মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
Topic Ads 1
পিস্তল নিয়ে দু্লাভাইকে হুমকি, শ্যালক আটক

পিস্তল নিয়ে দু্লাভাইকে হুমকি, শ্যালক আটক

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে দুলাভাইকে পিস্তল দেখিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ওসমান প্রামাণিক (৩০) নামের এক যুবককে একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে। শনিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের খোর্দ্দবনগ্রাম এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। আটকের পর ওই রাতেই কুমারখালী থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। রোববার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওসমান একই ইউনিয়নের করাতকান্দি গ্রামের ইছহাক প্রামাণিকের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওসমান একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। চুরির অভিযোগে ২০২৪ সালে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে থানায় একটি চুরির মামলাও রয়েছে। শনিবার রাতে ৭.৬৫ মডেলের একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি নিয়ে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য শিলাইদহ ইউনিয়নের খোর্দ্দবন গ্রামের দুলাভাই ইসমাইল শেখের বাড়িতে যান ওসমান। সেখানে টাকা না পেয়ে তিনি পিস্তল দেখিয়ে ইসমাইল শেখকে হুমকি দেন বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে অস্ত্রসহ আটক করে। রোববার দুপুরে কুমারখালী থানায় ওসমানকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁর এক স্বজন জানান, কোম্পানির টাকা চুরি নিয়ে ওসমানের সঙ্গে তাঁর দুলাভাই ইসমাইল শেখের বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে শনিবার রাতে অস্ত্র হাতে দুলাভাইকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করেন ওসমান। তবে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি ইসমাইল শেখ। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ওসমান একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি নিয়ে তাঁর দুলাভাইকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে অস্ত্রসহ আটক করে। তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে এবং রোববার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মায়ের গলায় ওড়না প্যাঁচানো, হাত-পা বাঁধা ছেলের মরদেহ খাটে

যশোরের বাঘারপাড়ায় নিজ ঘর থেকে মা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছয় বছরের শিশু জিসানের হাত-পা গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। আর তার মা জুবায়দা খাতুনের (৩২) গলায় প্যাঁচানো ছিল ওড়না। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।শনিবার (৮ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার খলশী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে।নিহত জুবায়দা খাতুন ওই গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী। জিসান তাঁদের ছয় বছরের সন্তান।পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জুবায়দার গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ছিল। ওড়নার দুই প্রান্ত তাঁর দুই হাতের কাছে পাওয়া যায়। অন্যদিকে শিশুটির হাত ও পা গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। ঘরের ভেতর মরদেহ উদ্ধারের এই অবস্থান থেকেই ঘটনাটি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।মা-ছেলের মৃত্যু আত্মহত্যার ঘটনা, নাকি তাঁদের হত্যা করা হয়েছে—এ নিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশও বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।জুবায়দার ছোট বোন পিনজিরা অভিযোগ করে বলেন, জুবায়দার স্বামী জাকির হোসেন দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। প্রায় এক বছর আগে তিনি দেশে ফেরেন। জাকিরের ভাই শিহাবের সঙ্গে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে তাঁর সন্দেহ।বাঘারপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশ বলেন, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি দেখে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনের কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

মায়ের গলায় ওড়না প্যাঁচানো, হাত-পা বাঁধা ছেলের মরদেহ খাটে
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream