শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
কসবায় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

কসবায় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ১০ বছর বয়সি এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার তিনদিন পর কসবা থানায় মামলা দায়ের করেছেন শিশুর মা।  গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ১টার দিকে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মো. ইয়াসিন মিয়াকে (৫০) একমাত্র আসামি করে এই মামলাটি করা হয়। এদিকে রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে থানায় আনা হলে সে হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে কসবা থানা পুলিশের গাড়িতে করে তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য তাকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ অক্টোবর সকালে শিশুটি স্থানীয় বাজারে সয়াবিন তেল আনতে যায়। বাজার থেকে ফেরার পথে অভিযুক্ত ইয়াসিন মিয়া শিশুটির মুখ ও হাত চেপে ধরে জোরপূর্বক তার দোকানের ভেতর নিয়ে যায়। সেখানে ধর্ষণের শিকার হয় শিশুটি। তাকে মেরে ফেলার হুমকি হাতে টাকা দিয়ে দোকান থেকে বের করে দেওয়া হয়। শিশুটি বাড়িতে ফিরে কান্নাকাটি করতে করতে তার মায়ের কাছে ঘটনা খুলে বলে। শিশুর বাবা অভিযোগ করেন, ঘটনার পর বিষয়টি সামাজিক মীমাংসার নামে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। গত শুক্রবার রাতে একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ওই সভায় ১২ সদস্যের একটি জুরিবোর্ড গঠন করে ধর্ষককে শুধু ক্ষমা চাওয়ানোর মাধ্যমে বিষয়টি দফারফা করার চেষ্টা চলে।  কিন্তু শিশুর বাবা এই অনৈতিক বিচার মেনে না নিয়ে আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা জানালে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে হুমকি দেয়। এই হুমকির কারণে পরিবারটির মামলা করতে দুই-তিন দিন দেরি হয়েছে।  কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া জানান, শিশুটিকে রবিবার সকালে হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শায়লা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। এরপর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকে আসামি ইয়াসিন মিয়া পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

পাবনায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষককে আটকের পর মাদ্রাসায় ভাঙচুর-আগুন

পাবনা সদর উপজেলার একটি আবাসিক মাদরাসায় এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার জেরে বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা ওই মাদরাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের দড়ি ভাউডাঙ্গা কদমতলা গ্রামে অবস্থিত ‘নুরে মদিনা মহিলা মাদরাসার শিক্ষক মো. আবু ইউসুফ ওই মাদরাসার এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় কৌশলে রক্ষা পেয়ে ওই ছাত্রী গভীর রাতে মাদরাসা থেকে পালিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি বাড়িতে আশ্রয় নেয় এবং স্থানীয় লোকজনকে পুরো ঘটনা খুলে বলে। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে মুহূর্তেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। এরপর শুক্রবার সকালে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর একটি অংশ মাদরাসায় ভাঙচুর চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে পাবনা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।  পুলিশ জানিয়েছেন, ওই মাদরাসায় মোট ৬০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছে, যার মধ্যে ৩০ জন আবাসিক, বাকিরা অনাবাসিক। ঘটনার পর পরই আবাসিক শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে নিরাপদে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্ত শিক্ষক আবু ইউসুফ পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। অভিযুক্ত আবু ইউসুফ পাবনা সদর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের বাসিন্দা।  পাবনা সদর থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সাহা বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাবনার পুলিশ সুপার আলী আশ্রাফ জানান, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তদন্ত চলছে। সত্যতা সাপেক্ষে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি মাদরাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

পাবনায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষককে আটকের পর মাদ্রাসায় ভাঙচুর-আগুন

চাকরির আশ্বাসে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মামলা, মূল অভিযুক্তকে জুতাপেটা করে থানায় সোপর্দ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে চাকরি দেওয়ার কথা বলে এক তরুণীকে (২২) দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে মূল অভিযুক্ত বাসির মিয়াকে (২৬) আটকের পর জুতাপেটা করে ওই তরুণী ও তাঁর বোন চুনারুঘাট থানায় সোপর্দ করেন। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। পুলিশ ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণী চুনারুঘাট উপজেলার বাসিন্দা। তিনি শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ওলিপুর শিল্প এলাকার একটি কারখানায় কাজ করতেন। সেখানেই শায়েস্তাগঞ্জের রমাপুর গ্রামের বাসির মিয়ার সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। সম্প্রতি চাকরিচ্যুত হন ওই তরুণী। অভিযোগ অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর বাসির মিয়া ফোনে তরুণীকে জানান, তিনি তরুণীর জন্য একটি চাকরির ব্যবস্থা করেছেন এবং সেদিনই দেখা করে সাক্ষাৎকার দিতে হবে। সেই অনুযায়ী তরুণী চুনারুঘাট উপজেলা সদরে এলে বাসির ও আরেক তরুণ তাঁকে অটোরিকশায় করে লালচান চা-বাগানে নিয়ে যান। তরুণীকে বলা হয়েছিল, চাকরিদাতা বাগানের বাংলোয় অবস্থান করছেন। ভুক্তভোগীর ভাষ্য, বাগানের নির্জন স্থানে নিয়ে প্রথমে দুজন তাঁকে ধর্ষণ করেন। পরে মোটরসাইকেলে বাসিরের পরিচিত আরও তিনজন সেখানে যান এবং তাঁরাও ধর্ষণে অংশ নেন। বাগানের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা একজনও ঘটনা দেখে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। সব মিলিয়ে একে একে ছয়জন তাঁকে ধর্ষণ করেন বলে তিনি জানান। ঘটনার কথা পরিবারকে না জানিয়ে তরুণী শুধু তাঁর ছোট বোনকে জানান। দুই বোন মিলে বাসিরকে আটক করার পরিকল্পনা করেন। ছোট বোন মুঠোফোনে বাসিরের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন এবং গতকাল শনিবার দুপুরে দেখা করার সময় ঠিক করেন। বাসির চুনারুঘাট উপজেলা সদরে এলে দুই বোন তাঁকে আটক করেন। আশপাশের লোকজনও তাঁদের সহযোগিতা করেন। এরপর বাসিরকে জুতাপেটা করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আজ রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে এক তরুণীকে এক ব্যক্তিকে গালাগাল করে জুতাপেটা করতে দেখা যায়। আটক ব্যক্তিকে থানায় আনার পর পুলিশ ভুক্তভোগীকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। শনিবার রাতেই তরুণী বাদী হয়ে বাসির মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ছয়জনকে আসামি করে চুনারুঘাট থানায় ধর্ষণের মামলা করেন। চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বাসির মিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আমরা পেয়েছি। আমরা নিজেরাও ঘটনাস্থল ও আশপাশে তদন্ত করে ঘটনার আলামত পেয়েছি।’ তিনি জানান, বাসির মিয়াকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। অন্য আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগী তরুণীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চাকরির আশ্বাসে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মামলা, মূল অভিযুক্তকে জুতাপেটা করে থানায় সোপর্দ

তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যার ঘটনায় ক্ষুব্ধ নেপাল

তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে নেপালে বিক্ষোভ চলছে। মানবাধিকারকর্মী ও রাজনীতিকেরা এ ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে আইন সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। গত সপ্তাহে দেশটির মাধেশ প্রদেশে নিখোঁজ হয় শিশুটি। এর তিন দিন পর শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দেশটিতে এরপর থেকে ধারাবাহিক বিক্ষোভ চলছে। এখন পর্যন্ত নয়জনকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন স্থানীয় পুলিশের একজন মুখপাত্র। বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, এই অপরাধকে কেন্দ্র করে আইন সংস্কারের দাবি উঠেছে। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগও উঠেছে। পুলিশি হেফাজতে থাকা এক কিশোর সন্দেহভাজনের বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দেয়। সিমারা শহরে কয়েক দিন ধরে বিক্ষোভ চলার পর নিহত শিশুটির পরিবারের সদস্যের সঙ্গে মন্ত্রীদের বৈঠক হয়। পরে একটি লিখিত সমঝোতা হয়। বৈঠকে সরকার গুরুতর অপরাধসংক্রান্ত আইন পর্যালোচনা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নিহত শিশুটির স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের কথাও বলা হয়েছে। এ ঘটনা নেপালে কিশোর অপরাধীদের সঙ্গে আইনি ব্যবস্থায় কীভাবে আচরণ করা হয়, তা নিয়েও নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। কিছু অধিকারকর্মী ধর্ষণ বা হত্যার মতো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য আরও কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন। প্রখ্যাত মানবাধিকারকর্মী গৌরী প্রধান এ ঘটনাকে ‘অত্যন্ত বেদনাদায়ক’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এ ধরনের নৃশংস ঘটনায় জড়িত সবাইকে শাস্তির আওতায় আনা উচিত। এ ক্ষেত্রে ব্যাপক সংস্কারের জন্যও গুরুতর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। তবে মৃত্যুদণ্ড চালুর দাবির বিষয়ে সতর্ক করেছেন তিনি। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আটক এক কিশোরের বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পরও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। পুলিশি হেফাজতে থাকা ওই ব্যক্তির ভিডিও কীভাবে বাইরে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বারা জেলার প্রধান জেলা কর্মকর্তা ধর্মেন্দ্র কুমার মিশ্র বিবিসিকে বলেন, ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশের একজন সদস্যের সরাসরি সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আরও কোনো পুলিশ সদস্যের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাঁদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে প্রশাসনের ‘শূন্য সহনশীলতা’ (জিরো টলারেন্স) নীতি রয়েছে। নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত দেশটিতে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের ২৫ হাজার ৫০০টির বেশি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এসব ঘটনার মধ্যে ৩ হাজার ২শর বেশি নারী ভুক্তভোগীর বয়স ছিল ১০ বছরের কম বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যার ঘটনায় ক্ষুব্ধ নেপাল

মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে ধর্ষক পরিবার

ধর্ষণ মামলার বাদীকে মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে ধর্ষক তজমল হকের পরিবার। তজমলের পরিবার প্রকাশ্যে বলছে মামলা তুলে না নিলে ধর্ষিতার কিশোরীকে অপহরণ করবে। ধর্ষিতার পরিবার ন্যায় বিচার দাবি করেছে প্রশাসনের কাছে।জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের কামালপুর মৃধাপাড়া এলাকার মহিল উদ্দিনের পালিত কন্যাকে নানা প্রলোভন দিয়ে মামলার প্রধান আসামী তজমল হক নিজ বাড়ীতে আটক রেখে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষন করে। ৪ জুলাই রাতে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানার পর ধর্ষিতা কিশোরীর পরিবার গ্রামের লোকজনের সহায়তায় তজমল হকের বাড়ী ধর্ষিতাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে।এ বিষয়ে ধর্ষিতার কিশোরীর পালিত বাবা মহিল উদ্দিন বাদী হয়ে ৬ জুলাই বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলা নং ৬। ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ এর ৯(১)/৩০। মামলার পর বকশীগঞ্জ থানার পুলিশ মামলার মামলার প্রধান আসামী তজমল হক ও সহযোগি সুমনা বেগমকে গ্রেফতার করে। আসামীরা বর্তমানে জামালপুর কারাগারে আছে।এ ব্যাপরে কিশোরীর মা(কুসুম ফুল আক্তার) বলেন, মামলা করার পর থেকেই আসামীর পরিবারের লোকজন মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছে। আসামীদের পরিবারের লোকজন বলছে মামলা তুলে না নিলে তারা আমার কিশোরী কন্যাকে আবারও অপহরণ করার হুমকি দেয়।মামলার বাদী মহিল উদ্দিন বলেন, ন্যায় বিচারের আশায় আমি থানায় মামলা করেছি। আসামীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই। আসামীরা উপযুক্ত শাস্তি না পেলে সমাজে অবরাধ বাড়বে। তিনি আসামীদের ফাসিঁ দাবি করেন।এ ব্যাপারে বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মকবুল হোসেন বলেন, মামলা দায়ের পর পরই দুই জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামীকে গ্রেফতার অভিযান চলমান আছে। মামলার তদন্ত চলমান।

মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে ধর্ষক পরিবার

স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় আলোচিত রিপন মিয়া গ্রেপ্তার

নেত্রকোণার  স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায়  আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে  র‍্যাব। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকায় এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪-এর সদর কোম্পানির কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো অভিযানে রিপন মিয়াকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে তাকে নেত্রকোণা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে নেত্রকোণা মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় রিপন মিয়ার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও আটজনকে আসামি করা হয়। মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত রিপন আত্মগোপনে ছিলেন। ঘটনার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ১ আগস্ট সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী মেয়েটি বাড়ির উঠানে রান্নার কাজ করছিল। সে সময় তার বাবা-মা কাজের প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন। এই সুযোগে রিপন মিয়া তাকে জোরপূর্বক তুলে পাশের এক জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে অভিযুক্ত দ্রুত স্থান ত্যাগ করে পালিয়ে যান। ঘটনার পর গত সোমবার রাতে স্থানীয় একটি বাজারে রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে বিষয়টি মীমাংসায় এক সালিস বৈঠক বসে। অভিযোগে উঠে আসে, উক্ত সালিসে রিপন মিয়াকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে ওই সালিস বৈঠকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধের চূড়ান্ত বিষয় নির্ধারিত হবে।

স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় আলোচিত রিপন মিয়া গ্রেপ্তার

সিলেটে ফাহিমা ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলায় আসামি জাকিরের মৃত্যুদণ্ড

সিলেটে চার বছরের শিশু কন্যা ফাহিমা আক্তারকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামী জাকির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলা থেকে জাকিরের দুই ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালাম বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়।হত্যাকাণ্ডের তিন মাসের মাথায় বৃহস্পতিবার (০৬ আগষ্ট) সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক আবু উবায়দা এ রায় প্রদান করেন। মামলার এক মাস পাঁচ দিনের মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল পুলিশ। অভিযোগপত্রে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার দায়ে জাকির হোসেনকে এবং লাশ গুমে সহযোগিতার জন্য তার দুই ভাই জয়নাল ও কালামকে অভিযুক্ত করা হয়।নিহত ফাহিমা আক্তার সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের  হতদরিদ্র রাইসুল হকের মেয়ে। আর মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি জাকির হোসেন (৩০) ফাহিমার পরিবারের প্রতিবেশি মৃত তোতা মিয়ার ছেলে।প্রসঙ্গত, গত ৬ মে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশু কন্যা ফাহিমা। এর দুদিন পর গত ৮ মে রাতে বাড়ির পাশ্ববর্তী ডোবা থেকে ফাহিমার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ১১ মে রাতে ফাহিমাকে হত্যার অভিযোগে তার প্রতিবেশী চাচা জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাছে ও আদালতে ১৬৪ ধারায় এ ঘটনার লোমহর্ষক বর্ণনা দেন জাকির।জবানবন্দিতে জাকির হোসেন জানায়, সিগারেট আনার কথা বলে ফাহিমাকে দোকানে পাঠায় সে। দোকান থেকে ফেরার পর ঘর ফাঁকা থাকার সুযোগে সে ফাহিমাকে ধর্ষনচেষ্টা চালায়। এসময় ফাহিমা জ্ঞান হারালে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে লাশ গুম করার চেষ্টা করে সে। গুম করতে না পেরে বাড়ির কাছে একটি পুকুর সংলগ্ন ডোবায় লাশ ফেলে রাখে।

সিলেটে ফাহিমা ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলায় আসামি জাকিরের মৃত্যুদণ্ড
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream