সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন

লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন

জামায়াতের লংমার্চে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হলেও দলটির ‘পরিকল্পিতভাবে ঝামেলা করার প্ল্যান ছিল’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। আজ রোববার নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ অভিযোগ করেন। রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘জামায়াতের লংমার্চে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হয়েছে। যেহেতু তারা সহযোগিতা চেয়েছিল, পুলিশ প্রটেকশন দিয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত জামায়াতের গাড়িবহর নিয়ে যায়। সহযোগিতা না চাইলেও পুলিশ একই ধরনের নিরাপত্তা প্রদান করত।’ তবে লংমার্চকে কেন্দ্র করে জামায়াত ‘পরিকল্পিতভাবে একটা ঝামেলা করার প্ল্যান’ করেছিল বলে অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি লেখেন, ‘পরিকল্পিতভাবে একটা ঝামেলা করার প্ল্যান ছিল জামায়াতের। রাতের বেলা মতিঝিলে লাঠিসোটা জড়ো করেছিল। জানি না, এই লাঠিগুলো পরে বহরের গাড়িতে তোলা হয় কি না।’ জামায়াতের বহরে শীর্ষ নেতারা উসকানিমূলক স্লোগান দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘হৈ হৈ রৈ রৈ, ছাত্রদল, যুবদল গেলি কই’- এ ধরনের স্লোগান দেওয়া হয়েছে। রাশেদ খাঁন আরও বলেন, সবকিছু দেখে অনেকের মনে হয়েছে, এটি জামায়াতের ব্যবস্থাপনা, অর্থায়ন ও জনবলে এনসিপির লংমার্চ। তার দাবি, জামায়াত সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার ঝুঁকি নিতে চায় না। এ কারণে এনসিপির নেতাদের সামনে রেখে এবং আওয়ামী লীগকে পেছনে রেখে মাঝখান থেকে রাজনৈতিক খেলায় নামতে চায় দলটি। তবে জামায়াত-শিবিরের অনেক নেতাকর্মী ও অ্যাক্টিভিস্ট এনসিপিকে জামায়াতের মুখপাত্র বানানোর বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না বলেও দাবি করেন তিনি। তাদের বক্তব্য তুলে ধরে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘এনসিপি আজ হোক আর আগামীকাল হোক, জামায়াত জোট ছাড়বে। সুতরাং তাদের কেন এত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে?’ জামায়াতের জোটসঙ্গীদের নিয়েও নিজের বক্তব্য তুলে ধরে রাশেদ খাঁন বলেন, এনসিপিকে বিএনপি চারটির বেশি আসন ছাড়েনি বলেই তারা জামায়াতে গেছে। মাওলানা মামুনুল হকের দলও পর্যাপ্ত আসন পেলে বিএনপির সঙ্গে থাকত বলে মন্তব্য করেন তিনি। অন্য দলগুলোর ক্ষেত্রেও আসন সমঝোতার বিষয়টি তুলে ধরে ভবিষ্যতে বিএনপি বেশি আসন সমন্বয় করতে পারলে তারা জোট পরিবর্তন করতে পারে বলে দাবি করেন। ভবিষ্যতে বিএনপি বেশি আসন সমন্বয় করতে পারলে এসব দল আবার অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাশেদ খাঁন বলেন, ‘জামায়াত যাদের ওপর ভরসা রেখে এত অর্থকড়ি খরচ করছে, তারাই একদিন জামায়াতকে এমন ধাক্কা দেবে যে, জামায়াত আর ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি পাবে না।’ সবশেষে জামায়াতের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘ভবিষ্যতের ডায়েরি এখন থেকে কিনে রাখুন, কী কী বলবে সেটি নোট করার জন্য!’ তিনি দাবি করেন, এনসিপি ২০৩১ সালের জাতীয় নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে এবং বিভিন্ন বিদেশি সংস্থা ও শক্তি তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে। এনসিপির অতীতের বিভিন্ন বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দলটির সঙ্গে জামায়াতের বর্তমান রাজনৈতিক সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে দাবি করেন, এনসিপি ২০৩১ সালের জাতীয় নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। স্ট্যাটাসের শেষ দিকে জামায়াতের নেতাকর্মীদের সতর্ক করে তিনি লেখেন, ‘একদিন আপনারাই বলবেন, দুধকলা দিয়ে কালসাপ পুষলাম।’ 

তদবিরের সুযোগ বন্ধ, মেধাতেই মিলবে চাকরি: রাশেদ খান

বর্তমান সরকার মেধাভিত্তিক প্রশাসন গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন। আর তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন। রাশেদ খাঁনকে ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ৭ বছর ৫ মাস পর এসে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। সেই নির্বাচনে জিএস পদে আগের ঘোষিত বিজয়ী প্রার্থী নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে চাকরিপ্রার্থীদের উদ্দেশে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ এখন আর নেই। যার মেধা আছে, সেই চাকরি পাবে। আমরা ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন করেছিলাম, তার মূল লক্ষ্যই ছিল একটি মেধাবী প্রশাসন গঠন এবং কোটাবৈষম্য দূর করা। আজকের বাংলাদেশে চাকরিতে কোনো বৈষম্য হচ্ছে না।’ ডাকসু নির্বাচনে জয়ী হয়েও দীর্ঘ প্রায় সাড়ে সাত বছর পর ‘ন্যায়বিচার পাওয়ার’ কথা উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘অন্যায় করে কেউ যে পার পায় না, সেটা শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে গোলাম রাব্বানীরা আজ টের পাচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাকে ডাকসুর জিএস হিসেবে ঘোষণা করে ন্যায়বিচারের নজির স্থাপন করেছে।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান রাশেদ খাঁন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন আর গণরুম বা গেস্টরুম নেই। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে সুসম্পর্ক থাকা প্রয়োজন, সেটা বজায় রাখতে হবে। শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে। কোনো মহল যাতে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে।

তদবিরের সুযোগ বন্ধ, মেধাতেই মিলবে চাকরি: রাশেদ খান

এনসিপিকে নির্বাচনী খরচ দিয়ে ৭১-এর দায় মোছার চেষ্টা: রাশেদ খাঁন

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিরোধী দলের ছায়া সরকার থেকে বাদ পড়ার মতোই প্রকৃত সরকার থেকেও বাদ থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এনসিপিকে জামায়াত নির্বাচনী খরচ দিয়ে ১৯৭১ সালের অপরাধের দায় মোছার চেষ্টা করেছে। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বুধবার (২৬ আগস্ট) দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এসব মন্তব্য করেন। পোস্টে তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের ছায়া সরকার থেকে এনসিপি আউট! জামায়াত কখনো ক্ষমতায় গেলে প্রকৃত সরকার থেকেও এভাবেই এনসিপি আউট থাকবে।’ সাংগঠনিক সক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও এনসিপিকে এতগুলো আসন ও প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ দেওয়ার পেছনে জামায়াতের ১৯৭১ সালের অপরাধের দায় মোছার চেষ্টা ছিল বলে দাবি করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, ‘শাক দিয়ে যেমন মাছ ঢাকা যায় না, এনসিপিকে দিয়ে ৭১-এর গণহত্যার দায় থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না।’ তার দাবি, জামায়াত যত দিন থাকবে, তত দিন ১৯৭১ সালের গণহত্যার দায় নিয়েই দলটিকে থাকতে হবে। একইভাবে আওয়ামী লীগকেও ২০২৪ সালের গণহত্যার দায় নিয়ে পালিয়ে থাকতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ছায়া সরকার গঠনের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণা ও বিভিন্ন জরিপে ক্ষমতায় যাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলটির নেতাদের হতাশা কিছুটা কমবে বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, ছায়া সরকার গঠনের পর জামায়াত নেতাদের মধ্যে ক্ষমতায় থাকার মানসিকতা দেখা যেতে পারে। ক্ষমতায় যেতে না পারার আক্ষেপ থেকে তাদের মধ্যে হিংসা ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যও কমে আসতে পারে। পাশাপাশি তারা দায়িত্বশীল হয়ে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সরকারকে বিকল্প নীতির প্রস্তাব দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তবে ছায়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামিদুর রহমান আজাদের মতো গুম নিয়ে ‘মিথ্যাচার ও অপপ্রচার’ চালানো হলে মানুষ ছায়া সরকারকে ‘গুজব সরকার’ এবং এর মন্ত্রীদের ‘গুজব মন্ত্রী’ বলা শুরু করবে বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। ছায়া মন্ত্রিসভায় ৫ আগস্টের পর ‘বিপ্লবী’ হিসেবে আবির্ভূত হওয়া নারী নেতৃত্বের একজন প্রতিনিধি রাখার সুযোগ ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে মারদিয়া মমতাজের নাম উল্লেখ করে রাশেদ খান প্রশ্ন তোলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কোনো নারীকে মন্ত্রিত্বে বসাবে কি না। তিনি আরও দাবি করেন, জুলাই জাতীয় সনদ লঙ্ঘন করে জামায়াত কোনো নারীকে মনোনয়ন দেয়নি। অন্যদিকে বিএনপি নির্বাচনের আগেই নারী প্রার্থী দেওয়ার মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে এবং সরকারে দায়িত্ব পাওয়ার পরও সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এনসিপিকে নির্বাচনী খরচ দিয়ে ৭১-এর দায় মোছার চেষ্টা: রাশেদ খাঁন
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream