সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

সৈয়দপুরে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের সংবাদ সম্মেলন



সৈয়দপুরে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের সংবাদ সম্মেলন

নীলফামারীর সৈয়দপুরে প্রবাসীর ব্যক্তিগত জমিতে আক্রোশ মুলক ও অবৈধভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের প্রতিবাদ করায় মিথ্যে অপপ্রচার চালানোর মাধ্যমে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার (১৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০ টায় সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের সামনে নিজস্ব কার্যালয়ে এই অভিযোগ তুলে ধরেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর  অবসরপ্রাপ্ত কোয়াটার মাস্টার সার্জেন্ট ও ঠিকাদার এবং পৌর ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল হক আমিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী ব্যবসায়ী রুহুল আমীন বাবু, সৈয়দপুর উপজেলা প্রকৌশল অফিসের ড্রাইভার মো. আরিফসহ এলাকাবাসী।  

ঠিকাদার মো. আমিনুল হক আমিন বলেন, উপজেলা চত্বরের পাশেই বাঙালীপুর নিজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্কুলের সাথেই উত্তরে ৪৫ শতক জমি আমার ভাগিনা প্রবাসী ব্যবসায়ী রুহুল আমীন বাবুর। সম্প্রতি স্কুলের সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ করা হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে স্কুলের ২৫ শতক জমিতে পূর্ব-পশ্চিম দিকে লম্বা সীমানা না করে বরাদ্দের অর্ধেক প্রাচীর করা হয়েছে উত্তর-দক্ষিণে। যা বাবুর জমির উপরে এবং স্কুলের সীমানা গেটের বাইরে।

স্কুলের পূর্ব-পশ্চিম প্রাচীরের পশ্চিম অংশের শেষ প্রান্তে হলো গেট। আর সেই গেটের বাইরে স্কুলে ঢোকার রাস্তাটিও বাবু ও শ্রম অধিদপ্তর অফিসের জায়গায়। কিন্তু সেই রাস্তার পশ্চিম পাশে বাবুর জমি ঘিরে করা হয়েছে সরকারি বরাদ্দের প্রাচীর। এটা মূলত: সম্পূর্ণ আক্রোশ বশত: অবৈধভাবে ও গায়ের জোরে করেছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। কারণ  সাবেক প্রধান শিক্ষক রুখসানা প্রধান, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ও নৈশ প্রহরী গোলাম রাব্বানী বাবুর কাছে ৫ শতক করে জমি কিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাবু জমি বিক্রি করেনি। ফলে ক্ষিপ্ত হয়ে তারাই এমন অপকর্ম করেছে। 

এব্যাপারে বাবু বিদেশ থেকে এসে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এর মধ্যেই গত শুক্রবার ওই রাস্তার সাথের প্রাচীর কে বা কারা ভেঙ্গেছে। এই ঘটনায় ষড়যন্ত্র মুলক বাবুসহ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। আমার তো মনে হয় তারাই রাতের আধারে ওই প্রাচীর ভেঙ্গে আমাদেরকে জড়াচ্ছেন। এমনকি এই মিথ্যেকে সঠিক প্রমাণ করতে স্কুল চলাকালে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের দিয়ে উপজেলা চত্বরে মানববন্ধন করিয়েছেন তারা। আসলে নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে এবং আমাদের হয়রানি করতেই এই নাটক সাজানো হয়েছে।

মানববন্ধনে আমার বিরুদ্ধে চরম অপমানকর বক্তব্য দিয়েছেন সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আবু সরকার। আমিও ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী। সেই কারণে তিনি প্রতিহিংসা বশত: সম্পূর্ণ মিথ্যে তথ্য ছড়িয়েছেন। তিনি আমাকে চাঁদাবাজ, প্রতারক ও সন্ত্রাসী বলে আখ্যায়িত করেছেন। এজন্য নাকি আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা। প্রচার সম্পাদকের অপপ্রচার। এতে আমি সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি। 

তার এমন কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং বিচার দাবি করছি। কারণ তিনি আমাকে নয় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এসব করছেন। আর স্কুল কর্তৃপক্ষের অপকর্মের পক্ষপাতিত্ব করছেন। ওই স্কুলের অনেক অনিয়ম দূর্নীতি আছে। তিনি সেদিকে নজর দেননি। স্কুলের বিশালাকৃতির একটি জাম গাছ সহ বেশ কয়েকটি গাছ বিনা টেন্ডারে কেটে সাবার করা হয়েছে। নৈশ প্রহরী বা পিয়ন গোলাম রাব্বানীর মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক রুখসানা প্রধান এসব করেছেন। স্কুলের সব শিক্ষক নারী। তারা শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে এখানে সমবেত হয়েছেন। শিক্ষার্থীদেরকে ব্যক্তিস্বার্থে  আন্দোলনে সম্পৃক্ত করেছেন। এব্যাপারে প্রশাসনসহ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করছি। 

তিনি আরও বলেন, আমি দীর্ঘদিন থেকে ঠিকাদারি করার প্রেক্ষিতে জমি সংক্রান্ত কাগজপত্র খুব ভালোই বুঝি। স্কুলের জমির দাগ নং ১৩৭৫ ও পরিমাণ ২৫ শতক এবং বাবুর জমির দাগ নং ১৩৭৬ ও পরিমাণ ৪৭ শতক। যা পূর্ব-পশ্চিম বরাবর। উত্তরের অংশে বাবু এবং এরপর দক্ষিণ অংশে স্কুলের জমি। তাই স্কুলে যাওয়ার উত্তর-দক্ষিন দিকে লম্বা রাস্তাটাও বাবুর জমির উপর দিয়ে গেছে। রাস্তাটা স্কুলের দাবির পক্ষে কোন কাগজ বা দলিল দস্তাবেজ কারো কাছেই নাই। বরং বাবুর দাবিই সঠিক এবং তার দলিল আছে। তারপরও বাবুকে বোঝানোর পর সে স্কুলের চলাচলের রাস্তার জন্য জমি ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু তবুও সে বিদেশে থাকাকালে এবং আমি ঢাকায় অবস্থানরত অবস্থায় আমাদেরকে না জানিয়েই স্কুল কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ যোগসাজশে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে তার ব্যক্তি মালিকানা জায়গায় প্রাচীর নির্মাণের মত এই অবৈধ কাজ করেছে। 

এমতাবস্থায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বাবুর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষের কাগজ দেখার মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসনই এর সুরাহা করতে পারেন। কিন্তু তা না করে অপকর্ম ঢাকতে নতুন নতুন ঘটনা সাজিয়ে মিথ্যে মামলা দিয়ে জটিলতা তৈরি করা হচ্ছে। আর এতে স্বার্থান্বেষী মহল প্ররোচনা জুগিয়ে নিজেদের ফায়দা হাসিলে তৎপর। এই অশুভ চক্রের প্রোপাগান্ডায় বিভ্রান্ত না হয়ে অতি দ্রুত কাগজপত্র দেখে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি। কারণ ইতোপূর্বে সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নীলফামারী-৪ আসনের এমপি পরিদর্শন করে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছেনা। 

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬


সৈয়দপুরে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নীলফামারীর সৈয়দপুরে প্রবাসীর ব্যক্তিগত জমিতে আক্রোশ মুলক ও অবৈধভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের প্রতিবাদ করায় মিথ্যে অপপ্রচার চালানোর মাধ্যমে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার (১৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০ টায় সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের সামনে নিজস্ব কার্যালয়ে এই অভিযোগ তুলে ধরেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর  অবসরপ্রাপ্ত কোয়াটার মাস্টার সার্জেন্ট ও ঠিকাদার এবং পৌর ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল হক আমিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী ব্যবসায়ী রুহুল আমীন বাবু, সৈয়দপুর উপজেলা প্রকৌশল অফিসের ড্রাইভার মো. আরিফসহ এলাকাবাসী।  

ঠিকাদার মো. আমিনুল হক আমিন বলেন, উপজেলা চত্বরের পাশেই বাঙালীপুর নিজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্কুলের সাথেই উত্তরে ৪৫ শতক জমি আমার ভাগিনা প্রবাসী ব্যবসায়ী রুহুল আমীন বাবুর। সম্প্রতি স্কুলের সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ করা হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে স্কুলের ২৫ শতক জমিতে পূর্ব-পশ্চিম দিকে লম্বা সীমানা না করে বরাদ্দের অর্ধেক প্রাচীর করা হয়েছে উত্তর-দক্ষিণে। যা বাবুর জমির উপরে এবং স্কুলের সীমানা গেটের বাইরে।

স্কুলের পূর্ব-পশ্চিম প্রাচীরের পশ্চিম অংশের শেষ প্রান্তে হলো গেট। আর সেই গেটের বাইরে স্কুলে ঢোকার রাস্তাটিও বাবু ও শ্রম অধিদপ্তর অফিসের জায়গায়। কিন্তু সেই রাস্তার পশ্চিম পাশে বাবুর জমি ঘিরে করা হয়েছে সরকারি বরাদ্দের প্রাচীর। এটা মূলত: সম্পূর্ণ আক্রোশ বশত: অবৈধভাবে ও গায়ের জোরে করেছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। কারণ  সাবেক প্রধান শিক্ষক রুখসানা প্রধান, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ও নৈশ প্রহরী গোলাম রাব্বানী বাবুর কাছে ৫ শতক করে জমি কিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাবু জমি বিক্রি করেনি। ফলে ক্ষিপ্ত হয়ে তারাই এমন অপকর্ম করেছে। 

এব্যাপারে বাবু বিদেশ থেকে এসে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এর মধ্যেই গত শুক্রবার ওই রাস্তার সাথের প্রাচীর কে বা কারা ভেঙ্গেছে। এই ঘটনায় ষড়যন্ত্র মুলক বাবুসহ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। আমার তো মনে হয় তারাই রাতের আধারে ওই প্রাচীর ভেঙ্গে আমাদেরকে জড়াচ্ছেন। এমনকি এই মিথ্যেকে সঠিক প্রমাণ করতে স্কুল চলাকালে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের দিয়ে উপজেলা চত্বরে মানববন্ধন করিয়েছেন তারা। আসলে নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে এবং আমাদের হয়রানি করতেই এই নাটক সাজানো হয়েছে।

মানববন্ধনে আমার বিরুদ্ধে চরম অপমানকর বক্তব্য দিয়েছেন সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আবু সরকার। আমিও ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী। সেই কারণে তিনি প্রতিহিংসা বশত: সম্পূর্ণ মিথ্যে তথ্য ছড়িয়েছেন। তিনি আমাকে চাঁদাবাজ, প্রতারক ও সন্ত্রাসী বলে আখ্যায়িত করেছেন। এজন্য নাকি আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা। প্রচার সম্পাদকের অপপ্রচার। এতে আমি সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি। 

তার এমন কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং বিচার দাবি করছি। কারণ তিনি আমাকে নয় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এসব করছেন। আর স্কুল কর্তৃপক্ষের অপকর্মের পক্ষপাতিত্ব করছেন। ওই স্কুলের অনেক অনিয়ম দূর্নীতি আছে। তিনি সেদিকে নজর দেননি। স্কুলের বিশালাকৃতির একটি জাম গাছ সহ বেশ কয়েকটি গাছ বিনা টেন্ডারে কেটে সাবার করা হয়েছে। নৈশ প্রহরী বা পিয়ন গোলাম রাব্বানীর মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক রুখসানা প্রধান এসব করেছেন। স্কুলের সব শিক্ষক নারী। তারা শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে এখানে সমবেত হয়েছেন। শিক্ষার্থীদেরকে ব্যক্তিস্বার্থে  আন্দোলনে সম্পৃক্ত করেছেন। এব্যাপারে প্রশাসনসহ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করছি। 

তিনি আরও বলেন, আমি দীর্ঘদিন থেকে ঠিকাদারি করার প্রেক্ষিতে জমি সংক্রান্ত কাগজপত্র খুব ভালোই বুঝি। স্কুলের জমির দাগ নং ১৩৭৫ ও পরিমাণ ২৫ শতক এবং বাবুর জমির দাগ নং ১৩৭৬ ও পরিমাণ ৪৭ শতক। যা পূর্ব-পশ্চিম বরাবর। উত্তরের অংশে বাবু এবং এরপর দক্ষিণ অংশে স্কুলের জমি। তাই স্কুলে যাওয়ার উত্তর-দক্ষিন দিকে লম্বা রাস্তাটাও বাবুর জমির উপর দিয়ে গেছে। রাস্তাটা স্কুলের দাবির পক্ষে কোন কাগজ বা দলিল দস্তাবেজ কারো কাছেই নাই। বরং বাবুর দাবিই সঠিক এবং তার দলিল আছে। তারপরও বাবুকে বোঝানোর পর সে স্কুলের চলাচলের রাস্তার জন্য জমি ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু তবুও সে বিদেশে থাকাকালে এবং আমি ঢাকায় অবস্থানরত অবস্থায় আমাদেরকে না জানিয়েই স্কুল কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ যোগসাজশে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে তার ব্যক্তি মালিকানা জায়গায় প্রাচীর নির্মাণের মত এই অবৈধ কাজ করেছে। 

এমতাবস্থায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বাবুর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষের কাগজ দেখার মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসনই এর সুরাহা করতে পারেন। কিন্তু তা না করে অপকর্ম ঢাকতে নতুন নতুন ঘটনা সাজিয়ে মিথ্যে মামলা দিয়ে জটিলতা তৈরি করা হচ্ছে। আর এতে স্বার্থান্বেষী মহল প্ররোচনা জুগিয়ে নিজেদের ফায়দা হাসিলে তৎপর। এই অশুভ চক্রের প্রোপাগান্ডায় বিভ্রান্ত না হয়ে অতি দ্রুত কাগজপত্র দেখে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি। কারণ ইতোপূর্বে সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নীলফামারী-৪ আসনের এমপি পরিদর্শন করে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছেনা। 



Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream