রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন করে গড়তে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন করে গড়তে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বহুপক্ষীয় কোনো জোট বা ফোরামের পরিবর্তে বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ আলোচনার মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে নতুন করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়তে চায়। আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে একটি নতুন সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যেতে চাই, যা বহুপক্ষীয় ফোরামের মাধ্যমে নয়, বরং দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমেই হওয়া উচিত।’ ভারতের প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগী থাকার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ভারত-কেন্দ্রিক ভীতি বা অতি-আকর্ষণ থেকে বের হতে হবে। অন্য আট-দশটি দেশের মতো ভারতও আমাদের জন্য একটি স্বাধীন প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশ নয়াদিল্লির সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে একটি সুদৃঢ় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে চায়।’ বিগত ১৫ বছরের বিগত সরকারের সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একনায়কতান্ত্রিক ও শোষণমূলক ব্যবস্থার কারণে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের যে অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, ঢাকা এখন তা পেছনে ফেলে পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে নতুন কূটনৈতিক যাত্রা শুরু করতে ইচ্ছুক।’ বহুপক্ষীয় সম্মেলনে অন্যান্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের বিষয়ে নিজের আগের একটি মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমার বক্তব্যটি মূলত ভারতের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য ছিল। আমি কখনো বলিনি যে, আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গেলে আমরা কারও সঙ্গেই কথা বলব না। অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক ফোরামের পাশাপাশি সুবিধাজনক সময়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অব্যাহত থাকবে।’ সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ঘটে যাওয়া কিছু অপ্রীতিকর ঘটনাগুলোর বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমেই এসব সমস্যার সমাধান চায়। আন্তর্জাতিক আইন, বিদ্যমান সীমান্ত প্রটোকল এবং দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা মেনে উপযুক্ত সব প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশ তার উদ্বেগ ভারতের কাছে তুলে ধরবে। ভারতের সঙ্গে বিগত সরকারের সময়ে স্বাক্ষরিত ১০১টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) পুনর্বিবেচনার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘এসব স্মারক ও চুক্তি জাতীয় সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে ও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।’

দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তে ঢুকল উত্তর কোরিয়ার সেনা, সতর্কতামূলক গুলি

আবারও উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তে  উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার কয়েকজন সেনা সামরিক সীমারেখা অতিক্রম করে দক্ষিণ কোরিয়ার ভূখণ্ডে ঢুকে পড়লে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী তাদের সতর্ক করতে গুলি ছোড়ে। চলতি বছরে উত্তর কোরিয়ার সেনাদের সামরিক সীমারেখা লঙ্ঘনের প্রথম ঘটনা এটিই।রোববার (১৬ আগস্ট) দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ জানায়, গত সপ্তাহে ডিমিলিটারাইজড জোনের (ডিএমজেড) পূর্বাঞ্চলে এ ঘটনা ঘটে। উত্তর কোরিয়ার একাধিক সেনা সামরিক সীমারেখা অতিক্রম করে দক্ষিণের দিকে ঢুকে পড়েন। এ সময় দক্ষিণ কোরিয়ার সেনারা সতর্কতামূলক গুলি ছোড়েন। পরে উত্তর কোরিয়ার সেনারা নিজেদের ভূখণ্ডে ফিরে যান।দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর ধারণা, সীমারেখা অতিক্রমের সময় উত্তর কোরিয়ার সেনারা নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন। সতর্কতামূলক গুলির পর তারা ফিরে যাওয়ায় পরিস্থিতি আর উত্তপ্ত হয়নি। এরপর ওই এলাকায় আর কোনো অস্বাভাবিক তৎপরতার খবর পাওয়া যায়নি।ইয়োনহাপ জানিয়েছে, গত বছর উত্তর কোরিয়ার সেনারা ১৭ বার সামরিক সীমারেখা অতিক্রম করেছিলেন। তবে চলতি বছরে এটিই প্রথম এমন ঘটনা।এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার কয়েক হাজার সেনার অংশগ্রহণে শুরু হতে যাওয়া যৌথ সামরিক মহড়ারও বিরোধিতা করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটি সতর্ক করে বলেছে, এ মহড়ার জবাবে তারা আরও শক্তিশালী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে।সোমবার থেকে শুরু হতে যাওয়া ১১ দিনের এই সামরিক মহড়া প্রতি বছর গ্রীষ্মে অনুষ্ঠিত হয়। উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও প্রস্তুতি জোরদার করাই এ মহড়ার প্রধান উদ্দেশ্য।১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত চলা কোরীয় যুদ্ধের পর দুই দেশের মধ্যে কোনো শান্তিচুক্তি হয়নি; যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘাতের অবসান হয়। ফলে দুই কোরিয়া এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে।তথ্যসূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তে ঢুকল উত্তর কোরিয়ার সেনা, সতর্কতামূলক গুলি

কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলি চালালে মোহাম্মদ তারা মিয়া (২০) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।শনিবার (৮ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের মুরইছড়া সীমান্তসংলগ্ন ভারতের মাগুরুলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত তারা মিয়া কুলাউড়া উপজেলার কর্মদা ইউনিয়নের মুরইছড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেকের ছেলে।বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে তারা মিয়াসহ কয়েকজন বাংলাদেশি সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। এ সময় বিএসএফের একটি টহল দলের সঙ্গে তাদের মুখোমুখি পরিস্থিতি তৈরি হয়। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা গুলি ছুড়লে তারা মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন।তার সঙ্গে থাকা অন্যরা সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আত্মগোপনে চলে যান বলে বিজিবি জানিয়েছে।স্থানীয়দের ভাষ্য, তারা মিয়াসহ কয়েকজন যুবক ভারতীয় ‘নাসিরপাতার’ বিড়ি সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সীমান্তের প্রায় ৫০০ গজ ভেতরে মাগুরুলী এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখানেই বিএসএফের গুলির ঘটনা ঘটে।বিজিবি-৪৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, রাতে সীমান্ত এলাকায় গুলির শব্দ শোনার পর বিজিবি দ্রুত বিএসএফের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরে বিএসএফের পক্ষ থেকে গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বিজিবি।

কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream