শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
বাংলাদেশ ফুটবল দলের অনুশীলন চলছে

বাংলাদেশ ফুটবল দলের অনুশীলন চলছে

আসন্ন ফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬-কে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল গোছানোর কাজ জোরকদমে শুরু করেছেন প্রধান কোচ টমাস ডুলি।  ২৮ সদস্যের প্রাথমিক দল থেকে ট্রায়াল ও অনুশীলনের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে ইতোমধ্যেই ৬ জন ফুটবলারকে স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।   অনুশীলন ও ট্রায়ালের পর স্কোয়াড ছোট করার প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত বাদ পড়েছেন ইয়াসার তাহমিদ, দেবজিৎ সরকার, ইসা ফয়সাল, কাজেম শাহ, তাজ উদ্দিন ও রাব্বি হোসেন। আজ শুক্রবার আরো একজনকে বাদ দেয়ার কথা রয়েছে।মূলত ট্রায়ালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সাইফ কেরাওয়ালা, ইতালির দেবজিৎ সরকার ও কানাডার ইয়াসার তাহমিদকে প্রাথমিক দলে ডাকা হয়েছিল। তবে দেবজিৎ ও ইয়াসার শেষ পর্যন্ত জায়গা ধরে রাখতে পারেননি।অন্যদিকে সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বশেষ ম্যাচে একাদশে ছিলেন ইসা ফয়সাল। একই সফরে দলের সাথে ছিলেন কাজেম শাহ ও তাজ উদ্দিন। আর রাব্বি হোসেন জাতীয় দলের হয়ে সর্বশেষ খেলেছেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে।আসিয়ান কাপ সামনে রেখে এখন চূড়ান্ত দল গুছিয়ে নিচ্ছেন ডুলি। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবে বাংলাদেশ। ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের আসিয়ান কাপ অভিযান। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর এবং ১ অক্টোবর স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।গোলরক্ষক:মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান শ্রাবণ, আনিসুর রহমান জিকো ও সাইফ আমির কেরাওয়ালা।ডিফেন্ডার:তপু বর্মণ, শাকিল আহাদ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন, রহমত মিয়া, আবদুল্লাহ ওমর, শাকিল হোসেন ও জিদান ইউসুফ।মিডফিল্ডার:জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, সোহেল রানা জুনিয়র, মোহাম্মদ হৃদয়, শেখ মোরসালিন ও ইউসুফ আহমেদ।রাকিব হোসেন, শাহরিয়ার ইমন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, এস এম মঞ্জুরুর রহমান, মিনহাজুল করিম স্বাধীন, রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সৌরভ দেওয়ান ও শুখি ইতুফুসা।

ফিফার বিশেষ বার্তা, আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ সেপ্টেম্বরের শেষে শুরু হতে যাওয়া আসিয়ান কাপে অংশ নেবে। খেলবে ১৪ দল ইন্দোনেশিয়া-হংকংয়ের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠেয় এই টুর্নামেন্টে। আসিয়ান কাপ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফুটবলের উন্নয়নে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে ফিফা। ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এশিয়ান কাপে আসিয়ান কাপের ১১ সদস্য ও তিন অতিথি দল। এই টুর্নামেন্ট নিয়ে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আজ সকালে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন। ফিফার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, ‘ছেলেদের আন্তর্জাতিক ম্যাচ ক্যালেন্ডারের মধ্যেই জাতীয় দলগুলোকে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে সুযোগ দিতেই চালু করা হয়েছে ফিফা আসিয়ান কাপ। এর মাধ্যমে ফুটবলাররা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই আঞ্চলিক লড়াইয়ে নিজেদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবে। এই টুর্নামেন্টে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ফুটবলীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। ভক্ত-সমর্থকদের স্মরণীয় মুহূর্ত ও দারুণ ফুটবল উপহার দেবে।’ ২০২৬ ফিফা আসিয়ান কাপ হবে দুই ডিভিশনে। প্রথম ডিভিশনে আয়োজক ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে থাকছে বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম এবং পাকিস্তান। দ্বিতীয় ডিভিশনে থাকছে আরেক আয়োজক হংকং, ব্রুনেই দারুসসালাম, কম্বোডিয়া, লাওস, মিয়ানমার ও তিমুর-লেস্তে। অংশগ্রহণকারী এই ১৪ দেশের সম্মিলিত জনসংখ্যা ২০০ কোটিরও বেশি। এসব অঞ্চলে বিপুলসংখ্যক তরুণ ফুটবল-সমর্থক রয়েছেন। তাতে করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ফুটবলের অনেক প্রসার হবে বলে মনে করছে ফিফা। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১ দেশের সঙ্গে চীন, ভারত ও হংকংকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল আসিয়ান কাপে। ভারত ও চীন নাম প্রত্যাহার করায় তাদের জায়গায় খেলার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। প্রত্যেক ডিভিশনকে ভাগ করা হবে দুই গ্রুপে। প্রত্যেক দল রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে গ্রুপের অন্য দলগুলোর বিপক্ষে একবার করে খেলবে। প্রত্যেক গ্রুপের শীর্ষ দল নিজ নিজ ডিভিশনের ফাইনালে উঠে শিরোপার জন্য লড়বে। এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় প্রথম ডিভিশনে দুই গ্রুপের রানার্স-আপ দল অংশ নেবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও। ২৮ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়া ম্যাচ দিয়ে আসিয়ান কাপে অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। জাকার্তার গেলোরা বান কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায় শুরু হবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ম্যাচ। জামাল ভূঁইয়াদের পরের ম্যাচ ২৮ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে। একই মাঠে একই সময়ে ম্যাচটি শুরু হবে। এই ভেন্যুতেই হামজা চৌধুরী-জামালরা ১ অক্টোবর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলবেন। বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে।

ফিফার বিশেষ বার্তা, আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ

শেফিল্ডে হামজার প্রত্যাবর্তন, প্রথম রাতেই রুদ্ধশ্বাস জয়

শেফিল্ড ইউনাইটেডের এখন হামজা চৌধুরী। এই ক্লাবটির হয়ে যে একেবারে তিনি নতুন, তা নয়। এর আগে ধারেও খেলেছেন। এবার তিনি স্থায়ীভাবে ফিরলেন শেফিল্ডে। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ফেরার রাতেই রুদ্ধশ্বাস জয়ের স্বাক্ষী হলেন। গতকাল রাতে বোল্টনের বিপক্ষে ব্রামাল লেনে চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে শেফিল্ড ইউনাইটেড। ফেরার রাতেই হামজা প্রথম একাদশে সুযোগ পেলেন। শেফিল্ড-বোল্টন ম্যাচ একটা পর্যায়ে ড্র হওয়া ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার। শেফিল্ড তখনই চমক দেখায়। দলটির মিডফিল্ডার রোমেলে ডোনোভান ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত ৩ মিনিটে জয়সূচক গোল করেন। তাঁকে অ্যাসিস্ট করেন ক্যালভিন ফিলিপস। শেষ মুহূর্তে ফিলিপস-ডোনোভান জুটির ঝলকে ৩-২ গোলে জয় পায় শেফিল্ড। শেফিল্ডে ফেরার রাতে শুরু থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত খেলেছেন হামজা। বোল্টনের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর জয়টা তিনি দারুণভাবে অনুভব করতে পেরেছেন। ম্যাচ শেষে শেফিল্ড সামাজিক মাধ্যমে হামজাকে নিয়ে একটা ভিডিও পোস্ট করে। ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার বলেন, ‘ব্রামাল লেনে ফিরে ভালো লাগছে। প্রথম মিনিটেই গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিলাম। শুরুটা ভালো হয়নি। তবে সতীর্থরা দারুণভাবে ম্যাচে ফিরেছে। এভাবে ম্যাচ জেতা আসলেই বড় সাফল্য। স্টেডিয়ামটি দারুণ। দর্শকেরাও অসাধারণ।’ শেফিল্ড-বোল্টন ম্যাচটা অনেকের চোখে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা লড়াইয়ের মতোই। হামজার প্রতিপক্ষ ছিলেন বোল্টনের লঙ্কান বংশোদ্ভূত ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার জাভিয়ের সিমন্স। বোল্টন-শেফিল্ড লড়াইটাও হয়েছে সমানে সমানে। ১ মিনিটে তাঁর গোলেই এগিয়ে যায় বোল্টন। ফিরতে বেশি সময় লাগেনি শেফিল্ডের। ৪ মিনিটে সমতাসূচক গোল করেন শেফিল্ড ডিফেন্ডার জ্যাফেত তানগাঙ্গা। প্রথমার্ধে শেফিল্ড-বোল্টন ১-১ গোলের সমতায় শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধেও জমে ওঠে লড়াই। ৬৭ মিনিটে স্যাম ডালবি গোল করে এগিয়ে নেন বোল্টনকে। ঠিক তার পরের মিনিটেই (৬৮ মিনিট) সমতাসূচক গোল করেন শেফিল্ড স্ট্রাইকার প্যাট্রিক ব্যামফোর্ড। শেষে ডোনোভানের গোলে জয় নিশ্চিত করে শেফিল্ড। ৪ ম্যাচে ১ জয় ও ৩ ড্রয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার ৯ নম্বরে শেফিল্ড। সবার ওপরে থাকা সোয়ানসির পয়েন্ট ১০। চার ম্যাচে জিতেছে তিন ম্যাচ ও হেরেছে এক ম্যাচ। এর আগে লেস্টার সিটিতে ২০১৫ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত ১১ বছর খেলেছেন হামজা। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ক্লাবটির হয়ে ১৬৬ ম্যাচে করেছেন ৩ গোল। অ্যাসিস্ট করেছেন চার গোলে। সে সময় ধারে বার্টন অ্যালবিয়ন, ওয়াটফোর্ড ও শেফিল্ড ইউনাইটেডে খেলেছিলেন। এবার স্থায়ীভাবে ফিরলেন শেফিল্ডে।

শেফিল্ডে হামজার প্রত্যাবর্তন, প্রথম রাতেই রুদ্ধশ্বাস জয়

বাংলাদেশের মাঠে মুখোমুখি হামজা-ভিনিসিয়ুস

ফুটবলই হলো ব্রাজিলের ব্র্যান্ড। পুরো বিশ্ব তাদের শৈল্পিক ফুটবলে মোহিত। বাংলাদেশের একটি অংশ পেলে-রোনালদোর মতো কিংবদন্তিদের খেলা দেখে ব্রাজিলের ভক্ত হয়ে গেছে। টেলিভিশনে যে দলের সুন্দর ফুটবলে মুগ্ধ হয়েছিলেন বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা, এবার বাস্তবে সেই ব্রাজিলের ছন্দময় খেলা দেখার সুযোগ সামনে থেকে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র-রাফিনিয়ার মতো ইউরোপ মাতানো তারকা ঢাকার মাঠে খেলবেন। এই ব্যাপারটি স্বপ্ন মনে হলেও বাস্তবতায় খুব জলদি সম্ভব।ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের পাঁচ প্রতিনিধি রোববার ঢাকায় আসার পরই যে গুঞ্জন রটেছিল ফুটবলপাড়ায়, তা হয়তো আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে। আগামী অক্টোবরে ব্রাজিল প্রতিনিধি দল ঢাকার মাঠে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলার আগ্রহ দেখিয়েছে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন তাদের আগ্রহে সাড়া দিয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ৬ অক্টোবর হামজা চৌধুরী-ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দ্বৈরথটা দেখা যাবে জাতীয় স্টেডিয়ামে।রোববার ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা জাতীয় স্টেডিয়াম ও বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনার মাঠ দেখেন। পাশাপাশি কয়েকটি আবাসিক হোটেলও দেখেন তারা। দুই মাঠের মান ও সংলগ্ন অবকাঠামো নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তারা। তবে ড্রেসিংরুম, টেকনিক্যাল জোন এবং প্রবেশ-বহির্গমন গেটের নিরাপত্তাসহ কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়নের তাগিদ দিয়েছে প্রতিনিধি দল। দুটি স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে পরশু রাতেই বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তারা। সেখানেই বাংলাদেশ আর ব্রাজিলের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।  ব্রাজিলের প্রস্তাবিত তারিখ ৫ ও ৬ অক্টোবর। ৩ অক্টোবর ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে ঢাকায় আসতে চাইছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নানা আলোচনা চললেও ৬ অক্টোবর ম্যাচ নিশ্চিত হয়ে গেছে– এমন খবর সঠিক নয় বলে গতকাল জানিয়েছেন বাফুফে সদস্য সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া শাহীন, ‘আমাদের সভাপতি ফিফার সঙ্গে কথা বলে একটা সিদ্ধান্ত নেবেন, যাতে ব্রাজিল ম্যাচটাও খেলতে পারি এবং আসিয়ান কাপও খেলতে পারি।’ ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার জন্য আসিয়ান কাপ থেকে সরে দাঁড়ায় ভারত। তাদের জায়গায় এই টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ হয়েছে বাংলাদেশের। এখন মহাসমস্যায় পড়েছে বাফুফে। ফিফার আমন্ত্রিত টুর্নামেন্ট আসিয়ান কাপ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করতে পারছে না দেশের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আবার ব্রাজিলের মতো পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রস্তাবও উপেক্ষা করার মতো নয়। তাই তো বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল হাঁটছেন সুন্দর সমাধানের পথে। ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ফিফা আসিয়ান কাপ হবে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর। বাংলাদেশ গ্রুপ পর্বে তিনটি ম্যাচ খেলবে। এরপর আছে স্থান নির্ধারণী ম্যাচও, যার সম্ভ্যাব্য তারিখ ৩ অক্টোবর। তাই স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি না খেলে অথবা এক দিন এগিয়ে ২ অক্টোবর করা যায় কিনা, তা ফিফার কাছে আবেদন করবে বাফুফে। সেক্ষেত্রে স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলে রাতেই ঢাকায় রওনা দিলে ধকলটা কমবে বাংলাদেশের। তখন ৬ অক্টোবর ব্রাজিলের সঙ্গে ম্যাচ খেলতে খুব একটা সমস্যা হওয়ার কথা নয়। বাংলাদেশে বেশ বড় বহর নিয়ে আসতে চায় ব্রাজিল। জানা গেছে ৯০ জনের কন্টিনজেন্টকে কলকাতা থেকে ঢাকায় এবং ঢাকা থেকে দুবাই চার্টার্ড করে পাঠাতে হবে বাফুফেকে। পাশাপাশি আনুষঙ্গিক খরচ তো রয়েছেই। শুধু ম্যাচ আয়োজনের জন্য কয়েক কোটি টাকা প্রয়োজন। পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান দিয়ে এই খরচ বহন করা কঠিন বাফুফের জন্য। তাই ব্রাজিলের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচের অর্থের জন্য সরকারের কাছে সহযোগিতা চাইবে দেশের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ‘ভালো কোনো উদ্যোগের জন্য অর্থ তেমন কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আমাদের সভাপতি নিশ্চয়ই পদক্ষেপ নেবেন। ক্রীড়ামন্ত্রী ও সরকারের পক্ষ থেকেও সহায়তা নেওয়া হবে। এ রকম ম্যাচ সরকারের সহায়তা নিয়েই করতে হবে’– বলেন শাহীন।

বাংলাদেশের মাঠে মুখোমুখি হামজা-ভিনিসিয়ুস

ব্রাজিল বাংলাদেশে যে কারণে ম্যাচ খেলতে চায়

ব্রাজিলের জাতীয় ফুটবল দলের ম্যাচ বাংলাদেশের মাটিতে আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে বিষয়টি হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে নিজেদের উপস্থিতি  এবং বাংলাদেশের ব্রাজিল-ভক্তদের বিশাল সমর্থকগোষ্ঠী আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনাই মূলত ব্রাজিলকে ঢাকায় ম্যাচ খেলার ব্যাপারে আগ্রহী করেছে। বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে বলা হয়েছে, ব্রাজিল সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলার পর এশিয়া সফরে আসবে। ৩ অক্টোবর কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে তাদের। শুরুতে ভারতের ম্যাচের পর ব্রাজিলের বাংলাদেশে এসে অনুশীলন করার পরিকল্পনা ছিল। সে জন্যই গতকাল ব্রাজিলের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল ঢাকায় এসে ভেন্যু ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করে। কিন্তু ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়াম ও বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনার সুযোগ-সুবিধা দেখে ব্রাজিলের প্রতিনিধি দলের ধারণায় পরিবর্তন আসে। অনুশীলনের পাশাপাশি এখানে একটি ম্যাচ আয়োজন করাও সম্ভব বলে মনে হয়েছে তাদের। এর সঙ্গে রয়েছে বাংলাদেশের বিশাল ব্রাজিল-সমর্থক গোষ্ঠী। বিশ্বকাপ এলেই বাংলাদেশে ব্রাজিলের সমর্থকদের উন্মাদনা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচনায় আসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বাংলাদেশের ব্রাজিল-ভক্তদের কর্মকাণ্ড ব্রাজিলিয়ানদের নজর কেড়েছে। এই বিশাল সমর্থকগোষ্ঠীকে ভবিষ্যতের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অংশ করতে চায় ব্রাজিল। দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে নিজেদের ব্র্যান্ড ও সমর্থন আরও শক্তিশালী করাও তাদের পরিকল্পনার অংশ। বলা যায়, বাংলাদেশে ম্যাচ খেলার প্রস্তাবটি মূলত দুই পক্ষেরই স্বার্থের সঙ্গে মিলে গেছে। বাংলাদেশ পাচ্ছে বিশ্বের অন্যতম সেরা দলকে নিজেদের মাঠে আনার সুযোগ, আর ব্রাজিল পাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার বিশাল সমর্থকগোষ্ঠীর কাছে নিজেদের উপস্থিতি আরও শক্ত করার সুযোগ।

 ব্রাজিল বাংলাদেশে যে কারণে ম্যাচ খেলতে চায়

ব্রাজিল–বাংলাদেশ ম্যাচে নতুন স্বপ্ন ফুটবলপ্রেমীদের

ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের ম্যাচ বাংলাদেশের মাটিতে আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।  ঢাকায় আগামী ৬ অক্টোবর বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) প্রস্তাব দিয়েছে ব্রাজিল। ব্রাজিলের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল গতকাল দুপুরে ঢাকায় আসে। এরপর ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামের মাঠ, ড্রেসিংরুম থেকে শুরু করে সবকিছু দেখে তারা। তাদের মধ্যে সন্তুষ্টির ছাপ দেখা গেছে। ব্রাজিল প্রতিনিধি দল সন্ধ্যায় বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনাও পরিদর্শন করেন এবং মাঠও পছন্দ হয়েছে তাদের। ২৫ ও ২৯ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দুটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। অস্ট্রেলিয়া থেকে ভারত যাওয়ার আগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র-অ্যালিসদের পা বাংলাদেশের মাটিতে পড়তেও পারে। ৩০ সেপ্টেম্বর বা ১ অক্টোবর ঢাকার মাঠে অনুশীলন করে কলকাতায় ব্রাজিল দলটি যেতে পারে বলে আলোচনা চলছে।  এর মধ্যেই বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের খবর, বাংলাদেশে এসে শুরুতে শুধু অনুশীলন করার পরিকল্পনা ছিল ব্রাজিলের। কিন্তু ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়াম ও বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনার সুযোগ-সুবিধা, অনুশীলন মাঠ, জিমনেশিয়াম, হোটেল, পরিবহন ও নিরাপত্তাব্যবস্থা দেখে সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসে। কলকাতা থেকে ঢাকার দূরত্ব কম হওয়ায় সেখান থেকে বাংলাদেশে এসে আরও একটি ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা দেখছে ব্রাজিল। এরপরই বাংলাদেশকে ৬ অক্টোবর ম্যাচ খেলার প্রস্তাব দেয় ব্রাজিল। তবে এখনই ম্যাচটি চূড়ান্ত বলা যাচ্ছে না। বাংলাদেশের এশিয়ান কাপের সূচি এখনো নির্ধারিত হয়নি। ৬ অক্টোবর ম্যাচ খেলতে হলে তার আগে বাংলাদেশকে ইন্দোনেশিয়ায় নিজেদের ম্যাচ শেষ করে দেশে ফিরতে হবে। সবকিছু সময়মতো মিলে গেলে আগামী ৬ অক্টোবর ঢাকায় ব্রাজিলের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারে হামজা চৌধুরীর বাংলাদেশ।

ব্রাজিল–বাংলাদেশ ম্যাচে নতুন স্বপ্ন ফুটবলপ্রেমীদের
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream