রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
লংমার্চের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির

লংমার্চের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চসহ ধারাবাহিক কর্মসূচির ওপর বিএনপি নজর রাখছে। একইসঙ্গে বিরোধী দলের এমন কর্মসূচির রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে ক্ষমতাসীন দলটির নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, সংসদে ও রাজনৈতিক বক্তব্যে জবাব দিলেও তারা বিরোধী দলের এসব কর্মসূচিকে এখনই বড় কোনো রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করছেন না।  এমনকি পাল্টা কোনো কর্মসূচির কথাও ভাবছেন না বলেও উল্লেখ করেন তারা। সরকারে থেকে বিরোধীদের কর্মসূচির পাল্টা কর্মসূচি দেওয়ার চেয়ে সংশ্লিষ্ট সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিএনপির নেতারা জানান, সরকার সেদিকেই মনোযোগ দিচ্ছে। তবে দলের নেতাদের একটি অংশ মনে করেন, জনসম্পৃক্ত ইস্যুতে বিরোধীরা ধারাবাহিকভাবে মাঠে থাকলে তা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। জ্বালানি, বিদ্যুৎ–সংকটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে মাঠের কর্মসূচি পালন করছে জামায়াতের নেতৃত্বে বিরোধী দলগুলো। লংমার্চসহ এসব কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারকে চাপে রাখার চেষ্টা করছে তারা।  অপরদিকে বিএনপির কোনো পাল্টা কর্মসূচি নেই। এমতাবস্থায় বিরোধীদের তৎপরতাকে ক্ষমতাসীন দল কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে, সেই প্রশ্নও রাজনৈতিক মহলে উঠেছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমরা বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচিকে গণতান্ত্রিক চর্চার একটা অংশ হিসেবে দেখছি। রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করার অধিকার সবার আছে। আমরা এটাকে সেভাবেই দেখছি, এর বেশি কিছু না।’ তবে বিএনপির এই অবস্থানকে জামায়াতে ইসলামী ভিন্নভাবে দেখছে।  দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘বিরোধী দলের কর্মসূচিকে গুরুত্ব না দিলে কি সংসদে প্রতিক্রিয়া দেয়? আমরা মনে করি, সরকারি দলের পাল্টা কর্মসূচি দেওয়ার ক্যাপাসিটি নেই, বিএনপির আগের সেই নৈতিক অবস্থানও নেই।’ জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ–সংকটের সমাধান, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের চেতনা ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে জামায়াতের নেতৃত্বে ১১–দলীয় জোট ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চ করে। আজ জোটের রংপুর অভিমুখে লংমার্চ। পর্যায়ক্রমে খুলনা ও সিলেটসহ অন্যান্য বিভাগীয় শহর অভিমুখেও একই কর্মসূচি করার ঘোষণা রয়েছে জোটের। এর আগে, প্রথম দফা লংমার্চের বিভিন্ন পথসভা থেকে সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধী দলের নেতারা। একাধিক পথসভায় জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, দেশে বিদ্যুৎ নেই, গ্যাস নেই, জ্বালানি তেল নেই। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। চারদিকে নাই আর নাই শব্দ। ফেনীর মহিপালের পথসভায় সরকারকে আরও সরাসরি আক্রমণ করে তিনি বলেন, এ সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কারও চোখ রাঙানি সহ্য করব না। আমরা যেখানে বাধা পাব, সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।’ বিরোধীদের এসব বক্তব্য ও কর্মসূচির প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি এখন পর্যন্ত সংসদ ও রাজনৈতিক বক্তব্যের মধ্যেই সীমিত থাকছে। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানও লংমার্চের উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এদিকে জ্বালানিসংকটের সমাধানে লংমার্চ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে বলেন, ‘আমরা দেখলাম, একটি বিশাল গাড়ির লংমার্চ আয়োজন করা হয়েছিল। বাইরে বিভিন্ন মানুষ একটি কথা বলে যে জনগণকে অযথা উত্তেজিত করে অন্য কিছু করার অপচেষ্টা করা হয়েছিল কি না? গাড়ির লংমার্চ করে যদি গ্যাস বা বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করাই যেত, তাহলে আমরাই সবচেয়ে আগে লংমার্চের আয়োজন করতাম।’ পাশাপাশি বিরোধীদের লংমার্চের সমালোচনা করেছেন সরকারি দলের অন্য নেতারাও। তাদের বক্তব্যে মূলত এই কর্মসূচির যৌক্তিকতা, জ্বালানিসংকটের বাস্তবতা এবং সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের বিষয়গুলো সামনে আসছে। বিএনপির উচ্চপর্যায়ের নেতাদের ভাষ্য, বিরোধী দলগুলোর ধারাবাহিক কর্মসূচির কারণে এখনই এমন কোনো রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করছেন না, যার জন্য দলকে পাল্টা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে হবে। বিরোধীদের কর্মসূচি নজরে রাখলেও রাজপথে একই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে জবাব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন না তারা। দলটির নেতাদের ধারণা, কর্মসূচি পালন বিরোধী দলের রাজনৈতিক অধিকার। তবে কোনো কর্মসূচির মাধ্যমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলে বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে সরকার সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। ফলে আপাতত সরকারি কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক বক্তব্যের মাধ্যমে বিরোধীদের মোকাবিলার কৌশলেই থাকছে বিএনপি। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্য ও সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে রাজনৈতিক কর্মীদের অনেকে মনে করছেন, বিরোধীদের কর্মসূচিকে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে না ক্ষমতাসীন দল। দলটির নেতাদের একটি অংশেরও বক্তব্য, ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির রাজনৈতিক অগ্রাধিকার বদলেছে। প্রায় দুই দশক বিরোধী রাজনীতিতে থাকার সময় রাজপথের আন্দোলন ছিল দলের প্রধান রাজনৈতিক হাতিয়ার। এখন সরকার পরিচালনাই প্রধান দায়িত্ব। তাই বিরোধীদের কর্মসূচির জবাবে একই ধরনের কর্মসূচিতে যাওয়ার তাগিদ নেই। তবে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের মতো জনসম্পৃক্ত ইস্যুতে বিরোধীরা নিয়মিত কর্মসূচি দিতে থাকলে সরকারের রাজনৈতিক ব্যাখ্যা জনগণের কাছে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার প্রয়োজন হতে পারে- বলে দলের ভেতরেই কেউ কেউ মনে করছেন। ক্ষমতায় আসার পর দলীয় সংগঠন কতটা সক্রিয় রয়েছে, সেই প্রশ্নও বিএনপির সামনে আসছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের বড় অংশ ব্যস্ত মন্ত্রিসভা, সংসদ ও প্রশাসনিক কাজে। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।  এদিকে এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিকভাবে বিএনপি কতটা সক্রিয় হয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিরোধী দলগুলো নিয়মিত কর্মসূচির মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক উপস্থিতি জানান দেওয়ায় ক্ষমতাসীন দলের সাংগঠনিক তৎপরতার বিষয়টিও আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে।  

বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফেরাতে বিএনপিই লড়েছে: মাহদী আমিন

যখনই গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশে , তখনই তা ফিরিয়ে এনেছে বিএনপি আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। রাজধানীতে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মাহদী আমিন বলেন, ‘যতবার বাংলাদেশ গণতন্ত্রের বাধার মুখে পড়েছে, ততবারই বিএনপি লড়াই করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে।’ তিনি বলেন, দেশের জন্য বিএনপির যে ত্যাগ, তা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের মধ্যে দেখা যায় না। দলটি দেশের স্বার্থে দীর্ঘদিন ধরে নানা ত্যাগ স্বীকার করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ নানা ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তারেক রহমান সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফেরাতে বিএনপিই লড়েছে: মাহদী আমিন

লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন

জামায়াতের লংমার্চে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হলেও দলটির ‘পরিকল্পিতভাবে ঝামেলা করার প্ল্যান ছিল’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। আজ রোববার নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ অভিযোগ করেন। রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘জামায়াতের লংমার্চে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হয়েছে। যেহেতু তারা সহযোগিতা চেয়েছিল, পুলিশ প্রটেকশন দিয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত জামায়াতের গাড়িবহর নিয়ে যায়। সহযোগিতা না চাইলেও পুলিশ একই ধরনের নিরাপত্তা প্রদান করত।’ তবে লংমার্চকে কেন্দ্র করে জামায়াত ‘পরিকল্পিতভাবে একটা ঝামেলা করার প্ল্যান’ করেছিল বলে অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি লেখেন, ‘পরিকল্পিতভাবে একটা ঝামেলা করার প্ল্যান ছিল জামায়াতের। রাতের বেলা মতিঝিলে লাঠিসোটা জড়ো করেছিল। জানি না, এই লাঠিগুলো পরে বহরের গাড়িতে তোলা হয় কি না।’ জামায়াতের বহরে শীর্ষ নেতারা উসকানিমূলক স্লোগান দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘হৈ হৈ রৈ রৈ, ছাত্রদল, যুবদল গেলি কই’- এ ধরনের স্লোগান দেওয়া হয়েছে। রাশেদ খাঁন আরও বলেন, সবকিছু দেখে অনেকের মনে হয়েছে, এটি জামায়াতের ব্যবস্থাপনা, অর্থায়ন ও জনবলে এনসিপির লংমার্চ। তার দাবি, জামায়াত সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার ঝুঁকি নিতে চায় না। এ কারণে এনসিপির নেতাদের সামনে রেখে এবং আওয়ামী লীগকে পেছনে রেখে মাঝখান থেকে রাজনৈতিক খেলায় নামতে চায় দলটি। তবে জামায়াত-শিবিরের অনেক নেতাকর্মী ও অ্যাক্টিভিস্ট এনসিপিকে জামায়াতের মুখপাত্র বানানোর বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না বলেও দাবি করেন তিনি। তাদের বক্তব্য তুলে ধরে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘এনসিপি আজ হোক আর আগামীকাল হোক, জামায়াত জোট ছাড়বে। সুতরাং তাদের কেন এত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে?’ জামায়াতের জোটসঙ্গীদের নিয়েও নিজের বক্তব্য তুলে ধরে রাশেদ খাঁন বলেন, এনসিপিকে বিএনপি চারটির বেশি আসন ছাড়েনি বলেই তারা জামায়াতে গেছে। মাওলানা মামুনুল হকের দলও পর্যাপ্ত আসন পেলে বিএনপির সঙ্গে থাকত বলে মন্তব্য করেন তিনি। অন্য দলগুলোর ক্ষেত্রেও আসন সমঝোতার বিষয়টি তুলে ধরে ভবিষ্যতে বিএনপি বেশি আসন সমন্বয় করতে পারলে তারা জোট পরিবর্তন করতে পারে বলে দাবি করেন। ভবিষ্যতে বিএনপি বেশি আসন সমন্বয় করতে পারলে এসব দল আবার অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাশেদ খাঁন বলেন, ‘জামায়াত যাদের ওপর ভরসা রেখে এত অর্থকড়ি খরচ করছে, তারাই একদিন জামায়াতকে এমন ধাক্কা দেবে যে, জামায়াত আর ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি পাবে না।’ সবশেষে জামায়াতের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘ভবিষ্যতের ডায়েরি এখন থেকে কিনে রাখুন, কী কী বলবে সেটি নোট করার জন্য!’ তিনি দাবি করেন, এনসিপি ২০৩১ সালের জাতীয় নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে এবং বিভিন্ন বিদেশি সংস্থা ও শক্তি তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে। এনসিপির অতীতের বিভিন্ন বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দলটির সঙ্গে জামায়াতের বর্তমান রাজনৈতিক সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে দাবি করেন, এনসিপি ২০৩১ সালের জাতীয় নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। স্ট্যাটাসের শেষ দিকে জামায়াতের নেতাকর্মীদের সতর্ক করে তিনি লেখেন, ‘একদিন আপনারাই বলবেন, দুধকলা দিয়ে কালসাপ পুষলাম।’ 

লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন

সংসদের বিতর্ক রাজপথে নেওয়া গণতন্ত্রের জন্য বাধা: জহির স্বপন

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন জাতীয় সংসদ যখন সন্তোষজনকভাবে কার্যকর রয়েছে, ঠিক সেই সময়ে আন্দোলনের নামে রাজপথে লংমার্চ করার মতো কর্মসূচি সাধারণ মানুষের গণআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘সংসদীয় রাজনীতিতে চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের মাধ্যমে সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় রাখার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সংসদের বিতর্ককে দ্রুত রাজপথে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে বাধাগ্রস্ত করে।’ রাজধানীর বাংলাদেশ আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ইনস্টিটিউট (বিলিয়া) মিলনায়তনে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের পর্যালোচনা : সুশাসন, জবাবদিহিতা ও উন্নয়নের প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের যৌথ আয়োজন করে ‘সিটিজেন ফোরাম বাংলাদেশ’ ও ‘বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ইনিশিয়েটিভস’ (বিসিএআই)। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ‘সংসদীয় গণতন্ত্রকে গতিশীল ও অর্থবহ রাখতে সরকারি দলকে জবাবদিহিতার মধ্যে রাখা বিরোধী দলের দায়িত্ব। কিন্তু সংসদীয় বিতর্ককে অহেতুক ও দ্রুত রাজপথে নিয়ে যাওয়া এবং লংমার্চের মতো কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়ে দেশের সচেতন মহলকে সজাগ থাকতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো কতটা বুঝে এসব করছে তা জানি না, তবে এ ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুযোগ নেয়ার জন্য দেশী-বিদেশী নানা অপশক্তি ওঁৎপেতে বসে থাকে।’ সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের মূল্যায়ন তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিগত দুই দশকের ফ্যাসিবাদের চর্চা, ভঙ্গুর সমাজ ব্যবস্থা ও দেউলিয়া অর্থনীতির চরম অচল অবস্থা থেকে দেশকে টেনে তুলে সরকার নতুন একটি সঠিক গতিমুখ নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে। সঙ্কট এতই গভীর ছিল যে, রাতারাতি জাদুকরী কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়; তবে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধি সুনিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে সুনির্দিষ্ট নীতিনির্ধারণী পদক্ষেপ নিয়েছে।

সংসদের বিতর্ক রাজপথে নেওয়া গণতন্ত্রের জন্য বাধা: জহির স্বপন

রাজধানীতে বসছে ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’

রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুরু হচ্ছে ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নীতি ও আদর্শের ওপর রচিত বই এবং জিয়াউর রহমানের জীবনভিত্তিক সাহিত্যের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার কেন্দ্রীয় কমিটি এই মেলার আয়োজন করেছে। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা ৩০ মিনিটে । অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা: জুবাইদা রহমান। জিয়া স্মৃতি পাঠাগার কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন । আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সহ-সভাপতি ও মেলার আহ্বায়ক মো: আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী জানান, দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মেলাটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। অনুষ্ঠানে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীসহ লেখক, গবেষক ও দর্শনার্থীরা অংশ নেবেন। সূত্র : বাসস

রাজধানীতে বসছে ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’

সপ্তাহখানেকের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রুহুল কবির রিজভী

সপ্তাহখানেকের মধ্যেই দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতিকে বৈশ্বিক সংকট হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে। আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘দেশে চলমান বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিস্থিতি একটি বৈশ্বিক সংকট। তবে সরকার হাত গুটিয়ে বসে নেই।’ গ্যাসের সরবরাহ প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশাবাদী। সরকার ও দল হিসেবে বিএনপি একে অপরের সহযোগী বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রিজভী বলেন, চ্যালেঞ্জ ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে সরকারের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি দ্রুত সব ধরনের সংকটের সমাধান হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সপ্তাহখানেকের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর বাবা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে আসেন। এ সময় তিনি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। পুষ্পমাল্য অর্পণের পর ফাতেহা পাঠ করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন তাঁরা। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দলের চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধা নিবেদন ও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বেষ্টনী তুলে নেওয়ার পর সমাধিস্থলে দলীয় নেতা কর্মী ও সমর্থকদের ঢল নামে। নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে ‘শুভ শুভ শুভ দিন, বিএনপির জন্মদিন’, ‘এক জিয়া লোকান্তরে, লক্ষ জিয়া ঘরে ঘরে’ প্রভৃতি স্লোগানে মুখরিত করেন জিয়া উদ্যানের সমাধি প্রাঙ্গণ। বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয়ভাবে পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশে জেলা ও মহানগর পর্যায়ে আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। বিএনপি এমন সময় তাদের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে, যখন দুই দশক পর আবারও রাষ্ট্র পরিচালনা করছে দলটি। আর প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পদে আছেন দলের বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি দলটির চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে তাঁর সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমানে তাদের বড় ছেলে তারেক রহমান দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দলের হাল ধরেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বিএনপি কখনো জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেনি: রিজভী

বিএনপি এখন আগের চেয়েও জনপ্রিয় ও শক্তিশালী রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।  বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে বুধবার (২৬ আগস্ট) আয়োজিত দলের যৌথ সভা শেষে নয়া পল্টন কার্যালয়ে এক বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘সারা দেশে বিএনপি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হয়েছে। দলটি কখনো জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেনি। জনগণের অঙ্গীকার রক্ষা করে যাচ্ছে। বিএনপি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে।’  তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ফ্যাসিবাদের পর মানুষ ভয়ংকর রুদ্ধশ্বাস থেকে মুক্তি পেয়েছে। নির্বাচনের সব অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলোচনা সমালোচনা উপেক্ষা করে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করায় প্রধানমন্ত্রী জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন।’

বিএনপি কখনো জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেনি: রিজভী

ছয় মাসেই বিএনপির আমলে আ.লীগের দৃশ্য: সারজিস আলম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বিএনপি সরকার চাঁদাবাজদের কর্মসংস্থান দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। খাগড়াছড়ি সদরের অরুণিমা কমিউনিটি সেন্টারে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এনসিপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত সাংগঠনিক সমন্বয় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সারজিস আলম বলেন, বিএনপি আওয়ামী লীগের কাছে যে পদ্ধতিতে নিপীড়িত ও জুলুমের শিকার হয়েছিল, বর্তমানে তারাই সেই পদ্ধতি অবলম্বন করছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যে দৃশ্যগুলো ধীরে ধীরে দেখা যাচ্ছিল, বিএনপি সরকারের ক্ষেত্রে তা মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই। জ্বালানি তেলের সঙ্গে প্রত্যেকটি খাত ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ফলে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। মানুষ টাকা দিয়েও সার পাচ্ছে না, বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার পরও ঠিকমতো বিদ্যুৎ পাচ্ছে না। শত শত কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বিএনপির দলীয়করণের সমালোচনা করে সারজিস আলম বলেন, বিভিন্ন সেক্টরে দলীয় লোক নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে কুক্ষিগত করে রাখা হয়েছে। সভায় খাগড়াছড়ি এনসিপির আহ্বায়ক নুর আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার ও আলী আহসান জুনায়েদ, চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সুজাউদ্দীন এবং যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত। সভায় এনসিপির নেতাকর্মীরা সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, তৃণমূল পর্যায়ে দলের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং জনগণের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা করেন।

ছয় মাসেই বিএনপির আমলে আ.লীগের দৃশ্য: সারজিস আলম

এনসিপিকে নির্বাচনী খরচ দিয়ে ৭১-এর দায় মোছার চেষ্টা: রাশেদ খাঁন

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিরোধী দলের ছায়া সরকার থেকে বাদ পড়ার মতোই প্রকৃত সরকার থেকেও বাদ থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এনসিপিকে জামায়াত নির্বাচনী খরচ দিয়ে ১৯৭১ সালের অপরাধের দায় মোছার চেষ্টা করেছে। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বুধবার (২৬ আগস্ট) দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এসব মন্তব্য করেন। পোস্টে তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের ছায়া সরকার থেকে এনসিপি আউট! জামায়াত কখনো ক্ষমতায় গেলে প্রকৃত সরকার থেকেও এভাবেই এনসিপি আউট থাকবে।’ সাংগঠনিক সক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও এনসিপিকে এতগুলো আসন ও প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ দেওয়ার পেছনে জামায়াতের ১৯৭১ সালের অপরাধের দায় মোছার চেষ্টা ছিল বলে দাবি করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, ‘শাক দিয়ে যেমন মাছ ঢাকা যায় না, এনসিপিকে দিয়ে ৭১-এর গণহত্যার দায় থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না।’ তার দাবি, জামায়াত যত দিন থাকবে, তত দিন ১৯৭১ সালের গণহত্যার দায় নিয়েই দলটিকে থাকতে হবে। একইভাবে আওয়ামী লীগকেও ২০২৪ সালের গণহত্যার দায় নিয়ে পালিয়ে থাকতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ছায়া সরকার গঠনের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণা ও বিভিন্ন জরিপে ক্ষমতায় যাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলটির নেতাদের হতাশা কিছুটা কমবে বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, ছায়া সরকার গঠনের পর জামায়াত নেতাদের মধ্যে ক্ষমতায় থাকার মানসিকতা দেখা যেতে পারে। ক্ষমতায় যেতে না পারার আক্ষেপ থেকে তাদের মধ্যে হিংসা ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যও কমে আসতে পারে। পাশাপাশি তারা দায়িত্বশীল হয়ে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সরকারকে বিকল্প নীতির প্রস্তাব দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তবে ছায়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামিদুর রহমান আজাদের মতো গুম নিয়ে ‘মিথ্যাচার ও অপপ্রচার’ চালানো হলে মানুষ ছায়া সরকারকে ‘গুজব সরকার’ এবং এর মন্ত্রীদের ‘গুজব মন্ত্রী’ বলা শুরু করবে বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। ছায়া মন্ত্রিসভায় ৫ আগস্টের পর ‘বিপ্লবী’ হিসেবে আবির্ভূত হওয়া নারী নেতৃত্বের একজন প্রতিনিধি রাখার সুযোগ ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে মারদিয়া মমতাজের নাম উল্লেখ করে রাশেদ খান প্রশ্ন তোলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কোনো নারীকে মন্ত্রিত্বে বসাবে কি না। তিনি আরও দাবি করেন, জুলাই জাতীয় সনদ লঙ্ঘন করে জামায়াত কোনো নারীকে মনোনয়ন দেয়নি। অন্যদিকে বিএনপি নির্বাচনের আগেই নারী প্রার্থী দেওয়ার মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে এবং সরকারে দায়িত্ব পাওয়ার পরও সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এনসিপিকে নির্বাচনী খরচ দিয়ে ৭১-এর দায় মোছার চেষ্টা: রাশেদ খাঁন

বিএনপি নেতা বাবুর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নির্বাহী কমিটির সদস্য জহুরুল ইসলাম বাবুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রী এক শোকবার্তায় মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিজি হাসপাতাল) গতকাল রাত সাড়ে ৮টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় জহুরুল ইসলাম বাবুর মৃত্যু হয়। তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং লিভার সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছিলেন। বাবু পাবনা পিওয়াইসি ক্লাবের একজন কৃতি ক্রিকেটার ছিলেন। তিনি পাবনা সাবেক ক্রিকেটার সমিতিরও সদস্য ছিলেন। সূত্র : বাসস

বিএনপি নেতা বাবুর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক

দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষাই এখন মূল দায়িত্ব: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দলের নাম ভাঙিয়ে যারা অপকর্মে জড়িয়ে পড়বে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করাই এখন মূল দায়িত্ব।  তিনি সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন।  বর্তমান সরকারের কাজের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে জনগণের জন্য কাজ করছে। দল ও জনগণের জন্যও কাজ করছে। জনগণের মাঝে তারেক রহমান সরকার জনপ্রিয়তা অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।’ বিএনপির বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, হাজারো ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও দলটি তা মোকাবিলা করে এগিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব স্থানীয় নেতৃবৃন্দের ওপর থাকবে বলে জানিয়েছেন রুহুল কবির রিজভী। দলীয় প্রতীক না থাকায় এ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের বিজয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষাই এখন মূল দায়িত্ব: রিজভী

খালেদা জিয়ার সাজে ক্যামেরার সামনে চমক

অভিনেত্রী, মডেল ও ভ্লগার রুকাইয়া জাহান চমক সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাজ ধারণ করে চমকে দিয়েছেন। প্রয়াত এই সাবেক সরকার প্রধানকে নিয়ে ভ্লগ সিরিজের নতুন একটি পর্বে তার আলোচনার বিষয় ছিল। সেখানে বেগম জিয়ার সাজে ক্যামেরার সামনে আসেন অভিনেত্রী; যা দেখে নেটিজেনরা প্রশংসায় ভাসছেন চমক। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে ‘ডিসকভারিং বাংলাদেশ উইথ চমক’ নামের ভ্লগ সিরিজের দ্বিতীয় সিজনের ১৯তম পর্ব প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। ‘বেগম খালেদা জিয়া’ শিরোনামের ওই ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, এটি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর গল্প; যিনি গণতন্ত্রের মা এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের আপসহীন নেত্রী।  ঢাকার জিয়া উদ্যানসহ স্টুডিওতে ধারণ করা ওই ভিডিও; সেখানে চমককে হালকা রঙের প্রিন্টের শাড়ি, গলায় মুক্তার মালা ও চোখে সানগ্লাস পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়, যা অবিকল বেগম জিয়ার পরিচিত উপস্থিতিকে মনে করিয়ে দেয়।  ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পরই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মন্তব্যের ঝড় ওঠে। অনেকেই তার নিখুঁত সাজ ও সাবলীল উপস্থাপনার প্রশংসা করেছেন।  কমেন্ট বক্সে এক নেটিজেন লিখেছেন, চমক আসলেই একজন প্রতিভাবান শিল্পী, পুরো খালেদা জিয়ার মতোই লাগছে। কেউ কেউ বলেছেন, এই প্রথম কেউ তাকে এত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করল।  আবার কারও মতে, ভিডিওটি দেখে মুহূর্তের জন্য মনে হচ্ছিল যেন সত্যিই বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে চলতি বছরে কুষ্টিয়ার একটি আসন থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য বিএনপির হয়ে মনোনয়ন ফরম কিনেও বেশ আলোচনায় এসেছিলেন চমক। সে সময় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিতে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।  রুকাইয়া জাহান চমক ২০১৭ সালে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় রানারআপ হওয়ার মধ্য দিয়ে শোবিজে পা রাখেন। এরপর তিন বছরের বিরতি নিয়ে ২০২০ সালে ছোট পর্দায় অভিনয় শুরু করেন।  ‘হায়দার’, ‘হাউস নম্বর-৯৬’, ‘মহানগর’, ‘সাদা প্রাইভেট’, ‘অসমাপ্ত’ এবং ‘ভাইরাল হ্যাজব্যান্ড’-এর মতো জনপ্রিয় সব নাটক ও ওয়েব সিরিজে কাজ করে অল্প দিনেই দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে ভ্লগিং নিয়েও ব্যস্ত দেখা যায় তাকে।

খালেদা জিয়ার সাজে ক্যামেরার সামনে চমক

‘গুম-খুন আর ধ্বংসস্তূপের’ ওপর রাষ্ট্র গড়ার কাজ চলছে: রিজভী

বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার গুম, খুন, অরাজকতা ও মেগা দুর্নীতির ‘ভগ্নস্তূপের’ ওপর দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের শাপলা হলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং আয়োজিত জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ‘১৮০ দিন পূর্তি’ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।রুহুল কবির রিজভী বিগত সরকারের আমলের নৈরাজ্যের চিত্র তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা একটি ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে সরকার গঠন করেছি। নৈরাজ্যের এক ধূসর পরিবেশ আর চারদিকে ছিল অরাজকতা। কখন কে গুম হয়ে যাবে, কে কখন অদৃশ্য হবে-তার কোনো ইয়ত্তা ছিল না।’তিনি অভিযোগ করেন, মানুষের জানমালের কোনো নিরাপত্তা ওই সময়ে ছিল না। ভিন্নমত পোষণ করলেই মানুষকে গুম বা বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হতে হতো। এমনকি একজন সাবেক সংসদ সদস্যকে নৌকার মধ্যে পিটিয়ে হত্যার মতো নৃশংস ঘটনাও সেই দুঃশাসনের অংশ ছিল।বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ সুগম হয় ৫ আগস্টের ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মাধ্যমে । যাতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার বর্তমানে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে।দেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থার কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, ফিলিপাইনের ক্যাসিনোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮৫০ কোটি টাকা উধাও হয়ে চলে গেছে। সোনালী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক-একটির পর একটি ব্যাংক লোপাট হয়ে গেছে। মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা লুটপাট ও মেগা দুর্নীতি হয়েছে।তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম দিন থেকেই সক্রিয় রয়েছেন। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা, দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি এবং পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ অভিযানের মাধ্যমে সরকার সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফেরানোর চেষ্টা করছে।তিনি বলেন, দুর্যোগ ও আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মতো প্রতিকূল পরিস্থিতি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতিকে কিছুটা মন্থর করলেও সরকার দমে যায়নি। সরকার তা অতিক্রম করে জনগণের স্বস্তি ও কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। সামাজিক সুরক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য-প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি রক্ষার চেষ্টা চলছে।সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, ইসমাইল জবিউল্লাহ, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রেস উইংয়ের সদস্যরা।

‘গুম-খুন আর ধ্বংসস্তূপের’ ওপর রাষ্ট্র গড়ার কাজ চলছে: রিজভী

জনগণের স্বস্তির জন্য কাজ করছে সরকার: রুহুল কবির রিজভী

জনগণের স্বস্তি নিশ্চিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি জানান, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ও দেশের বিরাজমান সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। আজ সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। বর্তমান সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সরকারের ছয় মাসে (১৮০ দিনের) কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অনুষ্ঠানে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ইসমাইল জবিউল্লাহ, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রমুখ উপস্থিত আছেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

জনগণের স্বস্তির জন্য কাজ করছে সরকার: রুহুল কবির রিজভী
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream