সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
ড্রোন হামলায় রক্তাক্ত কলম্বিয়া, নিহত ৩ সেনা

ড্রোন হামলায় রক্তাক্ত কলম্বিয়া, নিহত ৩ সেনা

ড্রোন হামলায় কলম্বিয়ায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে গেরিলাদের তিন সেনা নিহত হয়েছেন। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে কর্তৃপক্ষ জানায়, কমপক্ষে দু’জন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন হামলায়। ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির (ইএলএন) বিদ্রোহীদের এ হামলার জন্য দায়ী করা হয়েছে। গত শুক্রবার এ হামলা কাতাতুম্বো অঞ্চলে চালানো হয়। ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলার নির্দেশে সেখানে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে সেনাবাহিনী। অঞ্চলটির একজন সামরিক কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা এএফপিকে জানান, বিস্ফোরকবোঝাই কমপক্ষে ২০টি ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়। প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, ‘ইএলএনকে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, তোমরা যত পুলিশ কর্মকর্তা বা সেনাকে হত্যা করবে, রাষ্ট্রের পূর্ণ ও বৈধ শক্তি ততবার তোমাদের ওপর নেমে আসবে।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী হোর্হে মোরা শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত, নিরাপত্তা জোরদার, ইএলএন ইউনিটগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখা ও এসব হামলার জন্য দায়ীদের শনাক্ত করতে সামরিক ও পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। কলম্বিয়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোকেন উৎপাদনকারী দেশ। দেশটি এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতার সাথে লড়াই করছে। দে লা এসপ্রিয়েলা এক মাসেরও কম সময় আগে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে বোমা হামলা ও স্থল অভিযান জোরদার করেছেন। কলম্বিয়া ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’-এও যোগ দিয়েছে। এটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর একটি কার্টেলবিরোধী জোট। এতে আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর ও এল সালভাদরও রয়েছে। দে লা এসপ্রিয়েলা আগামী সপ্তাহে ক্যারিবীয় উপকূলীয় শহর বারানকিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে স্বাগত জানাবেন। সূত্র : বাসস

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৫

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৯৪ জন এবং এখনও ৪৯৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। গতকাল বুধবার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েয়া এই তথ্য জানিয়েছেন। এদিকে, ভূমিকম্পের পর প্রায় চাঁর দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর উদ্ধার অভিযান চলছে।। আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পটির পর বুধবার উদ্ধার অভিযান ৭২ ঘণ্টার গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমার কাছাকাছি পৌঁছায়। ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিতদের উদ্ধারের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রথম ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে ওই সময়সীমা পেরিয়েও জীবিতদের উদ্ধারের নজির রয়েছে। কালির মেয়র আলেহান্দ্রো এদের গতকাল বুধবার বলেন, ‘আমরা চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করছি। এর অর্থ এই নয় যে এরপর আর কোনো জীবিত মানুষকে পাওয়া যাবে না, তবে তখন তা আরও কঠিন হয়ে যাবে।’ ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি চলতি শতাব্দীতে কলম্বিয়ায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে ৯ হাজার ৫৫০ টির বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। কফি উৎপাদন অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত পেরেইরা শহরে ৮৩ জন এবং দেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালিতে ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। পেরেইরায় উদ্ধারকারীরা একটি ধসে পড়া বেকারির ধ্বংসস্তূপে অভিযান চালাচ্ছেন। সেখানে সোমবারের ভূমিকম্পের পর আটকে পড়া এক রাস্তার বিক্রেতা এখনও জীবিত থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কম্পন শনাক্ত করতে সক্ষম বিশেষ সরঞ্জাম ব্যবহার করে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে সম্ভাব্য প্রাণের সংকেত পেয়েছেন। এতে আটকে থাকা পাবলো লোয়াইজার স্বজনেরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁর ১৬ বছর বয়সী ভাতিজি সারা লোয়াইজা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘তারা আমাদের বলছে, এটা হয়তো তিনিই। আমার হৃদয় যেন বুকের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসছে।’ স্বজনেরা জানান, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকা ব্যক্তিকে দুবার, এরপর তিনবার শব্দ করার অনুরোধ করলে তিনি সাড়া দিয়েছেন বলে মনে হয়েছে। কালিতে উদ্ধারকারীরা তৃতীয় রাতেও ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবনের সন্ধানে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। তারা খালি হাত, ক্রেন ও প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করছেন। শব্দ শনাক্ত করার জন্য নিয়মিত কাজ থামিয়ে পুরো এলাকা নীরবও করা হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবী উদ্ধারকর্মী জোহানা সানচেজ এএফপিকে বলেন, ‘প্রতি আধা ঘণ্টায় আমরা সবাইকে চুপ থাকতে বলি, যাতে জীবিত মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় কি না, তা শোনা যায়। এখন পর্যন্ত তিনজনকে জীবিত এবং তিনজনকে মৃত অবস্থায় বের করে আনা হয়েছে।’ কালির দক্ষিণাঞ্চলের তোরেস দেল লিমোনার আবাসিক কমপ্লেক্সে বাসিন্দারা ধ্বংসস্তূপ সরাতে হাতে হাতে মালামাল পৌঁছে দেওয়ার মানবশৃঙ্খল তৈরি করেছেন। সৈন্য, মেয়রের কার্যালয়ের কর্মী ও অন্যরা ধ্বংসস্তূপের স্তূপ থেকে একে অপরের হাতে তা তুলে দিচ্ছেন।

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৫

নতুন সরকারের প্রথম দিনেই কলম্বিয়ায় হামলা, নিহত ১

নতুন কট্টর ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা দায়িত্ব নেওয়ার এক দিনের মধ্যেই কলম্বিয়ায় দুটি বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ক্যালিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পর শনিবার ভোরে ক্যালির কাছে একটি মহাসড়কের টোল বুথে বিস্ফোরণ ঘটে। কলম্বিয়ার সেনাবাহিনীর দাবি, ফার্কের বিচ্ছিন্নতাবাদী সদস্যরা বিস্ফোরক ব্যবহার করে নির্মাণাধীন ওই টোল বুথটি উড়িয়ে দেয়। এতে দুই নিরাপত্তাকর্মী সামান্য আহত হন। সান্তান্দের দে কিলিচাও পৌরসভার মধ্য দিয়ে যাওয়া প্যান-আমেরিকান মহাসড়কের ওই এলাকায় ২০১৬ সালের শান্তি চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়া ফার্কের একটি অংশ সক্রিয় রয়েছে। গোষ্ঠীটির নেতৃত্বে আছেন কলম্বিয়ার মোস্ট ওয়ান্টেড গেরিলা কমান্ডার ইভান মোরোদিসকো।হামলার নিন্দা জানিয়ে শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দে লা এসপ্রিয়েলা বলেন, দেশের অবকাঠামোয় হামলা মানে দেশের অগ্রগতির ওপর হামলা। দায়ীদের কোনো আশ্রয় বা ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।এদিকে ক্যালি থেকে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরে উত্তরাঞ্চলীয় সেসার প্রদেশে আরেকটি বোমা হামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন ব্যবহার করে একটি পুলিশ স্টেশনে হামলা চালানো হয়।এই হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। তবে দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনার অঙ্গীকার করেছেন দে লা এসপ্রিয়েলা।প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক নেতৃত্বে আসা দে লা এসপ্রিয়েলা কলম্বিয়ার সশস্ত্র গোষ্ঠী ও মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও এল সালভাদরের প্রেসিডেন্ট নাইব বুকেলের প্রশংসা করেছেন।বুকেলের আদলে বড় আকারের কারাগার নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সহায়তায় কলম্বিয়ায় সক্রিয় গেরিলা গোষ্ঠী ও মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা জোরদারের কথাও বলেছেন।দীর্ঘদিনের সশস্ত্র সংঘাতের পরও কলম্বিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ফার্কের বিচ্ছিন্নতাবাদীসহ অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা রয়েছে। ২০১৬ সালের শান্তি চুক্তির এক দশক পরও দেশটির কিছু এলাকায় এসব গোষ্ঠীর প্রভাব বজায় আছে। মাদক পাচারের সঙ্গেও এসব গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।টোল বুথের কাছে বসবাসকারী ফায়ার সার্ভিসকর্মী রবার্তো সান্দোভাল এএফপিকে বলেন, হামলার পর এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই আতঙ্কের মধ্যে আছি। পরিস্থিতি খুবই উত্তেজনাপূর্ণ। আমরা ভীষণ উদ্বিগ্ন।’ওই এলাকার ৬৮ বছর বয়সী বাসিন্দা সোনিয়া জাপাতার বাড়ির জানালার কাচ বিস্ফোরণের ধাক্কায় ভেঙে বিছানার ওপর ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন, ‘আমি খুবই আতঙ্কিত, খুব ভয় লাগছে।’নতুন সরকারের প্রথম দিনেই এসব হামলা দে লা এসপ্রিয়েলার সামনে কলম্বিয়ার দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলার কঠিন চ্যালেঞ্জটি স্পষ্ট করে তুলেছে।

নতুন সরকারের প্রথম দিনেই কলম্বিয়ায় হামলা, নিহত ১

কলম্বিয়ার ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন এসপ্রিয়েলা

কলম্বিয়ায় জুনের রান-অফ নির্বাচনে জয়ী হয়ে নতুন ডানপন্থী সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ৪৮ বছর বয়সী আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা। দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ভাষণে তিনি মাদকপাচারের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান জোরদার করবেন। এছাড়া অর্থনীতিতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে মিতব্যয়ী আর্থিক নীতি গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন।নির্বাচনী প্রচারণায় দে লা এসপ্রিয়েলা সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ, রাষ্ট্রীয় ব্যয় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো এবং তেল-গ্যাস খাত পুনরুজ্জীবিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। একসময় আইনজীবী হিসেবে কাজ করা এই নেতা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। ভোটের আগে ট্রাম্প তাকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এর আগে তিনি কোনো নির্বাচিত সরকারি পদে দায়িত্ব পালন করেননি।শপথ গ্রহণের পর কালির পিচিঞ্চা ব্যাটালিয়ন সামরিক ঘাঁটিতে দেওয়া ভাষণে দে লা এসপ্রিয়েলা বলেন, আমি এসেছি এক জাতির আত্মসমর্পণের মানসিকতা ও হতাশার দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটাতে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের ভাগ্যের সবচেয়ে বড় রূপান্তরের পথে যাত্রা শুরু করতে চাই। এর আগে পার্শ্ববর্তী একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে বিশিষ্ট অতিথি ও সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তিনি শপথ নেন।তিনি আরও বলেন, কলম্বিয়ার জনগণকে দৃঢ় বার্তা দিতে চাই। শৃঙ্খলা, কর্তৃত্ব ও স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সময় এসেছে। এবারের নির্বাচনে তিনি বামপন্থী ইভান সেপেদাকে পরাজিত করেন। সেপেদা বর্তমান প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর ঘনিষ্ঠ এবং তার রাজনৈতিক দল থেকেই প্রার্থী হয়েছিলেন।দে লা এসপ্রিয়েলা নিজেকে ‘দ্য টাইগার’ বলে পরিচয় দেন। প্রাথমিক ফলাফলে এগিয়ে থাকার সময় তিনি বলেছিলেন, আমি কলম্বিয়ার সব মানুষের প্রেসিডেন্ট হব, যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন এবং যারা অন্য প্রার্থীকে বেছে নিয়েছেন, সবাইকেই। ১৯৯১ সালের সংবিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে তিনি বলেন, সংবিধানের সুরক্ষায়ই কাজ করবেন।তার জয় লাতিন আমেরিকাজুড়ে ডানপন্থী রাজনীতির উত্থানের অংশ। পেরু, আর্জেন্টিনা, চিলি, ইকুয়েডর, বলিভিয়া ও পানামায় দুর্বল অর্থনীতি এবং ক্রমবর্ধমান অপরাধ পরিস্থিতির কারণে ভোটাররা দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছেন। এর ফলে কঠোর দমনমূলক নীতির প্রতিশ্রুতি নিয়ে একসময় পিছিয়ে থাকা কট্টর ডানপন্থী প্রার্থীরা এখন জনসমর্থন আদায় করছেন।সূত্র: রয়টার্স

কলম্বিয়ার ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন এসপ্রিয়েলা
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream