রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
হুতিদের নিয়ন্ত্রণে অস্থিরতা, একদিনেই ইয়েমেন ছাড়ল ১,৪০০

হুতিদের নিয়ন্ত্রণে অস্থিরতা, একদিনেই ইয়েমেন ছাড়ল ১,৪০০

ইরান-সমর্থিত হুতিরা বাব এল-মান্দেব প্রণালিতে আরও শক্ত অবস্থানে। এ অবস্থায় মাত্র ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ ইয়েমেন ছেড়ে জিবুতিতে পালিয়ে গেছে। দেশটির অর্থনীতি ও অর্থ বিষয়ক মন্ত্রীর বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা। শনিবার এক্সে (সাবেক টুইটার) জিবুতির অর্থনীতি ও অর্থ বিষয়ক মন্ত্রী ইলিয়াস মুসা দাওয়ালেহ লিখেছেন, ‘মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেন থেকে ১ হাজার ৪০০ জন জিবুতিতে পৌঁছেছেন।’ এরই মধ্যে জিবুতিতে হাজার হাজার শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী বসবাস করছেন। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার মার্চ ২০২৬-এর হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে নিবন্ধিত শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা ৩৬ হাজারের বেশি। তাঁদের বেশির ভাগই সোমালিয়া, ইথিওপিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিক। গত বৃহস্পতিবার হুতিরা লোহিত সাগরের বন্দরনগরী মোখা দখল করে নেয়। এরপর তারা বাব এল-মান্দেব প্রণালিকে ঘিরে থাকা উপকূলীয় এলাকা ও দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণও নিয়ে নেয়। এই অভিযানের কারণে হাজারো পরিবারকে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে হয়েছে। মাকবানাহ, জাবাল হাবাশি ও আল-মাফেরের মতো জেলাগুলোর পুরো গ্রাম জনশূন্য হয়ে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এর আগে শুক্রবার পৃথক এক পোস্টে মন্ত্রী জানান, উপকূলীয় শহর ওবকে ৫০০ শরণার্থী পৌঁছেছেন। তাঁদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। বাব এল-মান্দেব প্রণালি পাড়ি দেওয়ার সময় নৌকার জ্বালানি শেষ হয়ে গেলে তাঁদের সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হয়। ইয়েমেনের উপকূল থেকে পানিপথে মাত্র ২০ কিলোমিটার (১২ মাইল) দূরে ওবক শহর। যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেন থেকে পালিয়ে আসা মানুষের জন্য কয়েক বছর ধরে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে, হর্ন অব আফ্রিকার দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীরাও বিপরীত দিকে এই বাব আল-মানদাব প্রণালি ব্যবহার করেন। তাঁরা ইয়েমেন হয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের সমন্বয়ক সাফিয়া ইব্রাহিম এএফপিকে বলেন, ‘নারী ও শিশুর মতো ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মানুষ ওবকের উপকূলে পৌঁছেছেন। আগামী দিনগুলোতে আরও মানুষ আসতে পারেন।’ আইওএম শনিবার জানিয়েছে, জুলাই থেকে ইয়েমেনে চলমান লড়াইয়ের কারণে ৭৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা চার গুণ বেড়েছে। গত সপ্তাহ থেকে অন্তত ৪৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

হুতিদের ঠেকাতে গিয়ে ইয়েমেনি বাহিনীর ভিন্ন চিত্র

ইয়েমেনের বন্দরনগরী মোখায় অবস্থানরত ইয়েমেনি ব্যাটালিয়নগুলো ইরান-সমর্থিত হুতিদের দখল ঠেকাতে গত বৃহস্পতিবার অনেকটাই অপ্রস্তুত ছিল। তাদের বাহিনীর তালিকায় এমন বিপুলসংখ্যক সেনার নাম ছিল, যাদের বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই ছিল না। এ তথ্য গতকাল শনিবার প্রকাশিত মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ইয়েমেনে হুতিবিরোধী সামরিক অভিযান সম্পর্কে জানেন এমন এক পশ্চিমা সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছেন, এসব ‘ঘোস্ট নেম’ বা ভুতুড়ে নামের সেনারাও বেতন পেতেন। এর ফলে কাগজে-কলমে ইয়েমেনি সেনাবাহিনীকে প্রকৃত শক্তির তুলনায় অনেক বেশি বড় মনে হতো। কিন্তু বাস্তবে সেনাবাহিনীর সদস্যসংখ্যা কাগজে দেখানো সংখ্যার মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ ছিল বলে ওই সূত্র জানিয়েছেন। হুতিদের মোখা দখলের সময় ইয়েমেনি বাহিনী কেন কার্যকর সামরিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি, তা নিয়ে দায় চাপানো হচ্ছে ইয়েমেনের নেতাদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের ওপরও। সিএনএনের সঙ্গে কথা বলা একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এই ব্যর্থতার জন্য বিভিন্ন পক্ষের আলাদা আলাদা দায় রয়েছে। সিএনএনের এক আঞ্চলিক সূত্র মোখার পতনকে ‘সৌদি-আমেরিকানদের ভয়াবহ মাত্রার ভুল’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর মতে, ওয়াশিংটন ও রিয়াদের সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শুক্রবার ওই সূত্র সিএনএনকে বলেন, ‘এবার ব্যর্থতা ইয়েমেনিদের নয়। গতকাল সারাদিন সৌদি সমর্থনকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে একটি বিমান হামলাও হয়নি, যদিও প্রতি মিনিটের পরিস্থিতি তাদের জানানো হচ্ছিল।’ আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, হুতিরা অগ্রসর হতে পারে এমন আশঙ্কায় কয়েক সপ্তাহ আগেই সৌদি সামরিক বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছিল। কিন্তু হামলা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। এমনকি যুদ্ধবিমান পরিচালনা ও নির্দেশ দেওয়ার দায়িত্বে থাকা গুরুত্বপূর্ণ বিমান কমান্ডের কর্মকর্তাদেরও মোতায়েন করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই সূত্র সিএনএনকে বলেন, ‘সৌদিরা ইয়েমেনিদের বাসের নিচে ছুড়ে দিয়েছে।’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়েমেনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকমকে বারবার সতর্ক করেছিলেন যে, ‘পরিস্থিতি সংকটজনক হয়ে উঠছে।’ ওই কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, সেন্টকম তাঁকে আশ্বস্ত করেছিল যে যুক্তরাষ্ট্র ‘পরিস্থিতি খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সৌদি বিমান সহায়তা আসছে।’ কিন্তু সেই বিমান সহায়তা শেষ পর্যন্ত আসেনি। হুতিদের হামলার দিন বৃহস্পতিবার সেন্টকমের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার সমন্বয় বৈঠকের জন্য সৌদি আরবে ছিলেন বলে সিএনএনকে জানিয়েছেন দুটি সূত্র। সেন্টকম অবশ্য ওই সফর হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত করেনি। তবে সিএনএন এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে মার্কিন সামরিক সদস্যরা ইয়েমেনে গঠিত নতুন একটি যৌথ বাহিনী কমান্ডের সঙ্গে কাজ করছিলেন। ইরান হুতিদের হামলায় সহায়তা বাড়ানোর চেষ্টা করছে বলে সন্দেহ তৈরি হওয়ার পর এই যৌথ বাহিনী কমান্ড গঠন করা হয়েছিল। তবে ওয়াশিংটনভিত্তিক মোহাম্মদ আল-বাশা মনে করেন, মোখা রক্ষায় ব্যর্থতার মূল কারণ ইয়েমেনের নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ বিভাজন। তিনি আরব উপদ্বীপ নিয়ে মার্কিন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন। বাশা সিএনএনকে বলেন, ‘এটি হুতিবিরোধী জোটের আরও গভীর একটি সমস্যার সঙ্গে যুক্ত। এখানে কোনো রাজনৈতিক ঐক্য নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইয়েমেনে কোনো ঐক্যবদ্ধ কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেই। আমার মনে হয়, পশ্চিম উপকূলের দিকে হুতিদের অগ্রযাত্রা সম্পর্কে সবাই জানত। দেয়ালে লেখা ছিল খুবই স্পষ্ট।’ এরপর কী ঘটতে পারে জানতে চাইলে বাশা ধারণা করেন, হুতিরা পূর্ব দিকে আরও অগ্রসর হবে এবং ইয়েমেনের আরও ভেতরে ঢুকে পড়বে। সিএনএনকে তিনি বলেন, ‘আমরা আজ স্যাটেলাইট এবং ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স বা ওএসআইএনটি অর্থাৎ উন্মুক্ত উৎসের গোয়েন্দা ছবি থেকে দেখছি...হুতিরা সেনা ও সামরিক শক্তি সংগঠিত করছে।’

হুতিদের ঠেকাতে গিয়ে ইয়েমেনি বাহিনীর ভিন্ন চিত্র

হুতিদের ওপর হামলা চালাতে সৌদি যুবরাজের ফোন, ট্রাম্পের প্রত্যাখ্যান

সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দুইবার ফোন করেছিলেন। এসব ফোনকলের উদ্দেশ্য ছিল ইয়েমেনে হুতিদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রকে হামলা চালানোর আহ্বান জানানো। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেন। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই মার্কিন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে এই তথ্য জানান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠী তখন লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাব এল–মান্দেবের প্রবেশদ্বারের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল ঠিক সেই সময়েই এই ফোনকল হয়। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন—ট্রাম্প এমবিএসের ওই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছেন। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আপাতত হুতিদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের কোনো পরিকল্পনা মার্কিন প্রশাসনের নেই। গতকাল বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের কৌশলগত উপকূলীয় শহর মোখা হুতিরা দখল করে নেওয়ার পর তেলের দাম বেড়ে যায়। এর ফলে তারা বাব এল-মান্দেব প্রণালির আরও কাছে চলে গেছে। এই প্রণালি বৈশ্বিক বাণিজ্য এবং সৌদি আরবের তেল রপ্তানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। এরই মধ্যে ইরান হরমুজ প্রণালির নৌ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। এর পাশাপাশি বাব আল-মান্দাবের নিয়ন্ত্রণও যদি হুতিদের হাতে যায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার উপসাগরীয় মিত্রদের ওপর চাপ তৈরির জন্য তেহরান আরও একটি শক্তিশালী কৌশলগত হাতিয়ার পেতে পারে। ইয়েমেনে দ্রুত সংঘাত বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। সরাসরি সামরিকভাবে জড়িয়ে না পড়ে সৌদি আরবকে সহায়তা আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই ব্যক্তি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বৃহস্পতিবার জরুরি সমন্বয় বৈঠকে অংশ নিতে সৌদি আরব সফর করেছেন। সৌদি দূতাবাস ও হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয় জুলাইয়ে। ওই সময় রিয়াদ ইরানের একটি বিমানকে সানা বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতি দেয়নি। বিমানটিতে হুতিদের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ছিলেন। তারা সাবেক ইরানি সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির শেষকৃত্য থেকে ইয়েমেনে ফিরছিলেন। এরপর এমবিএস ট্রাম্পের কাছে সানা বিমানবন্দরে হামলা চালানোর বিষয়ে রাজনৈতিক সমর্থন চান। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, এ হামলার জন্য সৌদি আরবের মার্কিন সামরিক সহায়তার প্রয়োজন নেই। ট্রাম্প তাকে সমর্থন জানান। এর জবাবে হুতিরা লোহিত সাগরে সৌদি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালায়। এতে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি নৌপথ হুমকির মুখে পড়ে। পরে হুতিরা সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতেও হামলা বাড়িয়ে দেয়। জবাবে সৌদি আরব ও তাদের ইয়েমেনি মিত্ররা হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা এবং স্থল অভিযান শুরু করে। হুতিদের বিরুদ্ধে সরাসরি মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের জন্য সৌদি আরবের এই অনুরোধ জুলাইয়ের অবস্থানের সঙ্গে বড় ধরনের পরিবর্তন। ওই সময় রিয়াদ ওয়াশিংটনকে জানিয়েছিল, তারা নিজেরাই হুতিদের মোকাবিলা করতে পারবে। তবে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ক্রমবর্ধমান মাত্রায় সহায়তা চাইতে শুরু করে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত সূত্রগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা তাদের সৌদি কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, ট্রাম্পের নির্দেশ হলো মার্কিন বাহিনীকে ইরান ও হরমুজ প্রণালিতে কেন্দ্রীভূত রাখা এবং আরেকটি সামরিক ফ্রন্ট খোলা এড়িয়ে চলা। বৃহস্পতিবার হুতিরা উপকূলীয় শহর মোখার দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় এবং সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনী পিছু হটতে থাকলে এমবিএস ট্রাম্পকে ফোন করেন। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফোনে তিনি পরিস্থিতির অবনতির বিষয়ে ট্রাম্পকে অবহিত করেন। এর কয়েক ঘণ্টা পর এমবিএস আবারও ট্রাম্পকে ফোন করে হুতিদের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলার নির্দেশ দেওয়ার আহ্বান জানান। ট্রাম্প সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন। তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রশাসন সৌদি আরবকে হুতিদের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য এবং হামলার লক্ষ্য নির্ধারণে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করবে। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, সৌদি আরবে ইতোমধ্যে প্রায় ২০০ মার্কিন সামরিক সদস্য রয়েছেন। তারা সেখানে অ-সামরিক বা নন-কাইনেটিক সহায়তা দিচ্ছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন, ওয়াশিংটনের অগ্রাধিকার হলো লোহিত সাগরকে উন্মুক্ত রাখা এবং একই সঙ্গে বৃহত্তর সংঘাতের দায়িত্ব আঞ্চলিক অংশীদারদের ওপর ছেড়ে দেওয়া। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তার মূল জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মধ্যে লোহিত সাগরে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়টিও রয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও সমাধানের ক্ষেত্রে আমরা আমাদের আঞ্চলিক অংশীদারদের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা জোরদার করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়ে আমরা সৌদি আরব এবং ইয়েমেন প্রজাতন্ত্রের সরকারের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।’

হুতিদের ওপর হামলা চালাতে সৌদি যুবরাজের ফোন, ট্রাম্পের প্রত্যাখ্যান

‘শিল্পী হওয়াটাই যেন পাপ’—বাঁধনের পাশে মৌসুমী হামিদ

অভিনয়শিল্পী মৌসুমী হামিদ ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন। তার মতে, ‘এই দেশে শিল্পী হওয়াটাই যেন পাপের,’ বিদেশের মাটিতে বাঁধনের ওপর হামলা ঘটনা মনে করিয়ে দেয়। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া স্ট্যাটাসে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মৌসুমী হামিদ লেখেন, ‘এই দেশে শিল্পী হওয়াটাও পাপের। কারণ, শিল্পীরাই দেখি সবচেয়ে বড় রাজনীতিবিদ হিসেবে কথা বলছেন। কোনো শিল্পীর ওপর হামলাই কাম্য নয়। সেটা ৩২ নম্বরে হোক আর ইতালির ভেনিসেই হোক। ’ নিজের রাজনৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে মৌসুমী বলেন, জীবনে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও দেশের ভালো-মন্দ নিয়ে সবসময় কথা বলেছেন। একই সঙ্গে একজন শিল্পী হিসেবে আরেক শিল্পীর পাশে থাকার কথাও জানান তিনি। বাঁধনের ওপর হামলাকে কেন্দ্র করে শিল্পীদের একাংশের বক্তব্যের সমালোচনা করে মৌসুমী লেখেন, ‘যেসব শিল্পীরা আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হওয়া হামলাকে সমর্থন করছেন বা তুলনা করছেন, বলছেন যারা বাঁধনের জন্য কানছে তারা ৩২ নম্বরে হামলার সময় কথা বলে নাই কেন। তাদেরকে বলতেছি, আপনারা যদি মনে করেন ৩২ নম্বরে একজনের কাপড় টেনে ছেঁড়া হইছে দেখে এখন আর একজনের কাপড় টেনে ছেঁড়ার অধিকার আপনারা যে রাজনৈতিক দল সমর্থন করেন তাদের আছে। তাইলে আপনারা কিসের নেতা হবেন, সেটা বুঝা যাইতেছে। আপনেরা দেশের জন্য কি করবেন সেটাও বুঝা যাইতেছে।’ jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6aa000ee009d3" ) ); তিনি আরও বলেন, দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে শিল্পী বা মানুষকে বিচার করার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। মানুষের নেতৃত্ব ও মানবিকতার জায়গাটিকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মৌসুমী হামিদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান ও মওলানা ভাসানীর মতো নেতাদের উদাহরণ টানেন। পোষ্টের শেষাংশে তিনি লিখেন, ‘শিল্পী হয়ে মানুষকে তার মনুষ্যত্ব দিয়ে বিচার করা ভুলে আমরা শুধুমাত্র দল দিয়ে বিচার করা শিখতেছি, বাহ!’    

‘শিল্পী হওয়াটাই যেন পাপ’—বাঁধনের পাশে মৌসুমী হামিদ

হিজবুল্লাহর হামলার পর দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি অভিযান

দক্ষিণ লেবাননে হামলা চালাচ্ছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী হিজবুল্লাহ ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর পর। এদিকে, দক্ষিণ লেবাননের আরব সালিম শহরের বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে জানায়, ‘দক্ষিণ লেবাননের নিরাপত্তা অঞ্চলে দায়িত্ব পালনরত ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর সন্ত্রাসীরা দু‘টি ড্রোন পাঠিয়েছে। এর জবাবে আইডিএফ এখন দক্ষিণ লেবাননে হামলা চালাচ্ছে।’ বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরাইলি কোনো সেনা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। সূত্র : বাসস

হিজবুল্লাহর হামলার পর দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি অভিযান

ড্রোন হামলায় রক্তাক্ত কলম্বিয়া, নিহত ৩ সেনা

ড্রোন হামলায় কলম্বিয়ায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে গেরিলাদের তিন সেনা নিহত হয়েছেন। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে কর্তৃপক্ষ জানায়, কমপক্ষে দু’জন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন হামলায়। ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির (ইএলএন) বিদ্রোহীদের এ হামলার জন্য দায়ী করা হয়েছে। গত শুক্রবার এ হামলা কাতাতুম্বো অঞ্চলে চালানো হয়। ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলার নির্দেশে সেখানে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে সেনাবাহিনী। অঞ্চলটির একজন সামরিক কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা এএফপিকে জানান, বিস্ফোরকবোঝাই কমপক্ষে ২০টি ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়। প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, ‘ইএলএনকে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, তোমরা যত পুলিশ কর্মকর্তা বা সেনাকে হত্যা করবে, রাষ্ট্রের পূর্ণ ও বৈধ শক্তি ততবার তোমাদের ওপর নেমে আসবে।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী হোর্হে মোরা শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত, নিরাপত্তা জোরদার, ইএলএন ইউনিটগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখা ও এসব হামলার জন্য দায়ীদের শনাক্ত করতে সামরিক ও পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। কলম্বিয়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোকেন উৎপাদনকারী দেশ। দেশটি এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতার সাথে লড়াই করছে। দে লা এসপ্রিয়েলা এক মাসেরও কম সময় আগে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে বোমা হামলা ও স্থল অভিযান জোরদার করেছেন। কলম্বিয়া ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’-এও যোগ দিয়েছে। এটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর একটি কার্টেলবিরোধী জোট। এতে আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর ও এল সালভাদরও রয়েছে। দে লা এসপ্রিয়েলা আগামী সপ্তাহে ক্যারিবীয় উপকূলীয় শহর বারানকিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে স্বাগত জানাবেন। সূত্র : বাসস

ড্রোন হামলায় রক্তাক্ত কলম্বিয়া, নিহত ৩ সেনা

ইউক্রেনের নিরাপত্তা সদর দফতরে রুশ ড্রোন হামলা

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা এসবিইউর সদর দফতরে রাশিয়া ড্রোন হামলা চালিয়েছে। হামলায় নয়জন আহত হয়েছেন। এ তথ্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল এসবিইউ প্রধানের ব্যক্তিগত কার্যালয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনারের প্রথমবারের মতো কিয়েভ সফরের দুই দিন আগে দিনের বেলায় এই হামলা চালানো হলো। ইউক্রেনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছেন। হামলার পর জেলেনস্কি এসবিইউকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ‘উপযুক্ত ও কার্যকর জবাব’ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই সিবিহা এই হামলাকে ‘বড় ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশ না করে এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, হামলার সময় এসবিইউর ভারপ্রাপ্ত প্রধান ওলেক্সান্ডার পোকলাদ ঘটনাস্থলের আশপাশে ছিলেন না। জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে দেয়া এক পোস্টে জানান, কিয়েভের ভলোদিমিরস্কা সড়কে অবস্থিত এসবিইউর কেন্দ্রীয় ভবনে একটি রুশ ড্রোন আঘাত হেনেছে। ভবনটি সেন্ট সোফিয়া ক্যাথেড্রালের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত। তিনি বলেন, ড্রোনটি সরাসরি ওই ভবনে থাকা এসবিইউ প্রধানের কার্যালয়কে লক্ষ্য করে পাঠানো হয়েছিল। ইউক্রেনের সংবাদমাধ্যম ইউক্রেইনস্কা প্রাভদায় প্রকাশিত একটি ছবিতে এসবিইউ ভবনের সামনের কমপক্ষে দু’টি জানালা দিয়ে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। ভবনের সামনে একটি অগ্নিনির্বাপক গাড়িও দেখা গেছে। এএফপির এক সাংবাদিক ঘটনাস্থলে বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স দেখতে পেয়েছেন। জেলেনস্কি জানান, হামলার পর তিনি এসবিইউর ভারপ্রাপ্ত প্রধান পোকলাদের সাথে কথা বলেছেন। তিনি তাকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে এমন একটি কার্যকর জবাব দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যা সম্ভব হলে হামলার ধরন ও মাত্রার দিক থেকে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার মতো হবে। এসবিইউ হলো ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা। রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে এই সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউক্রেনের ওপর দিনের বেলাতেও রাশিয়ার হামলা বেড়েছে। এসব হামলায় কখনো কখনো জেট ইঞ্জিনচালিত ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে, যেগুলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ধ্বংস করা তুলনামূলক কঠিন। কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো জানিয়েছেন, শহরের কেন্দ্রস্থলে চালানো এই হামলায় কমপক্ষে নয়জন আহত হয়েছেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছে। রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ সাড়ে চার বছর ধরে চলছে। এ যুদ্ধ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাতে পরিণত হয়েছে। এতে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ ও কয়েক লাখ সেনা নিহত হয়েছেন। সূত্র : বাসস

ইউক্রেনের নিরাপত্তা সদর দফতরে রুশ ড্রোন হামলা

ডেনমার্কে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে রুশ গোয়েন্দারা: পিইটি

ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে  সরাসরি নাশকতামূলক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা বলে জানিয়েছে দেশের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা (পিইটি)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। পিইটির কাউন্টারইন্টেলিজেন্স বিভাগের প্রধান এমিল গ্রেসহোম ড্যানিশ সংবাদমাধ্যম ডিআর এবং বার্লিংস্কেকে জানান, ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়া ডেনমার্কের কোম্পানিগুলোকে লক্ষ্য করে রাশিয়া সুনির্দিষ্ট নাশকতার পরিকল্পনা করছে। এটি কেবল ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কা নয়, বরং রাশিয়া ইতিমধ্যেই এই ধরণের হামলার বাস্তব পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে। ড্যানিশ গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাধারণ ড্যানিশ নাগরিকদের প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করছে রাশিয়া। ছবি তোলা বা তথ্য সংগ্রহের কাজ দিয়ে পরে সেই তথ্য নাশকতার পরিকল্পনায় ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পরিস্থিতি মোকাবেলায় পিইটি ডেনমার্কের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা জোরালো করার নির্দেশ দিয়েছে। কনফেডারেশন অব ড্যানিশ ইন্ডাস্ট্রির নিরাপত্তা প্রধান রাসমুস অ্যান্ডারস্কাউ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। ড্যানিশ ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ গবেষক ফ্লেমিং স্প্লিডসবোয়েল এই হুমকিকে একদম নতুন ও উন্নত মাত্রার বলে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে সাবেক সামরিক গোয়েন্দা বিশ্লেষক জ্যাকব কার্সবো জানান, ড্যানিশ কর্তৃপক্ষের এই আগাম সতর্কবার্তা রাশিয়ার কাছে স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দেবে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ডেনমার্কে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে রুশ গোয়েন্দারা: পিইটি

কিয়েভে রাশিয়ার টানা ষষ্ঠ দিনের হামলা, নিহত ৯

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার বিমান হামলায় আজ মঙ্গলবার ৯ জন নিহত এবং প্রায় ডজন খানেকের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। কিয়েভে রুশ হামলার এটি টানা ষষ্ঠ দিন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ মহাদেশে সবচেয়ে প্রাণঘাতী এই সংঘাতের অবসানে সমাধান খুঁজতে যখন প্রচেষ্টা চলছে, তখন ইউক্রেন ও রাশিয়া উভয় দেশেই হামলা অব্যাহত রয়েছে। মস্কোর পূর্ণমাত্রার সামরিক হামলার মধ্য দিয়ে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই যুদ্ধ শুরু হয়। ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবা বিভাগ টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে জানিয়েছে, কিয়েভে আটজন নিহত এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজন শিশু। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আগুনও ছড়িয়ে পড়ে। কিয়েভ অঞ্চলের বরিসপিল শহরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এক আবাসিক ভবন এবং একটি ব্যবসায়িক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর একজন নিহত এবং আরও নয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে বলে টেলিগ্রামে জানিয়েছেন কিয়েভ অঞ্চলের গভর্নর তিমুর তাকাচেঙ্কো। কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার প্রতিদিনের হামলায় লাখো মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে ইউক্রেনের বেশিরভাগ এলাকায় বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়। রাশিয়া ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর পাশাপাশি দেশটির জ্বালানি ও সরবরাহ-লজিস্টিক অবকাঠামোতেও হামলা বাড়িয়েছে। মঙ্গলবার নতুন করে চালানো এক হামলার কারণে দানিউব নদীর তীরে রোমানিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের ওরলিভকা সীমান্ত পারাপার বন্ধ হয়ে যায়। রোমানিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোর সদস্য। অন্যদিকে রাশিয়াতেও হামলা অব্যাহত রয়েছে। ইউক্রেনে এক ড্রোন হামলায় দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি কেন্দ্র উস্ত-লুগার বন্দর এলাকায় আগুন ধরে যায়। একই সময়ে মস্কোতে ড্রোন প্রতিহত করা হচ্ছিল। মস্কো থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত সামারা অঞ্চলে বেশ কয়েকটি বড় তেল শোধনাগার রয়েছে। সেখানে একটি বিমান হামলায় বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় গভর্নর টেলিগ্রামে জানিয়েছেন। রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় দেশই বেসামরিক মানুষকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার কথা অস্বীকার করেছে। হামলায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদনগুলো রয়টার্স স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গতকাল সোমবার জানিয়েছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে একটি ‘বিস্তারিত ও গঠনমূলক’ ফোনালাপ করেছেন। শান্তি প্রচেষ্টা এগিয়ে নিতে তাদের ইউক্রেন সফরের তারিখ চূড়ান্ত করার জন্য দুই পক্ষ কাজ করছে বলেও জানান তিনি। একই দিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বলেন, মানবতার স্বার্থে যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন। এর জবাবে ক্রেমলিনের নেতা বলেন, মস্কো ‘এই পথে এগিয়ে যাচ্ছে’। এই সংঘাত ন্যাটোর কয়েকটি সদস্য দেশকে, বিশেষ করে রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশগুলোকে, নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে উদ্বুদ্ধ করেছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় ড্রোন-সংক্রান্ত ঘটনা বাড়তে থাকার পর এই পদক্ষেপ আরও জোরদার হয়েছে। বাল্টিক অঞ্চলে ন্যাটোর আকাশসীমা নজরদারি মিশনের অংশ হিসেবে লাটভিয়ায় অল্প সময়ের জন্য যুদ্ধবিমান সক্রিয় করা হয়। একই সময়ে ফিনল্যান্ড রাশিয়ার কাছাকাছি এলাকায় বিমান ও সামুদ্রিক চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনী পৃথকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এ তথ্য জানিয়েছে। এ সময় রাশিয়ার লেনিনগ্রাদ অঞ্চলের আকাশে ড্রোন উড়ছিল। উস্ত-লুগা বন্দর এই লেনিনগ্রাদ অঞ্চলেই অবস্থিত। এস্তোনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্গুস সাহকনা মঙ্গলবার দেশটির আকাশপথে হামলার হুমকির সতর্কতাও জারি করেছিলেন। তিনি এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ন্যাটোকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ন্যাটো ‘দ্রুত এবং ঠিক যেভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল সেভাবেই’ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে যুদ্ধবিমান আকাশে পাঠিয়েছে।

কিয়েভে রাশিয়ার টানা ষষ্ঠ দিনের হামলা, নিহত ৯

ইরানে হামলার সিদ্ধান্তে অটল ট্রাম্প

ইরানে হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম বাড়লেও এ নিয়ে কোনো অনুশোচনা নেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। বরং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে ঠেকাতে বাড়তি দাম মেনে নেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।নিউইয়র্কের এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। এর জন্য তিনি কখনোই ক্ষমা চাইবেন না বলেও জানান।ট্রাম্পের এই কথার কিছু আগে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট জানান, তেলের দাম কম রাখা এবং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র থেকে দূরে রাখা—দুটোই প্রেসিডেন্টের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে এক গ্যালন জ্বালানি তেলের গড় দাম ৪ ডলার পার হয়েছে, যা এক বছর আগেও ৩ ডলারের কাছাকাছি ছিল।ট্রাম্প যতই এই মূল্যবৃদ্ধিকে সামান্য বলুন না কেন, সাধারণ আমেরিকানরা কিন্তু তা মনে করছেন না। সিএনএন-এর একটি জরিপে দেখা গেছে, ৭৪ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, এই যুদ্ধের পেছনে মানুষের জীবন ও অর্থের যে বিপুল ক্ষতি হয়েছে, তার কোনো সার্থকতা নেই।সূত্র: সিএনএন।

ইরানে হামলার সিদ্ধান্তে অটল ট্রাম্প

মার্কিন রণতরীতে ৭ সেনার মৃত্যুর খবর গুজব ও ভিত্তিহীন: সেন্টকম

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা অভিযানে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে সংঘাত ও সেনাসদস্যদের প্রাণহানির খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। দীর্ঘ দিন সাগরে মোতায়েন থাকার কারণে সৃষ্টি হওয়া মানসিক চাপের জেরে রণতরীটির ক্রুদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে মার্কিন নৌবাহিনীর অন্তত সাতজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সি খবর প্রকাশ করে।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্সের বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, আব্রাহাম লিঙ্কন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপের নাবিক ও মেরিন সেনারা সমুদ্রে ২৬০ দিনেরও বেশি সময়, ১০,০০০ বিমান উড্ডয়ন এবং ১৫ লক্ষ পাউন্ড যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহারের পরেও দৃঢ় ও সংকল্পবদ্ধ রয়েছেন।  সেন্টকম আরও স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করে, এই বিমানবাহী রণতরীতে কোনো সেনা সদস্য মারা যাননি এবং ৩ আগস্ট যে একজন নাবিক সমুদ্রে পড়ে গিয়েছিলেন, তাকে দ্রুত ও নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। সূত্র: আল-জাজিরা

মার্কিন রণতরীতে ৭ সেনার মৃত্যুর খবর গুজব ও ভিত্তিহীন: সেন্টকম

নতুন সরকারের প্রথম দিনেই কলম্বিয়ায় হামলা, নিহত ১

নতুন কট্টর ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা দায়িত্ব নেওয়ার এক দিনের মধ্যেই কলম্বিয়ায় দুটি বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ক্যালিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পর শনিবার ভোরে ক্যালির কাছে একটি মহাসড়কের টোল বুথে বিস্ফোরণ ঘটে। কলম্বিয়ার সেনাবাহিনীর দাবি, ফার্কের বিচ্ছিন্নতাবাদী সদস্যরা বিস্ফোরক ব্যবহার করে নির্মাণাধীন ওই টোল বুথটি উড়িয়ে দেয়। এতে দুই নিরাপত্তাকর্মী সামান্য আহত হন। সান্তান্দের দে কিলিচাও পৌরসভার মধ্য দিয়ে যাওয়া প্যান-আমেরিকান মহাসড়কের ওই এলাকায় ২০১৬ সালের শান্তি চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়া ফার্কের একটি অংশ সক্রিয় রয়েছে। গোষ্ঠীটির নেতৃত্বে আছেন কলম্বিয়ার মোস্ট ওয়ান্টেড গেরিলা কমান্ডার ইভান মোরোদিসকো।হামলার নিন্দা জানিয়ে শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দে লা এসপ্রিয়েলা বলেন, দেশের অবকাঠামোয় হামলা মানে দেশের অগ্রগতির ওপর হামলা। দায়ীদের কোনো আশ্রয় বা ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।এদিকে ক্যালি থেকে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরে উত্তরাঞ্চলীয় সেসার প্রদেশে আরেকটি বোমা হামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন ব্যবহার করে একটি পুলিশ স্টেশনে হামলা চালানো হয়।এই হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। তবে দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনার অঙ্গীকার করেছেন দে লা এসপ্রিয়েলা।প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক নেতৃত্বে আসা দে লা এসপ্রিয়েলা কলম্বিয়ার সশস্ত্র গোষ্ঠী ও মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও এল সালভাদরের প্রেসিডেন্ট নাইব বুকেলের প্রশংসা করেছেন।বুকেলের আদলে বড় আকারের কারাগার নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সহায়তায় কলম্বিয়ায় সক্রিয় গেরিলা গোষ্ঠী ও মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা জোরদারের কথাও বলেছেন।দীর্ঘদিনের সশস্ত্র সংঘাতের পরও কলম্বিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ফার্কের বিচ্ছিন্নতাবাদীসহ অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা রয়েছে। ২০১৬ সালের শান্তি চুক্তির এক দশক পরও দেশটির কিছু এলাকায় এসব গোষ্ঠীর প্রভাব বজায় আছে। মাদক পাচারের সঙ্গেও এসব গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।টোল বুথের কাছে বসবাসকারী ফায়ার সার্ভিসকর্মী রবার্তো সান্দোভাল এএফপিকে বলেন, হামলার পর এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই আতঙ্কের মধ্যে আছি। পরিস্থিতি খুবই উত্তেজনাপূর্ণ। আমরা ভীষণ উদ্বিগ্ন।’ওই এলাকার ৬৮ বছর বয়সী বাসিন্দা সোনিয়া জাপাতার বাড়ির জানালার কাচ বিস্ফোরণের ধাক্কায় ভেঙে বিছানার ওপর ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন, ‘আমি খুবই আতঙ্কিত, খুব ভয় লাগছে।’নতুন সরকারের প্রথম দিনেই এসব হামলা দে লা এসপ্রিয়েলার সামনে কলম্বিয়ার দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলার কঠিন চ্যালেঞ্জটি স্পষ্ট করে তুলেছে।

নতুন সরকারের প্রথম দিনেই কলম্বিয়ায় হামলা, নিহত ১
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream