস্ব অভিযানে আটক করা হয়। বাকি ২২ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে দেশের বিভিন্ন প্রবেশপথে এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় আটক করা হয়েছে।অভিযানে মূলত তিনটি প্রধান অপরাধ শনাক্ত করা হয়েছে—বৈধ ভ্রমণ নথি ছাড়া বসবাস, নির্ধারিত ভিসার মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় অবস্থান এবং ওয়ার্ক পারমিটের শর্ত ভেঙে ভিন্ন খাতে কাজ করা।লোকমান এফেন্দি সতর্ক করে বলেন, এই অভিযান কেবল অবৈধ কর্মীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; যেসব নিয়োগকর্তা অবৈধ জেনেও তাঁদের কাজে নিচ্ছেন কিংবা যেসব বাড়ির মালিক তাঁদের কাছে বাসা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাড়া দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১ হাজার ৭২০ জন নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা গড়ে প্রতিদিন প্রায় ছয়টি।সাধারণ নাগরিকদের উদ্দেশে অভিবাসন বিভাগের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, অবৈধ অভিবাসী বা কোনো অনিয়ম চোখে পড়লে কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেন। বরং ছবি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ অবিলম্বে অভিবাসন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার পরামর্শ দেন তিনি, যাতে সুশৃঙ্খলভাবে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া যায়।

বাংলাদেশে আসছে চীনের নৌবাহিনীর এসকর্ট টাস্ক গ্রুপ

দেশে ফেরার পথে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) নৌবাহিনীর ৪৮তম এসকর্ট টাস্ক গ্রুপ বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও মালয়েশিয়া সফর করবে। এ তথ্য জানিয়েছেন চীনের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র। চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জিয়াং বিন স্থানীয় সময় সোমবার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, টাস্ক গ্রুপটি সম্প্রতি এডেন উপসাগরে তাদের দায়িত্ব শেষ করেছে। এরপর তারা চীনের উদ্দেশে ফিরতি যাত্রা শুরু করেছে। তিনি জানান, আসন্ন সফরগুলোতে পেশাগত মতবিনিময় এবং জাহাজ পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত দিবসের আয়োজন করা হবে। তিনি আরও জানান, এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে চীন ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও কৌশলগত পারস্পরিক আস্থা আরও জোরদার হবে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে অভিন্ন ভবিষ্যৎসমৃদ্ধ একটি সম্প্রদায় গড়ে তুলতেও এসব কার্যক্রম ভূমিকা রাখবে। উল্লেখ্য, ৪৮ তম এসকর্ট টাস্ক গ্রুপে রয়েছে গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার তাংশান, গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট দাচিং এবং সমন্বিত সরবরাহকারী জাহাজ তাইহু। টাস্ক গ্রুপটি ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর এডেন উপসাগর এবং সোমালিয়ার উপকূলীয় জলসীমায় এসকর্ট মিশনের জন্য যাত্রা শুরু করেছিল। চীনের পিএলএ নৌবাহিনী ২০০৮ সালের ডিসেম্বর থেকে এডেন উপসাগর এবং সোমালিয়ার উপকূলীয় জলসীমায় এসকর্ট মিশন পরিচালনা করে আসছে।

বাংলাদেশে আসছে চীনের নৌবাহিনীর এসকর্ট টাস্ক গ্রুপ

লাইসেন্স-ভিসা তল্লাশিতে মালয়েশিয়ায় আটক ৪৭২

বাংলাদেশী অভিবাসীসহ ৪৭২ জনকে মালয়েশিয়া অপস মেগা অভিযানে আটক করেছে অভিবাসন বিভাগসহ যৌথ বাহিনী। প্রায় দুই হাজার ৫০০ জন বিদেশী নাগরিকের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয় আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই মেগা অভিযানে। লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা পরিচালনা এবং বৈধ ভিসা পারমিট কাগজপত্রবিহীন অভিবাসী শনাক্তে এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগসহ অন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অভিযানে সর্বমোট ৪৭২ জন আটককৃতের মধ্যে রেকর্ড সংখ্যক ৩৬৪ জনই বাংলাদেশের নাগরিক। বাকিদের মধ্যে মিয়ানমারের ৫৭ জন, ফিলিপিন্সের নয়জন, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের সাতজন করে, ভারতের ছয়জন, চীনের তিনজন এবং জিম্বাবুয়ে ও সৌদি আরবের একজন করে নাগরিক রয়েছেন। কুয়ালালামপুর অভিবাসন বিভাগের পরিচালক হামশাহ ইনজাউ জানিয়েছেন, বিভিন্ন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার ৩৩৭ জন সদস্য যৌথভাবে এ কার্যক্রমে অংশ নেন। আটক ব্যক্তিদের বয়স ১৮ থেকে ৬২ বছরের মধ্যে, যার মধ্যে ৪৩৯ জন পুরুষ এবং ৩৩ জন নারী। বৈধ পরিচয়পত্র না থাকা, ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া এবং ভিসার শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের আটক করে পরবর্তী তদন্তের জন্য বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে জানা যায়, যাচাই করা অধিকাংশ বিদেশীর বৈধ কাগজপত্র থাকলেও নির্দিষ্ট আইন লঙ্ঘনকারীদেরই মূলত আটক করা হয়েছে। অবৈধ ব্যবসা পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে ডিবিকেএল আইনি ব্যবস্থা নেবে। অভিবাসন কর্মকর্তা হামশাহ ইনজাউ বাংলাদেশীসহ সব অবৈধ অভিবাসীদের অবিলম্বে ‘মাইগ্র্যান্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রাম’ (পিআরএম)-এর আওতায় নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এবং সতর্ক করেছেন।

লাইসেন্স-ভিসা তল্লাশিতে মালয়েশিয়ায় আটক ৪৭২

মালয়েশিয়াকে হারিয়ে সেরা পাঁচে বাংলাদেশ

জুনিয়র এশিয়া কাপ হকির মিশন জয় দিয়ে শেষ করলো বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী দল। পঞ্চম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ২-১ গোলে হারিয়েছে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়াকে লাল-সবুজের মেয়েরা। চীনের মোকি ট্রেনিং গ্রাউন্ডে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হকি খেলেছে বাংলাদেশ। তবে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কোন দল।  তৃতীয় কোয়ার্টারে গোলের সুযোগ কাজে লাগায় বাংলাদেশ। পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক সারিকা রিমন। এরপর চতুর্থ কোয়ার্টারে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কনা আক্তার। দারুণ এক ফিল্ড গোলে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেন। তবে ম্যাচের শেষ দিকে ৫৯ মিনিটে একটি গোল শোধ করে মালয়েশিয়া। তাতে অবশ্য বাংলাদেশের জয় আটকাতে পারেনি তারা। ২-১ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনালে জাপানের কাছে ২-০ গোলে হেরে যায়। সেই হারে আগামী বছরের জুনিয়র বিশ্বকাপে খেলার সরাসরি সুযোগও শেষ হয়ে যায়। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট পেতে হলে অন্তত সেমিফাইনালে উঠতে হতো বাংলাদেশকে। তবে মালয়েশিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। যদি আগামী বছর মেয়েদের জুনিয়র বিশ্বকাপ ভারতে হয়, তাহলে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পাবে। নিয়ম অনুযায়ী, আয়োজক দেশ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করলে সংশ্লিষ্ট মহাদেশ থেকে আরেকটি দেশ সুযোগ পায়। যেহেতু বাংলাদেশ পঞ্চম হলো, তাই সুযোগটা বাংলাদেশই তখন পাবে। 

মালয়েশিয়াকে হারিয়ে সেরা পাঁচে বাংলাদেশ

মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে বাংলাদেশের বড় জয়

মিরপুরে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দাপুটে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ৮৯ রানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ এইচপি দল।টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ১৫৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জাওয়াদ আবরারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ভালো শুরু পেলেও মাঝের দিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে এইচপি। শেষ দিকে অধিনায়ক এস এম মেহেরব হোসেনের ২২ বলে ৪০ রানের আগ্রাসী ইনিংসে লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। জাওয়াদ করেন ১৮ বলে ২৮ রান, সাকলাইন ২৬ বলে ৩২। বাংলাদেশের ১৫৮ রানের জবাবে মাত্র ৬৯ রানেই গুটিয়ে যায় মালয়েশিয়া। তাদের হয়ে বিজয় উনি ৩ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মালয়েশিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই নাজমুল সাকিবকে বোল্ড করে ফেরান আবু হায়দার রনি। এরপর আসলাম খান বিন মালিকও ৫ বলে কোনো রান না করে ফিরে গেলে চাপে পড়ে সফরকারীরা।তিন নম্বরে নেমে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন আহমেদ আকীল ওয়াহিদ। ২৫ বলে ২৯ রান করেন তিনি। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকায় মালয়েশিয়ার রান তোলার গতি থেমে যায়। ১০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ছিল মাত্র ৪২ রান। এরপর মোহাম্মদ আমির আজিম ও বিজয় উনি কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। বিজয় ১৫ বলে ১৪ রান করে আবদুল গাফফার সাকলাইনের শিকার হন। আর আমির আজিম ২২ বলে ১৫ রান করে ফেরেন মোহাম্মদ রুবেল হাসানের বলে। ৬৩ রানের মধ্যে ৮ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় মালয়েশিয়া। শেষ পর্যন্ত ১৬ ওভারে মাত্র ৬৯ রানে অলআউট হয় তারা। ফলে ৮৯ রানের বড় জয় পায় বাংলাদেশ এইচপি।সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি আগামী ১০ আগস্ট, সোমবার, মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে। 

মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে বাংলাদেশের বড় জয়

বিদেশি কর্মী নিয়োগে গতি আনতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, দ্রুত নিষ্পত্তি হবে ১৫ হাজার আবেদন

মালয়েশিয়ার বিভিন্ন শিল্প ও সেবাখাতে শ্রমিক সংকট দূর করতে বিদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম। এ লক্ষ্যে জমে থাকা প্রায় ১৫ হাজার আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠক শেষে সরকারের মুখপাত্র ও যোগাযোগমন্ত্রী দাতুক সেরি ফাহমি ফাদজিল জানান, মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়কে আবেদনগুলো দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে শ্রমিকের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করা যায়।এর আগে গত ২৪ জুলাই আনোয়ার ইব্রাহিম জানিয়েছিলেন, ভারতীয় মুসলিম রেস্তোরাঁ খাতে বিদেশি কর্মীর ঘাটতি নিরসনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলোকে এক মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, রেস্তোরাঁ মালিকদের শ্রমিক সংকটের বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। তবে বিদেশি কর্মী নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া অবশ্যই সুশৃঙ্খলভাবে এবং বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করেই সম্পন্ন করতে হবে।

বিদেশি কর্মী নিয়োগে গতি আনতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, দ্রুত নিষ্পত্তি হবে ১৫ হাজার আবেদন
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream