রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
ইরান যুদ্ধে মার্কিন সেনা মৃত্যু নিয়ে নতুন দাবি

ইরান যুদ্ধে মার্কিন সেনা মৃত্যু নিয়ে নতুন দাবি

ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে চলমান ইরান যুদ্ধে পেন্টাগনের প্রকাশ্যে স্বীকার করা তথ্যের তুলনায় বাস্তবে অনেক বেশি মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ছয় কর্মকর্তার পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ তথ্যের বরাতে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এই খবর জানানো হয়েছে। ওই কর্মকর্তাদের মধ্যে পাঁচজন জানান, যুদ্ধে অন্তত ২২ জন সেনা সদস্য মারা গেছেন, যা পেন্টাগনের প্রাতিষ্ঠানিক ডাটাবেজ ‘ডিফেন্স ক্যাজুয়ালটি অ্যানালিসিস সিস্টেম’ বা ডিসিএএস-এ প্রদর্শিত সংখ্যার চেয়ে চারটি বেশি। অন্য এক কর্মকর্তা জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প প্রশাসন ও ইসরায়েল যৌথভাবে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ২৩ জন মার্কিন সেনা এবং মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত তিনজন মার্কিন ঠিকাদার প্রাণ হারিয়েছেন। পেন্টাগনের প্রকাশ্য ডাটাবেজে ১৮ জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর কথা বলা হলেও চারজনের তথ্য বাদ দেওয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মৃতের সংখ্যা আড়াল করার ফলে নিহত সেনাদের স্বজনরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। পেন্টাগন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। রয়টার্স-ইপসোস জরিপ অনুযায়ী ট্রাম্পের ইরাননীতির প্রতি মার্কিন জনগণের অনিচ্ছা ও অসন্তোষ বাড়ছে। এর মধ্যেই রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয় দলের বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা যুদ্ধ বন্ধে ও তথ্য বিকৃতি রুখতে নানা আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এমনকি যুদ্ধ পরিচালনা নিয়ে আইনি জটিলতার অভিযোগে প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের অভিশংসন দাবি করেছেন একজন রিপাবলিকান প্রতিনিধি। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের এক নথি অনুযায়ী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই যুদ্ধে আমেরিকার খরচ হয়েছে প্রায় ৪৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং আটশরও বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন, যাদের অনেকেই মস্তিষ্কে মারাত্মক আঘাত পেয়েছেন। সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

ইসরায়েল-মরক্কোর কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন অগ্রগতি

নিজেদের কূটনৈতিক সম্পর্ক দূতাবাস চালু এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও মরক্কো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলি সরকারের অফিসিয়াল আরবি অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতির বরাতে রয়টার্স এই খবর নিশ্চিত করেছে। আমেরিকায় জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজের উপস্থিতিতে নিউইয়র্কে আয়োজিত একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার এবং মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বোরিতা এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা কূটনৈতিক মিশনগুলোকে দূতাবাসে উন্নীত করা এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগের পাশাপাশি ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। মার্কিন মধ্যস্থতায় ২০২০ সালের আব্রাহাম চুক্তির আওতায় যে চারটি আরব দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছিল, মরক্কো তার মধ্যে অন্যতম। সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও সুদানও এই চুক্তিতে অংশ নিয়েছিল। এছাড়া মিশর ও জর্ডানের সঙ্গে ইসরায়েলের পূর্ব থেকেই শান্তি চুক্তি বিদ্যমান। আরব দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার এই পদক্ষেপ ফিলিস্তিনিদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং দখলকৃত ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি প্রত্যাহারের দীর্ঘদিনের আরব অবস্থানের ওপর এসব চুক্তি প্রভাব ফেলবে বলে তারা মনে করছেন। সূত্র: রয়টার্স

ইসরায়েল-মরক্কোর কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন অগ্রগতি

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ থামাতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ভোট, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ৭ রিপাবলিকান

আবারও ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধের পক্ষে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ভোট দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ। তৃতীয়বারের মতো ২২০-২০৪ ভোটে পাস হওয়া এই প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলো। সব ডেমোক্র্যাটের সঙ্গে সাতজন রিপাবলিকান সদস্যও এর পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। এর মধ্যে তিনজন প্রথমবারের মতো এমন প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন। প্রস্তাব পাস হওয়ার ফলে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা সীমিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। আইওয়ার রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান জ্যাক নান বলেছেন, আলোচনার সুযোগ এখন আর নেই। দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান চালাতে কংগ্রেসের অনুমোদন দরকার। আমি আরেকটি অনির্দিষ্টকালের যুদ্ধকে সমর্থন করব না। তবে এ ধরনের প্রস্তাব আগেও পাস হয়েছে, কিন্তু সেগুলো কখনোই প্রেসিডেন্টের কাছে পৌঁছায়নি। এবারও ট্রাম্পের কাছে গেলে তিনি ভেটো দেবেন বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ফ্লোরিডার রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান ও পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ব্রায়ান মাস্ট প্রশ্ন তুলেছেন, ইরানকে এখনো হুমকি হিসেবে দেখা হলে ডেমোক্র্যাটরা অঞ্চল থেকে কোন সামরিক সম্পদ সরাতে চান? তিনি বলেন, ট্রাম্প চিরস্থায়ী যুদ্ধের বিরোধী এবং ইরানের সঙ্গে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান ঘটাচ্ছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এটিই হয়তো শেষ ভোট। নির্বাচনের প্রচারে এই যুদ্ধ ইস্যুটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর প্রায় সাত মাস ধরে সংঘাত চলছে। পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পুরো অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। কংগ্রেসম্যানরা সপ্তাহের শেষে নিজ নিজ এলাকায় ফিরে নির্বাচনি প্রচারে সময় দেবেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর ৫০ দিনেরও কম সময় বাকি। নির্দলীয় কংগ্রেশনাল বাজেট অফিসের (সিবিও) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই যুদ্ধ মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বাড়াচ্ছে এবং অস্ত্র-গোলাবারুদের মজুতেও টান পড়ছে। ছয় মাসে প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। যুদ্ধ চলতে থাকলে প্রতি মাসে আরও প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে। ২০২৭ সালের প্রথম তিন মাসে মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশীয় পয়েন্ট বাড়তে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে জুন ও জুলাইয়ে প্রতিনিধি পরিষদ দুটি যুদ্ধক্ষমতা প্রস্তাব অনুমোদন করেছিল। সিনেটও একবার পাস করলেও পরদিন ট্রাম্পের সমালোচনার পর রিপাবলিকান সিনেটররা অবস্থান বদলে ফেলেন। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে। তবে প্রেসিডেন্ট সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর প্রণীত যুদ্ধক্ষমতা আইনে প্রেসিডেন্টের সামরিক ক্ষমতার ওপর সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সাধারণত ৬০ দিনের পর দীর্ঘমেয়াদি অভিযান চালাতে কংগ্রেসের অনুমোদন লাগে। সূত্র: আলজাজিরা

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ থামাতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ভোট, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ৭ রিপাবলিকান

ইরান ইস্যু নিয়ে জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-আরবের গোপন বৈঠক

গত সপ্তাহে জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, সৌদি আরবসহ কয়েকটি আরব দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক উত্তেজনা নিয়ে আলোচনার জন্য গোপন বৈঠক করেছেন। দুই ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের উদ্যোগে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। তবে এতে অংশ নেওয়া কোনো দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকের বিষয়ে কিছু জানায়নি। অতীতেও এ ধরনের বৈঠক হলেও ছয় মাসেরও বেশি সময় আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পর এটিই দুই দেশের মধ্যে প্রথম বৈঠক। ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই—এমন কয়েকটি উপসাগরীয় আরব দেশের সামরিক কমান্ডারদের জন্য ইসরায়েলি নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক এবং যুদ্ধ নিয়ে মতবিনিময়ের বিরল সুযোগ তৈরি হয়। বৈঠকে অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার ছাড়াও ইসরায়েল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, জর্ডান ও মিশরের সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফরা উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে না বলে বৈঠকে অংশ নেওয়া সামরিক নেতাদের আশ্বস্ত করেন কুপার। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার বিষয়েও তিনি অন্য সামরিক কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) চিফ অব স্টাফ জেনারেল ইয়াল যামির বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। সেন্টকম এক বিবৃতিতে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, জার্মানিতে পূর্বনির্ধারিত একটি সম্মেলনে আটটি দেশের শীর্ষ সামরিক নেতাদের আতিথেয়তা দেওয়া হয়েছে। সেখানে মধ্যপ্রাচ্যে 'নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করার নানা সুযোগ' নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের মধ্যে আব্রাহাম চুক্তি সই হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা ক্রমশ বেড়েছে। এর কিছুদিন পর ইসরায়েলকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইউরোপীয় কমান্ডের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সেন্টকমের আওতায় নেওয়া হয়। এর ফলে সেন্টকমের অধীনে আরব দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাবিষয়ক আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোর অংশীদার হওয়ার সুযোগ পায় ইসরায়েল। চলমান যুদ্ধের সময় আত্মরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক—দুই ধরনের সামরিক অভিযানেই সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিজস্ব সামরিক কর্মীসহ আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে ইসরায়েল। পাশাপাশি তারা গোয়েন্দা তথ্য, নজরদারি ও পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত (আইএসআর) তাৎক্ষণিক সহায়তাও দিচ্ছে। যুদ্ধ চলাকালে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য আরব দেশের সঙ্গেও ইসরায়েলের গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এদিকে বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন ইয়েমেনের হুথিরা সৌদি আরবে হামলা জোরদার করেছে, স্থলভাগে অগ্রসর হচ্ছে এবং লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালির কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে, হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে ইসরায়েল কীভাবে সহায়তা করতে পারে, তা নিয়ে সেন্টকমের সহায়তায় ইসরায়েল ও সৌদি আরব আলোচনা করছে। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতকে দেওয়া সহযোগিতার আদলে সৌদি আরবকে কীভাবে গোয়েন্দা তথ্য, নজরদারি ও পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত (আইএসআর) সহায়তা দেওয়া যায়, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।

ইরান ইস্যু নিয়ে জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-আরবের গোপন বৈঠক

হরমুজে আরও এক ‘এমকিউ-১’ ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের

আরও একটি ‘এমকিউ-১’ ড্রোন হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চলীয় আকাশসীমায় ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।। আইআরজিসি জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোর থেকে শুরু হওয়া সামরিক তৎপরতার মধ্যে এটি ড্রোন ভূপাতিতের দ্বিতীয় ঘটনা। মেহর নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হরমুজ প্রণালি ও তার আশপাশের এলাকায় ইরানি বাহিনীর পরিচালিত অভিযানে এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-নির্মিত মোট চারটি এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করা হলো। প্রধানত নজরদারি ও রেকি অভিযানের কাজে ব্যবহৃত এই ড্রোনগুলোকে কেন্দ্র করে কৌশলগত জলসীমায় উত্তেজনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজে আরও এক ‘এমকিউ-১’ ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের

হরমুজে ট্যাংকার নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পদক্ষেপ

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী ট্যাংকারগুলোতে রাতের বেলা ইরানের হামলা বৃদ্ধি পাওয়ার পর সামরিক সুরক্ষার জন্য জাহাজগুলোকে কেবল সুনির্দিষ্ট সময়ে চলাচলের নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ দিকে ওমান উপকূল ঘেঁষে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে গত মে মাস থেকে বিমানভিত্তিক সুরক্ষা সহায়তা দিয়ে আসছিল ওয়াশিংটন। তবে সামুদ্রিক উপদেষ্টাদের কাছে পাঠানো মার্কিন নৌ সমন্বয় কেন্দ্রের ইমেইলের বরাতে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানায়, সেপ্টেম্বর মাসের শুরু থেকে জাহাজ সুরক্ষার এই সময়সীমা কমিয়ে দৈনিক কেবল দুটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। সূত্র: মিডল ইস্ট আই

হরমুজে ট্যাংকার নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পদক্ষেপ

নির্বাচনের পরই ইরান যুদ্ধের ইতি চান ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে  নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর বলে আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে ফের হামলার হুমকি দিয়েছেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যুদ্ধ শেষ হবে বলে তার ধারণা। ইরান আর বেশি সময় ধরে টিকে থাকতে পারবে না এবং মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের জন্য দেশটি মরিয়া হয়ে উঠেছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের বিপরীতে হোয়াইট হাউজের শীর্ষ কয়েকজন উপদেষ্টা ভিন্ন আশঙ্কা করছেন। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ শীর্ষ উপদেষ্টারা ব্যক্তিগত আলোচনায় ট্রাম্পকে সতর্ক করেছেন, এই সংঘাত তার বর্তমান মেয়াদের শেষ পর্যন্তও চলতে পারে। ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৯ সালের জানুয়ারিতে। এর আগে যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে একাধিক সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে সেসব সময়সীমার কোনোটিই স্থায়ী সমাধান আনতে পারেনি। পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে ফের হামলার হুমকি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন নিয়েও নতুন করে সতর্কবার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প। ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত নাতাঞ্জ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনার কাছে অবস্থিত অত্যন্ত সুরক্ষিত এই এলাকায় ভূগর্ভে গভীরভাবে নির্মিত দুটি টানেল কমপ্লেক্স রয়েছে। রিপাবলিকানদের মধ্যবর্তী নির্বাচন সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেন, পিকঅ্যাক্স এলাকায় কিছু তৎপরতা তার নজরে এসেছে। ইরানকে কোনো ধরনের চালাকি না করার সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির ওপর অত্যন্ত কঠোর হামলা চালাবে। জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময় থেকেই পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন তিনি। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তবে ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। সৌদি আরবেও বাড়ছে উত্তেজনা হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথিদের সঙ্গে সৌদি বাহিনীর সংঘর্ষও সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর খামিস মুশাইতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চতুর্থবারের মতো জরুরি সতর্কতা জারি করে দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ। এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছিল, সাম্প্রতিক হুথি হামলায় খামিস মুশাইতসহ দক্ষিণ সৌদি আরবের চারটি শহরে অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন। হুথিরা দাবি করেছে, তারা খামিস মুশাইতের একটি বিমানঘাঁটি এবং আশপাশের শহরগুলোর তেল অবকাঠামোয় হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার সর্বশেষ জরুরি সতর্কতার পর সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল, লোহিত সাগরের নিরাপত্তা এবং ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর সক্রিয়তা—সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এখনো বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।  

নির্বাচনের পরই ইরান যুদ্ধের ইতি চান ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রকে ‘জাহান্নাম’ দেখাতে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করল ইরান

মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ ও পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি মার্কিন জাহাজ এবং জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। হামলায় প্রথমবারের মতো ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল ট্র্যাকিং প্রযুক্তি সংবলিত নতুন 'ধ্বংসকারী-বিরোধী' ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর। আজ বৃহস্পতিবার টাইমস নাউ প্রকাশিত প্রতিবেদনে দ্য টেলিগ্রাফ ও সেন্টকমকে উদ্ধৃত করে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের নবনিযুক্ত সচিব মহসিন রেজাই জানান, মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বিরুদ্ধে এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যবহারের পর ‘আমেরিকানদের জন্য জাহান্নাম তৈরি হয়েছিল এবং তারা পালিয়ে গেছে’। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি পরিবর্তনের পর ইরান তাদের সামরিক কৌশল ‘প্রতিরোধমূলক’ অবস্থান থেকে পরিবর্তন করে ‘সক্রিয় প্রতিরোধ’ ব্যবস্থায় নিয়ে গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্রটি অপটিক্যাল সেন্সর ও ক্যামেরার মাধ্যমে জিপিএস ছাড়াই নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই আক্রমণের কথা স্বীকার করলেও নিশ্চিত করেছে, ইরানের হামলায় তাদের কোনো বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি এবং ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মাঝআকাশে প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে। খারগ দ্বীপের কাছে ইরানের পাঁচটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাঙ্কার মার্কিন হামলায় ধ্বংস হওয়ার পরেই মূলত এই হামলা চালায় আইআরজিসি। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের সশস্ত্র বাহিনী আত্মরক্ষার আইনগত অধিকার থেকেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন ঘাঁটি এবং তেল ট্যাঙ্কারে আরও হামলার হুমকি দিয়ে নাবিকদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আইআরজিসি। বিশ্ব তেলের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হওয়া হরমুজ প্রণালিতে চরম উত্তেজনার কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরান এই প্রযুক্তি চীন বা রাশিয়ার কৃত্রিম উপগ্রহের সহায়তায় তৈরি করে থাকতে পারে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সতর্ক করেছেন, মার্কিন নৌঘাঁটি বা জাহাজে ইরানি আক্রমণ অব্যাহত থাকলে তারা আরও তেলবাহী জাহাজ হারাবে। সূত্র: টাইমস নাউ

যুক্তরাষ্ট্রকে ‘জাহান্নাম’ দেখাতে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করল ইরান

বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলা, যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা আঘাত

ইরাকসহ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনায় ইরানের সীরিক শহরের এক বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন বিমান হামলার জবাবে সম্মিলিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি দাবি করে, পেন্টাগনের একটি মেরামত কেন্দ্র, প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম রাখার গুদাম এবং মার্কিন নজরদারি বেলুন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে তাদের এই যৌথ হামলায়। হামলায় ঘাঁটির জ্বালানি ট্যাংকে আগুন ধরে যায় এবং বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হয়। তবে এই ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো স্বাধীন সত্যতা পাওয়া যায়নি। অন্যদিক, সম্ভাব্য হুমকির মুখে গত ছয় ঘণ্টার মধ্যে তৃতীয়বারের মতো জারি করা জরুরি সতর্কবার্তায় বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাসিন্দাদের শান্ত থাকার এবং নিকটস্থ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জনগণকে অফিশিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমে তথ্যের আপডেট অনুসরণ করতে বলেছে। একই সময়ে দক্ষিণ লেবাননের কফর রেমান এবং আরব সালিম এলাকার উপকণ্ঠে দুটি বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এর আগে ইরানের খুজেস্তান প্রদেশের তিনটি স্থানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সাতজন নিহত এবং আটজন আহত হন বলে প্রদেশটির নিরাপত্তা বিষয়ক উপ-গভর্নরের বরাতে ইরনা নিউজ এজেন্সি নিশ্চিত করেছে। সূত্র: আল জাজিরা

বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলা, যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা আঘাত

ইরান-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যে অর্থনৈতিক ডি-ডে’ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন সোমবার (২৪ আগস্ট) তেহরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রাখা ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও দেশগুলোর বিরুদ্ধে নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক সংবাদ সম্মেলনে এ পদক্ষেপকে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশকে ইরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করতে এটাই শেষ সতর্কবার্তা। না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বাদ পড়ার ঝুঁকিতে পড়বে। বেসেন্ট বলেন, বিশ্বজুড়ে আমরা ইরানের আর্থিক যোগাযোগের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক হামলা শুরু করেছি। আমাদের লক্ষ্য হলো এই শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখা প্রতিটি অর্থনৈতিক পথ বন্ধ করে দেওয়া, যাতে তেহরান একা হয়ে পড়ে। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা এড়াতে এবং তেল পাচারে ইরান যেসব নেটওয়ার্ক ও আর্থিক মাধ্যম ব্যবহার করে, সেগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। ইরানের অবৈধ আয়ের সব উৎস বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র তার অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করবে। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ইরান তার অর্থনীতি টিকিয়ে রাখতে ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, সোনা, বিমান চলাচল ও নৌপরিবহন এই পাঁচটি খাত ব্যবহার করছে। এসব খাতের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ৬০টি প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। চীন কয়েক বছর ধরে ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। চীনে ইরানি তেল কেনা-বেচা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র চাপ বাড়িয়েছে। তবে এ বাণিজ্যে জড়িত থাকতে পারে, এমন বড় চীনা ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে এখনো সরাসরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রায় ছয় মাস হতে চলেছে। বড় ধরনের লড়াই কমলেও যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক আলোচনা এগোয়নি। হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও অন্যান্য পণ্য পরিবহন এখনো বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম চড়া রয়েছে। যুদ্ধ ও জ্বালানির উচ্চমূল্যের প্রভাব ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার ওপরও পড়েছে। সর্বশেষ রয়টার্স/ইপসোস জরিপে মাত্র ৩৩ শতাংশ মার্কিন নাগরিক তার কাজের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্পের দাবি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতে এই অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরে ইরানের ওপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে। এসব নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের তেল বিক্রির আয় কমানো এবং বিমান চলাচল, ক্রিপ্টোকারেন্সি ও সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ সীমিত করা। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নিয়ন্ত্রণাধীন ব্যবসার অর্থের প্রবাহও বন্ধ করার চেষ্টা করেছে ওয়াশিংটন। নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য মার্কিন ডলারনির্ভর আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা ব্যবহার করার সুযোগ থাকে না। তবে ইরান বহু আগে থেকেই ভুয়া কোম্পানি, নতুন প্রতিষ্ঠান ও জাহাজ নিবন্ধনের মাধ্যমে এসব নিষেধাজ্ঞা দ্রুত পাশ কাটানোর কৌশল বজায় রেখে আসছে।

ইরান-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যে অর্থনৈতিক ডি-ডে’ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

নির্বাচনের রাজনীতিতে এরদোয়ানকে ‘প্রতিপক্ষ’ বানালেন নেতানিয়াহু

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ফিলিস্তিনের পাশাপাশি তুরস্ককে নিজেদের নতুন সামরিক ও রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তুলে ধরছেন। তেল আবিবের মূল মহাসড়কে নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টির ঝুলানো বিলবোর্ডে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানকে ইরান ও হিজবুল্লাহ নেতাদের পাশাপাশি দাঁড় করিয়ে প্রতিপক্ষ হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে। সিএনএনের এক বিশেষ প্রতিবেদনে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) জানানো হয়, নির্বাচন সামনে রেখে  ইসরায়েল সম্প্রতি সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে আবু আল-দাহার বিমানঘাঁটিতে বিমান হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, সেখানে তুরস্ক সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছিল যা ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। তবে দেশে ও বিদেশে শুরু হয়েছে নির্বাচনের দুই মাস আগে পরিচালিত এই হামলা নিয়ে বিতর্ক। যুক্তরাষ্ট্রের সিরিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত টম ব্যারাক এই হামলাকে অনাবশ্যক উত্তেজনা বৃদ্ধির চেষ্টা হিসেবে সমালোচনা করেছেন। তার মতে, নির্বাচনে সুবিধা পেতেই ইসরায়েল সম্ভবত তুরস্ককে উসকানি দেওয়ার এই নীতি গ্রহণ করেছে। তুরস্কের পক্ষ থেকেও ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে তাদের নিজেদের সম্প্রসারণবাদী নীতি ঢাকার অপকৌশল বলে অভিহিত করা হয়েছে। নেতানিয়াহু ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। নেতানিয়াহু সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এরদোয়ানকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী স্বৈরাচারী’ হিসেবে অভিহিত করে সিরিয়ায় তুর্কি উপস্থিতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অতীতেও এরদোয়ান নেতানিয়াহুকে যুদ্ধাপরাধী বলে আখ্যা দিয়েছিলেন এবং নেতানিয়াহু এরদোয়ানের বিরুদ্ধে হামাসকে সমর্থনের অভিযোগ তুলেছিলেন। দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ, দ্য ডেমোক্র্যাটস পার্টির নেতা ইয়ার গোলান এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাক এই হামলার সময়ের তীব্র সমালোচনা করেছেন। জরিপে পিছিয়ে থাকা নেতানিয়াহু জনমত নিজের পক্ষে টানতে এবং নতুন নিরাপত্তা সংকট তৈরি করতে ইচ্ছাকৃতভাবে এই ফ্রন্টটি সচল করেছেন বলে সামরিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন। সংঘাত চলাকালেই মোসাদ প্রধান রোমান গফম্যান জর্ডানে সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি এবং নতুন রাষ্ট্রপতি আহমেদ আল-শারার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ, তারিখ কিংবা ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য বা আপডেটের জন্য পাঠকদের সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি ওয়েবসাইট ও কমিশনের নির্দেশিকা দেখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সূত্র: সিএনএন

নির্বাচনের রাজনীতিতে এরদোয়ানকে ‘প্রতিপক্ষ’ বানালেন নেতানিয়াহু

ইরান যুদ্ধে ২৫% রিপার ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ৪৫টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধে ।ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি ড্রোন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ২৫ শতাংশ মার্কিন রিপার ড্রোন হারিয়েছে দেশটি। গত শুক্রবার প্রকাশিত ওয়াশিংটন পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদনটি এমন এক সময়ে প্রকাশিত হলো, যখন মার্কিন–ইসরায়েলি হামলার পরও ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখনও কার্যকর। অথচ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর সহযোগীরা বারবার দাবি করে আসছেন, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে এমকিউ–৯ রিপার ড্রোন ধ্বংসের সংখ্যা মে মাসে প্রকাশিত ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনের তুলনায় কিছুটা বেশি দেখানো হয়েছে। ব্লুমবার্গের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, যুদ্ধ শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের মজুত থাকা এমকিউ–৯ রিপার-এর প্রায় ২০ শতাংশ হারিয়েছে দেশটি।একেকটি এমকিউ–৯ রিপার ড্রোনের মূল্য ৩ কোটি থেকে ৫ কোটি ডলার। এর দাম নির্ভর করে এতে ব্যবহৃত সেন্সর, রাডার এবং অস্ত্রের বিন্যাসের ওপর। মার্কিন বিমানবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই চালকবিহীন আকাশযান উচ্চ উচ্চতায় থেকে নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং নির্ভুল লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।এমকিউ–৯ রিপার ড্রোনে হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি জয়েন্ট ডিরেক্ট অ্যাটাক মিউনিশন (জেডিএএম) গাইডেড বোমাও বহন করা যায়। তবে ড্রোনটি তুলনামূলক ধীরগতির এবং মাঝারি থেকে নিচু উচ্চতায় উড়ে। উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার এলাকায় এ বৈশিষ্ট্যই এটিকে সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। ইরানের আইআরজিসি এবং ইয়েমেন ও ইরাকে থাকা ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জন্যও তাই রিপার ড্রোনগুলো তুলনামূলকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।হরমুজ প্রণালির আশপাশে এই ড্রোনটি নিয়মিত ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে ওই জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত চলছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি জলপথটিতে একটি ‘ইস্পাতের প্রাচীর’ নৌ অবরোধ কার্যকর করেছেন। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ফলে যেসব মার্কিন অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত কমে এসেছে, এমকিউ–৯ রিপার সেই ক্রমবর্ধমান তালিকারই একটি অংশ।এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জেনারেল অ্যাটমিকসের তৈরি রিপার ড্রোন ধীরে ধীরে বহর থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এর পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত কম খরচের এমন সশস্ত্র নজরদারি ড্রোনের একটি নতুন বহর গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে পেন্টাগন, যেগুলো ঝাঁকবদ্ধভাবে (swarming) লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম হবে।যুদ্ধের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক দূরপাল্লার স্ট্যান্ড-অফ অস্ত্রের মজুতও কমে গেছে। এগুলো হলো এমন সামরিক অস্ত্র বা ক্ষেপণাস্ত্র, যা শত্রুপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা পাল্টা আক্রমণের সীমার বাইরে নিরাপদ দূরত্বে থেকে লক্ষ্যবস্তুতে নিক্ষেপ করা যায়। যুক্তরাষ্ট্র এ পর্যন্ত ৮৫০ টির বেশি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১ হাজারটির বেশি প্যাট্রিয়ট ও টার্মিনাল হাই অলটিট্যুড এরিয়া ডিফেন্স (থাড) ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।অন্যদিকে, মার্কিন অস্ত্রের মজুত সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছানোর খবর অস্বীকার করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এমন দাবি নাকচ করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ রয়েছে এবং নতুন অস্ত্রও উৎপাদন ও সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে একই সময়ে ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসের কাছে ৬৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি অতিরিক্ত অর্থ চেয়েছে। এর মধ্যে ইরানবিরোধী ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র ব্যয় মেটানোর পাশাপাশি যুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের মজুত পুনরায় পূরণের অর্থও রয়েছে।গত ৬ আগস্ট ক্যাবিনেট বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুত নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে সরাসরি বিরোধে জড়ান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠকে ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ কিছু গোলাবারুদের ঘাটতি ইরানের বিরুদ্ধে বড় আকারের নতুন হামলা চালানো থেকে তার প্রশাসনকে বিরত রাখার অন্যতম কারণ।

ইরান যুদ্ধে ২৫% রিপার ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

অস্ত্রের ঘাটতি স্বীকার করে ট্রাম্প বললেন, যুদ্ধ ‘খুব শীঘ্রই’ শেষ হবে

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ খুব তাড়াতাড়ি শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেছেন যে তাঁর সামরিক বাহিনীর কাছে নির্দিষ্ট কিছু অস্ত্রের ঘাটতি রয়েছে। ইরানকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি এটি খুব শীঘ্রই শেষ হতে যাচ্ছে। আমার মনে হয় না তারা আর বেশিদিন চালিয়ে যেতে পারবে।’ যুদ্ধাস্ত্রের মজুত সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে তিনি উল্লেখ করেন, কিছু শক্তিশালী মারণাস্ত্রের সরবরাহ তাদের হাতে প্রায় সীমাহীন থাকলেও কিছু নির্দিষ্ট অস্ত্রের ক্ষেত্রে মজুত কিছুটা সীমিত বা সংকুচিত হয়ে এসেছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের কাছে অত্যন্ত শক্তিশালী কিছু নির্দিষ্ট ঘরানার সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে, যার যোগান বলতে গেলে প্রায় সীমাহীন। তবে অন্য কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে সরবরাহ একটু বেশিই টানটান।/সূত্র: ডন

অস্ত্রের ঘাটতি স্বীকার করে ট্রাম্প বললেন, যুদ্ধ ‘খুব শীঘ্রই’ শেষ হবে
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream