শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

ফরিদপুরে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বাড়িঘরে লুটপাট


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ফরিদপুরে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বাড়িঘরে লুটপাট

ফরিদপুরের সদরপুরে হত্যা মামলায় আসামি হওয়ার পর বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যায় একটি পরিবার। প্রায় পাঁচ মাস পর স্থায়ী জামিন পেয়ে বাড়িতে ফিরে তারা দেখতে পায়, ঘরের মালামাল এলোমেলো, মূল্যবান জিনিসপত্র নেই। পরিবারের অভিযোগ, সোনার গয়না, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল লুটের পাশাপাশি পুকুরের মাছ ধরে নেওয়া, গাছপালা কেটে ফেলা এবং কলাবাগান নষ্ট করা হয়েছে। এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাদের। গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) উপজেলার চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চরচাঁদপুর কাজী ডাঙ্গী গ্রামের এ বাড়িতে গিয়ে পুলিশও বিভিন্ন কক্ষের আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পেয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, গত ২৯ মে কাজী সিরাজুল ইসলাম (৫৮) হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজনদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এর জেরে সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী সালমা আক্তার (৪০) একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় সিরাজুল ইসলামের ভাতিজা কাজী তুষার মাহমুদ (৩৫), কাজী সুমন (৪১), নাফিসা হক (৩৭), সুইটি আক্তার (২৫) ও ডলি আক্তারকে (৬৫) আসামি করা হয়।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাঁদের ফুফাতো ভাই সবুজ শিকদার (৪২), জাহিদ খান (৪০) ও চাচাতো ভাই কাজী মাসুদ রানার (৩৩) প্ররোচনায় তাঁদের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, সিরাজুল ইসলামের মৃত্যু স্বাভাবিক হলেও এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁদের হয়রানি করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, মামলায় আসামি হওয়ার পর হয়রানির আশঙ্কায় তাঁরা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। বাড়িতে হামলা ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ৩০ মে সদরপুর থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহর নির্দেশনায় বাড়িটি তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয় বলে তাঁদের ভাষ্য। পরে আইনি লড়াই চালিয়ে প্রায় পাঁচ মাস পর তাঁরা স্থায়ী জামিন পান।

ভুক্তভোগীদের দাবি, গত শুক্রবার সদরপুর থানা-পুলিশের একটি দল তাঁদের বাড়িতে যায়। স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে বাড়ির তালা খুলে ভেতরে প্রবেশের পর বিভিন্ন কক্ষের মালামাল এলোমেলো দেখতে পান তাঁরা। সোনার গয়না, নগদ টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া পুকুরের মাছ ধরে নেওয়া, গাছপালা কেটে ফেলা এবং কলাবাগানের ধরন্ত কলা কেটে নেওয়ার পর গাছ নষ্ট করার অভিযোগও করেন তাঁরা।

ভুক্তভোগী কাজী তুষার মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের বাড়ি থেকে আনুমানিক ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়েছে বলে আমাদের ধারণা। এ ঘটনায় আমার ফুফাতো ভাই সবুজ শিকদার, জাহিদ খান এবং চাচাতো ভাই কাজী মাসুদ রানা, ইউনুস কাজী ও ইমন কাজীসহ অজ্ঞাতনামা ভাড়াটে লোকজন জড়িত বলে আমার অভিযোগ। তাঁরা ভবনের ছাদের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। ঘরের মূল্যবান মালামাল লুট করে নেওয়ার পাশাপাশি ফ্রিজে রাখা প্রায় ৯২ কেজি কোরবানির গরুর মাংস, পানির টিউবওয়েল, চাষের কালোজিরা, ব্যাংকের চেক, দামি কাপড়চোপড়, জমির সব দলিলপত্র এবং শিক্ষাজীবনের সব সনদপত্র নিয়ে গেছেন। এ ছাড়া পুকুরের মাছ ধরে নেওয়া, গাছপালা কেটে ফেলা এবং কলাবাগানের কলা কেটে নেওয়ার পাশাপাশি গাছগুলোও নষ্ট করা হয়েছে। এতে আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে লুটপাটের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।’

আরেক ভুক্তভোগী কাজী সুমন বলেন, ‘আমাদের চাচা কাজী সিরাজুল ইসলাম হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে তাঁর মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে আমরা জানি। অথচ সেই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আমাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার কারণে বাড়িঘর ছেড়ে থাকতে হয়েছে। এখন বাড়িতে ফিরে দেখি, ঘরের মালামাল লুট করা হয়েছে, পুকুরের মাছ ও গাছপালারও ক্ষতি করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই। শিগগিরই এ বিষয়ে সদরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেব।’

স্থানীয়বাসিন্দা ওবায়দুর কাজী (৪৫) বলেন, ‘আমাদের সামনেই বাড়িতে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। আমরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেও পারিনি। যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ছিল। তাঁরা প্রকাশ্যেই এসব করেছেন। উপস্থিত লোকজনের সামনে ঘটনা ঘটলেও আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারিনি।’

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা আলমগীর (৩৫) বলেন, ‘দিনদুপুরে অনেক লোক একসঙ্গে এসে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। কলাবাগানের ধরন্ত কলাগাছ কেটে ফেলা হয়েছে, জাল টেনে পুকুরের মাছ ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। লোকসংখ্যা বেশি থাকায় এবং তাঁদের হাতে অস্ত্র থাকায় আমরা বাধা দেওয়ার সাহস পাইনি।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সদরপুর থানার উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বাড়িটি তালাবদ্ধ করার সময় সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। আজ সরেজমিনে গিয়ে বাড়ির বিভিন্ন কক্ষে আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখেছি। বাড়ির মালিক থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


ফরিদপুরে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বাড়িঘরে লুটপাট

প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ফরিদপুরের সদরপুরে হত্যা মামলায় আসামি হওয়ার পর বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যায় একটি পরিবার। প্রায় পাঁচ মাস পর স্থায়ী জামিন পেয়ে বাড়িতে ফিরে তারা দেখতে পায়, ঘরের মালামাল এলোমেলো, মূল্যবান জিনিসপত্র নেই। পরিবারের অভিযোগ, সোনার গয়না, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল লুটের পাশাপাশি পুকুরের মাছ ধরে নেওয়া, গাছপালা কেটে ফেলা এবং কলাবাগান নষ্ট করা হয়েছে। এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাদের। গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) উপজেলার চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চরচাঁদপুর কাজী ডাঙ্গী গ্রামের এ বাড়িতে গিয়ে পুলিশও বিভিন্ন কক্ষের আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পেয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, গত ২৯ মে কাজী সিরাজুল ইসলাম (৫৮) হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজনদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এর জেরে সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী সালমা আক্তার (৪০) একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় সিরাজুল ইসলামের ভাতিজা কাজী তুষার মাহমুদ (৩৫), কাজী সুমন (৪১), নাফিসা হক (৩৭), সুইটি আক্তার (২৫) ও ডলি আক্তারকে (৬৫) আসামি করা হয়।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাঁদের ফুফাতো ভাই সবুজ শিকদার (৪২), জাহিদ খান (৪০) ও চাচাতো ভাই কাজী মাসুদ রানার (৩৩) প্ররোচনায় তাঁদের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, সিরাজুল ইসলামের মৃত্যু স্বাভাবিক হলেও এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁদের হয়রানি করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, মামলায় আসামি হওয়ার পর হয়রানির আশঙ্কায় তাঁরা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। বাড়িতে হামলা ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ৩০ মে সদরপুর থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহর নির্দেশনায় বাড়িটি তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয় বলে তাঁদের ভাষ্য। পরে আইনি লড়াই চালিয়ে প্রায় পাঁচ মাস পর তাঁরা স্থায়ী জামিন পান।

ভুক্তভোগীদের দাবি, গত শুক্রবার সদরপুর থানা-পুলিশের একটি দল তাঁদের বাড়িতে যায়। স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে বাড়ির তালা খুলে ভেতরে প্রবেশের পর বিভিন্ন কক্ষের মালামাল এলোমেলো দেখতে পান তাঁরা। সোনার গয়না, নগদ টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া পুকুরের মাছ ধরে নেওয়া, গাছপালা কেটে ফেলা এবং কলাবাগানের ধরন্ত কলা কেটে নেওয়ার পর গাছ নষ্ট করার অভিযোগও করেন তাঁরা।

ভুক্তভোগী কাজী তুষার মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের বাড়ি থেকে আনুমানিক ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়েছে বলে আমাদের ধারণা। এ ঘটনায় আমার ফুফাতো ভাই সবুজ শিকদার, জাহিদ খান এবং চাচাতো ভাই কাজী মাসুদ রানা, ইউনুস কাজী ও ইমন কাজীসহ অজ্ঞাতনামা ভাড়াটে লোকজন জড়িত বলে আমার অভিযোগ। তাঁরা ভবনের ছাদের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। ঘরের মূল্যবান মালামাল লুট করে নেওয়ার পাশাপাশি ফ্রিজে রাখা প্রায় ৯২ কেজি কোরবানির গরুর মাংস, পানির টিউবওয়েল, চাষের কালোজিরা, ব্যাংকের চেক, দামি কাপড়চোপড়, জমির সব দলিলপত্র এবং শিক্ষাজীবনের সব সনদপত্র নিয়ে গেছেন। এ ছাড়া পুকুরের মাছ ধরে নেওয়া, গাছপালা কেটে ফেলা এবং কলাবাগানের কলা কেটে নেওয়ার পাশাপাশি গাছগুলোও নষ্ট করা হয়েছে। এতে আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে লুটপাটের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।’

আরেক ভুক্তভোগী কাজী সুমন বলেন, ‘আমাদের চাচা কাজী সিরাজুল ইসলাম হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে তাঁর মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে আমরা জানি। অথচ সেই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আমাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার কারণে বাড়িঘর ছেড়ে থাকতে হয়েছে। এখন বাড়িতে ফিরে দেখি, ঘরের মালামাল লুট করা হয়েছে, পুকুরের মাছ ও গাছপালারও ক্ষতি করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই। শিগগিরই এ বিষয়ে সদরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেব।’

স্থানীয়বাসিন্দা ওবায়দুর কাজী (৪৫) বলেন, ‘আমাদের সামনেই বাড়িতে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। আমরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেও পারিনি। যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ছিল। তাঁরা প্রকাশ্যেই এসব করেছেন। উপস্থিত লোকজনের সামনে ঘটনা ঘটলেও আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারিনি।’

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা আলমগীর (৩৫) বলেন, ‘দিনদুপুরে অনেক লোক একসঙ্গে এসে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। কলাবাগানের ধরন্ত কলাগাছ কেটে ফেলা হয়েছে, জাল টেনে পুকুরের মাছ ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। লোকসংখ্যা বেশি থাকায় এবং তাঁদের হাতে অস্ত্র থাকায় আমরা বাধা দেওয়ার সাহস পাইনি।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সদরপুর থানার উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বাড়িটি তালাবদ্ধ করার সময় সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। আজ সরেজমিনে গিয়ে বাড়ির বিভিন্ন কক্ষে আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখেছি। বাড়ির মালিক থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream