সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নিষেধাজ্ঞা

অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নিষেধাজ্ঞা

অস্ট্রেলিয়া অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবার আনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। একই সঙ্গে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ব্যাকপ্যাকার ও তথাকথিত ‘ভিসা হপারদের’ ওপরও বিধিনিষেধ জোরদার করার। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক অভিবাসন ব্যবস্থাপনার ওপর উচ্চমানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার তাগিদ দিয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েট ভিসার নতুন নিয়মগুলো প্রকাশ করেন। ২০২৮ সালের মধ্যে নিট অভিবাসন ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সে দেশের সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভিসায় পরিবার আনার সুযোগ বন্ধ করা হলেও ইতোমধ্যে দেশে অবস্থানরত শিক্ষার্থী, প্যাসিফিক ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আবেদনকারী এবং পিএইচডি গবেষকরা এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবেন। পড়াশোনা শেষ করে নিম্নমানের কোর্সে ভর্তি হয়ে অবস্থান দীর্ঘায়িত করার বা ‘ভিসা হপিং’ প্রবণতাও বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো শিক্ষার্থী উচ্চতর ডিগ্রিতে ভর্তি হতে চাইলে সেই অনুমতি দেওয়া হবে। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6aab8a17957a6" ) ); ওয়ার্কিং হলিডে ভিসার ক্ষেত্রে ব্যালট প্রথা চালু করা হচ্ছে। এর ফলে দ্বিতীয় বছরের সুযোগ পাওয়া আবেদনকারীর সংখ্যা ৪৫ হাজারে এবং তৃতীয় বছরের জন্য তা ৫ হাজারে সীমিত করা হবে। তবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির কারণে যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা এই পরিবর্তনের আওতায় পড়বেন না। অস্ট্রেলিয়ার পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ১২ মাসে দেশটির জনসংখ্যা ১.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২ কোটি ৭৯ লাখে পৌঁছেছে, যার মধ্যে নিট অভিবাসী ২ লাখ ৯২ হাজার ১০০ জন। জীবনযাত্রার ব্যয় ও আবাসন সংকট বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিবাসন সেখানে একটি প্রধান রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। নতুন এই নীতির সমালোচনা করে সেটেলমেন্ট সার্ভিসেস ইন্টারন্যাশনালের ভায়োলেট রুমেলিওটিস জানান, স্বল্পমেয়াদী রাজনীতির কারণে নেওয়া এসব সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মেধাবীদের আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়াকে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে দেবে। সূত্র: বিবিসি

শিক্ষার্থী সিফাতের মুক্তি দাবি ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে

বিরোধী দলনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধি ও প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করায় গ্রেপ্তার কলেজ শিক্ষার্থী সিফাত আবদুল্লাহর অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছেন। মতিঝিলে আজ শনিবার ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম ‘লংমার্চ’ শুরুর আগে আয়োজিত উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এই দাবি জানান। ‘তাকে মুক্তি দিন। শান্তিপূর্ণভাবে মুক্তি দিন। যদি তা না করেন, তবে মনে রাখবেন যে নূর হোসেন, ইয়াসমিন এবং ড. মিলনের মতো অনেকেই ক্ষমতার আসনে থাকা অনেকের বিরুদ্ধেই পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে দিয়েছিলেন। কেউ বলতে পারে না কখন পচা শামুকের ওপর পা দিয়ে তার পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে’ বলেন জামায়াত আমির  বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন, সিফাতকে থানায় নিয়ে গিয়ে দলীয় কর্মীরা হেনস্তা করেছে। তিনি বলেন, ওই শিক্ষার্থীকে এমনভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে যেন তার মন্তব্য ‘বাংলাদেশকে ওলটপালট করে দিতে পারে’। ‘সিফাত যে ভাষা ব্যবহার করেছে তাকে সমর্থন না করলেও, যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ সিফাতের মতোই গর্জন করবে’, যোগ করেন শফিকুর রহমান। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনসহ ছয় দফা দাবিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট এই লংমার্চ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। তবে সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় শফিকুর রহমান এতে সপ্তম দাবি হিসেবে ‘চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের প্রত্যাখ্যানের’ ঘোষণা যুক্ত করেন। সমাবেশে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের স্বার্থে রাজপথে নামিনি, সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য নেমেছি। রাজপথ, মহাসড়ক কিংবা জাতীয় সংসদ— সবখানেই জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই চলবে।’ সমাবেশে বক্তব্য প্রদানকালে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ দাবি করেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অলি আহমদ বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ লংমার্চে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। জনগণের দাবি মেনে না নিলে সরকারকে পদত্যাগ করা স্বৈরাচারদের পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে।’ অন্যদিকে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু অভিযোগ করেন, সরকারের ঘোষিত বিভিন্ন সংস্কার এজেন্ডা ও প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল ও লোডশেডিং থামেনি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক সরকারকে সতর্ক করে বলেন, ‘সরকার যদি দেশকে ভুল পথে পরিচালিত করতে চায়, তবে আমরা বারণ করব। কিন্তু তাতেও কাজ না হলে কঠোর অবস্থান নিতে আমরা দ্বিধা করব না।’ মতিঝিলের সমাবেশ শেষে হাজার হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে জোটের লংমার্চ চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর এবং আগামী মাসে খুলনা ও সিলেটে অনুরূপ কর্মসূচি পালনের কথা রয়েছে।

শিক্ষার্থী সিফাতের মুক্তি দাবি ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে

ভারতে সিজেপির আন্দোলনে পুলিশি শক্তি প্রয়োগের অভিযোগ

ভারতে পুলিশ ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে তরুণদের বিক্ষোভ দমনে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংগঠনটির মতে, ইলেকট্রিক শকের যন্ত্র ও প্যালেট গান বিক্ষোভকারীদের ওপর ব্যবহারের প্রমাণ তাদের হাতে এসেছে। ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান গত মাসের এই বিক্ষোভের জেরে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। সোমবার (২৪ আগস্ট) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের বিস্তারিত বিবরণ তারা সংগ্রহ করেছে। তবে সংগঠনটি স্বীকার করেছে যে বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে ওঠার পরই পুলিশ বলপ্রয়োগ করেছিল। উভয় পক্ষের সহিংসতার তদন্তে গত বৃহস্পতিবার একটি প্যানেল গঠন করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। এমন পরিস্থিতিতেই অ্যামনেস্টি তাদের প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় নয়াদিল্লিতে শুরু হয় তেলাপোকাদের এই আন্দোলন। শুরুর দিকে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ থাকলেও গত ২০ জুলাই পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেয়। সেদিন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী পার্লামেন্টের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয় এবং সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লি ও বিহারে বিক্ষোভকারীদের ওপর প্যালেটচালিত শটগান, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড, লাঠি ও ইলেকট্রিক শকের যন্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি তারা নিশ্চিত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য ও যাচাই করা ভিডিও প্রমাণের ভিত্তিতে সংগঠনটি এ দাবি করেছে। বিহারের সিওয়ান জেলায় এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জনতার ওপর বেআইনিভাবে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের দুটি ঘটনাও যাচাই করে দেখেছে অ্যামনেস্টি। যদিও এসব ঘটনায় কেউ নিহত হননি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব অস্ত্র এমনভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার মানদণ্ড এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ পুলিশি নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে। বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটলেও তার প্রতিক্রিয়া ছিল ‘রাষ্ট্র-অনুমোদিত সহিংসতার’ সমতুল্য বলে মনে করে অ্যামনেস্টি। অন্যদিকে দিল্লি পুলিশ গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে ওঠার পরই তারা বলপ্রয়োগ করেছিল। পুলিশের দাবি, শিক্ষার্থীদের ছদ্মবেশে থাকা সমাজবিরোধীরা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের গুরুতর আহত করেছে। এদিকে গত শুক্রবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী দিল্লির একটি থানার বাইরে ১৯ বছর বয়সী এক বিক্ষোভকারীর সঙ্গে অবস্থান ধর্মঘট করেন। ওই তরুণ জানান, ২০ জুলাইয়ের সংঘর্ষে প্যালেটের আঘাতে তিনি আহত হয়েছিলেন। রাহুল গান্ধী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। পরে ওই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পাবলিক পরীক্ষায় অনিয়মের ক্ষোভ থেকে শুরু হওয়া সিজেপির এই বিক্ষোভ সমালোচকদের চোখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটি বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল। ২০২৪ সালে তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর মোদির সামনে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি। শিক্ষামন্ত্রীকে সরিয়ে দিয়ে আপাতত সেই চাপ সামাল দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।

ভারতে সিজেপির আন্দোলনে পুলিশি শক্তি প্রয়োগের অভিযোগ

রংপুর ক্যাডেট কলেজের ৫০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০ জনই জিপিএ-৫

রংপুর ক্যাডেট কলেজের ৫০ শিক্ষার্থী এবার দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই পেয়েছে জিপিএ-৫। বিজ্ঞান বিভাগের ৪৭ জন ও মানবিক বিভাগের ৩ জনের সবাই জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এবারও শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ার সাফল্য ধরে রেখেছে রংপুরের এই প্রতিষ্ঠান। গত বছরও ৪৫ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছিল। আজ সোমবার সকালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর রংপুর ক্যাডেট কলেজে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করে কলেজের অধ্যক্ষ এ এইচ এম ছেরাজুজ্জামান শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, ক্যাডেট ও অভিভাবকদের অভিনন্দন জানান। কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, এবারের পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগের ৪৭ জন এবং মানবিক বিভাগের ৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। প্রত্যেকেই জিপিএ-৫ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির ফলাফলে শতভাগ সাফল্য এসেছে। অধ্যক্ষ এ এইচ এম ছেরাজুজ্জামান বলেন, ক্যাডেট কলেজের নিয়মতান্ত্রিক ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ ভালো ফলাফলের অন্যতম কারণ। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিকতা, চরিত্র গঠন, খেলাধুলা ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। অধ্যক্ষ বলেন, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক তদারকি এবং ক্যাডেটদের নিয়মিত অনুশীলন ও অধ্যবসায়ের ফলে এই ফল অর্জন সম্ভব হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, সেনাসদরের দিকনির্দেশনা, অধ্যক্ষের নেতৃত্ব, উপাধ্যক্ষের তত্ত্বাবধান, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের প্রচেষ্টা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতা প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক ভালো ফলাফলে ভূমিকা রাখছে। এছাড়া রংপুর জিলা স্কুল থেকে ২২৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ২১৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫০ জন। রংপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ২৬৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৬৪ জন পাস করেছে। এ প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৭ জন। রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫৩৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৩০ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২৯ জন। রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৫৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫৬৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২২ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানেরা বলছেন, শিক্ষকদের নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ, পরীক্ষার আগে বাড়তি প্রস্তুতি এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার কারণে ভালো ফল এসেছে।

রংপুর ক্যাডেট কলেজের ৫০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০ জনই জিপিএ-৫
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream