চট্টগ্রামে নওফেলের বাসভবনে ফের অগ্নিসংযোগের চেষ্টা
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের চশমা হিলের বাসভবনে আবারও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নগরের পাঁচলাইশ থানাধীন মেয়র গলি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত সাড়ে ১২টার পর ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল বাসভবন লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমাসদৃশ একটি বস্তু নিক্ষেপ করে। এতে আগুনের সূত্রপাত হলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছোট ছেলে বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি শুধু একটি বাড়ির চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর চশমা হিলের বাসভবনে আবারও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বাড়িটি সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের পারিবারিক বাসভবন।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে নগরের পাঁচলাইশ থানার মেয়র গলি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত সাড়ে ১২টার পর ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল বাসভবন লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমাসদৃশ একটি বস্তু ছুড়ে মারে। এতে আগুন ধরে গেলে আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায়।ঘটনার পর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছোট ছেলে বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক প্রতিক্রিয়ায় এ ঘটনার নিন্দা জানান। তিনি বলেন, এটি শুধু একটি পরিবারের বাসভবনের ওপর হামলা নয়, বরং পরিবারের নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপরও আঘাত। একই সঙ্গে তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহেদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল বাসার ভেতরে পেট্রোল বোমাসদৃশ বস্তু নিক্ষেপ করে। আগুনের ঘটনা দেখে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর চশমা হিলের এই বাসভবনে এটি চতুর্থ দফার হামলার ঘটনা। এর আগে ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একটি মিছিল থেকে প্রথম হামলার অভিযোগ ওঠে। একই বছরের ৫ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বাসভবনটিতে আবারও ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।