রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
Bangla FM
Topic Ads 1
ডোপ টেস্টে পজিটিভ পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তা

ডোপ টেস্টে পজিটিভ পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তা

পুলিশ সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার (টিআর) আ ফ ম নিজাম উদ্দিনকে ডোপ টেস্ট পজিটিভ হওয়ায় সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে সোমবার এ আদেশ জারি করা হয়। বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপনটি স্বাক্ষরিত হয়। এতে বলা হয়, পুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিন বর্তমানে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত। এ বছরের ৮ জানুয়ারি মিরপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত ডিএসসিএসসি-২০২৬ কোর্সে অংশ নিতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সেখানে যান। কোর্স চলাকালে ৭ জুন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) পাঠানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার অংশ হিসেবে তার ডোপ টেস্ট করা হয়। পরীক্ষায় ইউরিন বেনজো ডায়াজেপিন এবং অ্যামফিটামিন/মেথ্যামফিটামিন পজিটিভ পাওয়া যায়। সাময়িক বরখাস্তের আদেশে বলা হয়েছে, ডোপ টেস্টের এই ফলাফল ডিএসসিএসসি কোর্সের শৃঙ্খলার পরিপন্থি। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী এটি অসদাচরণ হিসেবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ কারণে একই বিধিমালার বিধি অনুযায়ী ৩১ আগস্ট থেকে পুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিনকে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এই আদেশে আরও বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত থাকার সময় তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন। 

মহাদেবপুরে নারী ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নওগাঁর মহাদেবপুরে মোছা. আলতা বেগম (৫২) নামে এক সংরক্ষিত নারী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের খোদ্দ কালনা উত্তরপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। আলতা বেগম ওই গ্রামের মৃত সবিজ উদ্দিনের মেয়ে। তিনি খাজুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য ছিলেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০১১ ও ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে টানা দুবার পরাজিত হয়ে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন তিনি। পরে ২০২১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরেন। তবে প্রায় দুই বছর আগে স্বামীর আকস্মিক মৃত্যুর পর আলতা বেগমের মানসিক সমস্যা বেড়ে যায়। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শাশুড়ির সঙ্গে একই ঘরে ঘুমিয়েছিলেন আলতা বেগম। আজ সকালে তাঁকে ডাকলে শরীর খারাপের কথা বলে আবারও শুয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ঘরের তীরের সঙ্গে গলায় ফাঁস নেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। খাজুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বেলাল উদ্দিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং তিনি প্রায়ই বিষণ্ণতায় থাকতেন। মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় অপমৃত্যুর মামলা শেষে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’

মহাদেবপুরে নারী ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পিস্তল নিয়ে দু্লাভাইকে হুমকি, শ্যালক আটক

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে দুলাভাইকে পিস্তল দেখিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ওসমান প্রামাণিক (৩০) নামের এক যুবককে একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে। শনিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের খোর্দ্দবনগ্রাম এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। আটকের পর ওই রাতেই কুমারখালী থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। রোববার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওসমান একই ইউনিয়নের করাতকান্দি গ্রামের ইছহাক প্রামাণিকের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওসমান একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। চুরির অভিযোগে ২০২৪ সালে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে থানায় একটি চুরির মামলাও রয়েছে। শনিবার রাতে ৭.৬৫ মডেলের একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি নিয়ে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য শিলাইদহ ইউনিয়নের খোর্দ্দবন গ্রামের দুলাভাই ইসমাইল শেখের বাড়িতে যান ওসমান। সেখানে টাকা না পেয়ে তিনি পিস্তল দেখিয়ে ইসমাইল শেখকে হুমকি দেন বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে অস্ত্রসহ আটক করে। রোববার দুপুরে কুমারখালী থানায় ওসমানকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁর এক স্বজন জানান, কোম্পানির টাকা চুরি নিয়ে ওসমানের সঙ্গে তাঁর দুলাভাই ইসমাইল শেখের বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে শনিবার রাতে অস্ত্র হাতে দুলাভাইকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করেন ওসমান। তবে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি ইসমাইল শেখ। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ওসমান একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি নিয়ে তাঁর দুলাভাইকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে অস্ত্রসহ আটক করে। তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে এবং রোববার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পিস্তল নিয়ে দু্লাভাইকে হুমকি, শ্যালক আটক

ভারতে সিজেপির আন্দোলনে পুলিশি শক্তি প্রয়োগের অভিযোগ

ভারতে পুলিশ ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে তরুণদের বিক্ষোভ দমনে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংগঠনটির মতে, ইলেকট্রিক শকের যন্ত্র ও প্যালেট গান বিক্ষোভকারীদের ওপর ব্যবহারের প্রমাণ তাদের হাতে এসেছে। ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান গত মাসের এই বিক্ষোভের জেরে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। সোমবার (২৪ আগস্ট) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের বিস্তারিত বিবরণ তারা সংগ্রহ করেছে। তবে সংগঠনটি স্বীকার করেছে যে বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে ওঠার পরই পুলিশ বলপ্রয়োগ করেছিল। উভয় পক্ষের সহিংসতার তদন্তে গত বৃহস্পতিবার একটি প্যানেল গঠন করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। এমন পরিস্থিতিতেই অ্যামনেস্টি তাদের প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় নয়াদিল্লিতে শুরু হয় তেলাপোকাদের এই আন্দোলন। শুরুর দিকে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ থাকলেও গত ২০ জুলাই পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেয়। সেদিন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী পার্লামেন্টের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয় এবং সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লি ও বিহারে বিক্ষোভকারীদের ওপর প্যালেটচালিত শটগান, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড, লাঠি ও ইলেকট্রিক শকের যন্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি তারা নিশ্চিত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য ও যাচাই করা ভিডিও প্রমাণের ভিত্তিতে সংগঠনটি এ দাবি করেছে। বিহারের সিওয়ান জেলায় এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জনতার ওপর বেআইনিভাবে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের দুটি ঘটনাও যাচাই করে দেখেছে অ্যামনেস্টি। যদিও এসব ঘটনায় কেউ নিহত হননি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব অস্ত্র এমনভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার মানদণ্ড এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ পুলিশি নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে। বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটলেও তার প্রতিক্রিয়া ছিল ‘রাষ্ট্র-অনুমোদিত সহিংসতার’ সমতুল্য বলে মনে করে অ্যামনেস্টি। অন্যদিকে দিল্লি পুলিশ গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে ওঠার পরই তারা বলপ্রয়োগ করেছিল। পুলিশের দাবি, শিক্ষার্থীদের ছদ্মবেশে থাকা সমাজবিরোধীরা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের গুরুতর আহত করেছে। এদিকে গত শুক্রবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী দিল্লির একটি থানার বাইরে ১৯ বছর বয়সী এক বিক্ষোভকারীর সঙ্গে অবস্থান ধর্মঘট করেন। ওই তরুণ জানান, ২০ জুলাইয়ের সংঘর্ষে প্যালেটের আঘাতে তিনি আহত হয়েছিলেন। রাহুল গান্ধী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। পরে ওই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পাবলিক পরীক্ষায় অনিয়মের ক্ষোভ থেকে শুরু হওয়া সিজেপির এই বিক্ষোভ সমালোচকদের চোখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটি বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল। ২০২৪ সালে তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর মোদির সামনে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি। শিক্ষামন্ত্রীকে সরিয়ে দিয়ে আপাতত সেই চাপ সামাল দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।

ভারতে সিজেপির আন্দোলনে পুলিশি শক্তি প্রয়োগের অভিযোগ

শ্রীমঙ্গলে শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নয় বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে প্রায় এক মাস ধরে যৌন নির্যাতন ও মারধরের অভিযোগে রাকিবুল হাসান মিরাজ (১৯) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ২টার দিকে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে সিন্দুরখান রোডের জামিয়া ইসলামিয়া বালক-বালিকা মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তার রাকিবুল হাসান মিরাজ শ্রীমঙ্গল উপজেলার সুনগইড় গ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে। তিনি ওই মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়,ওই শিশুটি প্রায় এক মাস ধরে মাদ্রাসার শিক্ষক মিরাজের যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের নির্যাতনে শিশুটি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী,রোববার সকালে শিক্ষকটির কথামতো চলতে অস্বীকৃতি জানালে শিশুটিকে মারধর করা হয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে শিশুটির কাছে ঘটনার বিষয়ে জানতে পারেন এবং শ্রীমঙ্গল থানায় অভিযোগ করেন।অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে মাদ্রাসা থেকে শিক্ষক মিরাজকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে থানায় নিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশের দাবি,জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ জানিয়েছে,শিশুটির শরীরে নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে। তার চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য এসআই হাবিবুর রহমানকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাবিবুর রহমান বলেন,এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মামলার নম্বর ৩৩। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।পুলিশ জানিয়েছে,অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

রংপুরে চার হত্যা: আসামির শার্ট নিয়ে রহস্য

রংপুরে মাছুয়াপাড়ায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজনের একজনের পরনের শার্ট নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় চলছে তুমুল আলোচনা। মরদেহ উদ্ধারের দিন ঘটনাস্থলে এক ব্যক্তির গায়ে যে ধরনের শার্ট দেখা যায়, গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজনের একজনের শরীরেও একই ধরণের শার্ট দেখা গেছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একই পোশাক বা ডিজাইনের শার্ট আলাদা একাধিক ব্যক্তির থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়।তদন্ত ও মরদেহ উদ্ধারের দায়িত্বে থাকা প্রধান কর্মকর্তাদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে ইন্টারনেটে যে গুঞ্জন ওঠে, সেটিকে "একান্তই কাকতালীয়" বলে অভিহিত করেছে পুলিশ। ধর্ম বা জাতির ভিত্তিতে কোনো কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়নি বলে স্পষ্ট করা হয়।অভিযুক্তরা নেশা করার জন্য পাশে অনেক ফাঁকা স্থান থাকা সত্ত্বেও কেন নিহত গণপতির বাড়ির ছাদকেই বেছে নিয়েছিল, সংবাদ সম্মেলনে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে পুলিশ কমিশনার জানান, প্রাথমিক তদন্তের গতিতে তারা সন্তুষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্তেই সব স্পষ্ট হবে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ এক মাদক কারবারির কাছ থেকে ইয়াবা কিনে সীমান্ত নামে এক ব্যক্তির বাসায় বসে তা সেবন করেন। পরে রাতের শেষ দিকে তারা দেবু নামে এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে যান। সেখানে ইয়াবা সেবনের সময় শব্দ হলে গণপতি চক্রবর্তী খালি গায়ে ও গলায় গামছা নিয়ে ছাদে আসেন। তবে পুলিশের এই বক্তব্য ঘিরেও প্রশ্ন উঠেছে। ইয়াবা সেবনের জন্য পাশের নির্মাণাধীন তিনতলা ভবনের পুরো ফাঁকা জায়গা ও ছাদ থাকার পরও তারা কেন গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে গেলেন; সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনারের কাছে এমন প্রশ্ন করা হয়। জবাবে পুলিশ কমিশনার বলেন, অল্প সময়ে মামলার তদন্তে যতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, তাতে তিনি সন্তুষ্ট। একই সঙ্গে পুলিশের ইতিবাচক কাজের প্রশংসা এবং নেতিবাচক কাজের সমালোচনা করার আহ্বান জানান তিনি। তদন্তে আস্থা রাখার কথাও বলেন। এর মধ্যে রোববার বিকেল ৫টার দিকে গ্রেপ্তার দুই যুবককে আদালতে হাজির করা হয়। মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রোববার কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।  তবে গ্রেপ্তার দুই যুবকের স্বীকারোক্তি, ঘটনাস্থল ও হত্যাকাণ্ডের সময়কার গতিবিধি নিয়ে ওঠা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর তদন্তে কতটা পরিষ্কার হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

রংপুরে চার হত্যা: আসামির শার্ট নিয়ে রহস্য

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৮৩

রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন ঘটনায় ৫৯টি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৪ জন, লালবাগে ৩৩, ওয়ারীতে ৮০, মতিঝিলে ৫৩, তেজগাঁওয়ে ৪৫, মিরপুরে ১৩২, গুলশানে ৪০, উত্তরা বিভাগে ৫৫ এবং গোয়েন্দা বিভাগে ১১ জন রয়েছেন। অভিযানকালে ১২০ কেজি গাঁজা, ১২ হাজার ৩৭৫ পিস ইয়াবা, দুই পুরিয়া হেরোইন ও পাঁচ লিটার দেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ১১ হাজার ৪৮০টি নকল ক্রিম, ১১টি মোবাইল ফোন, ৫২৬ বস্তা চাল, দুটি চাকু, একটি মোটরসাইকেল, একটি প্রাইভেটকার ও একটি প্রাইভেটকারের রিমোট চাবি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া দুই ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ডিএমপি জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও বিভিন্ন আলামতসহ এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৮৩

কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণী ও দুই ভাই-বোনকে গাছে বেঁধে নির্যাতন

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক তরুণী ও তার দুই ভাই-বোনকে চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নির্যাতন ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ওই তরুণীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার পাশাপাশি গলায় জুতার মালা পরানো হয় বলেও অভিযোগ করেছে তার পরিবার। নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।দীর্ঘসময় আটকে রেখে নির্যাতনের পর পুলিশ তিন ভাই-বোনকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সখিপুরের ছৈয়াল কান্দি এলাকার মুদি দোকানি আবুল মোল্লার ছেলে মনির মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে ওই তরুণীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। বিভিন্ন সময় তাকে কুপ্রস্তাব দেওয়া হতো বলেও অভিযোগ পরিবারের। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়রা মনিরকে একাধিকবার সতর্ক করেছিলেন।মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে ওই তরুণী তার ১৩ বছর বয়সী ছোট বোন ও ৭ বছর বয়সী ভাইকে নিয়ে মনিরের দোকানে কেনাকাটা করতে যান। সেখানে মনির তাকে অশালীন কথাবার্তা বলেন এবং রাতে দেখা করার প্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ করেন তরুণী। এর প্রতিবাদ করলে মনির তাকে ও তার ভাই-বোনকে দোকানের পাশের ফৌজিয়া সরদারের বাড়িতে নিয়ে একটি কক্ষে আটকে রাখেন বলে অভিযোগ।ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, সেখানে তিন ভাই-বোনের হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তাদের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ তোলা হয়। পরে মনিরসহ কয়েকজন তাদের গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন এবং তরুণীর মাথার চুল কেটে দেন। তাকে গলায় জুতার মালা পরানো হয় বলেও অভিযোগ করেছে পরিবার।খবর পেয়ে দুপুর ১২টার দিকে সখিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন ভাই-বোনকে উদ্ধার করে। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।এ ঘটনায় শুক্রবার (৭ আগস্ট) দিনগত রাত ১২টার দিকে ভুক্তভোগীর মা ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও চার থেকে পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। ওই রাতেই এজাহারভুক্ত দুই আসামি আফসানা সরদার (৫০) ও আমিরকে (৩০) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন নারী ওই তরুণীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখেছেন। এ সময় তিনি কান্নাকাটি করছিলেন। একপর্যায়ে এক যুবক এসে তার হাত আরও শক্ত করে গাছের সঙ্গে বেঁধে দেন। পরে এক নারীকে তার গলায় জুতার মালা পরিয়ে দিতে দেখা যায়। এরপর তরুণীর মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। একইভাবে তার ছোট বোনকেও গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখার দৃশ্য দেখা যায়।ভুক্তভোগীর মা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মনির তার মেয়েকে বিভিন্ন ধরনের কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। ঘটনার দিন মেয়েকে রাতে দেখা করার প্রস্তাব দিলে সে প্রতিবাদ করে। পরে তিন সন্তানকে জোর করে একটি বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাদের মারধর করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা এবং মেয়ের মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তিনি সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগ, মনির বিভিন্ন সময় তাকে কুপ্রস্তাব দিতেন। ঘটনার দিন এর প্রতিবাদ করায় তাকে ও তার ভাই-বোনকে জোর করে একটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে একটি কক্ষে নিয়ে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়। চিৎকার করলে লোকজন জড়ো হয় এবং তখন তাদের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ তোলা হয়। পরে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর ও চুল কেটে দেওয়া হয়। তার ভাই-বোনকেও একইভাবে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হুসাইন বলেন, পুলিশ ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা প্রথমে থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও শুক্রবার দুপুরে সেটি প্রত্যাহার করে নেন। পরে রাত ১২টার দিকে আবার লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা করা হয়েছে এবং রাতেই দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণী ও দুই ভাই-বোনকে গাছে বেঁধে নির্যাতন

নোয়াখালীতে তরুণীদের পর্নো ভিডিও তৈরির অভিযোগে স্বামী-স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৫

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার কিসমত করিমপুর এলাকার রাবেয়া হাসপাতালের পাশের একটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালিয়ে পর্নোগ্রাফি ভিডিও তৈরির অভিযোগে স্বামী-স্ত্রী, তাদের দুই ছেলে এবং আরও একজনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় বিভিন্ন জেলা থেকে চাকরির প্রলোভনে এনে আটকে রাখা চার তরুণীকে উদ্ধার করা হয়।শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল আদালতে সোসর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।আটক ব্যক্তিরা হলেন, মো. সালাউদ্দিন বিপ্লব, তার স্ত্রী পারভিন আক্তার, দুই ছেলে ফাহাদ হাসান ও আরাফাত ইয়াসিন ফাহিম এবং আব্দুর রহিম। তাদের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় হলেও দীর্ঘদিন ধরে নোয়াখালীতে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া তরুণীদের একজন গোপনে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে সাহায্য চান। সেই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ভিডিও ধারণের ক্যামেরা, ছয়টি মোবাইল ফোন, একটি চাবুক, ছুরি, কাঁচি এবং নগদ ১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া এক তরুণী বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, এক বান্ধবীর মাধ্যমে সালাউদ্দিন বিপ্লবের সঙ্গে পরিচয়ের পর পার্লারে চাকরির আশ্বাসে গত ২ আগস্ট চৌমুহনীতে আসেন এক ভুক্তভোগী। পরে তাকে একটি বাসায় নিয়ে আটকে রাখা হয়, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং জোরপূর্বক যৌন কাজ ও পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ধারণ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, এসব ভিডিও অনলাইনের একটি অ্যাপের মাধ্যমে সম্প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা হতো। বাসায় থাকা অন্য কয়েকজন তরুণীকেও দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখা হয়েছিল। প্রতিবাদ করলে তাদের শারীরিক নির্যাতন করা হতো বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।বেগমগঞ্জ মডেল পরিদর্শক (তদন্ত)  মো: হাবীবুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকৃত তরুনীদের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

নোয়াখালীতে তরুণীদের পর্নো ভিডিও তৈরির অভিযোগে স্বামী-স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৫

নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ডাকাত গ্রেপ্তার

নড়াইলের কালিয়ায় পুলিশের অভিযানে  ডাকাত আরোজ আলী শেখ গ্রেপ্তার।  (৫ আগস্ট) বুধবার রাত ৮ঃ০০ টায় অভিনব কৌশলে পুলিশের দুঃসাহসিক এবং পরিকল্পিত সফল অভিযানে গ্রেপ্তার আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের মূল হোতা কালিয়া উপজেলার জোকারচর গ্রামের আরোজ আলী শেখ। নড়াইলের কালিয়া উপজেলার জোকারচর গ্রামে দুঃসাহসিক ও পরিকল্পিত অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের মূল হোতা আরোজ আলী শেখকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।এই অভিযানের বিশেষত্ব ছিল পুলিশের অভিনব কৌশল। বুধবার দিনভর পুলিশের সদস্যরা কৃষক, ভ্যানচালক, হকার ও মুদিদোকানির ছদ্মবেশে গ্রামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে থাকেন। রাত নামতেই শুরু হয় পরিকল্পিত অভিযান।রাত ৮টার দিকে কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইদ্রিস আলীর নেতৃত্বে বিশেষ পুলিশ দল জোকারচর গ্রামে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে আরোজ আলী শেখকে গ্রেপ্তার করে।পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতের বিরুদ্ধে কালিয়া, নড়াইল সদর, খুলনার দিঘলিয়া ও গোপালগঞ্জ সদর থানাসহ বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, সন্ত্রাস, অস্ত্র ও চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন নজরদারির পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ডাকাত গ্রেপ্তার
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream