সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
মেসিকে হত্যার হুমকি, স্টেডিয়ামে হামলার পরিকল্পনা

মেসিকে হত্যার হুমকি, স্টেডিয়ামে হামলার পরিকল্পনা

বিশ্ব ফুটবলের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল বড় ধরনের উদ্বেগ। বিশ্বকাপ চলাকালে তাদের লক্ষ্য করে সন্ত্রাসী হামলা ও মৃত্যুর হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশের একটি ফাঁস হওয়া নিরাপত্তা নথিতে। নথিতে তারকা ফুটবলারদের পাশাপাশি রেফারিদের ওপর হামলার একাধিক পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সান’ এবং স্প্যানিশ ওয়েবসাইট ‘ইনফরমাসিওন ডট ইএস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে ছিলেন মেসি ও আর্জেন্টিনা দল। জর্ডানের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচের আগে ডালাস বিমানবন্দরে এক ব্যক্তি ফোন করে দাবি করেন, আরও দুজনকে সঙ্গে নিয়ে গ্রেনেড ও এআর-১৫ রাইফেল নিয়ে স্টেডিয়ামে হামলা চালাবেন। ফোনে সরাসরি মেসিকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।খেলোয়াড়দের পাশাপাশি ম্যাচ রেফারিরাও উগ্র সমর্থকদের তোপের মুখে পড়েন। আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের সিদ্ধান্তের জেরে ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া ল্যাটেক্সিয়ারকে হোয়াটসঅ্যাপে ৬ হাজারেরও বেশি হুমকিবার্তা পাঠানো হয়। একই সঙ্গে ভিডিও রেফারি (ভিএআর) উইলি দেলাজোদকেও খুনের হুমকি দেন ক্ষুব্ধ মিশরীয় সমর্থকরা।নথিতে আরও উঠে এসেছে যে, ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের কারণে খেলোয়াড়দের ওপরও নেমে আসে মৃত্যুঝুঁকি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে সুযোগ নষ্ট করায় নরওয়ের আলেকজান্ডার সরলথ ও কলম্বিয়ার ঝন জামিনতন কাম্পাজকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় কলম্বিয়ান ফুটবলার কাম্পাজ ভয়ে নিজ দেশের জাতীয় দলের সঙ্গে ফিরে যেতেও অস্বীকৃতি জানান। এই ঘটনাটি ১৯৯৪ সালে আত্মঘাতী গোল করার অপরাধে কলম্বিয়ান ডিফেন্ডার আন্দ্রেস এসকোবার হত্যাকাণ্ডের স্মৃতিকে স্মরণ করিয়ে দেয়।নিরাপত্তার এই নাজুক পরিস্থিতির কারণে ইংল্যান্ডের মিডিয়া সেন্টারকে কার্যত দুর্গে পরিণত করা হয়েছিল। তিন স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী, স্নাইপার-প্রতিরোধী পর্দা এবং ড্রোন হামলা ঠেকাতে ‘নো ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করা হয়েছিল। এসব হুমকির কারণে ওই আসরটিকে ইতিহাসের অন্যতম সুরক্ষিত বিশ্বকাপ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream