মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
Topic Ads 1
আমার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম

আমার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার অনুপস্থিতিতে শেখ ফজলুল করিম সেলিম আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এখন শেখ সেলিম সিনিয়র মোস্ট প্রেসিডিয়াম সদস্য। আমার অনুপস্থিতিতে তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।’ ছোট বোন শেখ রেহানা সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, ‘রেহানা সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নয়।’ দ্য ওয়ালের এক্সিকিউটিভ এডিটর অমল সরকারের সঙ্গে দীর্ঘ কথোপকথনে দেশে ফেরা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে কথা বলেন শেখ হাসিনা। সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফেরার সিদ্ধান্তের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই তাকে হত্যার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রত্যেকের জীবনের ঝুঁকি আছে। আমি দেশে ফেরার জন্য নির্দেশনা দিয়ে কাউকে বিপদে ফেলতে চাই না।’ তিনি জানান, দেশে ফেরার বিষয়ে তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। বাংলাদেশে জঙ্গিবাদী শক্তির উত্থান ঘটছে বলে দাবি করেন শেখ হাসিনা। এর প্রভাব শুধু বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশে জঙ্গিবাদীদের উত্থানের খেসারত ভারতকেও দিতে হবে।’ তার বক্তব্য, বাংলাদেশের অস্থিরতা এবং মৌলবাদী শক্তির বিস্তার ভারতের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আঞ্চলিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মনে করেন। বাংলাদেশের নির্বাচনকে ভারতের সমর্থন এবং তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রসঙ্গেও নয়াদিল্লির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘ভারত সরকার কী ভেবে বাংলাদেশের নির্বাচন সমর্থন করল, তারেককে ফিরিয়ে আনল সেটা ভারত সরকারই ভালো বলতে পারবে।’ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভারতের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন শেখ হাসিনা। তার মতে, কোনো সামরিক জোটের পরিবর্তে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন। এ সময় তারেক রহমানের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি বিদেশে অবস্থান করে রাজনীতি করেছেন। তার ভাষায়, ‘আমি তো বাধা দিইনি। আমি দিল্লি থেকে কথা বললেই দোষ?’ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দর-কষাকষি বাংলাদেশের জন্য সম্মানজনক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার সময় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা। দেশের পরিস্থিতি তাকে কতটা ব্যথিত করছে, তা বোঝাতে তিনি বলেন, ‘আমার তো হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়, যখন দেখছি আমার দেশ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।’ দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানালেও নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং তার প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে অন্য কারও জীবন যাতে ঝুঁকিতে না পড়ে, সেই আশঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। দেশে ফেরার জন্য সরকার ট্রাভেল ডকুমেন্ট না দিলে কীভাবে ফিরবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশটা আমার। আমার বাবা এদেশ স্বাধীন করেছে। আমরা এই দেশেই ছোটবেলা থেকে মানুষ হয়েছি। আর রাজনীতিতো স্কুল জীবন থেকেই আমি শুরু করেছি। সেখানে আমার দেশে কেন আমাকে ফিরতে দেবে না, সেটাই আমার প্রশ্ন।’ তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার ভারত সরকারের কাছে তাঁকে ফেরত দেওয়ার কথা বলছে। তার বক্তব্য, ‘যখন ফেরত দেওয়ার কথা বলছে তখন ফেরত কেন, আমি নিজেই যাব।’ দেশে ফেরার অনুমতি না দিলে অন্য কোনোভাবে প্রবেশ করবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেটা অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ বর্তমান পরিস্থিতিকে অনুকূল নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে মানুষ নির্যাতিত হচ্ছে। এ সময় অন্তর্বর্তী সরকারেরও সমালোচনা করেন তিনি এবং বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ বলে মন্তব্য করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি দেশের মানুষের কাছে যাব। কারণ, মানুষ এখন কষ্ট পাচ্ছে। তাদের পাশে আমাকে দাঁড়াতে হবে। তাতে যদি আমার জীবনও যায় যাবে। কিন্তু আমি মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই।’ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণভবন থেকে ভারতে যাওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দেশ ছেড়ে আসার ইচ্ছা তাঁর ছিল না এবং কী ঘটতে যাচ্ছে, তা-ও তিনি আগে জানতেন না। তার ভাষ্য, একটি পরিস্থিতিতে তাঁকে দেশ ছাড়তে হয়। এমনকি হেলিকপ্টারে করে সীমান্ত পার হওয়ার পর তাকে জানানো হয় যে তারা ভারতে যাচ্ছেন। এর আগে পর্যন্ত তিনি মনে করেছিলেন, তাঁকে তাঁর গ্রামের বাড়ি টুঙ্গিপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি তো মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে কাজ করেছি। তাদের লাশ ফেলার মাধ্যমে আমাকে ক্ষমতায় থাকতে হবে কেন! এ অবস্থায় আমি বললাম আমার থাকার দরকার নেই। আমি চলে যাব।’ তিনি বলেন, ‘আমি যাব কোথায়? আমি বললাম যে, আমি যাব টুঙ্গিপাড়া গ্রামের বাড়িতে। যখন আমি এয়ারক্রাফটে তখন আমি জানলাম আমি এখানে (ভারত) চলে এসেছি।’ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বিপুলসংখ্যক মামলা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন শেখ হাসিনা। তার দাবি, ‘আমার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৬ লক্ষ মামলা দেওয়া হয়েছে।’ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, ‘যত জঙ্গি, সন্ত্রাসী ছিল তাদেরকে তারা ছেড়ে দিয়েছে।’ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন থানায় হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও পুলিশের সদস্যদের ওপর সহিংসতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এসব বক্তব্যের বিষয়ে সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা তার নিজস্ব ব্যাখ্যা ও দাবি তুলে ধরেছেন। ডিসেম্বরের আগেই দেশে ফেরার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে ফিরবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ডিসেম্বর মাসটি তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই বেছে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বর মাসটা আমি বেছে নিয়েছি, আসলে এটা আমাদের বিজয়ের মাস।’ তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কথাও জানান তিনি। তার ভাষায়, ‘এখন আমি আমার তৃণমূলের মানুষদের সঙ্গে কথা বলছি। তাদেরকে কোপায়, মারে, অত্যাচার করে, নির্যাতন করে। এগুলি চলছে। তারপরও এই অবস্থায় মানুষ আমাদের সঙ্গে কথা বলে।’ তিনি বলেন, ‘আগে না, ডিসেম্বর মাসেই যাবো আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেভাবেই আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে ভারতের আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, আদালতের রায়ই চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছে ভারত। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ধারাবাহিক আলোচনা চলছে।ভারতের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশের অভিযোগগুলো ভারতের আইনেও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয় কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। একই সঙ্গে প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশের পাঠানো অনুরোধ ইতোমধ্যে ভারতের হাতে পৌঁছেছে। এর সঙ্গে প্রয়োজনীয় আইনি নথিও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। নয়াদিল্লির একটি অজ্ঞাত স্থানে থেকে তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলে দলটির বর্তমান ও সাবেক সংসদ সদস্যদের দাবি।এদিকে শেখ হাসিনা নিজেই চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। গত ৫ আগস্ট এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে দেশে ফেরার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি ডিসেম্বরকে বাংলাদেশের বিজয়ের মাস উল্লেখ করে ওই মাসে দেশে ফেরার কথা বলেন।বাংলাদেশে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় রয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে এই সাজা দেয়। এই রায়কে ভিত্তি করেই বাংলাদেশ তার প্রত্যর্পণের দাবি জানিয়ে আসছে।তবে আওয়ামী লীগের নেতারা মনে করছেন, ভারতে প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হলে ট্রাইব্যুনালের রায়কে বিভিন্ন আইনি যুক্তিতে চ্যালেঞ্জ করা হতে পারে। বিশেষ করে রায়টি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেওয়া হয়েছিল—এই বিষয়টি আদালতে তোলা হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।২০১৩ সালের ভারত-বাংলাদেশ প্রত্যর্পণ চুক্তিতে বিচারিকভাবে সাজাপ্রাপ্ত বা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ফেরত দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে রাজনৈতিক চরিত্রের অপরাধ প্রত্যর্পণের আওতার বাইরে রাখা হলেও হত্যা, হামলা, আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার ও হত্যায় প্ররোচনাসহ কয়েকটি গুরুতর অপরাধকে রাজনৈতিক অপরাধ হিসেবে বিবেচনা না করার কথা বলা হয়েছে।ভারতের ১৯৬২ সালের প্রত্যর্পণ আইনেও এ বিষয়ে বিস্তারিত বিধান রয়েছে। কোনো প্রত্যর্পণ অনুরোধের পর ভারত সরকার প্রয়োজন মনে করলে একজন অনুসন্ধানী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করতে পারে। তিনি অভিযোগের পক্ষে প্রাথমিকভাবে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে মনে করলে প্রত্যর্পণের সুপারিশ করতে পারেন। অন্যদিকে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়ার বিধানও রয়েছে।সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে ভারতের আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য ও ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের না যাওয়ার সম্ভাবনা

ভারতের দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হতে দেওয়ার ঘটনায় ঢাকা ও দ্যিল্লির মধ্যে নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব হিসেবে আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ হয়ে পড়েছে।বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত ১৪ জুলাই তারেক রহমানকে আউটরিচ পর্বে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পাঠিয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে বাংলাদেশ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের মতে, এই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শেষ। দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি গণমাধ্যমের সামনে এসে বাংলাদেশ ও বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে গভীর অসন্তোষ জানিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিষয়টিকে ভারতের 'দ্বিমুখী নীতি' বলে উল্লেখ করেছেন।উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল স্পষ্ট করেছেন যে, দিল্লির ওই মঞ্চে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য ভারত সরকারের অনুমোদিত নয়।সম্পর্ক আরও অবনতির দিকে নেওয়া ঠেকানো এবং পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ জোরদার করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ঢাকায় ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পৃথক সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য ও ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের না যাওয়ার সম্ভাবনা

‘মাঝেমধ্যে উঁকিঝুঁকি দেন, সরকার আমলে নিচ্ছে না’: শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদেশ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্যকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে না।শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের নির্মাণকাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার চেহারা দেখা যায়নি। দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে বিদেশ থেকে মাঝেমধ্যে উঁকিঝুঁকি দেন। তবে এসব সরকার আমলে নিচ্ছে না।’তিনি আরও বলেন, ‘যারা গণহত্যা চালিয়েছে এবং যাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই, তাদের বাংলাদেশের মানুষ আর কখনো গ্রহণ করবে না। তাদের রাজনীতিও দেশের মানুষ গ্রহণ করছে না।’এর আগে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের একটি আবাসিক ফ্ল্যাট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, সমুদ্রসম্পদ এবং গভীর সমুদ্রবন্দরকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব। এ লক্ষ্যে বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।এ সময় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

‘মাঝেমধ্যে উঁকিঝুঁকি দেন, সরকার আমলে নিচ্ছে না’: শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream